a
ফাইল ছবি: ডা. মুরাদ হাসান এমপি
মাথায় সিলিং ফ্যান ভেঙ্গে পড়ে আহত হয়েছেন সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান এমপি। এতে তার কপালে তিনটি সেলাই করতে হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার দৌলতপুর গ্রামের নিজ বাড়িতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে তার আঘাত আশঙ্কাজনক নয় বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
সরিষাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) ডা. দেবাশীষ রাজবংশী জানান, রাত ৮টার দিকে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আমি তার বাড়িতে যাই। ফ্যান পড়ে তার কপালের ডান দিকে কেটে গেছে। এতে তার কপালে তিনটি সেলাই করা হয়েছে। তবে তার আঘাত আশঙ্কাজনক নয়। তার চিকিৎসা বাড়িতেই চিকিৎসাধীন করা হচ্ছে।
ফাইল ছবি
আলোচিত বক্তা মুফতি আমির হামজাকে আটক করেছে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) একটি দল। সিটিটিসি ইউনিটের প্রধান মো. আসাদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সোমবার বিকেলে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার পাটিকাবাড়ি ইউনিয়নের ডাবিরাভিটা গ্রামের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে হামজাকে আটক করা হয় বলে জানানো হয়।
মুফতি আমির হামজা কুষ্টিয়া সদর উপজেলার পাটিকাবাড়ী ইউনিয়নের রিয়াজ সর্দারের ছেলে। তিনি বাংলাদেশ জাতীয় মুফাসসির পরিষদের কেন্দ্রিয় যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
এর আগে, আমির হামজার স্ত্রী তামান্না সুলতানা গণমাধ্যমকে অভিযোগ করে বলেন, সাদাপোশাকে ছয়–সাতজন মানুষ এসে হাতকড়া পরিয়ে হুজুরকে (আমির হামজা) নিয়ে যায়। এ সময় তাদের একজনের কাছে রাইফেল ছিল।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কুষ্টিয়া পুলিশ সুপার খাইরুল আলম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আপনার মতো আরেকজন সাংবাদিকও একই খোঁজ নিয়েছে। এ ব্যাপারে কোনো তথ্য নাই। পরিবার থেকে অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
আমির হামজার স্ত্রীর ভাষ্যমতে, গতকাল রোববার তাঁরা পরিবারসহ গ্রামের বাড়ি ডাবিরাভিটা যান। আজ দুপুরের খাবার খেয়ে বাড়িতেই শুয়ে ছিলেন তাঁর স্বামী আমির হামজা। বিকেল সাড়ে চারটার দিকে হঠাৎ একটি কালো মাইক্রোবাস বাড়ির সামনে আসে। ছয়–সাতজন নেমে ঘরের ভেতরে যায়। একপর্যায়ে হুজুরকে ডাকতে বলে এবং তাদের সঙ্গে যেতে বলে। তিনি বের হলে তাঁর হাতে একজন হাতকড়া পরিয়ে ফেলে।
তামান্না সুলতানা আরও বলেন, ‘প্রত্যেকের শরীরে পাঞ্জাবি ও পাজামা পরা ছিল। তবে হাতকড়া পরানোর সময় কয়েকজন কালো কটি পরে। তাদের মধ্যে একজনের হাতে রাইফেল ছিল। ১০ মিনিটের মধ্যে তারা কালো গাড়িতে (হাইয়েস) করে দ্রুত চলে যায়। এরপর শহরের কয়েক জায়গায় যোগাযোগ করে এখনো তার কোনো সন্ধান পাচ্ছি না।’
বিভিন্ন ওয়াজ মাহফিলে আমির হামজার দেওয়া বক্তব্য ইউটিউবসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার পায়। সূত্র: প্রথম আলো
ফাইল ছবি
গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে করোনা ভাইরাসের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। আগামী ৩০ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার কথা ছিল। তবে তা আর হচ্ছে না। ঈদের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।
বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে গণহত্যা দিবসের আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি আজ বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) এ তথ্য জানান। এ সময় করোনা সংক্রমন বেড়ে যাওয়ায়, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনায় নিয়েই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান দীপু মনি।
এর আগে গত বুধবার (২৪ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন যে, আগামী ৩০ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কথা থাকলেও সেদিন খোলা সম্ভব নয়। শবে বরাতের সরকারি ছুটি ২৯ মার্চের পরিবর্তে ৩০ মার্চ নির্ধারণ করার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এদিন খুলছে না।
মো. মাহবুব হোসেন আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে দু-একদিনের মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) মহাপরিচালকের সাথে আলোচনা করা হবে। ৩০ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে মাউশিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে বলা হবে।
ছুটি বাড়ানোর বিষয়ে সচিব মো. মাহবুব হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার বিষয়টি বিবেচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে এ বিষয়ে ঘোষণা দেওয়া হবে বলেও তিনি জানিয়েছিলেন।
এর আগে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি শিক্ষামন্ত্রী ড. দীপু মনি আন্তঃমন্ত্রণালয়ের বৈঠক শেষে জানিয়েছিলেন, পরিস্থিতি ভাল থাকলে আগামী ৩০ মার্চ দেশের সব স্কুল-কলেজ ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে।