a ৯ম দিনে বিধিনিষেধ অমান্য করায় র‌্যাবের ৫ লাখ টাকা জরিমানা
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৩ মাঘ ১৪৩২, ০৫ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

৯ম দিনে বিধিনিষেধ অমান্য করায় র‌্যাবের ৫ লাখ টাকা জরিমানা


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
শনিবার, ১০ জুলাই, ২০২১, ০৯:০৫
৯ম দিনে বিধিনিষেধ অমান্য করায় র‌্যাবের ৫ লাখ টাকা জরিমানা

ফাইল ছবি

মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধ করতে সরকার নির্ধারিত কঠোর লকডাউনের নবম দিনে বিধিনিষেধ অমান্য করার দায়ে ১৬৪ জনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

শুক্রবার (৯ জুলাই) দেশব্যাপী ২২টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে র‌্যাব। এসব ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১৬৪ জনকে সর্বমোট ৪ লাখ ৯৮ হাজার ৬শ টাকা জরিমানা করা হয়।
 
এ বিষয়ে র‌্যাব সদর দপ্তরের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক এএসপি আ ন ম ইমরান খান জানান, করোনা সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় ৯ম দিনে বিধি-নিষেধ কার্যকর ও জনসচেতনতা বাড়াতে সারাদেশব্যাপী মাঠে ছিল র‌্যাব। বিধি-নিষেধ কার্যকর করতে র‌্যাবের নিয়মিত টহল ও চেকপোস্টের পাশাপাশি মোতায়েন ছিল অতিরিক্ত টহল ও চেকপোস্ট।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা যায়, ৯ম দিনে বিধি-নিষেধ বাস্তবায়নে সারাদেশব্যাপী র‌্যাবের ১৯২টি টহল ও ১৯৭টি চেকপোস্ট পরিচালনা করা হয়। এসময় বিনা প্রয়োজনে মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণে র‌্যাবের জনসচেতনামূলক মাইকিং, লিফলেট বিতরণ ও বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণ কর্মসূচিও চালানো হয়।

 র‌্যাব জানায় , র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা বিধি-নিষেধ বাস্তবায়নে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছেন। এছাড়াও জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে সারাদেশব্যাপী ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে যাচ্ছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

বিশেষ ২ বিলে সই করেননি পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট, চটেছে আইন মন্ত্রণালয়


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ২১ আগষ্ট, ২০২৩, ০৬:২৮
বিশেষ ২ বিলে সই করেননি পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট, চটেছে আইন মন্ত্রণালয়

ফাইল ছবি

অফিশিয়াল সিক্রেট অ্যাক্ট ও পাকিস্তান আর্মি অ্যাক্ট নামের দুই বিশেষ বিলে সই করেননি পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি। প্রেসিডেন্টের এমন আচরণে চটেছে প্রধানমন্ত্রী শহবাজ শরীফের আইন মন্ত্রণালয়।

প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (টুইটার) লিখেছেন, ‘সৃষ্টিকর্তা দেখছেন, আমি অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যামেন্ডমেন্ট বিল ২০২৩ এবং পাকিস্তান আর্মি অ্যামেন্ডমেন্ট বিল ২০২৩-এ স্বাক্ষর করিনি। কারণ আমি এই আইনগুলোর সঙ্গে একমত না।’

প্রেসিডেন্ট আলভি জানান, অকার্যকর করতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আইনসভায় স্বাক্ষরবিহীন বিলগুলো ফেরত দিতে তিনি তার কর্মীদের বলেছেন। তবে আরিফের দাবি,  তার কর্মীরা তার ইচ্ছা ও আদেশকে অবমূল্যায়ন করেছে।

পাকিস্তানের আইন মন্ত্রণালয়ের দাবি, তার নিজের কাজের দায় তাকেই নিতে হবে।

বিল দুইটি পাকিস্তানের পার্লামেন্টের উভয় কক্ষেই অনুমোদন দিয়েছে। তবে ইমরান খানের দল পিটিআই'র সদস্য ও ইমরান খানের অত্যন্ত বিশ্বস্ত প্রেসিডেন্ট আলভি বিল দুটি পাস করতে অক্ষমতা প্রকাশ করেছেন। সূত্র: ডন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউরোপ সত্যিই ঐক্যবদ্ধ?


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ২৫ ফেরুয়ারী, ২০২৩, ১১:০০
রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউরোপ সত্যিই ঐক্যবদ্ধ

ফাইল ছবি

বছর তিনেক আগে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোকে 'মৃতপ্রায়' বলে মন্তব্য করেছিলেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। ওই সময় দ্য ইকোনমিস্ট সাময়িকীকে সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, ইউরোপ নিজের নিরাপত্তার জন্য আর ন্যাটোর ওপর নির্ভর করে না। তার এ মন্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে হইচই পড়ে গিয়েছিল।

এরপর একে একে বেশকিছু বৈশ্বিক সংকট দেখা দেয়। এর মধ্যে আছে- করোনা মহামারি, ইউক্রেন যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকট।

বিশেষ করে এক বছর আগে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হলে রুশ জ্বালানির ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের নিষেধাজ্ঞার কারণে ইউরোপে জ্বালানি সংকট দেখা দেয়। মহাদেশটি এ সংকট মোকাবিলায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে দ্রুত ঝুঁকে পড়ে। কিন্তু নিজেদের নিরাপত্তার বিষয়ে মৌলিক প্রশ্নে ইউরোপ এখনো দ্বিধা-বিভক্ত।

হেলেনিক ফাউন্ডেশন ফর ইউরোপিয়ান অ্যান্ড ফরেন পলিসির পরিচালক জর্জ পাগুলাতোস আলজাজিরাকে বলেন, 'আমি মনে করি, ইউরোপের ঐক্য দুর্বল হয়ে গেছে। ফ্রান্স ও জার্মানির সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী মারিও দ্রাঘির ইতালি মিলে তাদের পররাষ্ট্রনীতি ঠিক করতেন। তারা ইউরোপের একতা তৈরিতে চালকের ভূমিকা পালন করেছিলেন।'

কিন্তু গত জুলাইয়ে আস্থা ভোটে হেরে যান দ্রাঘি। তার পরিবর্তে ক্ষমতায় আসেন চরম ডানপন্থি ও জর্জিয়া মেলোনি।

গত এপ্রিলের পার্লামেন্ট নির্বাচনে ফ্রান্সে ম্যাক্রোঁবিরোধীরা জয়লাভ করেন। ইউক্রেনে সামরিক সহায়তা দিতে অনীহা প্রকাশ করায় জার্মানিকে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে।

জর্জ পাগুলাতোস মনে করেন, ইউরোপের মনোবল এর কেন্দ্র থেকে সরে মহাদেশের উত্তরপূর্বাঞ্চলে সরে গেছে। সেখানকার দেশগুলো চায় যেকোনো মূল্যে ইউক্রেন জয়ী হোক এবং রাশিয়া পরাজিত হোক।

ফিনিশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের রিসার্চ ফেলো মিনা অলান্দার আলজাজিরাকে বলেন, 'বাল্টিক, নর্ডিক ও মধ্য ইউরোপের দেশগুলো এখন পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা বিষয়ে আগের চেয়ে বেশি ন্যাটোমুখী। যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য তাদের গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা অংশীদার। ফ্রান্স ও জার্মানি এ বিষয়ে নীরব।'

গত মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন পোল্যান্ডে এসে সেই দেশের প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেজ দুদাকে আশ্বস্ত করে বলেছেন, 'বৈশ্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষমতা আমেরিকার আছে।'

প্রতিবেদন অনুসারে, ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের পর থেকে পূর্ব ইউরোপের সদস্য দেশগুলোতে সেনা সংখ্যা ৪ গুণ বাড়িয়েছে। পাশাপাশি আরও ৩ লাখ সেনাকে প্রস্তুত রাখার ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।

তবে ইউক্রেন যুদ্ধের আগে ইউরোপ নিজেদের প্রতিরক্ষা নিয়ে একতা দেখাতে পারেনি বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

গত ১৯ ফেব্রুয়ারি মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) হাইরিপ্রেজেন্টেটিভ জোসেফ বোরেল বলেছিলেন, 'যারা আমাদের হুমকি দেয় তাদের ওপর চাপ সৃষ্টির ক্ষমতা আমরা রাখি। আমরা শক্তিশালী হচ্ছি।'

তবে রাশিয়ার বিরুদ্ধে সর্বসম্মতভাবে নিষেধাজ্ঞা দিতে ইইউকে বেশ বেগ পেতে হয়েছিল। এমনকি ইউক্রেনে সামরিক সহায়তা পাঠনোর বিষয়েও এই মহাদেশীয় জোটে বিভেদ দেখা গেছে।

গত জানুয়ারিতে জরিপ সংস্থা ইউরোস্কোপিয়া জানিয়েছে, অস্ট্রিয়ায় ৬৪ শতাংশ, জার্মানির ৬০ শতাংশ, গ্রিসের ৫৪ শতাংশ, ইতালি ও স্পেনের ৫০ শতাংশ মানুষ ভূমির বিনিময়ে রাশিয়ার সঙ্গে শান্তিতে পৌঁছানোর পক্ষে মত দিয়েছেন। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আইন