a হেফাজতের কেন্দ্রীয় কমিটি বিলুপ্ত ও আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা
ঢাকা রবিবার, ২০ পৌষ ১৪৩২, ০৪ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

হেফাজতের কেন্দ্রীয় কমিটি বিলুপ্ত ও আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন:
সোমবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২১, ১১:০৯
হেফাজতের কেন্দ্রীয় কমিটি বিলুপ্ত ও আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

ফাইল ছবি

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করেছে সংগঠনটি। 

রবিবার গভীর রাতে হেফাজতে ইসলামের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আহ্বায়ক কমিটিতে আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীকে আমির ও আল্লামা নুরুল ইসলামকে মহাসচিব করা হয়। এছাড়া কমিটির প্রধান উপদেষ্টা করা হয়েছে মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীকে এবং মাওলানা সালাহউদ্দীন নানুপুরী ও অধ্যক্ষ মিজানুর রহমানকে সদস্য করা হয়।

ফেসবুকে বলা হয়, 'চলমান অস্থির ও নাজুক পরিস্থিতি বিবেচনায় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ও মহানগর কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা করা হয়েছে এবং পরবর্তী উপদেষ্টা কমিটির পরামর্শেক্রমে তিন সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হলো। এই তিন সদস্যের আহ্বায়কগণ অতি দ্রুত হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করবেন।

এর আগে রবিবার রাত ১১টার দিকে আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসা থেকে এক ডিভিও বার্তার দ্বারা হেফাজতের কেন্দ্রীয় কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা দেন সংগঠনটির আমির আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

জাতীয় মুক্তিদলের জরুরি আলোচনা সভা পুরানা পল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়


আরাফাত, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ০৮ নভেম্বর, ২০২৫, ০২:১৫
জাতীয় মুক্তিদলের জরুরি আলোচনা সভা পুরানা পল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়

ছবিঃ মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

আরাফাত, ঢাকা প্রতিনিধিঃ আজ ৮ নভেম্বর শনিবার  বেলা ১২টায়, ১৪ পুরানা পল্টন, কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাতীয় মুক্তিদলের জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় মুক্তি দলের মাননীয় চেয়ারম্যান এটিএম মমতাজুল করিমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভাটির সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন সংগঠনের মহাসচিব অধ্যাপক মোহাঃ খোরশেদ আলম।

সভায় জাতীয় মুক্তিদলের চেয়ারম্যান নির্বাচন কমিশনকে বলেন, আপনারা সাহসিকতা ও নিরপেক্ষতার সহিত একটি ফ্রি এন্ড ফেয়ার নির্বাচন সম্পন্নের আয়োজন করুন। জনগণ যাতে আপনাদের প্রতি পুরোপুরি আস্থা রাখতে পারে। তিনি অর্ন্তবর্তী সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা সাহসিকতার সাথে দায়িত্ব পালন না করায় জনমনে নানান অসন্তোষ দানা বেঁধেছে। বর্তমানে জিনিসপত্র ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে, জনগণ অনেক কষ্টের মাঝে দিনাতিপাত করছে। দেশে নানা-রকম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে, সরকারের সেদিকে নজর দিচ্ছেনা। দেশে নানান প্রতিকূলতা সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশন সাহসিকতা ও নিরপেক্ষতার সহিত দায়িত্ব পালনে উদাত্ব আহ্বান জানান।

জাতীয় মুক্তিদলের মহাসচিব অধ্যাপক মোহাঃ খোরশেদ আলম বলেন, দেশ আজ মহা-দূর্যোগের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছে। নির্বাচনের প্রারম্ভে দেশী-বিদেশী নানান মহল নির্বাচনকে বানচাল বা প্রশ্নবিদ্ধ করতে নানামুখী ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, আমরা দেশপ্রেমিক জনগণকে সাথে নিয়ে, বিশেষ করে যারা স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি তাদের একত্রিত করে সম্মিলিতভাবে  দেশবিরোধী সেসব অপশক্তিকে বিতাড়িত করে সকলে মিলে সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করে যাবো।

জাতীয় মুক্তিদলের ভাইস চেয়ারম্যান, বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম বাঙ্গালি বলেন, ৭১ এর সংবিধান বাদ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী কোন আইন এ দেশে বাস্তবায়িত হতে দেয়া হবেনা। তিনি আরও বলেন, দেশের সীমানাগুলো আজ অরক্ষিত এবং বন্দরগুলো নিয়েও নানান চক্রান্ত চলছে। অথচ রাজনৈতিক দলগুলো এবং অর্ন্তবর্তী সরকারও এসব নিয়ে কোন মাথা ব্যথা নেই এবং জনগণকেও না জানিয়ে অন্ধকারে রাখার চেষ্টা করছে।

সংগঠনের যুগ্ন মহাসচিব জহিরুল ইসলাম সিরাজ, সাংগঠনিক সচিব মোহাম্মদ উল্লাহ, কেন্দ্রীয় সদস্য ছানাউল্লাহ ও বাংলাদেশ নাগরিক পার্টির সভাপতি মোঃ আমজাদ হোসেন সজল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

দৈত্যকে আলিঙ্গন করছে বাংলাদেশ:চীন ইস্যুতে ডেকান হেরাল্ড


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ০৪ জুন, ২০২৪, ০৫:২৮
দৈত্যকে আলিঙ্গন করছে বাংলাদেশ:চীন ইস্যুতে ডেকান হেরাল্ড

ফাইল ছবি


একটি সাবমেরিন ঘাঁটি, ৫০০ কোটি ডলার সহায়তা, ভারতের শিলিগুড়ির কাছে অবকাঠামো প্রকল্প, বাংলাদেশের সঙ্গে অস্ত্র বাণিজ্য ও সামরিক এক্সারসাইজের মাধ্যমে বেইজিং ভারতকে খুব পরিষ্কার করে তার উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানিয়ে দিচ্ছে। তা হলো এ অঞ্চলে ক্ষমতার কাঠামো বদলে যাচ্ছে। বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক আধিপত্য বিস্তারের অংশ হিসেবে দক্ষিণ এশিয়াসহ বিশ্বের বেশ কিছু অঞ্চলে চীন তার এ অভিযান পরিচালনা করছে। সর্বাবস্থায় বন্ধু পাকিস্তান ছাড়াও শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান, নেপাল, মালদ্বীপ এবং ভুটানের দিকে সমন্বিত পদক্ষেপ নিয়েছে। তারা এখন বাংলাদেশের ওপর আধিপত্য বিস্তার ও তা শক্তিশালী করছে।

শিলিগুড়ি করিডোর কন্টিনজেন্সি দিয়ে তার প্রস্তুতি শুরু করেছে চীন। তারা তখনকার বাংলাদেশি প্রেসিডেন্ট জেনারেল এরশাদকে দিয়ে ১৯৮৭ সালে বেইজিংয়ে একটি বিবৃতি দিতে বাধ্য করেছে যে, তিনি বাংলাদেশ ভূখণ্ডের ভিতর দিয়ে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভারতীয় সেনা পরিবহনে অনুমতি দেবেন না। এক্ষেত্রে স্যামডুরোং চু ঘটনার উল্লেখ করা হয়। তখন সেখানে ২০০ সেনাকে মোবিলাইজ করেছে চীন। তারা ‘নির্ভরযোগ্য বন্ধু’ এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সঙ্গে ২০০২ সালের ডিসেম্বরে একটি প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করে। বাংলাদেশের কাছে চীন কমপক্ষে ৫০০ কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রি করে।
   
বিশ্বব্যাপী যে অস্ত্র বিক্রি করে বেইজিং তার মধ্যে বাংলাদেশে বিক্রি করা হয় শতকরা প্রায় ১০ ভাগ। শিলিগুড়ি করিডোর নেপাল এবং বাংলাদেশকে পৃথক করেছে। এই করিডোর ভারতের বাকি অংশের সঙ্গে উত্তর পূর্বাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ রক্ষা করেছে। এই শিলিগুড়ি করিডোরের খুব কাছে তিস্তা নদীতে ১০০ কোটি ডলারের ড্রেজিং প্রকল্পে চীন ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে। ২০১৭ সালে ভারতের সঙ্গে দোকলামে অচলাবস্থার পর চীন জামফেরি রিজে একটি সড়ক নির্মাণে অগ্রসর হয় এবং নির্মাণ করে। এটা শিলিগুড়ি করিডোর থেকে খুব বেশি দূরে নয়। বাংলাদেশে বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভ প্রকল্পে বেইজিং খরচ করেছে ৪০০ কোটি ডলার। সামনের বছরগুলোতে তাদের কমপক্ষে মোট ৫০০০ কোটি ডলার খরচের পরিকল্পনা আছে। দুই দেশের মধ্যে ২০ বছর আগে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ছিল ১২০ কোটি ডলার। তা গত বছরে বেড়ে হয়েছে ২২০০ কোটি ডলার। এর মধ্য দিয়ে ভারতকে সরিয়ে দিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার হয়ে উঠেছে চীন। চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ঘাটতি প্রায় ২১০০ কোটি ডলার এবং তা বৃদ্ধি পাচ্ছেই।

বস্ত্র, পাট ও অন্যান্য পণ্য সহ বাংলাদেশি পণ্যের জন্য বাজার উন্মুক্ত করে দেয়ার জন্য চীনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা। কিন্তু এক্ষেত্রে বেইজিং কর্ণপাত করছে না।

বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমছেই। মে মাসে তা ১৯ বিলিয়ন ডলারের নিচে ছিল। এ অবস্থায় চীনের কাছে ৫০০ কোটি ডলার ঋণ পাওয়ার চেষ্টা করছে ঢাকা। তাদের উদ্দেশ্য এই অর্থ দিয়ে কাঁচামাল কেনা এবং বাজেটে সাপোর্ট দেয়া। পছন্দের শতকরা এক ভাগ সুদে ঢাকা যখন দীর্ঘ মেয়াদী ঋণ চাইছে, তখন বেইজিং সুদের হার বাড়াতে চায়, আরও  শর্ত দিতে চায়- যা তারা অন্য দেশগুলোর সঙ্গে করেছে। বিআরআইভুক্ত কমপক্ষে ১৬টি দেশের উচ্চ পর্যায়ে ঋণ আছে। পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কার আর্থিক পতন থেকে শিক্ষা নিতে পারে ঢাকা। বাংলাদেশকে এরই মধ্যে ৩০০ কোটি ডলার ঋণ দিয়েছে চীন। মোট যে ঋণ আছে বাংলাদেশের তার মধ্যে এই ঋণ শতকরা ১০ ভাগ।  

চীনের আরেকটি দুঃসাহসী প্রকল্প হলো কক্সবাজারের পেকুয়ায় বিএনএস শেখ হাসিনা সাবমেরিন ঘাঁটি। এটি এ বছর মার্চে উদ্বোধন করা হয়েছে। এটি নির্মাণে চীনের ১২১ কোটি ডলার তহবিল ব্যবহার করা হয়েছে। এখানে একসঙ্গে ৬টি সাবমেরিন এবং আটটি যুদ্ধজাহাজ নোঙর করতে পারে। ২০১৬ সালের শুরুর দিকে চীনের কাছ থেকে ২০ কোটি ৫০ লাখ ডলারে দুটি মিং-শ্রেণির সাবমেরিন কেনে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের এই চয়েস ছিল বিস্ময়কর। কারণ, মিং শ্রেণির সাবমেরিন ২০০৩ সালের এপ্রিলে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ভয়াবহ এক দুর্ঘটনার শিকার হয়। এতে থাকা ৭০ নৌসেনার সবাই নিহত হন।

অন্য দেশের আভ্যন্তরীণ বিষয়ে তারা হস্তক্ষেপ করে না- এটা বলা সত্ত্বেও, যেসব দেশ তাদের কাছ থেকে ঋণ নিয়েছে তাদেরকে বাধ্য করা চীনের একটি আর্টে পরিণত হয়েছে। এর আগে তাইওয়ান, তিব্বত ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে বিরোধে এক চীন নীতিতে অন্য দেশগুলোকে শ্রদ্ধাশীল হতে বলে চীন। বেইজিং শেষের দিকে অন্য দেশগুলোর তাদের নিরাপত্তা নীতি প্রসারিত করার দাবি করেছে। ২০২১ সালের মে মাসে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং ঢাকাকে সতর্ক করে দেন যুক্তরাষ্ট্র-ভারত-জাপান-অস্ট্রেলিয়ার সমন্বয়ে কোয়াডে যোগ দেয়ার বিষয়ে। কারণ, এতে তাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে জানান তিনি। উপরন্তু বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতকে ২০২২ সালের জুনে বেইজিংয়ে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা লিউ জিনসং ‘শীতল যুদ্ধের মানসিকতা’ প্রত্যাখ্যান করতে এবং ওই ‘ব্লক রাজনীতিতে’ যুক্ত না হতে বলেন। এসব দাবি পূরণের ক্রমবর্ধমান চায়না রাডারের অধীনে এখন ঢাকা। ঢাকাকে আরও গভীরে টেনে নিতে বেইজিংয়ের প্রচেষ্টাকে নয়া দিল্লি কিভাবে প্রতিহত করে সেটাই এখন দেখার বিষয়। সূত্র: মানবজমিন

লেখক: শ্রীকান্ত কোন্দাপাল্লি

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

সর্বশেষ - রাজনীতি