a সরকারের ঘোষিত ১০ কোটি টাকা প্রণোদনা এক তামাশা: গণফোরাম
ঢাকা বুধবার, ৮ মাঘ ১৪৩২, ২১ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

সরকারের ঘোষিত ১০ কোটি টাকা প্রণোদনা এক তামাশা: গণফোরাম


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল, ২০২১, ০৫:৪৪
সরকারের ঘোষিত ১০ কোটি টাকা প্রণোদনা এক তামাশা: গণফোরাম

ফাইল ছবি

কোভিড-১৯ মহামারিতে গোটা বিশ্ব স্থবির হয়ে পড়েছে। উন্নত বিশ্বের দেশগুলো যেখানে করোনা মোকাবিলায় হিমশিম খাচ্ছে। আর বাংলাদেশ সরকার করোনা নিয়ে মিথ্যাচার করে দেশের মানুষকে ভয়াবহ পরিস্থির দিকে ঠেলে দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার গণফোরামের জ্যেষ্ঠ তিন নেতা এক যৌথ বিবৃতিতে এসব কথা বলেন।

বিবৃতিতে সাক্ষরকারী নেতারা হলেন-দলটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মোহসীন মন্টু, সংবিধান প্রণয়ন কমিটির অন্যতম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী অধ্যাপক ড. আবু সাইয়িদ চৌধুরী এবং গণফোরাম এর মুখপাত্র এডভোকেট সুব্রত চৌধুরী।

করোনায় সরকার ঘোষিত ১০ কোটি টাকা প্রণোদনার সমালোচনা করে বিবৃতিতে তারা বলেন, লকডাউনের নামে নিম্নবিত্তদের জীবন দুর্বিষহ করে ফেলেছে সরকার। বাংলাদেশে ১০ কোটি টাকা প্রণোদনা দেওয়া এক তামাশা ছাড়া কিছু নয়। কারণ এই দেশের বহু সংখ্যক লোক দারিদ্রসীমার নিচে বসবাস করে। তাদের ঘোষিত এ্ই ১০ কোটি টাকার প্রণোদনা কিভাবে এসব মানুষের মাঝে বিতরণ করবে?

গত বছরে সরকারের দেওয়া প্রণোদনার ১০ হাজার কোটি টাকার সিংহ ভাগ চলে গিয়েছিল বর্তমান সরকারের নেতা কর্মীদের পকেটে। সাধারণ মানুষের কাছে সে সাহায্য পৌঁছে নাই।

তারা আরও বলেন, এভাবে দেশের নিম্নবিত্ত মানুষদের কষ্ট না দিয়ে, তাদের জন্য ত্রাণের যথাযথ ব্যবস্থা করে লকডাউন কার্যকর না করলে এসব মানুষকে কখনোই ঘরে আটকে রাখা যাবে না।
 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

রাজধানীর নয়াপল্টন থেকে শাপলা চত্বরজুড়ে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বুধবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৩, ০৯:২২
রাজধানীর নয়াপল্টন থেকে শাপলা চত্বরজুড়ে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি

ফাইল ছবি

রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির জনসমাবেশ শুরু হয়। আজ দুপুর ২টায় দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের সড়কে এ সমাবেশ শুরু হয়। মোড়ে মোড়ে পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে সকাল থেকেই নেতাকর্মীরা আসতে থাকেন নয়াপল্টনে। তাদের জমায়েত মতিঝিলের শাপলা চত্বর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে।

সরকারের পদত্যাগ ও সংসদ বিলুপ্ত, নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের এক দফা দাবিতে এ জনসমাবেশ করেছে বিএনপি।

সরেজমিন দেখা যায়, নয়াপল্টনের আশপাশের এলাকা থেকে মিছিল ঢুকছে সমাবেশ স্থলে। বেলা ১১টার আগেই কয়েক হাজার নেতাকর্মীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। নেতাকর্মীদের স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে নয়াপল্টন। বিভিন্ন ইউনিট থেকে ব্যানার, ফেস্টুন, প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে স্লোগান দেয় নেতাকর্মীরা। ৫টি ট্রাক দিয়ে অস্থায়ী মঞ্চ প্রস্তুত করা হয়।

সমাবেশ কেন্দ্র করে নয়াপল্টনে ভিআইপি সড়কের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আশপাশের সড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়।

জনসমাবেশের প্রধান অতিথি বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এছাড়া দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য, সিনিয়র নেতারা ও অঙ্গসংগঠন নেতারা বক্তব্য রাখবেন।

সভাপতিত্ব করেছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি আহ্বায়ক আব্দুস সালাম, সঞ্চালনায় আছেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুল হক ও দক্ষিণ বিএনপি ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব লিটন মাহমুদ।

ঢাকার প্রত্যকটি প্রবেশমুখে তল্লাশি চৌকি বসায় পুলিশ। সকাল থেকেই চেকপোস্টগুলোতে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা যাত্রী ও চালককে কোথায় যাচ্ছেন তা জানতে চান। বাসে যাত্রীদের ব্যাগ, ব্যক্তিগত গাড়ির ভেতরে ও পেছনে ব্যাকডালা তল্লাশি করে। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

বিদ্যমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন জরুরি ভিত্তিতে শক্তিশালী করা প্রয়োজন


সাইফুল আলম, ঢাকা প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃববুধবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৩:৩২
বিদ্যমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন জরুরি ভিত্তিতে শক্তিশালী করা প্রয়োজন

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

সাইফুল আলম, ঢাকা:   সকল ধরণের নৌপরিবহন ও নদীবন্দরকে সম্পূর্ণ ধূমপানমুক্ত করতে হলে বিদ্যমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন জরুরি ভিত্তিতে শক্তিশালী করা প্রয়োজন। আজ ১০ ডিসেম্বর ২০২৫, বুধবার, বেলা ১১.৩০ টায় সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল, ঢাকায় আয়োজিত “পাবলিক পরিবহন ও পাবলিক প্লেস শতভাগ ধূমপানমুক্ত করতে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন আরো শক্তিশালী করতে হবে” শীর্ষক মানববন্ধনে বক্তারা এসব কথা বলেছেন। মানববন্ধন কর্মসূচিটি যৌথভাবে আয়োজন করে বাংলাদেশ ট্যোবাকো কন্ট্রোল এডভোকেটস (বিটিসিএ) ও বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট (বাটা)। 

তামাক নিয়ন্ত্রণ বিশেষজ্ঞ দোয়া বখশ শেখ এর সভাপতিত্বে কর্মসূচিতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আর্থ ডেভলপমেন্ট ফাউণ্ডেশন এর প্রধান নির্বাহী আমিনুল ইসলাম বকুল। বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট-বাটার ভারপ্রাপ্ত সমন্বয়কারী ও প্রত্যাশা- মাদক বিরোধী সংস্থার সভাপতি হেলাল আহমেদ এর সঞ্চালনায় কর্মসূচিতে আরও বক্তব্য রাখেন বিটিসিএ সচিবালয়ের প্রতিনিধি ফারহানা জামান লিজা, বিশিষ্ট কলামিস্ট ও সাংবাদিক আবু নাসের অনিক, পরিবেশবাদী ও উন্নয়নকর্মী উম্মে জান্নাত কনি, তামাক নিয়ন্ত্রণ বিশেষজ্ঞ ফিরোজ আহমেদ ও মোয়াজ্জেম হোসেন টিপু, পরিবেশ উন্নয়নকর্মী সামিউল হাসান সজীব, ঘাট শ্রমিক ইউনিয়ন প্রতিনিধি মো: নয়ন ও ফেরদৌস হোসেন প্রমূখ।

কর্মসূচিতে জানানো হয়, দেশের নৌপরিবহন ব্যবস্থায় প্রতিদিন ১০-১২ লাখ যাত্রী চলাচল করেন। লঞ্চঘাট, ফেরিঘাট ও নদীবন্দর এলাকায় ধূমপানের কারণে যাত্রী, নারী, শিশু এবং শ্রমজীবী মানুষের স্বাস্থ্য মারাত্মক ঝুঁকিতে থাকে। পরোক্ষ ধূমপানের ফলে হৃদরোগ, স্ট্রোক, শ্বাসতন্ত্রের রোগসহ নানাবিধ জটিলতা বাড়ছে। আয়োজক সংগঠনসমূহ মনে করে—শক্তিশালী আইন, কঠোর তদারকি এবং গণসচেতনতা—এই তিনটির সমন্বয় ছাড়া নৌপরিবহনে নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত ও ধূমপানমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

বক্তারা বলেন, নৌপরিবহন খাতে ধূমপানমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে হলে আইনকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে উন্নীত করা ছাড়া বিকল্প নেই। আইনের দুর্বলতা ও তদারকির অভাবের সুযোগে নদীবন্দরে তামাক কোম্পানিগুলো এখনো বিভিন্ন প্রচারণা চালাচ্ছে—যা জনস্বাস্থ্যের জন্য ভয়াবহ হুমকি। বক্তারা আরো বলেন, বাংলাদেশ সরকার ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত দেশ গড়ার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তা অর্জনের জন্য নৌপরিবহন খাতকে এখনই শতভাগ ধূমপানমুক্ত ঘোষণা করতে হবে।

সভাপতি তাঁর বক্তব্যে পরিবহন মালিকদের উদ্দেশ্য করে বলেন, আইনানুযায়ী প্রত্যেকটি পরিবহনে নিজ উদ্যোগে দৃশ্যমান জায়গায় “ধূমপান হইতে বিরত থাকুন, ইহা শাস্তিযোগ্য অপরাধ”-লেখা সম্বলিত সাইনেজ লাগানোর কথা থাকলেও সরেজমিনে তার বাস্তবায়ন তেমন একটা পরিলক্ষিত হয় না বললেই চলে। তাই এ বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য তিনি সকল লঞ্চ মালিকদের পরামর্শ দেন। তিনি তার বক্তব্যে লঞ্চ যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকদের স্বাস্থ্যসেবা এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা আধুনিকায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে লঞ্চ টার্মিনালগুলোতে ধূমপান বন্ধের পাশাপাশি টার্মিনাল এলাকায় যত্রতত্র সিগারেটের দোকান বসতে না পারে এবং টার্মিনালের সার্বিক পরিবেশ যাতে সুষ্ঠুভাবে বজায় থাকে সেদিকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি দেয়ার জন্য উপস্থিত সকল লঞ্চ মালিক, শ্রমিক সহ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। কর্মসূচিতে অন্যন্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন নাগরিক সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ, লঞ্চ মালিক সমিতি, কাউন্টার ম্যানেজার ও শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ। 

সভায় অংশগ্রহণকারীর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - রাজনীতি