a অত্যন্ত গরিব পরিবারের সন্তান শামসুন নাহার স্মৃতি আজ চিত্রনায়িকা পরীমনি
ঢাকা সোমবার, ৬ মাঘ ১৪৩২, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

অত্যন্ত গরিব পরিবারের সন্তান শামসুন নাহার স্মৃতি আজ চিত্রনায়িকা পরীমনি


বিনোদন ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ০৫ আগষ্ট, ২০২১, ০৯:২৬
অত্যন্ত গরিব পরিবারের সন্তান শামসুন নাহার স্মৃতি আজ চিত্রনায়িকা পরীমনি

ফাইল ছবি

দেশের সমালোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনি পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ার মেয়ে। তিনি এখন টক অব দ্য কান্ট্রি। তিনি ভাণ্ডারিয়া উপজেলার ইকড়ি ইউনিয়নের শিংখালী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সেখানে মামার বাড়িতে থেকে বড় হয়েছেন। তার পুরো নাম শামসুন নাহার স্মৃতি।

স্থানীয় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও পিরোজপুর জেলা পরিষদ সদস্য মো. আব্দুল হাই হাওলাদার জানান, পরীমনির বাড়ি এখানে না হলেও তিনি নানা মো. শামসুল হক গাজীর বাড়িতে থেকে লেখাপড়া করে বেড়ে উঠেছেন। তবে তার বাড়ি নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার সালাবাদ গ্রামে। তার পিতা মনিরুল ইসলাম ছিলেন একজন পুলিশ কনস্টেবল।

স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, পরীমনির শিশুকালে তার মা সালমা সুলতানার মৃত্যু হয়। মায়ের মৃত্যুর পর পিতা-মাতার একমাত্র মেয়ে শামসুন নাহার স্মৃতি ওরফে পরীমনিকে তার নানা মো. শামসুল হক গাজী তাদের ভাণ্ডারিয়ার গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসেন। তিনি ছিলেন  মেধাবী ছাত্রী। কিন্তু গরিব হওয়ায় কোনো প্রাইভেট পড়তে পারেননি। তারপরও তিনি ভগিরাতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত হন।

এরপর মামার বাড়িতে থেকে পার্শ্ববর্তী মঠবাড়িয়া উপজেলার ভগিরাথপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ২০১০ সালে প্রথম এসএসসি পরীক্ষা দিলেও প্রথমে তিনি ফেল করেন। পরের বছর ২০১১ সালে একই বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাশ করেন।

পরীমনির নানা শামসুল হক গাজী জানান, পরীমনির মায়ের মৃত্যুর পর তাকে আমাদের বাড়িতে নিয়ে আসি। সে আমাদের বাড়িতে থেকে স্থানীয় স্কুলে লেখাপড়া করে এসএসসি পাশ করে। পরে স্থানীয় একটি কলেজে ভর্তি হলেও বরিশালে থাকা খালাতো ভাই ইসমাইল হোসেনের সঙ্গে বিয়ে হয়। সেখানে ২ বছরের দাম্পত্য জীবনের পর বিচ্ছেদ হয়।

স্থানীয়রা জানান, উচ্ছৃঙ্খল জীবনের জন্য খালাতো ভাইয়ের সঙ্গে ডিভোর্স হওয়ার পর ২০১৯ সালে দ্বিতীয় ও ২০২০ সালে তৃতীয় বিয়ে হয় পরীমনির।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে মঠবাড়িয়ার ভগিরাথপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের তার এক সহপাঠী জানান, ছাত্রজীবন থেকে শামসুন নাহার স্মৃতি ওরফে পরীমনি ছিলেন উচ্চাভিলাষী ও উচ্ছৃঙ্খল। তাকে আমরা স্মৃতি নামে চিনতাম। তবে এসএসসির নিবন্ধনে তার নাম ছিল শামসুন নাহার।

জানা গেছে, অত্যন্ত গরিব পরিবারের কন্যা শামসুন নাহার স্মৃতি ওরফে পরীমনি পেটের টানে চলে যান ঢাকায়। সেখানে চিত্রজগতে প্রবেশ করেন। প্রথমে ভালো পরিচিতি লাভ না করলেও পরে ‘বিশ্ব সুন্দরী’ নামে একটি ফিল্মে নায়িকার অভিনয় করে তিনি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

২০১০ সালে বিশ্বকাপে ঝড়তোলা পপ তারকা শাকিরার বিবাহ-বিচ্ছেদ


বিনোদন ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ০৫ জুন, ২০২২, ০৮:৫৩
২০১০ সালে বিশ্বকাপে ঝড়তোলা পপ তারকা শাকিরার বিবাহ-বিচ্ছেদ

ফাইল ছবি

দীর্ঘ ১ যুগের সম্পর্কের অবসান ঘটেছে। বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়েছেন জনপ্রিয় পপ গায়িকা শাকিরা এবং তার সঙ্গী তারকা ফুটবল খেলোয়াড় জেরার্ড পিকে। তাদের দুটি সন্তান রয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপি গত শনিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

এক যৌথ বিবৃতিতে সদ্য বিচ্ছেদের পথে হাঁটা এই তারকা জুটি জানান, আমরা দুঃখিত যে আমরা আমাদের বিচ্ছেদের বিষয়টি নিশ্চিত করছি। আমাদের সর্বাধিক অগ্রাধিকার, আমাদের সন্তান। তাদের ভালোর জন্য আমরা আমাদের গোপনীয়তাকে সম্মান জানানোর অনুরোধ করছি।

অবশ্য যতটা সহজভাবে তারা বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়েছেন, বিষয়টা ততটা সহজ নয়।  শোনা যাচ্ছে পিকের পরকীয়াই নাকি বিচ্ছেদের অন্যতম কারন। এমনকি বিচ্ছেদের কারণে শাকিরাকে ‘অ্যাংজাইটি অ্যাটাক’ কারণে হাসপাতালে পর্যন্ত যেতে হয়। অ্যাম্বুলেন্সে উঠার সময়ও নাকি জনপ্রিয় এই তারকা কাঁদছিলেন!

পিকে আর শাকিরার গল্পের শুরুটা ২০১০ সালে। সে বছর বিশ্বকাপ ফুটবলের থিম সং গেয়েছিলেন এই পপ তারকা। বিশ্ব আক্রান্ত হয়েছিল শাকিরার গানের জ্বরে। সেই আঁচ লেগেছিল স্প্যানিয়ার্ড ডিফেন্ডার জেরার্ড পিকেরও। ১০ বছরের বড় শাকিরার সঙ্গে প্রণয়ে জড়ান তিনি। এরপর একই ছাদের নিচে কেটে গেছে ১২টি বছর। দুই সন্তানও রয়েছে এই দম্পতির। তবে টান কমে যাবে ভেবে বিয়ের পিঁড়িতে না বসলেও বন্ধনটা শেষে সমাপ্তিই টানল। সম্প্রতি শাকিরার একটি গানে তাদের বিচ্ছেদের ইঙ্গিত ছিল। সূত্র: ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন:
রবিবার, ০৭ মার্চ, ২০২১, ০৯:২৮
 বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

ফাইল ফটো: প্রধানমন্ত্রীর পুস্পস্তবক অর্পণ

ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানালেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার সকাল ৭টায় রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে তিনি এ শ্রদ্ধা জানান।  সেখানে তিনি বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

এসময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য ও দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্ধ উপস্থিত ছিলেন।দলীয় সভাপতির শ্রদ্ধা জানানোর পর আওয়ামী লীগের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এদিকে, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠনগুলো ৭ মার্চ উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন। 

৫০ বছর আগের এ দিন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণে গর্জে উঠেছিল এদেশের বাঙ্গালী এবং বঙ্গবন্ধুর ভাষণে উপস্থিতি ছিল উত্তাল জনসমুদ্র।

অগ্নিঝরা সেই ৭ মার্চের ঐতিহাসিক মাহেন্দ্রক্ষণে রেসকোর্সের জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে তিনি প্রদান করলেন স্বাধীনতার পথ-নকশা। যুদ্ধ অনিবার্য জেনে তিনি শত্রুর মোকাবিলায় বাঙালি-জাতিকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়ে বলেন: ‘তোমাদের যা কিছু আছে, তা-ই নিয়ে প্রস্তুত থাকো।’

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / এম কে আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - বিনোদন