a জিনের আছরে গাছের আগায় নারী, নামাতে ফায়ার সার্ভিস তলব
ঢাকা বুধবার, ২২ মাঘ ১৪৩২, ০৪ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

জিনের আছরে গাছের আগায় নারী, নামাতে ফায়ার সার্ভিস তলব


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
শুক্রবার, ২৫ জুন, ২০২১, ০৫:৫৩
জিনের আছরে গাছের আগায় নারী, নামাতে ফায়ার সার্ভিস তলব

সংগৃহীত ছবি

‘জিনের আছরে’ রাতের অন্ধকারে নারিকেল গাছের মাথায় উঠে বসে আছে তাহমিনা (২২) নামের এক নারী। এ ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা গাছে উঠে কৌশলে নামিয়ে আনেন ঐ নারীকে। 

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার বেগমপুর গ্রামে বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) রাত ৯টার দিকে এধরণের ঘটনা ঘটে। তাহমিনা ওই গ্রামের মো. হাসানের স্ত্রী।
 
মো. হাসান এ বিষয়ে বলেন, আমার স্ত্রীর জিনের সমস্যা আছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আমি বাজারে যাই। রাত ৮টার দিকে বাড়ি থেকে ফোন করে জানানো হয়, তাহমিনাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। বাড়িতে এসে আশেপাশে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।

হাসান বলেন, রাত সাড়ে ৮টার দিকে শুনি আমার স্ত্রী মেয়ের নাম ধরে ডাকছে। আর বলছে আমাকে নামাও, ওরা আমাকে নিয়ে গেল। তার এ কথা শুনে বাড়ির পাশে নারকেল গাছে টর্চলাইট মেরে দেখা যায়, সে গাছের মাথায় বসে আছে। তখন তাকে গাছ থেকে নামানোর চেষ্টা করেও পারা যায়নি। উপায় না পেয়ে মহেশপুর ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তারা এসে নামিয়ে দেয়।

মো. হাসান বলেন, স্ত্রীর এ সমস্যার জন্য অনেক কবিরাজ দেখিয়েছি কিন্তু তাতেও সুস্থ হচ্ছে না।
 
মহেশপুর ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার রমেশ কুমার সাহা এ ঘটনার বিষয়ে বলেন, বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে একটা ফোন আসে এক নারী নারিকেল গাছের মাথায় উঠে আর নামতে পারছেন না। পরে সেখানে গিয়ে ৪০ মিনিটের চেষ্টায় তাকে গাছ থেকে নামিয়ে আনা হয়।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

বিএনপির আইনজীবী প্রতিনিধি দল ঠেকাতে আওয়ামী লীগের শোডাউন


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২১, ০৬:০৮
বিএনপির আইনজীবী প্রতিনিধি দল ঠেকাতে আওয়ামী লীগের শোডাউন

ফাইল ছবি

ঢাকা থেকে বিএনপির আইনজীবী প্রতিনিধি দল মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) সকালে ফরিদপুরের সালথায় তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত ধ্বংসস্তূপ পরিদর্শনে যাবার খবর ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত হয়ে উঠে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীরা। এসময় তারা লাঠিসোটা হাতে নিয়ে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সালথা-ফরিদপুর সড়কের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেয় এবং বিক্ষোভ মিছিল করে।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, গত ৫ এপ্রিল সালথার সরকারি বিভিন্ন দফতর ও থানায় হামলা চালিয়েছিল বিএনপি-জামায়াত ও হেফাজতীরা। তারা সেদিন ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে আজ কিভাবে আবার সেই ধ্বংসস্তূপ পরিদর্শনে আসেন। আমরা বেঁচে থাকতে সালথার মাটিতে তাদের ঢুকতে দেয়া হবেনা।

জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মোদারেস আলী ইছা বলেন, আজ মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় ঢাকা থেকে বিএনপির একটি আইনজীবী প্রতিনিধি দল সালথার ধ্বংসস্তূপ পরিদর্শনে আসার কথা ছিল। কারণবশত প্রোগ্রামটি স্থগিত করা হয়েছে।

এদিকে জেলা বিএনপির একটি সূত্র জানান, বিএনপির ওই আইনজীবী প্রতিনিধি দল ঢাকা থেকে রওনা হয়ে আরিচা ঘাটে আসার পর সালথায় আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ ও শোডাউনের খবর পেয়ে তারা অনাকাংখিত পরিস্থিতি এড়াতে ফিরে আসেন।

সালথা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ওয়াদুদ মাতুব্বর বলেন, বিএনপি-জামায়াত ও হেফাজতের নেতাদের ইন্ধনে তাদের সমর্থকরা সালথার সরকারি দফতরে সেদিন ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। এখন আবার রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল করতে ধ্বংসস্তূপ পরিদর্শন করে মানুষকে বোকা বানাতে চায়। কিন্তু সালথার আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তা হতে দেয়নি। তাদের আশার খবরে সবাই রাস্তায় নেমে এসেছে।
 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

জবির একাউন্টিং বিভাগের পাঁচ বন্ধু  একসাথে বিসিএস ক্যাডার


মুন্না শেখ, জবি প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শুক্রবার, ০৪ জুলাই, ২০২৫, ০৩:৪২
জবির একাউন্টিং বিভাগের পাঁচ বন্ধু  একসাথে বিসিএস ক্যাডার

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

মুন্না শেখ, জবি প্রতিনিধি : " আমরা পাঁচ বন্ধু,  একটাই গল্প - সপ্ন, সংগ্রহ আর সৃষ্টিকর্তার অনুগ্রহ।  একসাথে ক্লাস, টিউশন, রাত জাগা প্রস্তুতি সব মিলিয়ে ছিল একেকটা যুদ্ধ। আজ সেই যুদ্ধের ফলাফল হাতে পেলাম.... " - এভাবেই নিজের অনূভুতি ব্যক্ত করছিলেন সুপারিশ প্রাপ্ত পাঁচ বন্ধুর একজন ইব্রাহিম হোসাইন। 

সাম্প্রতিক ৪৪তম বিসিএস এ ক্যাডার হিসেবে সুপারিশ প্রাপ্ত হয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাউন্টটিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস  (এআইএস) বিভাগের ১১ ব্যাচের ( ২০১৫ - ২০১৬ সেশনের ) পাঁচ  শিক্ষার্থী।  তারা একই সাথে জবির এই বিভাগ থেকে অনার্স, মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন, এবার পেলেন বিসিএস ক্যাডারের গৌরবময় পরিচয়ও। 

তাদের মধ্যে চারজন শিক্ষা ক্যাডার ও একজন পোস্টাল ক্যাডার হিসেবে সুপারিশ প্রাপ্ত হয়েছেন। 

এই সফল পাঁচ বন্ধু হলেন 
• এম রাকিবুল ইসলাম ( পোস্টাল ক্যাডার) 
• ইব্রাহিম হোসাইন ( শিক্ষা ক্যাডার)  
• কাজল সরকার ( শিক্ষা ক্যাডার) 
• রাকিব হাসান ( শিক্ষা ক্যাডার)  
• কৌশিক গৌপি ( শিক্ষা ক্যাডার)  

সুপারিশ প্রাপ্ত হওয়ার অনূভুতি জানিয়ে রাকিবুল ইসলাম বলেন, ❝সত্যি স্বপ্নের রেশটা আমার এখনো কাটেনি। সৃষ্টিকর্তার প্রতি চির কৃতজ্ঞ কারণ তিনি হাজারো পরিশ্রমের মাঝে আমার পরিশ্রমকে বেছে নিয়েছেন। ৪৪ বিসিএস এ ১৬৯০ জন এর হতে ৫ জন ই একটি ডিপার্টমেন্টের একটি ব্যাচ থেকে। রয়েল এই ডিপার্টমেন্টের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। কৃতজ্ঞ আমাদের পূর্বসূরিদের প্রতি। উত্তরসূরীদের জন্য অনেক অনেক শুভকামনা আপনারা ভবিষ্যতে আমাদের শূন্যস্থানগুলো পূরণ করে আমাদের এই ডিপার্টমেন্টকে বাংলাদেশের অন্যতম সেরা একটি ডিপার্টমেন্টে পরিণত করবেন। ❞

 ইব্রাহিম আরও বলেন, ❝ জীবনের প্রথম বিসিএস, ৪১তম-এ আমি এডুকেশন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলাম। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকে সহকারী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় তখন যোগদান করা হয়নি। এবার ৪৪তম বিসিএসেও আবার একই ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছি। শুরুতে কিছুটা খারাপ লাগলেও আমার চারজন প্রিয় বন্ধুর সাফল্যে সত্যিই মন ভরে গেছে। তাদের আনন্দটাই আমার আনন্দ—এই অনুভূতি সত্যিই অমূল্য। আল্লাহ যা দিয়েছেন, তার জন্যই শুকরিয়া। আজ আমরা গর্বিত—নিজেদের জন্য, পরিবারের জন্য, আর আমাদের প্রিয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ও আমার একাউন্টিং পরিবারের জন্য। ❞

আনন্দে উচ্ছাসিত হয়ে কাজল সরকার বলেন,  
❝ শিক্ষকতার মতো একটি মহান পেশায় যুক্ত হতে যাচ্ছি সত্যই খু্ব ভালো লাগছে আরও ভালো লাগছে আমরা ৫ বন্ধু একসাথে ক্যাডার হয়েছি । আলাদাভাবে সাইফুল ইসলাম রাজু (প্রভাষক,  দালাল বাজার ডিগ্রি কলেজ) ভাই এর কথা উল্লেখ করতে চাই । বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া থেকে শুরু করে বিসিএস ক্যাডার হওয়া পর্যন্ত এই মানুষটি আমাকে সবধরনের সহযোগিতা করেছেন তার কাছে আজীবন কৃতজ্ঞ।  এছাড়া আমি আমার বন্ধু বান্ধব, সহপাঠী ও আমার বিভাগের শিক্ষকদের নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।❞

জবির এআইএস বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড.শামসুন নাহার বলেন, 
❝প্রথমেই সবার প্রতি শুভেচ্ছা জানাই, আমাদের ডিপার্টমেন্টের কোনো একক ব্যাচ থেকে এটাই মনে হয় সর্বোচ্চ সংখ্যক সুপারিশপ্রাপ্ত ক্যাডার এটা তাদের পরিশ্রমের ফসল এবং আমাদের জন্য বড় প্রাপ্তি। তাদের এই অর্জন আগামী শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা যোগাবে। তারা কাজের মাধ্যমে সপ্নের বাস্তবায়ন করতে পারে এই দোয়া থাকবে। যারা সুপারিশ প্রাপ্ত হয়নি তাদের হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই, আপনাদের জন্য অনেক অপশন আছে আপনারা চেষ্টা চালিয়ে যান। সর্বোপরি এআইএস এর সকল গ্রাজুয়েট দের জন্য শুভকামনা রইলো। ❞

এই পাঁচ বন্ধুর সাফল্য শুধু ব্যক্তিগত নয়, বরং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ও একাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের জন্যও এক অনন্য প্রাপ্তি।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - সারাদেশ