a
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে ২০ ঘণ্টা ধরে অনশন করে আসছে শিক্ষার্থীরা। গতকাল বুধবার বিকেল ৩টা থেকে উপাচার্য ভবনের সামনে অনশন শুরু করে এসব শিক্ষার্থীরা।
গতকাল রাতে তীব্র শীতের মধ্যে তারা অনশন করে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অনশন করে যাচ্ছিল সেসব ছাত্ররা। এর মধ্যে কয়েকজন শিক্ষার্থী ঠাণ্ডা-জ্বর, শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, গতকাল বুধবার রাত ৯টার দিকে প্রায় ১০০ শিক্ষক শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু শিক্ষার্থীরা তাতে রাজি হননি। বরং ছাত্ররা শিক্ষকদের আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতার ঘোষণা দেওয়ার অনুরোধ জানালে তাতে শিক্ষকরা রাজি না হওয়ায় তারা শিক্ষকদের সাথে আর কোন কথা বলতে রাজি হননি। পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে শিক্ষকরা আন্দোলনস্থল ত্যাগ করেন।
শিক্ষার্থীরা অনশনে বসার পর আশেপাশের দোকানপাট বন্ধ করে দেয় পুলিশ। পরে অনশনে বসা শিক্ষার্থীদের পাশে থাকা অন্যান্য আন্দোলনরত শিক্ষার্থীর খাবারের ব্যবস্থা করেন সাবেক শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের খোলা মাঠে শিক্ষার্থীদের খাবার রান্না করা হয়। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি যদি নিয়ন্ত্রণে থাকে তাহলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে। তবে পরিস্থিতি প্রতিকূল থাকলে মানুষের স্বাস্থ্যকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে না।
এক ভার্চুয়াল সম্মেলনে শনিবার (২৯ মে) এমন মন্তব্য করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কোনো আন্দোলনের মুখেই জনগণের জীবন নিয়ে অবহেলা করবে না সরকার।
এসময় ডা. দীপু মনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার ব্যাপারে সরকারের সব প্রস্তুতি নেওয়া আছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে যথাসময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত, এর আগে বৃহস্পতিবার (২৭ মে) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় বলা হয়েছিল, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলে আগামী ১৩ জুন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা এবং শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
ঢাকা প্রতিনিধি: নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের ডেপুটি হেড অফ মিশন, থিজস ওউডস্ট্রা, নবনির্বাচিত বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খানের সাথে সাক্ষাৎ করেন। তিনি নতুন সভাপতি এবং বিজিএমইএ বোর্ডকে অভিনন্দন জানান।
সাক্ষাৎকালে তারা বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদার এবং বিশ্ব বাজারে এর প্রতিযোগিতামূলকতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা করেন। কথোপকথনে জ্ঞান ভাগাভাগি এবং প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের পাশাপাশি সার্কুলার ফ্যাশন, পুনর্ব্যবহার এবং জ্বালানি দক্ষতার মতো ক্ষেত্রে সহযোগিতার বিস্তৃত সুযোগগুলি তুলে ধরা হয়।
বিজিএমইএ-এর নতুন নেতৃত্ব, যার মধ্যে প্রথম সহ-সভাপতি সেলিম রহমান, সিনিয়র সহ-সভাপতি ইনামুল হক খান, সহ-সভাপতি বিদ্যা অমৃত খান, সহ-সভাপতি শেহাব উদুজা চৌধুরী।