a জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতারা ৪ দিনের রিমান্ডে
ঢাকা রবিবার, ২৬ মাঘ ১৪৩২, ০৮ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতারা ৪ দিনের রিমান্ডে


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৪:২১
জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতারা ৪ দিনের রিমান্ডে

ফাইল ছবি

সরকারকে অবৈধভাবে উৎখাত করার অভিযোগে রাজধানীর ভাটারা থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে করা মামলায় জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ ৯জনের চারদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। 

মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর হাকিম বেগম মাহমুদা আক্তারের আদালত শুনানি শেষে এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

রিমান্ডে যাওয়া অপর আসামিরা হলেন- জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান ও হামিদুর রহমান আজাদ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য আবদুর রব, ইজ্জত উল্লাহ, মোবারক হোসাইন, জামায়াতের শুরা সদস্য ইয়াসিন আরাফাত, সেক্রেটারি জেনারেলের গাড়িচালক মনিরুল ইসলাম ও জামায়াতকর্মী আব্দুল কালাম।

এদিন গ্রেপ্তার আসামিদের ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। এরপর তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ভাটারা থানার উপপরিদর্শক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামিদের ১০ দিন করে রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, আসামিরা দেশের জননিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করাসহ ব্যক্তিসত্তা ও প্রজাতন্ত্রের সম্পর্কের ক্ষতিসাধনসহ শেখ হাসিনার সরকারকে অবৈধভাবে উৎখাত করার উদ্দেশ্যে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়।

এ সময় আসামিপক্ষে তাদের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে আবেদন করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেকের চার দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে, গতকাল সোমবার বিকেলে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বাড়ি থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর গতকাল রাতেই রাজধানীর ভাটারা থানায় গোলাম পরওয়ারসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়।
 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

কারণ দেখাতে না পারায় পুলিশ কর্মকর্তার মোটরসাইকেলও জব্দ!


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
রবিবার, ০৪ জুলাই, ২০২১, ০৭:৪৩
কারণ দেখাতে না পারায় পুলিশ কর্মকর্তার মোটরসাইকেলও জব্দ!

ফাইল ছবি

পুলিশি চেকপোস্টে রক্ষা পায়নি এএসআইয়ের মোটরসাইকেল। যৌক্তিক কারণ ছাড়া বের হওয়া ও হেলমেটসহ মোটরসাইকেলের কাগজপত্র দেখাতে না পারায় তার বিরুদ্ধে মামলা ও মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়েছে। 

কঠোর লকডাউনের চতুর্থ দিন রোববার বেলা ১১টার দিকে নগরীর আমতলার মোড়ে চলমান চেকপোস্টে পুলিশ পরিচয় দিয়েও এক ব্যক্তি রক্ষা পাননি। পরে তার মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়।

জানা গেছে, বেলা ১১টার দিকে নগরীর আমতলার মোড়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনারের (ট্রাফিক) উপস্থিতিতে নিয়মিত চেকপোস্টে জিজ্ঞাসাবাদ কার্যক্রম চলছিল। এ সময় একটি মোটরসাইকেলে হেলমেটবিহীন দুই ব্যক্তি সেখানে হাজির হন। চেকপোস্টে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা লকডাউনের মধ্যে তাদের ঘর থেকে বাইরে বের হওয়ার কারণ জানতে চান। পুলিশসহ দুজন ব্যক্তি যৌক্তিক কোনো কারণ দেখাতে পারেনি। 

এ সময় মোটরসাইকেল আরোহীর একজন নিজেকে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখার সদস্য দাবি করেন এবং নিজের নাম কামরুজ্জামান, পদবি এএসআই বলে জানান। তবে ওই সময়ে তার ডিউটি ছিল না এবং পরিচয়পত্র দেখাতে পারেননি। এমনকি তার গাড়ির কাগজপত্র দেখতে চাইলে তাও দেখাতে পারেননি। তাই তার মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

কারিগরি ত্রুটিতে আবারও বন্ধ রয়েছে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
মঙ্গলবার, ০৪ জুলাই, ২০২৩, ০১:০৫
কারিগরি ত্রুটিতে আবারও বন্ধ রয়েছে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র

ফাইল ছবি

কয়লাসংকট কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই গত শুক্রবার রাত পৌনে ৯টার দিকে কেন্দ্রটির ইলেকট্রিক্যাল প্রটেকশন সিস্টেমে ত্রুটি দেখা দেয়। ত্রুটি সনাক্তের পরপরই উৎপাদন বন্ধ করে দেন প্রকৌশলীরা। বর্তমানে মেরামতকাজ চলছে। ঠিক হতে আরো তিন দিন সময় লাগতে পারে। এর আগেও বয়লারের টিউব ফেটে যাওয়া এবং কুলিং হিটারে ছিদ্রসহ কিছু কারিগরি কারণে একাধিকবার কেন্দ্রটি বন্ধ হয়েছে। তবে কয়লা নিয়ে আপাতত কোনো সংকট নেই।

সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশের উত্তর-পশ্চিম প্রান্তসীমা থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (বিআইএফপিসিএল)। বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে নির্মাণাধীন কেন্দ্রটির প্রতি ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা ৬৬০ মেগাওয়াট। মৈত্রী সুপার থার্মাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) এবং ভারতের ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার করপোরেশনের (এনটিপিসি)  সমান মালিকানা রয়েছে। 

কেন্দ্রটি পরিচালনা করছে সমান ৫০ শতাংশ অংশীদারিত্বে গঠিত বিআইএফপিসিএল। এর নির্মাণ ঠিকাদার হিসেবে কাজ করছে ভারত হেভি ইলেকট্রিক্যালস লিমিটেড (ভেল)। ১৬ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ১২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে ভারতের এক্সিম ব্যাংক।

বিআইএফপিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাঈদ একরামুল্লাহ জানান, ইন্সপেকশন ও মেইনটেন্যান্সের কাজের জন্য ৩০ জুন রাতে আমরা উৎপাদন বন্ধ করেছি। ৪, ৫ অথবা ৬ জুনের দিকে আবারও উৎপাদন শুরু করা যাবে।

বিআইএফপিসিএল সূত্র জানায়, গত ১৫ আগস্ট রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট (৬৬০ মেগাওয়াট) জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে সংযুক্ত হয়। ঐ দিনে গ্রিডে ৯১ দশমিক ৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ উদ্যোগে নির্মিত কেন্দ্রটি। তবে বেশি দিন বিদ্যুৎ উৎপাদন রাখা যায়নি। গত ২৪ অক্টোবরে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের আঘাত থেকে ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়। প্রায় এক মাসশেষে গত ২৪ নভেম্বর পুনরায় পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু হয়। 

ন্যাশনাল লোড ডেসপাস সেন্টার (এনএলডিসি) রিলায়েবিলিটি রান টেস্টের অনুমোদন দেয় ১১ ডিসেম্বরে। ১৭ ডিসেম্বরে এতে পূর্ণ সক্ষমতায় অর্থাত্ ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রথম উৎপাদিত হয়। কেন্দ্রটি পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন করতে পারবে কি না তা যাচাইয়ের জন্য টানা ৭২ ঘণ্টা ফুল লোডে চালু রেখে যাচাই করার শর্ত ছিল। ১৯ ডিসেম্বর  রাত ১২টা থেকে ২৩ ডিসেম্বর রাত ৪টা পর্যন্ত পূর্ণ সক্ষমতায় টানা ৯০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদন করে কেন্দ্রটি। দ্বিতীয় ইউনিট এখনো উৎপাদনে আসেনি। সরকারের ফাস্ট ট্র্যাকে থাকা নির্মাণ প্রকল্পটির কাজ ২০১৮ সালে শেষ করার কথা থাকলেও এখনো শেষ হয়নি। সূত্র: ইত্তেফাক
 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আইন