a চিরকুটে ক্ষমা করো লিখে পাবিপ্রবি শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা
ঢাকা মঙ্গলবার, ১৪ মাঘ ১৪৩২, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

চিরকুটে ক্ষমা করো লিখে পাবিপ্রবি শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা


এম.এস প্রতিদিন ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৭:৪০
চিরকুটে ক্ষমা করো লিখে পাবিপ্রবি শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

ফাইল ছবি

সুইসাইড নোটে ‘বাবা-মা ক্ষমা করো, গুড বাই’ লিখে গলায় ফাঁস দিয়ে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে শহরের শালগাড়িয়া মেরিল বাইপাস এলাকার এক ছাত্রাবাস থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই শিক্ষার্থীর নাম তাহমিদুর রহমান জামিল (২২)।

তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার শাহীবাগ এলাকার বজলার রহমানের ছেলে। জামিল পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয়বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জামিলের কক্ষ থেকে একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত নোটে লেখা ছিল ‘বাবা-মা ক্ষমা করো, গুড বাই।’

এতে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। সহপাঠীদের বরাত দিয়ে পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, শহরের শালগাড়িয়া মেরিল বাইপাস এলাকার সাফল্য ছাত্রাবাসে থাকতেন শিক্ষার্থী তাহমিদুর রহমান জামিল।

পারিবারিক বিষয় নিয়ে কিছুদিন ধরে মানসিক অস্থিরতায় ভুগছিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর ছাত্রাবাসে নিজের কক্ষে ফ্যানের হুকের সাথে ব্যাগের বেল্ট গলায় পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। তার সাড়া শব্দ না পেয়ে কক্ষের দরজা খুলে তাকে ঝুলতে দেখে থানায় খবর দেন সহপাঠিরা।

পরে পুলিশ গিয়ে তার ঝুলন্ত অবস্থায় তার মৃতদেহ উদ্ধার করে। তিনি বলেন, তার উদ্ধারকৃত সুইসাইড নোট থেকে বোঝা যাচ্ছে সে আত্মহত্যা করেছে। তারপরও ময়না তদন্ত করা হবে। পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com

খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা স্রষ্টার সৃষ্টি জগৎকে দেখেছিলেন এক অভিন্ন পরিবার হিসেবে: বিভাগীয় কমিশনার


সাইফুল আলম, বিশেষ প্রতিনিধি
মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৯:৪৬
খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা স্রষ্টার সৃষ্টি জগৎকে দেখেছিলেন এক অভিন্ন পরিবার হিসেবে বিভাগীয় কমিশনার

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

সাইফুল আলম, ঢাকা:  উপমহাদেশের প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক ও সুফি চিন্তাবিদ হজরত খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা (র.) স্রষ্টার সৃষ্টি জগৎকে দেখেছিলেন এক অভিন্ন পরিবার হিসেবে। তাঁর মতে, স্রষ্টার একত্বে বিশ্বাস মানুষের মধ্যে ভেদাভেদ দূর করে এবং মানবিক দায়িত্ববোধ জাগ্রত করে। তাঁর প্রণীত ‘বিশ্ব-ভ্রাতৃত্ব’ দর্শন মানুষে মানুষে সম্পর্কের ভিত্তি হিসেবে নৈতিকতা, সহমর্মিতা, সহনশীলতা ও নিঃস্বার্থ সেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদান করে।

সোমবার (২২ ডিসেম্বর) বিকাল সাড়ে ৩ টায় রাজধানীর আগারগাঁও বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের সেমিনার হলে আহছানউল্লা সেন্টার ফর ইউনিভার্সাল হিউম্যানিটির আয়োজনে "বিশ্ব ভ্রাতৃত্ব: দর্শন ও কর্মকৌশল” শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে একথা বলেন ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী। তিনি বলেন-আইনের শাসন, মানবাধিকার ও নৈতিকতার সমন্বয় ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ও নাগরিকের মর্যাদার প্রতি শ্রদ্ধা নিশ্চিত করতে পারলে রাষ্ট্র ও সমাজের মধ্যে আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনা করেন ডাম ক্লাব ২৫-এর উপদেষ্টা ড. কাজী এম. এহছানুর রহমান। তিনি বলেন-খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা (র.)-এর বিশ্ব ভ্রাতৃত্বের ভাবনা ছিল স্রষ্টার এককত্বে পূর্ণ বিশ্বাস থেকে উদ্ভূত, যেখানে তিনি সমগ্র সৃষ্টিকে একই পরিবারের অংশ মনে করতেন এবং মানুষে মানুষে, এমনকি জীব ও জড়ের মধ্যে ভেদাভেদ না করে সার্বজনীন ভালোবাসা ও সেবার ওপর জোর দিতেন, যা 'সৃষ্টের সেবা' এবং 'মানবতার ধর্ম' ধারণার মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়েছে। তিনি মনে করতেন, স্রষ্টা ও সৃষ্টির প্রতি ভালোবাসা থাকলে বিশ্বে শান্তি ও ঐক্য প্রতিষ্ঠা সম্ভব, যা তাঁর দর্শন ও শিক্ষার মূল ভিত্তি ছিল।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মাদ মাহমুদুর রহমান। এসময় তিনি বলেন-খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা (র.) তাঁর জীবন ও কর্মের মাধ্যমে ব্যক্তিগত এবং সামাজিক উন্নয়নের কথা বলেছেন, যেখানে শিক্ষা, নৈতিকতা, পল্লী উন্নয়ন, এবং স্রষ্টার নৈকট্য লাভের মাধ্যমে আত্ম-উন্নয়নের ওপর জোর দিয়েছেন; তিনি 'ভয়, শ্রদ্ধা ও প্রেম' এর সমন্বয় ঘটিয়ে নিজেকে গড়ে তোলার কথা বলেছেন এবং তরুণদের জন্য তাঁর জীবন আদর্শকে পাথেয় হিসেবে গণ্য করার আহ্বান জানিয়েছেন।

ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য সেক্টরের সিনিয়র সাইকোলজিস্ট রাখী গাঙ্গুলীর সঞ্চালনায় সেমিনারে প্যানেল আলোচক হিসেবে খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা (র.)-এঁর বিশ্ব ভ্রাতৃত্ব ভাবনা বিষয়ক আলোচনা করেন খানবাহাদুর আহছানউল্লা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক আলহাজ্ব এ এফ এম এনামুল হক, সেইন্ট যোসেফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ভাইস প্রিন্সিপাল ব্রাদার ভিক্টর বিকাশ ডি রোজারিও, মোহাম্মদপুর কেন্দ্রীয় কলেজের সমাজকর্ম বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. মিলটন কুমার দেব। এসময় উন্মুক্ত আলোচনা করেন আহ্ছানউল্লা সেন্টার ফর ইউনিভার্সাল হিউম্যানিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইকবাল মাসুদ।

এসময় আলোচকরা বলেন- খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা (র.) তাঁর সমগ্র চিন্তা ভাবনার মধ্যদিয়ে একটি আলোকিত সমাজ গঠনের চেষ্টা করেছেন। তিনি কখনো গোঁড়ামির কথা বলেননি। তাঁর সমাজ চিন্তায় মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘স্রষ্টার এবাদত ও সৃষ্টের সেবা’। স্রষ্টার এবাদত করতে হলে আগে সৃষ্টের সেবা করতে হবে। তিনি ভয়, শ্রদ্ধা এবং প্রেম এই তিনটার সমন্বয় ঘটিয়ে নিজেকে গড়ে তোলার কথা বলেছেন। তারা আরো বলেন, খানবাহাদুর আহছানউল্লা (র.)’র জীবন ধারার প্রতিটি বাঁকে যে অফুরান সমৃদ্ধি, সমারোহ ও সৌন্দর্য্যরে বিকাশ ঘটেছিল তাঁর যথার্থ নিরুপণ করা সম্ভব হলে ইতিহাসের অনেক অজানা কাহিনী উদ্ধার হতো। তাঁর জীবনভিত্তিক অনেক ঐতিহাসিক সত্যের তেমন মজবুত মিমাংসা হয়নি। তবু তাঁর বিশাল বর্নিল জীবনধারার কাছে আমাদের ঋণ ও কাতরতার কোন শেষ নেই।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

হেফাজত আমির আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী আর নেই


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
বৃহস্পতিবার, ১৯ আগষ্ট, ২০২১, ১২:৫৮
হেফাজত আমির আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী আর নেই

ফাইল ছবি

হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী মৃত্যুবরণ করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন।

এর আগে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে চট্টগ্রামে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়।

বাবুনগরীর খাদেম মাওলানা জুনায়েদ জানিয়েছেন, বুধবার সন্ধ্যার পর থেকে বাবুনগরীর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে।  বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে তার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়। পরে তড়িঘড়ি করে অ্যাম্বুলেন্স ডেকে তাকে নিয়ে হাসপাতালের দিকে রওনা হন সঙ্গীরা।

৬৭ বছর বয়সি দেশের অন্যতম শীর্ষ আলেমে দ্বীন দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, কিডনি ও ডায়াবেটিসসহ বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

সর্বশেষ - শিক্ষা