a বাসাবোতে অভিনব কায়দায় স্বর্ণালংকার ছিনতাই, সব হারিয়ে বাকরুদ্ধ মহিলা!
ঢাকা মঙ্গলবার, ৩০ পৌষ ১৪৩২, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

বাসাবোতে অভিনব কায়দায় স্বর্ণালংকার ছিনতাই, সব হারিয়ে বাকরুদ্ধ মহিলা!


নিজস্ব প্রতিবেদক, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ১৪ আগষ্ট, ২০২২, ১১:০৬
বাসাবোতে অভিনব কায়দায় স্বর্ণালংকার ছিনতাই, সব হারিয়ে বাকরুদ্ধ মহিলা!

ছবি: লাল কাপড় পড়া মহিলার স্বর্ণলংকার ছিনতাই হয়

আজ রোববার (১৪ আগস্ট) সকাল ৯ টায় বাসাবো কদমতলা রোডের উপর থেকে এক মহিলার গলা ও কানের স্বর্ণালংকার ২ মটর সাইকেল আরোহী অভিনব কায়দায় ছিনতাই করে মূহুর্তেই চম্পট দেয়।

আমাদের প্রতিনিধি উপস্থিত সেই মহিলা ও অন্যান্যদের সাথে কথা বলে জানতে পারেন, উক্ত মহিলা বাসাবো ওয়াসা সড়কের মোড় থেকে বাজার করে পূর্ববাসাবো-কদমতলা আমান মসজিদের বিপরীত ফুটপাত ধরে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ এক মটর সাইকেল আরোহী গাড়ি থামিয়ে মহিলাকে বলেন, আপা আমি সাভার থেকে এসেছি। আমি একটু সমস্যা পড়েছি, যদি আমাকে একটু সাহায্য করেন! পেছনে আরেক জন ব্যক্তি এসে হাতে রোমাল সদৃশ কিছু একটা মুখের কাছে এনে বলছেন, আপা আমিও তার সাথে এসেছি।

মহিলা বলেন, রুমালটি ধরার পর আমার মাথা কোন কাজ করছিল না। ওরা আমাকে গলা ও কানের গহনা খুলতে বললে আমি তা খুলে দেই। এরপর প্রায় ৫ মিনিট পর আমার সেন্স ফিরলে আমি চিল্লাচিল্লি করলে আশে পাশের মানুষ এসে ভীড় করে।

উপস্থিতি অন্যান্যদের সাথে কথা বললে তারা জানান, আমরা দূর থেকে দেখছিলাম মহিলাটি মটর সাইকেল ২ আরোহীর সাথে কথা বলছিলেন ও কান এবং গলা থেকে গহনা খুলে দিচ্ছেন যেন তারা একজন আরেকজনের পরিচিত। তাই আমরা বিষয়টি গুরুত্ব দেয়নি।

উল্লেখ্য, উপস্থিত ব্যক্তিরা আরও বলেন, বাসাবো ওয়াসা সড়কে এর আগেও কয়েকবার এরকম ছিনতায়ের ঘটনা ঘটেছে। ভদ্র মহিলার স্বামী রাজারবাগ পুলিশ লাইনে চাকুরি করেন বলে জানান এবং কদমতলা হিরাঝিলে বসবাস করেন।

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

টাঙ্গাইলে হাসপাতালের বেডে কালচারাল কর্মকর্তা রেদওয়ানাকে শ্বাসরোধে হত্যা


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
শনিবার, ২৭ মার্চ, ২০২১, ১১:৪০
টাঙ্গাইলে হাসপাতালের বেডে কালচারাল কর্মকর্তা রেদওয়ানাকে শ্বাসরোধে হত্যা

ফাইল ছবি

টাঙ্গাইলের কুমুদিনী হাসপাতালে টাঙ্গাইল জেলা কালচারাল কর্মকর্তা রেদওয়ানা ইসলামকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালের একটি ভিআইপি কক্ষ থেকে শনিবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের ধারণা তাকে হত্যা করে তার স্বামী পালিয়েছে।

মির্জাপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার দীপংকর ঘোষ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রেদওয়ানা প্রসব ব্যথা নিয়ে গত ২২ মার্চ মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি হন। ওই দিনই তিনি একটি কন্যাসন্তান জন্ম দেন। এরপর থেকে কন্যাসন্তানটি আইসিউতে (নিবিড় পরিচর্যা ইউনিট) রাখা হয়। 

দীপংকর ঘোষ আরো জানান, চার দিন আগে রেদওয়ানা ইসলামকে চিকিৎসকরা ছুটি দিয়ে দিলেও জন্ম নেয়া মেয়ে হাসপাতালে থাকার কারণে রেদওয়ানা হাসপাতালেই একটি কক্ষ নিয়ে থেকে যান। এদিকে আজ শনিবার সকালে তার স্বামী মিজান আসেন হাসপাতালে রেদওয়ানার সঙ্গে দেখা করতে। 

বিকালে হাসপাতালের নার্স রেদওয়ানার কক্ষ বাইরে থেকে লক (তালা) দেখতে পেয়ে কর্তৃপক্ষকে জানালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কক্ষের ডুপ্লিকেট চাবি দিয়ে তালা খুলে ভেতরে ঢুকলে সেখানে রেদওয়ানার লাশ দেখতে পায়। এরপর পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়।

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি এ বিষয়ে জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে তার স্বামী শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পালিয়ে গেছে। 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

প্রেমিকাকে ধর্ষণ ছাত্রলীগ নেতার, অতঃপর…


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
বৃহস্পতিবার, ০৮ এপ্রিল, ২০২১, ০২:৫৩
প্রেমিকাকে ধর্ষণ ছাত্রলীগ নেতার, অতঃপর

সংগৃহীত ছবি: লুৎফর রহমান নয়ন

প্রেমিকাকে ধর্ষণের পর গর্ভপাত করানোর অভিযোগ উঠেছে কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক লুৎফর রহমান নয়নের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গত ৪ এপ্রিল আদালতে একটি মামলাও করেছেন তার প্রেমিকা। 

কিশোরগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ কিরণ শংকর হালদার মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন। পিবিআইকে আগামী ২৯ এপ্রিলের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। 

মামলার বিবরণীতে জানা জানা যায়, গুরুদয়াল কলেজ ক্যাম্পাসে লুৎফর রহমান নয়নের সঙ্গে ওই তরুণীর পরিচয় হয়। এরপর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। 

গত বছরের ২০ অক্টোবর ওই তরুণীকে শহরের গাইটাল এলাকায় জুয়েল রানা নামে তার এক বন্ধুর বাসায় নিয়ে যায নয়ন। সেখানে হত্যার হুমকি দিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। 

মেয়েটি কান্নাকাটি করলে তাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেয় নয়ন। তবে নতুন বছরের জানুয়ারি মাসে মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে বিষয়টি নয়নকে জানায় তার প্রেমিকা। শুনে নয়ন বলে, গর্ভের সন্তান নষ্ট করলে তাকে ১ সপ্তাহের মধ্যে বিয়ে করবে।

প্রতিশ্রুতি মোতাবেক নয়ন মেয়েটিকে ট্যাবলেট খাইয়ে গর্ভপাত করায়। এরপর থেকে বিয়ের মেয়েটি বিয়ের কথা বললে এড়িয়ে যায় নয়ন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

সর্বশেষ - অপরাধ