a
ফাইল ছবি: বাংলাদেশ জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ভবন
এনবিআর শুধু রাজস্ব আদায় করবে, আর নীতি কৌশল তৈরিতে আলাদা কমিশন গঠন করা হবে। এনবিআর সংস্কার কমিটি এমনটাই চাচ্ছে। তাদের যুক্তি, এতে পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্তের কারণে হয়রানির হাত থেকে করদাতা মুক্তি পাবেন করদাতা এবং তাতে বাড়বে রাজস্ব আদায়।
ফলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ক্ষমতা কমছে। এটি ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন ব্যবসায়ীরা।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সরকারি ব্যয়ের সবচেয়ে বড় অংশের জোগান দেয়। সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সরাসরি সংগ্রহ করে ভ্যাট, ট্যাক্স ও শুল্ককর। বর্তমানে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের (আইআরডি) অধীন একটি সংস্থা এনবিআর। সংস্থাটি একই সঙ্গে রাজস্ব নীতি প্রণয়ন করে ও রাজস্ব আহরণ করে। আর আইআরডির সচিবই পালন করেন এনবিআরের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব। তবে এনবিআর সংস্কার কমিটির সুপারিশ হলো এনবিআরের কাজ হবে শুধু রাজস্ব আদায় করা।
এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান ও এনবিআর সংস্কার কমিটির সদস্য ড. মোহাম্মদ আবদুল মজিদ বলেন, এনবিআরের যিনি প্রধান হবেন তিনি শুধু এনবিআর নিয়েই কাজ করবেন। তিনি এসআরও জারি, অর্থ আইন তৈরি করবেন না। এসব কাজ অন্য কেউ করবেন।
অন্যদিকে, ভ্যাট, ট্যাক্স শুল্ক সংক্রান্ত নীতি গ্রহণের ক্ষমতা থাকবে রাজস্ব নীতি আলাদা বিভাগের হাতে। এর প্রধান হবেন সচিব পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা।
পাশাপাশি এনবিআর, অর্থ, বাণিজ্য, শিল্পসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও ব্যবসায়ীদের সংগঠন, গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিসহ ১৫ থেকে ১৬ সদস্যের একটি স্থায়ী উপদেষ্টা পরিষদ থাকবে। কমিশন যত নীতি গ্রহণ করবে, তা অবশ্যই ওই কমিটির মাধ্যমে অনুমোদন হতে হবে। পরে তা মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ন করবে এনবিআর।
সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
আন্তর্জাতিক মুদ্রা সংস্থার (আইএমএফ) নিয়মে দেশে বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রার প্রকৃত রিজার্ভ ২ হাজার ৩৪৪ কোটি (২৩ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন) ডলার। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে দেশের রিজার্ভের পরিমাণ ২ হাজার ৯৮৫ কোটি (২৯ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন) ডলার।
গতকাল রোববার এ তথ্য প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রতি মাসে ৬ বিলিয়ন ডলার হিসাবে এ রিজার্ভ দিয়ে প্রায় চার মাসের আমদানি ব্যয় মেটাতে পারবে বাংলাদেশ।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আইএমএফের পদ্ধতিতে ১০ দিন আগে অর্থাৎ ১৩ জুলাই রিজার্ভ ছিল ২৩ দশমিক ৫৬৯ বিলিয়ন ডলার। আর বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে রিজার্ভ ছিল ২৯ দশমিক ৯৭৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, গত ১০ দিনে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমল প্রায় ১২ কোটি মার্কিন ডলার।
প্রসঙ্গত, আমদানি ব্যয়সহ বিভিন্ন ব্যয় মেটাতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে ডলার বিক্রি করে থাকে বাংলাদেশ ব্যাংক। আবার একই সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকে বিভিন্ন সোর্স থেকে রিজার্ভ হিসাবে বৈদেশিক মুদ্রা আসে। এর মধ্যে রপ্তানি আয় ও প্রবাসী আয়ের একটি অংশ বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা হয়।
এ ছাড়া বৈদেশিক ঋণের অর্থও সরাসরি রিজার্ভে যুক্ত হয়। গত সপ্তাহে বৈদেশিক মুদ্রা আসা ও যাওয়ার পর ১২ কোটি মার্কিন ডলার কমেছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে। সূত্র: ইত্তেফাক
ফাইল ছবি
দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আগামী ২৯ ডিসেম্বর থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত সেনাবাহিনী মাঠে থাকবে বলে জানিয়েছে ইসি। আজ সোমবার দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ও বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করতে সেনাবাহিনী মোতায়েনে চিঠি দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন ইসি। ইসির উপসচিব মো. আতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠান করার নিমিত্ত নির্বাচন কমিশন সম্ভব সকল আইনানুগ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার জন্য সার্বিক প্রস্তুতিও গ্রহণ করা হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়, ভোটগ্রহণের পূর্বে, ভোটগ্রহণের দিন ও ভোটগ্রহণের পরে শান্তিশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার নিমিত্ত ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ারের আওতায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশের সব জায়গায় ৩০০টি নির্বাচনী এলাকায় ২৯ ডিসেম্বর থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত (যাতায়াত সময়সহ) সশস্ত্র বাহিনী নিয়োজিত হবে মর্মে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এ লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচনের কয়েকদিন আগে থেকে নির্বাচনী এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা, ভৌত অবকাঠামো এবং নির্বাচনী পরিবেশ পরিস্থিতির ওপর প্রাথমিক তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করার নিমিত্ত প্রতি জেলায় সশস্ত্র বাহিনীর ছোট আকারের একটি করে অগ্রবর্তী টিম পাঠানো হবে জানা যায়।