a সরকারের ঘোষিত ১০ কোটি টাকা প্রণোদনা এক তামাশা: গণফোরাম
ঢাকা শনিবার, ২৪ মাঘ ১৪৩২, ০৭ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

সরকারের ঘোষিত ১০ কোটি টাকা প্রণোদনা এক তামাশা: গণফোরাম


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল, ২০২১, ০৫:৪৪
সরকারের ঘোষিত ১০ কোটি টাকা প্রণোদনা এক তামাশা: গণফোরাম

ফাইল ছবি

কোভিড-১৯ মহামারিতে গোটা বিশ্ব স্থবির হয়ে পড়েছে। উন্নত বিশ্বের দেশগুলো যেখানে করোনা মোকাবিলায় হিমশিম খাচ্ছে। আর বাংলাদেশ সরকার করোনা নিয়ে মিথ্যাচার করে দেশের মানুষকে ভয়াবহ পরিস্থির দিকে ঠেলে দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার গণফোরামের জ্যেষ্ঠ তিন নেতা এক যৌথ বিবৃতিতে এসব কথা বলেন।

বিবৃতিতে সাক্ষরকারী নেতারা হলেন-দলটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মোহসীন মন্টু, সংবিধান প্রণয়ন কমিটির অন্যতম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী অধ্যাপক ড. আবু সাইয়িদ চৌধুরী এবং গণফোরাম এর মুখপাত্র এডভোকেট সুব্রত চৌধুরী।

করোনায় সরকার ঘোষিত ১০ কোটি টাকা প্রণোদনার সমালোচনা করে বিবৃতিতে তারা বলেন, লকডাউনের নামে নিম্নবিত্তদের জীবন দুর্বিষহ করে ফেলেছে সরকার। বাংলাদেশে ১০ কোটি টাকা প্রণোদনা দেওয়া এক তামাশা ছাড়া কিছু নয়। কারণ এই দেশের বহু সংখ্যক লোক দারিদ্রসীমার নিচে বসবাস করে। তাদের ঘোষিত এ্ই ১০ কোটি টাকার প্রণোদনা কিভাবে এসব মানুষের মাঝে বিতরণ করবে?

গত বছরে সরকারের দেওয়া প্রণোদনার ১০ হাজার কোটি টাকার সিংহ ভাগ চলে গিয়েছিল বর্তমান সরকারের নেতা কর্মীদের পকেটে। সাধারণ মানুষের কাছে সে সাহায্য পৌঁছে নাই।

তারা আরও বলেন, এভাবে দেশের নিম্নবিত্ত মানুষদের কষ্ট না দিয়ে, তাদের জন্য ত্রাণের যথাযথ ব্যবস্থা করে লকডাউন কার্যকর না করলে এসব মানুষকে কখনোই ঘরে আটকে রাখা যাবে না।
 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

রাজনৈতিক প্রতিহিংসা পরিহার করে গণতন্ত্রের পথে আসার অনুরোধ: নূর


নিউজ ডেস্ক:
বৃহস্পতিবার, ০৮ এপ্রিল, ২০২১, ১১:৩৮
রাজনৈতিক প্রতিহিংসা পরিহার করে গণতন্ত্রের পথে আসার অনুরোধ: নূর

সাবেক ভিপি নুরুল হক নূর

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি নুরুল হক নূর বলেছেন, একজন মানুষ তার বউ, গার্লফ্রেন্ড নিয়ে রিসোর্টে যাবে নাকি হোটেলে যাবে সেটা তার ব্যক্তিগত বিষয়। 

তিনি সরকারকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা পরিহার করে গণতন্ত্রের পথে আসার অনুরোধ জানান।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেয়া এক পোস্টে এসব বিষয়ে মন্তব্য করেছেন তিনি।

তিনি লিখেছেন, একজন মানুষ তার বউ, গার্লফ্রেন্ড নিয়ে রিসোর্টে যাবে নাকি হোটেলে যাবে সেটা তার ব্যক্তিগত বিষয়। সেটা নিয়ে সরকারি দলের এতো মাথা ব্যথার কারণ কী? একেবারে ছাত্রলীগ, যুবলীগ, প্রশাসন, মিডিয়া সব রিসোর্টে হাজির,সংসদেও আলোচনার ঝড়!

একজন ব্যক্তির মোবাইলে পর্ণ ভিডিও থাকবে নাকি নাচ, গানের ভিডিও থাকবে সেটা তার বিষয়। সেগুলোকে রং চং মাখিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়াতে মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচার।

এগুলো কি প্রমাণ করে না ওগুলো প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে সরকারি দলের স্ক্রিপ্টের নাটক! যা এই সরকার তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও ভিন্নমত দমনে অহরহ করছে। জনসমর্থনহীন সরকার অবৈধভাবে ক্ষমতায় থাকতে রাজনীতিতে দুর্বৃত্তায়ন ঘটিয়ে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে দেশে এখন এক নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। এরা আজ এতোটাই নিচে নেমেছে যে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নারী কেলেঙ্কারির গল্প সাজাতে হচ্ছে, ব্যক্তিগত ফোনালাপ, মোবাইলে কি আছে সেগুলো মিডিয়ায় প্রচার করছে।

সরকারের প্রতি অনুরোধ এসব রাজনৈতিক প্রতিহিংসা পরিহার করে গণতন্ত্রের পথে আসুন, সহনশীল রাজনীতি করুন। চলমান মহামারী পরিস্থিতিতে ভিন্নমত ও বিরোধীদের  উপর দমন-পীড়ন বন্ধ করুন। অনতিবিলম্বে মোদিবিরোধী আন্দোলনসহ গ্রেফতারকৃত সকল রাজবন্দীদের মুক্তি দিন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

জুলাই সনদে স্বাক্ষর করলেন প্রধান উপদেষ্টা ও বিভিন্ন রাজনীতিদলের প্রধানগণ


আরাফাত, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৫, ০৬:৪১
জুলাই সনদে স্বাক্ষর করলেন প্রধান উপদেষ্টা ও বিভিন্ন রাজনীতিদলের প্রধানগণ

ছবি সংগৃহীত

 

নিউজ ডেস্কঃ আজ ঐতিহাসিক এইদিনে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করলেন দেশের প্রধান উপদেষ্টা ও রাজনীতিদলের প্রধানগণ। এই স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে জাতীয় ঐক্য ও গণতন্ত্রের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।
সনদটির উদ্দেশ্য—দেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা। স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। তারা একমত হন যে, জাতীয় স্বার্থই সবার ঊর্ধ্বে। প্রধান উপদেষ্টা তাঁর বক্তব্যে বলেন, এই সনদ হবে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার মাইলফলক। রাজনীতিবিদেরা প্রতিশ্রুতি দেন, দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের উন্নয়নে কাজ করবেন তারা।

সনদের ধারাগুলোতে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও নাগরিক অধিকারের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়েছে। এটি জাতিকে বিভেদের বদলে ঐক্যের পথে এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে। নেতৃবৃন্দ বিশ্বাস করেন, এই সনদ দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। সামাজিক ন্যায়বিচার, শিক্ষা ও অর্থনৈতিক সংস্কারের দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত জনগণ আশাবাদী মনোভাব প্রকাশ করেন। তারা মনে করেন, এই উদ্যোগ জাতীয় উন্নয়নের ভিত্তি স্থাপিত হবে। প্রধান উপদেষ্টা সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

এটি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আনয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। গণমাধ্যমে ইতোমধ্যে এ স্বাক্ষরকে ঐতিহাসিক পদক্ষেপ বলা হচ্ছে। তরুণ সমাজও এ উদ্যোগে নতুন আশার আলো দেখছে। জুলাই সনদ তাই আজ দেশের ইতিহাসে এক স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে উঠেছে। এটি জাতীয় ঐক্য ও গণতন্ত্রের এক উজ্জ্বল প্রতীক।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - রাজনীতি