a
রাজধানীর চন্দ্রিমা উদ্যানে বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল ও গুলি করেছে।
মঙ্গলবার সকালে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটি জিয়ার মাজারে ফুল দিতে গেলে এ ঘটনা ঘটে।
জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক বিএনপির ক্রীড়া সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব আমিনুল হক বলেন, জিয়ার মাজারে ফুল দিতে এসেছিলাম আমরা। পুলিশের কাছে অনুমতি নেওয়া ছিল। কিন্তু জিয়ার মাজারে ঢুকতে সব পথ বন্ধ করে দেয় পুলিশ। এক পর্যায়ে পুলিশ আমাদের ওপর টিয়ারশেল নিক্ষেপ ও গুলি করে। এতে আমাদের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।
তবে এ বিষয় এখনও পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।
ভিডিও লিংক: https://www.facebook.com/watch/live/?v=254406929835990&ref=external
সূত্র: যমুনা টিভি/যুগান্তর
ফাইল ছবি
নাগরিকদের গণতান্ত্রিক ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার পথে অন্তরায় যে কোনো পদক্ষেপের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়াতে বিশিষ্ট নাগরিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত হয়েছে ‘গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি’।
বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি ক্যাফেটেরিয়ায় এক সভা থেকে ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীকে আহ্বায়ক করে এই কমিটি গঠন করা হয়।
আজ শুক্রবার কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক সামিনা লুৎফা নিত্রার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কমিটির গঠনের কথা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পাহাড় ও সমতলের সব নাগরিকের গণতান্ত্রিক অধিকার এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিতে নিবর্তনমূলক ও জনবিরোধী আইন বাতিল করতে, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে, শ্রমিক ও কৃষকের অধিকার রক্ষা করতে এবং দখলদারত্বমুক্ত গণতান্ত্রিক ক্যাম্পাস নিশ্চিত করাসহ সব ধরনের গণতান্ত্রিক দাবিতে এই প্ল্যাটফর্ম কাজ করে যাবে।
গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি বলেছে, প্রতিটি গণ–অভ্যুত্থানের পর পুনরায় ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠিত হতে দেখা যায়। মানুষের প্রাণের বিনিময়ে অর্জন ব্যর্থ হয়েছে। এবারের গণ–অভ্যুত্থান ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না। তাই গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী সব শক্তির একটি ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম জরুরি। তাই এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ, আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন, অধ্যাপক তানজিমউদ্দীন খান, সীমা দত্ত, মাহা মীর্জা ও কল্লোল মোস্তফা।
সদস্য হিসেবে থাকবেন অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, অধ্যাপক সলিমুল্লাহ খান, অধ্যাপক আকমল হোসেন, অধ্যাপক মামুন আল রশিদ, অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম, মোশাহিদা সুলতানা রিতু, স্নিগ্ধা রেজওয়ানা, সাংবাদিক আবু সাঈদ খান, আশরাফ কায়সার, বিধান রিবেরু, আনিস রায়হান, চৌধুরী মুফাদ আহমেদ, এ এস এম কামাল উদ্দীন, আফজালুর বাসার, মযহারুল ইসলাম বাবলা, আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, লেখক ও শিল্পী মোস্তফা জামান, শিল্পী অরুপ রাহী, মফিজুর রহমান লাল্টু, বিথী ঘোষ, সুষ্মিতা রায় সুপ্তি, আজিমুন নুজহাত মণিষা, ওমর তারেক চৌধুরী, জামশেদ আনোয়ার তপন, চলচ্চিত্র নির্মাতা অমিতাভ রেজা চৌধুরী, কামার আহমাদ সাইমন, অধ্যাপক কাজী রফিকুল ইসলাম, বাকী বিল্লাহ, জয়দীপ ভট্টাচার্য, নাসিমুল খবির ডিইক, তসলিমা আক্তার লিমা, জলি তালুকদার, আমেনা খাতুন, সুনয়ন চাকমা, হারুন-অর-রশিদ ভূঁইয়া, মানস নন্দী, শামীম ইমাম, সত্যজিৎ বিশ্বাস, ইকবাল কবীর, আফজাল হোসেন, রাশেদ শাহরিয়ার, আইনজীবী মানজুর আল মতিন, রাগিব নাঈম, সালমান সিদ্দিকী, দিলীপ রায়, সৈকত আরিফ, সায়েদুল হক নিশান, অঙ্কন চাকমা, তাওফিকা প্রিয়া প্রমুখ। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
সংগৃহীত ছবি
রাজধানী কাবুল দখল করলে তালেবান যাতে মার্কিন দূতাবাসে হামলা না করে সেজন্য এই গোষ্ঠীকে বোঝানোর চেষ্টা করছে মার্কিন আলোচক দল। একাধিক মার্কিন কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে ‘দৈনিক নিউ ইয়র্ক টাইমস’ শুক্রবার এ খবর প্রকাশ করে।
পত্রিকাটি বলেছে, মার্কিন প্রেসিডেন্টের আফগানিস্তান বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি জালমাই খলিলজাদের নেতৃত্বে একটি আলোচক দল তালেবানকে বিষয়টি বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করছে যে তালেবান কাবুলের দখল নিলে সেখানকার মার্কিন দূতাবাস যাতে পুরোপুরি খালি করে দিতে না হয় সেজন্য এই পদক্ষেপ নিয়েছে ওয়াশিংটন।
গত ৩ন দিন ধরে কাতারের রাজধানী দোহায় আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতায় তালেবানের সঙ্গে আলোচনা করেছে আফগান সরকার। ওই আলোচনায় খলিলজাদের নেতৃত্বে একটি মার্কিন প্রতিনিধিদল অংশ নিয়েছে।
আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের মার্কিন দূতাবাসে বর্তমানে প্রায় ১,৪০০ কূটনীতিক ও কর্মী রয়েছে এবং তাদেরকে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য আমেরিকা বিশেষ বাহিনী পাঠিয়েছে। তবে কাবুলের মার্কিন দূতাবাস যাতে পুরোপুরি খালি করে দিতে না হয় বরং কূটনীতিকদের একটি দল যাতে মার্কিন স্বার্থ দেখাশোনা করতে পারে সেজন্য তালেবানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে মার্কিন আলোচক দল।
এছাড়া, সেসব মার্কিন নাগরিক দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে আফগানিস্তানে কাজ করছে না তাদেরকে অবিলম্বে বাণিজ্যিক ফ্লাইট ব্যবহার করে আফগানিস্তান ত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছে ওয়াশিংটন।
আফগানিস্তানের বিভিন্ন প্রদেশে তালেবানের আকস্মিক অগ্রাভিযানের পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন পশ্চিমা দেশ তাদের দূতাবাস ও ত্রাণ সংস্থাগুলোর কর্মীদের আফগানিস্তান থেকে সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু করেছে বলে খবর এসেছে। জাতিসংঘ সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, তালেবান রাজধানী কাবুল দখল করলে সেখানকার বেসামরিক নাগরিকরা ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হবে।
গত ২০ বছর ধরে আমেরিকা ও তার মিত্ররা আফগানিস্তানে বন্দি নির্যাতন, রাত্রিকালীন অভিযান, বেসামরিক নাগরিকদের ওপর গণহত্যা, মাদকদ্রব্যের আবাদ ও চোরাচালান বৃদ্ধিসহ এরকম আরও বহু জঘন্য অপরাধ করে আসছিল।
আফগানিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতিকে বিশ্লেষকরা আমেরিকার ওই অপরাধযজ্ঞের পরিণতি বলেই মনে করছেন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন