a
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
২২ মে ২০২২ (রবিবার) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ এর সাথে স্পেন দূতাবাসের উপপ্রধান এমিলিয়া সেলেমিন রেদোন্দো সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন। এসময় আধুনিক ভাষা ইনষ্টিটিউট, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক জনাব খন্দকার মোন্তাসির হাসান সহ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ, পরিচালক (অর্থ ও হিসাব), স্পেন দূতাবাসের কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। আধুনিক ভাষা ইনষ্টিটিউট, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে স্পেনিশ ল্যাঙ্গুয়েজ কোর্স অন্তর্ভূক্তিকরন বিষয়ে স্পেন দূতাবাসের সাথে আজ আলোচনা হয়। এর আগে গত (৩ নভেম্বর ২০২১-বুধবার) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক এর সাথে স্পেন দূতাবাসের উপপ্রধান এমিলিয়া সেলেমিন রেদোন্দো সৌজন্য সাক্ষাতে করেন। তখনি আধুনিক ভাষা ইনষ্টিটিউট, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে স্পেনিশ ল্যাঙ্গুয়েজ কোর্স অন্তর্ভূক্তিকরন বিষয়ে স্পেন দূতাবাসের সাথে প্রাথমিক আলোচনা হয়।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক ড.মোস্তফা কামাল জানান, আধুনিক ভাষা ইনষ্টিটিউট (আইএমএল) এ আজকে স্পেনিশ ভাষা চালু করার বিষয়ে স্পেন দূতাবাসের প্রতিনিধিদলের সাথে মিটিং হয়েছে। তাদের একদল প্রতিনিধি আমাদের এখানে শিক্ষক হিসেবে থাকবেন এবং শিক্ষার্থীদের স্পেনিশ ভাষার ক্লাস নিবেন।
আধুনিক ভাষা ইন্সটিটিউটের পরিচালক খন্দকার মোন্তাসির হাসানের কাছে প্রতিনিধি দলের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি জানান, তারা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে স্পেনিশ ভাষার কোর্স চালু করতে আগ্রহী। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ তারা পছন্দ করেছেন। জানুয়ারি থেকে স্প্যানিশ ল্যাংগুয়েজ কোর্স চালু হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
এমিলিয়া সেলেমিন রেদোন্দো ডরমেটরি ও আই.এম.এল (জবি) ঘুরে দেখে দ্রুত স্প্যানিশ কোর্স চালুর জন্য সকল সহযোগিতা করবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন।
খন্দকার মোন্তাসির হাসান আরও বলেন, যেসব বিদেশি ভাষার কোর্স গুলো আমরা চালু করব তা যেন সে ভাষার নেটিভ শিক্ষক দ্বারা নিতে পারি। তাহলে আমদের শিক্ষার্থীরা কোর্সে আগ্রহ পাবে। দূতাবাসের সহায়তায় আমরা যদি স্হায়ী ফ্যাকাল্টি পাই তবে অদূর ভবিষ্যতে স্প্যানিশ ল্যাংগুয়েজে অনার্স চালু করার পরিকল্পনা আছে।
আই.এম.এল এর সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ড. প্রতিভা রানী কর্মকার মনে করেন, এর মাধ্যমে নতুন একটি ভাষা শেখার দ্বার উন্মোচন হবে যেখানে আই.এল.এল সহ অন্যান্য ডিপার্টমেন্টগুলো এর সুবিধা পাবে।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মুহাইমিনুল ইসলাম রাকিব বলেন, এটা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের খুব ভালো একটি উদ্যোগ। স্পেনিশ, ফ্রেঞ্চ, মান্দারিন(চায়নিজ), জার্মান ল্যাঙ্গুয়েজ কোর্স থাকাটা সময়ের দাবী। ব্যক্তিগতভাবে আমি নিজেও স্প্যানিশ শেখার প্রতি খুবই আগ্রহী। শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হয়ে যাওয়ার সময় ডিগ্রির পাশাপাশি যাতে অন্যান্য সহশিক্ষা কার্যক্রমগুলোর মাধ্যমে ভিন্ন কিছু শিখতে ও জানতে পারে সেই ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। দেরীতে হলেও স্পেনিশ ভাষার কোর্স চালু হচ্ছে জেনে ভালো লাগলো।
আধুনিক ভাষা ইন্সটিটিউটের অনার্স চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী রিসাত রহমান জানান,আসলে আমাদের বিভাগে বিদেশি একটি ভাষার কোর্স চালু হচ্ছে আমরা এতে আনন্দিত। আশা করি এর মাধ্যমে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের মান আরো উন্নত হবে।
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
জবি প্রতিনিধি: রমজান মানেই ইবাদত, সংযম ও ভ্রাতৃত্বের এক অপূর্ব মিলনমেলা। ভ্রাতৃত্বের এ বন্ধনকে আরেকটু বাড়িয়ে দিতে ১৩ মার্চ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটি আয়োজন করে ইফতার অনুষ্ঠান। বিশ্ববিদ্যালয়ের গনিত বিভাগের ২২২ নাম্বার রুমে এটি অনুষ্ঠিত হয়।
শেষ রাতে সাহরির পর দিনশেষে ইফতার পরম আনন্দের মুহূর্ত। তবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ইফতার আয়োজন অনেকটাই ভিন্ন। রমজানে প্রতিদিন পশ্চিমাকাশে সূর্য ঢলে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয় ইফতারির প্রস্তুতি। খোপে খোপে বসে ক্যাম্পাসে ইফতারের প্রস্তুতি নেয় জবি শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন চত্বরে জমে উঠে ইফতারের আয়োজন। ক্যাম্পাসের সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে তাদের নিজস্ব কার্যালয়ে বা বিশ্ববিদ্যালয় মিলনায়তনে ইফতারের আয়োজন করা হয়।
ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের সংগঠন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সকল সাংবাদিক, সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষার্থী প্রতিনিধিবৃন্দ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়ে এই ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক, সদস্য সচিবসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, জবি ছাত্রশিবিরের সভাপতি ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ ও সাংবাদিক সহ প্রায় শতাধিক অংশগ্রহনকারী।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি অমৃত রায় বলেন, ‘এই ত্যাগের মাসকে সামনে রেখে জবিরিউ পরিবারের একত্রে ইফতার পালন করা একটি সুন্দর বিষয়। এতে অংশ নিয়েছে ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সবাই। ইফতার সাজানো, পরিবেশন করা ছিল উপভোগ্য। ক্যাম্পাসে আসলে আপন বলতে এই একটা জায়গা, যেখানে নিজের দ্বিতীয় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ইফতার করলাম।’
file image
রাজশাহী মহানগরীর নামোভদ্রার জামালপুর আবাসিক এলাকায় মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ অভিযান চালিয়ে নকল ওষুধের কারখানার সন্ধান পেয়েছে। এ সময় চারটি নামি দামী কোম্পানির বিপুল পরিমাণ নকল ওষুধ, যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট ও ওষুধ তৈরির কাঁচামালসহ জব্দ করা হয়েছে ওষুধ তৈরির একটি মেশিন। অভিযান চলাকালে পুলিশ একজনকে আটক করেছে।
শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয় নকল ওষুধ তৈরির ওই কারখানায় (বাসায়)। নগরীর নামোভদ্রা জামালপুর এলাকার মৃত আনসার আলীর ছেলে আনিসুর রহমান (৪২) আটক।
অভিযানকালে মহানগর ডিবির সহকারী কমিশনার (এসি) রাকিবুল ইসলাম জানান, আমরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি ওই বাসায় তৈরি করা হয় নকল ওষুধ। এছাড়া আমরা অভিযোগ পেয়েছি, সেখান থেকে নকল ওষুধ সরবরাহ করা হয় বিভিন্ন দোকানে এবং ভুক্তভোগীরা বলেন বিভিন্ন দোকানে থেকে ওষুধ কেনার পর সেটি যে নকল তা বুঝতে পারেন। আমরা এমন অভিযোগের ভিত্তিতেঅনুসন্ধান শুরু করি।
আমরা অনুসন্ধানে জানতে পারি, রাজশাহীর বিভিন্ন জায়গায় এমন কারখানা আছে, ভেজাল ওষুধ উৎপাদন করা হয় যেখানে। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই বাসায় অভিযান চালাই আমরা। অভিযান পরিচালনার সময় বিভিন্ন নামি-দামি কোম্পানির যে সকল ওষুধ মার্কেটে বেশি বিক্রি হয় বিভিন্ন দোকান থেকে সেসব বিপুল পরিমাণে নকল ওষুধ উদ্ধার করি। যার কারণে আমরা এই কোম্পানির মূল মালিককে আটক করতে সক্ষম হয়েছি।
আটক আনিসুর জানান, তিনি ঢাকা থেকে নকল ওষুধ উৎপাদন মেশিনটি নিয়ে এসে দীর্ঘ ১ বছর ধরে নকল ওষুধ তৈরি করে বিক্রি করছেন। রাজশাহী, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তিনি বিক্রি করে আসছেন নকল ওষুধ। অনেকটা নির্জন এলাকার অবস্থিত নিজের বাড়িতে মেশিন বসিয়ে চারটি নামি দামী কোম্পানির নকল ওষুধ তৈরি করা হতো। অভিযানের এক সময় বিপুল পরিমাণ নকল ওষুধ জব্দ ও ওষুধ তৈরির কারিগরকেও আটক করা হয়েছে। ওষুধের পরিমাণ কত তা এখনই সঠিক বলা যাচ্ছে না। তিনি জানান এ বিষয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।