a এলএসডিসহ গ্রেফতার শিক্ষার্থীরা রিমান্ডে
ঢাকা শনিবার, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

এলএসডিসহ গ্রেফতার শিক্ষার্থীরা রিমান্ডে


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
সোমবার, ৩১ মে, ২০২১, ০৬:০৩
এলএসডিসহ গ্রেফতার শিক্ষার্থীরা রিমান্ডে

ফাইল ছবি


 
রাজধানীতে এলএসডিসহ (লাইসার্জিক অ্যাসিড ডাইথ্যালামাইড) গ্রেফতার বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ শিক্ষার্থীকে প্রত্যেককে ৫ দিন করে রিমান্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার বিকালে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের বিচারক আতিকুল ইসলাম এই আদেশ প্রদান করেন। দুপুরে তাদের আদালতে হাজির করে প্রত্যেকের ১০ দিন করে রিমান্ড চাইলে আদালত ৫ দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে রোববার রাজধানীর শাহজাহানপুর, রামপুরা, বাড্ডা ও ভাটারাসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি সংঘবদ্ধ গ্রুপের পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে ভয়ংকর মাদক ২ হাজার মাইক্রোগ্রাম এলসডি, আইস ও গাঁজা জব্দ করা হয়েছে।

পরে ওই দিন রাতেই এক ব্রিফিংয়ে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা জানায়, গত এক বছর ধরে দেশে এলএসডির ব্যবসা করে আসছে তারা। 

ঢাকা মেট্রোপলিটন (ডিএমপি) পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আ. আহাদ বলেন, অনলাইন বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে তারা আসক্ত হয়ে এলএসডি সেবন করে আসছে। তারা বিদেশ থেকে এলএসডি মাদক সংগ্রহ করে আসছে। রাজধানীতে ১৫টি গ্রুপ রয়েছে যারা এলএসডি বিক্রির সহিত জড়িত। এই গ্রুপ গত এক বছর ধরে এই এলএসডি বিক্রি ও সেবন করে আসছে।  

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ভন্ডামি পরিবার, সমাজ তথা সর্বত্রই ক্ষতিকর ও অসংখ্য দুর্ভোগের কারণ


কর্নেল(অব.) আকরাম, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ১২ মার্চ, ২০২৫, ১১:০২
ভন্ডামি পরিবার, সমাজ তথা সর্বত্রই ক্ষতিকর ও অসংখ্য দুর্ভোগের কারণ

ছবি সংগৃহীত

 

ভণ্ডামি পরিবার ও সমাজ—উভয়ের জন্যই মারাত্মক ক্ষতিকর এবং এটি অসংখ্য দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। যখন ব্যক্তিস্বার্থ সমাজের মূল চালিকাশক্তি হয়ে ওঠে, তখন ভণ্ডামি ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করে, যা শেষ পর্যন্ত সমাজের অবক্ষয় ডেকে আনে।  

আমাদের সমাজে ভণ্ডামির চর্চা এখন এতটাই স্বাভাবিক হয়ে গেছে যে, আমরা দীর্ঘদিন ধরেই এই অভ্যাসের শিকার। এর ফলে আমাদের ঐতিহ্যবাহী নীতি ও মূল্যবোধ দ্রুত ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে। সমাজের সামাজিক বন্ধনগুলো ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে এবং সাধারণ মানুষই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। যদিও পবিত্র কোরআনে ভণ্ডামিকে গুরুতর পাপ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, কিন্তু আমরা তা মানতে খুব একটা আগ্রহী নই।  

সমাজের সর্বস্তরের নেতারাও এই ভণ্ডামির ভাইরাস থেকে মুক্ত নন। ধীরে ধীরে সম্পূর্ণ নেতৃত্ব কাঠামো এতে আক্রান্ত হয়েছে, ফলে সাধারণ জনগণের মধ্যে নেতাদের প্রতি বিশ্বাস হারিয়ে যাচ্ছে। আমাদের বেশিরভাগ নেতাই ভণ্ড, যাদের জনগণের স্বার্থের প্রতি ন্যূনতম শ্রদ্ধাবোধ নেই। তাদের একমাত্র লক্ষ্য হলো ধন-সম্পদ উপার্জন, যা এখন সমাজের নেতৃত্ব কাঠামোর সাধারণ প্রবণতায় পরিণত হয়েছে। ভালো ও সৎ নেতা খুঁজে পাওয়া এখন বিরল ব্যাপার।  

যদি একটি সমাজের নেতারা বিপুল সংখ্যায় ভণ্ডামিতে নিমজ্জিত হয়, তবে সেই সমাজের জন্য ভালো কিছু আশা করা যায় না। দুর্ভাগ্যবশত, স্বাধীনতার পর থেকেই আমাদের সমাজ এই ধরনের ভণ্ড নেতাদের শিকার হয়ে আসছে। স্বাধীনতার পরবর্তী পরিস্থিতি আমাদের জন্য খুব বেশি ইতিবাচক অভিজ্ঞতা বয়ে আনেনি। শুরু থেকেই নেতারা জনগণের কল্যাণের চেয়ে নিজেদের ভাগ্য গড়ার দিকেই বেশি মনোযোগ দিয়েছে। তবে এর ব্যতিক্রমও ছিল, যেমন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, যিনি জাতির সেবা করেছেন। গত ৫৩ বছরের ইতিহাসে এ রকম ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত খুবই কম দেখা গেছে।  

একটি সমাজ কখনোই উন্নতি করতে পারে না যদি তার নেতারা ভণ্ড ও দুর্নীতিগ্রস্ত হয়। আমরা এই অসৎ নেতাদের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছি এবং ভবিষ্যতেও এর ফল ভোগ করতে হবে। জাতির রক্ষক হিসেবে বিবেচিত শীর্ষ রাজনৈতিক নেতারা অত্যন্ত অসৎ, এবং তারা দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করে জনগণের অর্থ লুটপাট করেছে।  

শুধু রাজনৈতিক নেতারাই নয়, প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আমলা এবং সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসনামলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। যারা ক্ষমতার কেন্দ্রে ছিলেন, তারা সবাই নিজেদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সম্পদের পাহাড় গড়ার সুযোগ হাতছাড়া করেননি। গত ১৫ বছর ধরে এটিই ছিল সাধারণ চিত্র।  

এখন এই ভাগ্যবান দুর্নীতিবাজদের অনেকেই নির্দোষ সাজতে চাচ্ছেন এবং জনগণের সহানুভূতি আদায় করে ভবিষ্যতে আরও সুবিধা নিতে চাইছেন। যখন একজন অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের চেষ্টা করেন, তখন তা শুধু হাস্যকরই নয়, বরং আরও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে এবং নতুন বিতর্কের জন্ম দেয়। সাধারণ মানুষের মধ্যে এটি একটি প্রচলিত ধারণা হয়ে উঠেছে যে, "সর্বোত্তম বন্ধুর" অনুমোদন ছাড়া গত ফ্যাসিবাদী শাসনামলে কেউ জেনারেল হতে পারেননি।  

আমরা ভাগ্যবান যে, একটি নতুন বাংলাদেশ গঠনের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, কিন্তু একইসঙ্গে দেশজুড়ে বিভ্রান্তিও বিরাজ করছে। এখন সবচেয়ে জরুরি হলো, রাজনৈতিক দলগুলোকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে এবং দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে নিষ্ঠাবান হতে হবে।  

প্রশ্ন হচ্ছে, আমরা কি জাতির স্বার্থে ভবিষ্যতে ভণ্ডামি ছাড়া রাজনীতি করতে পারব? সময় এখনই, নয়তো কখনোই নয়।

 

লেখক: অধ্যাপক কর্নেল আকরাম, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

স্পেন দলে জায়গা পায়নি সার্জিও রামোসসহ কোন রিয়াল মাদ্রিদ খেলোয়াড়


ক্রীড়া ডেস্ক:
সোমবার, ২৪ মে, ২০২১, ০৮:৫৩
স্পেন দলে জায়গা পায়নি সার্জিও রামোসসহ কোন রিয়াল মাদ্রিদ খেলোয়াড়

ফাইল ছবি

আজ সোমবার ২০২০ ইউরো কাপের জন্য দল ঘোষণা করেছে স্পেনের কোচ লুইস এনরিকে। ২৪ সদস্যের দলে জায়গা হয়নি স্পেন অধিনায়ক সার্জিও রামোসের। তাছাড়া ঘোষিত দলে নেই কোন রিয়াল মাদ্রিদ খেলোয়াড়।

করোনা কারনে যদিও ইউরোর জন্য সব দলকেই ২৬ জন করে ফুটবলার রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে, তবে এনরিকে আপাতত ২৪ জনের দলই ঘোষণা করেছেন।
দলে সুযোগ পেয়েছেন ম্যানচেস্টার সিটি থেকে ৪ জন, বার্সেলোনা থেকে ৩ জন, ভিলারিয়াল / অ্যাটলেটিকো  থেকে ২ জন করে, ব্রাইটন / চেলসি / লিডস/লিভারপুল / ম্যান ইউনাইটেড / উলভস / পিএসজি / আরবি লেইপজিগ / জুভেন্টাস / নাপোলি / অ্যাথলেটিক / রিয়েল সোসিয়েদাদ / ভ্যালেন্সিয়া  থেকে সুযোগ হয়েছে করে নিয়েছে একজন করে খেলোয়াড়, এখনো স্পেনের হয়ে না খেলে প্রথমবার যায়গা পেয়েছে ২ জন।

পুরো মৌসুমে মাত্র ১২টি ম্যাচ খেলা ২০ বছর বয়সী ম্যাঞ্চেস্টার সিটির সেন্টার ব্যাক এরিক গার্সিয়া, গোটা মৌসুম ধরে মাত্র ১২টি ম্যাচ খেলেছেন। তাঁকেও দলে  রেখেছেন এনরিকে। আবার গার্সিয়ার সতীর্থ ম্যান সিটিরই আইমেরিক লাপোর্তে চোট সমস্যায় ভুগছেন তাও দলে যায়গা পেয়েছেন। তবুও তিনি দলে সুযোগ পেয়েছেন। কিন্তু জায়গা হয়নি রামোসের।

এনরিকে বলেছেন, ‘রামোসকে নিয়ে আমি যেই সিদ্ধান্ত নিতাম, তাতেই বিতর্ক হত। আমি জানি, আমি কী করেছি। আর সংবাদমাধ্যমের বিরোধীতার মুখোমুখি হতে আমি প্রস্তুত।

২০২০ ইউরোর জন্য স্পেনের ২৪ সদস্যের স্কোয়াড :

গোলরক্ষক: উনাই সাইমন, দাভিদ দি গিয়া, রবার্ত সানচেজ।

ডিফেন্ডার: হোসে গায়া, জর্দি আলবা, পাউ তরেস, আইমেরিক লাপোর্তে, এরিক গার্সিয়া, দিয়েগো লোরেন্তে, সিজার আজপিলিকুয়েতা, মার্কোস লোরেন্তে।

মিডফিল্ডার: সার্জিও বুসকেটস, রদ্রি, পেদ্রি, থিয়াগো, কোকে, ফ্যাবিয়ান রুইজ।

ফরোয়ার্ড: দানি ওলমো, মিকেল ওয়ারজাবল, আলভারো মোরাতা, জেরার্দ মোরেনো, ফেরান তরেস, অ্যাদামা ত্রাউরে, পাবলো সারাবিয়া।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - অপরাধ