a শাবিপ্রবি‘র উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে ২০ ঘণ্টা ধরে অনশন করছে শিক্ষার্থীরা
ঢাকা মঙ্গলবার, ৭ মাঘ ১৪৩২, ২০ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

শাবিপ্রবি‘র উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে ২০ ঘণ্টা ধরে অনশন করছে শিক্ষার্থীরা


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বৃহস্পতিবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২২, ১২:১২
শাবিপ্রবি‘র উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে ২০ ঘণ্টা ধরে অনশন করছে শিক্ষার্থীরা

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে ২০ ঘণ্টা ধরে অনশন করে আসছে শিক্ষার্থীরা। গতকাল বুধবার বিকেল ৩টা থেকে উপাচার্য ভবনের সামনে অনশন শুরু করে এসব শিক্ষার্থীরা।

গতকাল রাতে তীব্র শীতের মধ্যে তারা অনশন করে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অনশন করে যাচ্ছিল সেসব ছাত্ররা। এর মধ্যে কয়েকজন শিক্ষার্থী ঠাণ্ডা-জ্বর, শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, গতকাল বুধবার রাত ৯টার দিকে প্রায় ১০০ শিক্ষক শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু শিক্ষার্থীরা তাতে রাজি হননি। বরং ছাত্ররা শিক্ষকদের আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতার ঘোষণা দেওয়ার অনুরোধ জানালে তাতে শিক্ষকরা রাজি না হওয়ায় তারা শিক্ষকদের সাথে আর কোন কথা বলতে রাজি হননি। পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে শিক্ষকরা আন্দোলনস্থল ত্যাগ করেন।

শিক্ষার্থীরা অনশনে বসার পর আশেপাশের দোকানপাট বন্ধ করে দেয় পুলিশ। পরে অনশনে বসা শিক্ষার্থীদের পাশে থাকা অন্যান্য আন্দোলনরত শিক্ষার্থীর খাবারের ব্যবস্থা করেন সাবেক শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের খোলা মাঠে শিক্ষার্থীদের খাবার রান্না করা হয়।  সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত পরিস্থিতি দেখে: শিক্ষামন্ত্রী


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ১৫ জুন, ২০২১, ০২:৩২
এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত পরিস্থিতি দেখে: শিক্ষামন্ত্রী

ফাইল ছবি । ডা. দীপু মনি

করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতি দেখে চলতি বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা গ্রহণের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে বলে মন্তব্য জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। আজ মঙ্গলবার দুপুরে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

এর আগে গত রবিবার (১৩ জুন) এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে নেওয়া সম্ভব না হলে বিকল্প ব্যবস্থার চিন্তাভাবনা চলছে বলে জানিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি জানান, চেষ্টা করছি সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পরীক্ষা নেওয়ার। এখন সেটিও যদি না হয়, আমরা তার বিকল্প নিয়েও চিন্তা-ভাবনা করছি।

দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। চলতি বছরের ১৩ জুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার কথা থাকলেও তা পিছিয়ে ৩০ জুন পর্যন্ত ছুটি বৃদ্ধি করা হয়েছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

সূর্যের রঙ আসলে কোনটি? সাদা, লাল, নাকি হলুদ?


হানিফ, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন:
শুক্রবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২১, ১২:২৩
সূর্যের রঙ আসলে কোনটি? সাদা, লাল, নাকি হলুদ?

ফাইল ছবি

খুব সকালে যখন ঘুম থেকে উঠি, তখন আমরা সবাই দেখে থাকি যে সূর্যের রঙ হলুদ বর্ণের। ধীরে ধীরে যখন বেলা বাড়তে থাকলে সূর্যের রঙ পরিবর্তন হয়ে কমলা রং ধারণ করে। আর দিনের শেষসময়ে সূর্য হয়ে উঠে একদম টাটকা লাল।

সূর্যের এ রঙ বদলানো নিয়ে আমরা কি চিন্তা করেছি কখনো? কেন এমনটা হয়? সূর্য আসলে কোন রঙের- লাল, হলুদ নাকি কমলা, নাকি অন্য কোনো রঙের! আমরা জানি সূর্য একটা নক্ষত্র, আর সব নক্ষত্রেরই কোনো না কোনো রঙ আছে। রঙগুলো হলো রেড জায়ান্ট, রেড ডোয়ার্ফ, ব্লু জায়ান্ট, সুপার জায়ান্ট ইত্যাদি।

নক্ষত্রের রঙ কেমন হবে তা সাধারণত তার তাপমাত্রার উপর নির্ভর করে থাকে। একটি নক্ষত্রের ভেতর থেকে ফোটন বের হয়ে তা মহাশূন্যে হারিয়ে যায়, ফলে ফোটন থেকে বের হওয়া শক্তির পরিমান আলাদা আলাদা হয়ে থাকে। এসব কারণে দেখা যায় একটি নক্ষত্র ইনফ্রারেড, আল্ট্রাভায়োলেট, লাল অথবা নীল রঙের আলোকরশ্মির বিকিরণ ঘটাচ্ছে একই সময়ে। এমনকি সেখানে বিদ্যমান থাকতে পারে এক্স ও গামা রশ্মিও।

নক্ষত্রের রঙের বিভিন্ন পরিবর্তন এর জন্য বিশেষ কিছু কারণ রয়েছে,একটি নক্ষত্রের তাপমাত্রা যদি হয় সাড়ে পঁয়ত্রিশ হাজার কেলভিনের কম হয় তবে তার রঙ হবে লাল। আবার কোনো নক্ষত্রের তাপমাত্রা যদি দশ হাজার কেলভিনের উপরে হয় তবে তা  নীল রঙের হবে। সূর্যের তাপমাত্রার পরিমাণ প্রায় ছয় হাজার কেলভিনের মতো। এ তাপমাত্রার নক্ষত্রগুলো সাধারণত হয়ে থাকে সাদা রঙের। সেক্ষেত্রে সূর্যের আসল রঙ হলো সাদা।

কি অবাক হচ্ছেন?  হ্যাঁ, সূর্যের রং আসলেই সাদা রঙের। আসলে মহাশূন্যে গিয়ে যদি আমরা সূর্যকে স্বচক্ষে দেখে আসতে সক্ষম হতাম, তবে ১০০ ভাগ নিশ্চিত হোমার  যে সূর্যের রঙ আসলে একেবারে সাদা। সূর্য ও সূর্যলোকের রঙ সাদা। তাহলে প্রশ্ন হলো সূর্যকে বিভিন্ন সময় লাল, হলুদ বা কমলারঙে দেখি কেনো? এর পিছনে বিশেষ কারণ হলো বায়ুমণ্ডলে সূর্যরশ্মির বিচ্ছুরণ ঘটে। ছোট ছোট তরঙ্গদৈর্ঘের নীল ও বেগুনি আলোকরশ্মি অপসারিত হয়ে যায়। সূর্য থেকে আসা আলোক বর্ণালির এ দুটো রঙ সরে গেলে  তা অনেকটা হলুদের মতো হয়ে যায়। সূর্যকে আমরা তখন হলুদ দেখি। অন্যান্য রঙের বেলায়ও এ ঘটনা ঘটে। 

এভাবে সূর্যের আলো যখন বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন ধাপ অতিক্রম করে পৃথিবীতে আসে তখন তার রঙ বদলে হলুদ, কমলা বা ম্যাজেন্টা রঙ ধারণ করে। তবে আরেকটি প্রশ্ন হলো সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় সূর্যের রঙ লাল হয়ে যায় কেন? সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় ভাসমান ধূলিকণা ও বাতাসের অন্যান্য উপাদান সূর্যরশ্মির নীল প্রান্তের কম তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের বর্ণকে বেশি বিক্ষিপ্ত করে ও লাল প্রান্তের বেশি তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের বর্ণকে কম বিক্ষিপ্ত করে। ফলে সূর্য লাল বর্ণ ধারণ করে থাকে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - শিক্ষা