a
সাবেক ভিপি নুরুল হক নূর
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি নুরুল হক নূর বলেছেন, একজন মানুষ তার বউ, গার্লফ্রেন্ড নিয়ে রিসোর্টে যাবে নাকি হোটেলে যাবে সেটা তার ব্যক্তিগত বিষয়।
তিনি সরকারকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা পরিহার করে গণতন্ত্রের পথে আসার অনুরোধ জানান।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেয়া এক পোস্টে এসব বিষয়ে মন্তব্য করেছেন তিনি।
তিনি লিখেছেন, একজন মানুষ তার বউ, গার্লফ্রেন্ড নিয়ে রিসোর্টে যাবে নাকি হোটেলে যাবে সেটা তার ব্যক্তিগত বিষয়। সেটা নিয়ে সরকারি দলের এতো মাথা ব্যথার কারণ কী? একেবারে ছাত্রলীগ, যুবলীগ, প্রশাসন, মিডিয়া সব রিসোর্টে হাজির,সংসদেও আলোচনার ঝড়!
একজন ব্যক্তির মোবাইলে পর্ণ ভিডিও থাকবে নাকি নাচ, গানের ভিডিও থাকবে সেটা তার বিষয়। সেগুলোকে রং চং মাখিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়াতে মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচার।
এগুলো কি প্রমাণ করে না ওগুলো প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে সরকারি দলের স্ক্রিপ্টের নাটক! যা এই সরকার তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও ভিন্নমত দমনে অহরহ করছে। জনসমর্থনহীন সরকার অবৈধভাবে ক্ষমতায় থাকতে রাজনীতিতে দুর্বৃত্তায়ন ঘটিয়ে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে দেশে এখন এক নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। এরা আজ এতোটাই নিচে নেমেছে যে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নারী কেলেঙ্কারির গল্প সাজাতে হচ্ছে, ব্যক্তিগত ফোনালাপ, মোবাইলে কি আছে সেগুলো মিডিয়ায় প্রচার করছে।
সরকারের প্রতি অনুরোধ এসব রাজনৈতিক প্রতিহিংসা পরিহার করে গণতন্ত্রের পথে আসুন, সহনশীল রাজনীতি করুন। চলমান মহামারী পরিস্থিতিতে ভিন্নমত ও বিরোধীদের উপর দমন-পীড়ন বন্ধ করুন। অনতিবিলম্বে মোদিবিরোধী আন্দোলনসহ গ্রেফতারকৃত সকল রাজবন্দীদের মুক্তি দিন।
ছবি সংগৃহীত
বিএনপি শরিকদের সাথে নিয়ে এবার নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। সরকারের পদত্যাগসহ গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার এক দফা দাবিতে আগামী শুক্রবার ঢাকা মহানগরে গণমিছিলের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। এবার এই কর্মসূচিতে বিএনপির সঙ্গে থাকবে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা অন্যান্য দলগুলোও।
ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণে দুটি গণমিছিল আলাদা আলাদা হবে।
বুধবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
তিনি বলেন, এক দফা দাবিতে যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে এই কর্মসূচি। যা বিএনপিসহ যুগপৎ আন্দোলনে থাকা সব দল ও জোট পালন করবে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস-চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি প্রমুখ।
এর আগে ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের এক দফা’ আন্দোলনকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে যুগপৎ আন্দোলনের সঙ্গী সব দলের সঙ্গে সমন্বয় করে কর্মসূচি প্রস্তুত করার সিদ্ধান্ত নেয় বিএনপি।
সোমবার অনুষ্ঠিত বিএনপি সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।
মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানিয়েছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ছবি
নেত্রকোনা ৪ সংসদীয় (মদন-মোহনগঞ্জ-খালিয়াজুরী) আসনের শূন্যপদে উপ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন নৌকার মনোনীত প্রার্থী সাজ্জাদুল হাসান।
সোমবার দুপুরে নেত্রকোনা নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়ন জমা দেন তিনি। তবে মনোনয়ন জমাদানের শেষ দিনে বিকাল পর্যন্ত আর কোনো প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেননি। একমাত্র সাজ্জাদুল হাসান আপাতত একক প্রার্থী বলে নিশ্চিত করেছেন সহকারী রিটানিং অফিসার ও জেলা নির্বাচন অফিসার গোলাম মোস্তফা।
তিনি জানান, মঙ্গলবার (২৫ জুলাই) প্রার্থীতা যাচাই বাছাই। ধারাবাহিকভাবে মঙ্গলবার যাচাই বাছাই করা হবে। এরপর বিধি মেনে পরবর্তীতে রেজাল্ট দেয়া হবে।
এর আগে সোমবার দুপুরে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আমিরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান লিটন, নুর খান মিঠু, অধ্যাপক ভজন সরকার, মোহনগঞ্জ আওয়ামী লীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান রতন, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য হাবিবা রহমান খান শেফালি, সাবেক উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়, মদন পৌরসভার মেয়র আব্দুল হান্নান তালুকদারসহ জেলার এবং অসংখ্য দলীয় নেতাকর্মীর উপস্থিত ছিলেন।
রিটার্নিং অফিসার ময়মনসিংহ অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন চৌধুরী, সহকারী রিটানিং অফিসার গোলাম মোস্তফা ও ময়মনসিংহের অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসার শেখ মু: হাবিবুর রহমান মনোনয়ন গ্রহণ করেন।
এর আগে গত ২১ জুলাই সন্ধ্যায় গণভবনে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাবেক একান্ত সচিব সাজ্জাদুল হাসানকে নৌকার মনোনয়ন প্রদান করেন। এরপর থেকেই দলীয় নেতাকর্মীরা উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে সাজ্জাদুল হাসানের সমর্থন দেন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন