a
ফাইল ছবি
বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে চট্টগ্রামের চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাবুনগরীর সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্সে থাকা খাদেম মাওলানা জুনায়েদ।
জুনায়েদ জানান, বুধবার সন্ধ্যার পর থেকে বাবুনগরীর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টার দিকে তার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়। পরে দ্রুত অ্যাম্বুলেন্স ডেকে তাকে নিয়ে হাসপাতালের দিকে রওনা হন সঙ্গীরা।
৬৭ বছর বয়সি দেশের অন্যতম শীর্ষ আলেম বাবুনগরী দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, কিডনি ও ডায়াবেটিসসহ বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছেন।
তার আরোগ্য কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছে হেফাজত।
ফাইল ছবি
বিলুপ্তির পথে ইসলামপুর, জামালপুর জেলার কাঁসাশিল্প। উপজেলার দরিয়াবাদ গ্রামের এ শিল্পটি এক সময় বিশ্ব জুড়ে খ্যাতি অর্জন করেছিল। তত্কালীন ব্রিটিশ সরকার ১৯৪২ সালে লন্ডনের বার্মিংহামে সারা বিশ্বের হস্তশিল্প প্রদর্শনীর আয়োজন করেছিল। সেই প্রদর্শনীতে ইসলামপুরের প্রয়াত কাঁসাশিল্পী জগত্চন্দ্র কর্মকারের কারুকার্যখচিত কাঁসার কাজ বিশ্বখ্যাত শিল্প হিসাবে স্বর্ণপদক লাভ করেছিল। কিন্তু কালের বিবর্তনে শিল্পটি এখন হারিয়ে যেতে বসেছে।
বাংলায় এ মিশ্র ধাতব শিল্পটি কখন কোথায় কীভাবে শুরু হয়েছিল সে সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কোন উল্লেখ না থাকলেও ইতিহাসবিদদের মতে দেশে সর্বপ্রথম ঢাকার ধামরাই এলাকায় কাঁসার শিল্পীরা এসে বসতি স্হাপন করে কারখানা গড়ে তোলেন। কালক্রমে নানা কারণে তারা দেশের বিভিন্ন স্হানে ছড়িয়ে পড়েন।
কাঁসাশিল্পীরা তাদের পেশাগত জীবন পারিবারিকভাবে গড়ে তোলার কারণে একই পাড়া-মহল্লায় বসবাস করতেন। তাই তাদের বসবাসকারী এলাকা কাঁসারি পাড়া নামে পরিচিতি লাভ করে। কাঁসা মূলত একটি মিশ্র ধাতু। তামা ও টিন দিয়ে এটি তৈরি হয়ে থাকে। তবে এই মিশ্রনের ওপর নির্ভর করে শিল্পের স্হায়িত্ব, মসৃণতা ও উজ্জ্বলতা। বিষয়টি কারিগর সম্প্রদায়ের অতি গোপনীয় বিষয় বলে জানিয়েছে।
স্হানীয় একটি কাঁসা কারখানার মালিক উত্তম কুমার কর্মকার বলেন, শিল্পটি বাঁচিয়ে রাখতে মসলিন শিল্পের মতো সরকারি সাহায্য সহযোগিতার প্রয়োজন। বিশেষ করে টিন (রাং) মালেশিয়া থেকে আমদানি করতে হয়। পাশাপাশি স্বল্প সুদে ব্যাংক ঋণের ব্যবস্হা করে উত্পাদিত কাঁসার পণ্য বহির্বিশ্বে বাজারজাত করতে হবে। কাঁসাশিল্পী লাল মিয়া, শরিফ উদ্দিন, সাহেব আলী, অবিজল এনামুল হক জানান, উত্পাদিত পণ্য কম বিক্রির কারণে কারখানার মালিকগণ স্বল্পসংখ্যক পণ্য তৈরি করে থাকেন। দৈনিক ৫০০ টাকা বেতনে তাদের পোষায় না।
ইসলামপুরের কাঁসাশিল্প সমিতির সভাপতি নারায়ণ চন্দ্র কর্মকার ও সাধারণ সম্পাদক অঙ্কনচন্দ্র কর্মকার জানান, তারা বংশগত ঐতিহ্য এবং পেশাগত দিক থেকে এই শিল্পটি ধরে রেখেছেন। বর্তমানে তামা ও টিনের দাম অত্যধিক বেশি। তাই ১ কেজি কাঁসা তৈরিতে খরচ পড়ে ২ হাজার ৩০০ টাকা। বিক্রি করতে হয় ২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৩ হাজার টাকা।
প্লাস্টিক-মেলামাইনের তৈজসপত্রের ভিড়ে ক্রেতারা এত উচ্চমূল্যের কাঁসার তৈজসপত্র কিনতে চান না। এ কারণে কারিগরদের সঠিকভাবে বেতন দেওয়া সম্ভব হয় না। তাই তাদের বর্তমানে দুর্দিন চলছে। অনেকেই বাঁচার তাগিদে এ পেশা ছেড়ে দিয়ে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন। এভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যতে এ শিল্পটিও মসলিন শিল্পের মতো বিলীন হয়ে যাবে। সূত্র: ইত্তেফাক
শিল্প সংশ্লিষ্টদের আবেদন, কাঁচামালের দাম কমিয়ে সহজ শর্তে ব্যাংক ঋণ প্রদানের ব্যবস্হা করলে শিল্পটি ধরে রাখা সম্ভব হবে। এ বিষয়ে স্হানীয় সংসদ সদস্য ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান দুলাল বলেন, আধুনিক যন্ত্রপাতিসহ কাঁচামাল আমদানির ব্যাপারে সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ উদ্যোগ নিলে শিল্পটি বিলুপ্তি থেকে রক্ষা পাবে।
সংগৃহীত ছবি
নিজস্ব প্রতিনিধি: ঢাকার সিটি কলেজের সামনের সড়ক দিয়ে দুটি বুলডোজার ধানমন্ডি ৩২ এর দিকে নিয়ে যাওয়া যাচ্ছে কিছু উৎসুক তরুণ। পরিচয় জানতে চাইলে তারা জানান, বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের কর্মীরা এখানে আছে, যা বিগত দিনে একটি বিশেষ দলের পরিচয় লুকানোর ইঙ্গিতই বহন করে।
উল্লেখ্য, মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার রায় সোমবার (১৭ নভেম্বর) ঘোষণা করবেন বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। গণঅভ্যুত্থানের সময় হত্যাকাণ্ডসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় করা প্রথম মামলা হিসেবে এর রায় হতে যাচ্ছে আজ।
এ রায়কে কেন্দ্র করে পুরো রাজধানীরজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পাশাপাশি চেকপোস্টের সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে।
সোমবার (১৭ নভেম্বর) সকাল থেকে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ও মোড়ে মোড়ে পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকলেও কিছু তরুণ বুলডেজার নিয়ে ধানমন্ডির ৩২ দিকে কোন বাধা ছাড়াই এগিয়ে যাচ্ছে বলে সর্বশেষ তথ্যে জানা যায়।
বিভিন্ন এলাকায় সড়কে অন্যান্য দিনের তুলনায় ব্যক্তিগত যানবাহনের সংখ্যা তুলনামূলক কম। রায়কে ঘিরে গত কয়েকদিন বিভিন্ন এলালায় ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে অগ্নিকাণ্ড ঘটনো হয়। নাশকতার শঙ্কায় সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ লক্ষ্য করা গেছে। রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে রাজধানীসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সতর্ক অবস্থানে অবস্থান করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।