a
ফাইল ছবিঃ রুহুল কবির রিজভী
সুচিকিৎসা খালেদা জিয়ার নাগরিক অধিকার মন্তব্য করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, এ সরকার শুধুমাত্র ক্ষমতাকে টিকিয়ে রাখতে জনপ্রিয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বন্দি করে রেখেছে। সুচিকিৎসা তার ( খালেদা জিয়া ) নাগরিক অধিকার, মৌলিক অধিকার।
আজ রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের কৃষকদল আয়োজিত বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী আরও বলেন, যে ব্যক্তির সুস্থতা কামনায় আজ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে সেই মহান ব্যক্তিটি আমাদের ছাত্র জীবন থেকে প্রেরণা যুগিয়েছেন, সাহস যুগিয়েছেন। স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে কীভাবে লড়াই করতে হয়, দেশ ও জাতির ক্রান্তিকালে কীভাবে দেশকে পরিচালনা করতে হয়, সে অদম্য দৃষ্টান্ত তিনি দেখিয়েছেন। তার নাম দেশনেত্রী খালেদা জিয়া। অসুস্থ থাকার পরও দেশের মানুষের প্রতি যার প্রতিশ্রুতি অঙ্গীকার থেকে বিন্দুমাত্র বিচলিত হননি।
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুলের সঞ্চালনায় দোয়া মাহফিলে কৃষকদলের সহ-সভাপতি গৌতম চক্রবর্তী, যুগ্ম-সম্পাদক টি এস আইয়ুব, সাবেক কেন্দ্রীয় সদস্য কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ, দফতর সম্পাদক শফিকুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রয়েল রিসোর্টে হেফাজতের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব মামুনুল হককে ঘিরে ঘটনার পর মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি (জাপা)। দুই দলই পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দিচ্ছে ও দোষারোপ করছে। আওয়ামী লীগ বলছে, হেফাজতে ইসলামের কর্মীদের কাঁধে বন্দুক রেখে বিএনপি, জামায়াত ও জাতীয় পার্টি সোনারগাঁয়ের আওয়ামী লীগ নেতাদের বাড়িঘরে হামলা করেছে। পার্টি অফিসে ভাঙচুর চালিয়েছে। অন্যদিকে এর প্রতিবাদ করে জাতীয় পার্টির নেতারা বলেছেন, আওয়ামী লীগ নিজেদের দোষ ঢাকতে জাতীয় পার্টির ঘাড়ে চাপাচ্ছে।
জানা গেছে, রয়েল রিসোর্টের ঘটনাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের পার্টি অফিস ভাঙচুরের প্রতিবাদে গত রবিবার সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামী লীগ মোগরাপাড়া চৌরাস্তায় পার্টি অফিসের সামনে প্রতিবাদ সভা করে। সভায় বক্তৃতাকালে সাবেক এমপি কায়সার বলেন, হেফাজতে ইসলামের কর্মীদের কাঁধে বন্দুক রেখে বিএনপি, জামায়াত ও জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগ নেতাদের বাড়িঘরে হামলা করেছে। পার্টি অফিস ভাঙচুর করেছে।
এসব বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন সোনারগাঁ উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি আবদুর রউফ ও সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম। তারা বলেন, রয়েল রিসোর্টে হেফাজতের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হককে কেন্দ্র করে সংঘটিত ঘটনার পর প্রতিবাদ সভায় নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল কায়সার হাসনাত সোনারগাঁ উপজেলা জাতীয় পার্টি সম্পর্কে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা সম্পূর্ণ বানোয়াট, কল্পনাপ্রসূত ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তার বক্তব্যের মধ্যে সামান্যতম সত্যতা নেই।
হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হককে সোনারগাঁ রয়েল রিসোর্টে অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনায় হেফাজতের নেতা-কর্মীরা আওয়ামী লীগ নেতাদের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও আওয়ামী লীগের পার্টি অফিসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা পরিদর্শন করতে গত শনিবার সোনারগাঁয়ে আসেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি, বাহাউদ্দিন নাছিম এমপি, দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, এ কে এম শামীম ওসমান এমপি, নজরুল ইসলাম বাবু এমপিসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপজেলা আওয়ামী লীগের পার্টি অফিস পরিদর্শন করেন। সেখান থেকে তারা হেফাজতের হামলায় উপজেলা যুবলীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম নান্নুর ভাঙচুর করা বাড়িঘর পরিদর্শনের পর সোহাগ রনির বাড়িতে যান।
ভাঙচুর করা বাড়িঘর ও পার্টি অফিস পরিদর্শন শেষে কেন্দ্রীয় নেতারা জানান, সোনারগাঁয়ে ওইদিন যা ঘটেছিল তা একটি ন্যক্কারজনক ঘটনা। সেই ঘটনার সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
সূত্র জানায়, মামুনুল হককে ছিনিয়ে নেওয়ার সময় হেফাজতের উত্তেজিত কর্মী-সমর্থকরা রয়েল রিসোর্টের নিচতলা থেকে পঞ্চম তলা পর্যন্ত ভাঙচুর করেন। পরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। মোগরাপাড়ায় যুবলীগ নেতা রফিকুল ইসলাম নান্নু ও ছাত্রলীগ নেতা সোহাগ রনির বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয়। এ সময় হেফাজত কর্মীরা রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে সড়কে অবস্থান নেন। সূত্র:বিডিপ্রতিদিন
ফাইল ছবি
রাজধানীর সোয়ারীঘাটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৫ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস দল। আজ ভোরে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
শুক্রবার ভোরে ঘটনাস্থল থেকে ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক (অপারেশন) দেবাশীষ বর্ধন বলেন, সোয়ারিঘাটে জুতার কারখানায় আগুন নেভানোর পরপরই আমরা সেখানে উদ্ধার কাজ শুরু করি। পরে তৃতীয় তলার কারখানাটির দ্বিতীয় তলা থেকে পাঁচজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
ভবনটির নিচে-ওপরে জুতা তৈরির কারখানা হলেও দ্বিতীয় তলায় শ্রমিকরা থাকতেন বলে আমরা জানতে পাই। আগুনে পুড়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদেহগুলো পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) দিনগত রাত ১টার দিকে পুরান ঢাকার সোয়ারীঘাটে কামালবাগ এলাকার একটি জুতার কারখানায় আগুন লাগে। খবর পেয়ে রাত সোয়া ১টার দিকে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের আটটি ইউনিট গিয়ে প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নেভাতে সক্ষম হয়।