a নায়িকা পূর্ণিমা দ্বিতীয় বিয়ে করলেন
ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ মাঘ ১৪৩২, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

নায়িকা পূর্ণিমা দ্বিতীয় বিয়ে করলেন


বিনোদন ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শুক্রবার, ২২ জুলাই, ২০২২, ১১:৩৪
নায়িকা পূর্ণিমা দ্বিতীয় বিয়ে করলেন

ফাইল ছবি

দ্বিতীয় বিয়ে করলেন চিত্রনায়িকা দিলারা হানিফ পূর্ণিমা। গত ২৭ মে পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। তবে সে খবর জানানো হলো প্রায় ২ মাস পর।

পূর্ণিমার স্বামীর নাম আশফাকুর রহমান রবিন। এটি পূর্ণিমার দ্বিতীয় বিয়ে। তার প্রথম স্বামীর নাম আহমেদ ফাহাদ জামাল। সে সংসারে আরশিয়া উমাইজা নামে পূর্ণিমার একটি মেয়ে সন্তান আছে।

প্রথম স্বামীর সঙ্গে পূর্ণিমার যে বিচ্ছেদ হয়েছে তার খবর গণমাধ্যমে আসেনি। তার আগেই দ্বিতীয় বিয়ের খবর প্রকাশ পেল গণমাধ্যমে। এদিকে দাবি করা হয় পূর্ণিমার দ্বিতীয় বিয়ের খবর জানতেন না তার সাবেক স্বামীও।

গণমাধ্যমকে প্রাক্তন স্বামী বলেন, পূর্ণিমার বিয়ের খবর আমিও জানতাম না।  গণমাধ্যমের মাধ্যমে এখন জানতে পেরেছি। আমার পক্ষে তাদের জন্য শুভ কামনা রইল। আর আমার সন্তানের জন্য সবাই দোয়া করবেন।

সাবেক স্বামীকে নতুন বিয়ের খবর না জানানের কারণ জানাতে পূর্ণিমা বলেন, যেহেতু আমার একটি মেয়ে আছে। মেয়েটা স্কুলে পড়ে। সব বিবেচনা করে আমরা বিষয়টি জানাতে চাইনি।

২০০৭ সালের ৪ নভেম্বর চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী আহমেদ ফাহাদ জামালকে ভালোবেসে বিয়ে করেন পূর্ণিমা। ২০১৪ সালে কন্যাসন্তানের মা হন তিনি।

তিন বছর আগে  প্রথম স্বামী ফাহাদের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয় পূর্ণিমার। বিচ্ছেদের পর থেকে তাদের একমাত্র সন্তান আরশিয়া উমাইজা উভয়ের কাছেই থাকেন।

এদিকে দুই মাস পর বিয়ের খবর প্রকাশের কারণ জানালেন পূর্ণিমা নিজেই। বলেন, ‘বিয়ের পরেই তিনিসহ পরিবারের অন্যরা অসুস্থ ছিলেন। কেউ কেউ করোনায় আক্রান্ত ছিলেন। এ জন্য বিয়ের খবর জানাতে দেরি হয়েছে।’

পূর্ণিমার দ্বিতীয় স্বামী আশফাকুর রহমান রবিন একটি বহুজাতিক কোম্পানির বিপণন বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। লেখাপড়া করেছেন অস্ট্রেলিয়ার সিডনির একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

৭০ মিলিয়ন ভিউ ছাড়িয়েছে ভাইরাল গান মানিকে মাগে হিতে


বিনোদন ডেস্ক:
সোমবার, ৩০ আগষ্ট, ২০২১, ০৯:২৮
৭০ মিলিয়ন ভিউ ছাড়িয়েছে ভাইরাল গান মানিকে মাগে হিতে

ফাইল ছবি

বর্তমান ভাইরালের যুগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টিকটকসহ নানা মাধ্যমে চোখ রাখলেই ভেসে আসে তার ছবি ও ভিডিও। দুর্বোধ্য ভাষার গান গাইছেন তিনি। যার একটি অর্থও জানা নেই। তবুও তার গানের ভিডিওতে মজেছে বাংলাদেশ সহ পুরো বিশ্ব।

ভারত, পাকিস্তানসহ আরও অনেক দেশেই পৌঁছে গেছে তার গানের এই ভিডিও। যেটি মুগ্ধতা ছড়িয়েছে। ওই গায়িকার গায়কীই মূলত তাকে আলোচনায় নিয়ে এসেছে। রাতারাতি সোশ্যাল মিডিয়ায় স্টার বানিয়ে দিয়েছে। ‘মানিকে মাগে হিতে’ শিরোনামের গানটির এ গায়িকার নাম ইয়োহানি ডি সিলভা। তার বেড়ে উঠা শ্রীলঙ্কায়। তার বাবা একজন সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা,তার মা একজন বিমান সেবিকা, ইয়োহানি বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করলেও তার আগ্রহ ছিল লজিস্টিক ম্যানেজমেন্টে।

তার গাওয়া সিংহালী ভাষার গানটি নিয়ে স্বয়ং প্রশংসা করেছেন বলিউড গ্রেট অমিতাভ বচ্চন এরইমধ্যে এই গানের তামিল, মালয় ও বাংলা সংস্করণও বের হয়েছে। সেগুলোও বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে সোশ্যাল মিডিয়াতে। ইয়োহানি ডি সিলভার বয়স মাত্র ১৮। জন্মসূত্রে তিনি শ্রীলংকান। নিজেই গান লেখেন, সুর করেন ও কণ্ঠ দেন। নিজের দেশে বেশ জনপ্রিয় ইয়োহানি। সেখানে নিয়মিত স্টেজ শো করেন। এর আগে তার গাওয়া আরেকটি গান সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল।

অনেক আগে থেকেই তিনি ইউটিউবে জনপ্রিয়। এছাড়া তার বাদ্যযন্ত্রের ব্যবসাও রয়েছে। বিদেশি বাদ্যযন্ত্র আমদানি করে শ্রীলংকায় বিক্রি করেন, আবার সেখানকার স্থানীয় বাদ্যযন্ত্র রফতানি করেন অন্য দেশে। ‘মানিকে মাগে হিতে’ গানটি তাকে নিজের দেশের বাইরেও তারকাখ্যাতি এনে দিলো। শ্রীলংকায় এখন তাকে ‘র‍্যাপ প্রিন্সেস’ বলা হচ্ছে। হু হু করে বাড়ছে তার সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের ফলোয়ার সংখ্যা। ইউটিউবের সাবস্ক্রিবশন সংখ্যাও রাতারাতি বেড়ে এখন আকাশচুম্বী। ‘মানিকে মাগে হিতে’ লাইনটির বাংলা অর্থ হলো ‘তুমি আমার চোখের মণি’।

এই গান প্রথমে গেয়েছিলেন শ্রীলংকার আরেক র‍্যাপার সথীশন রাথনায়কা। এরপর গত মে মাসে ইয়োহানির কণ্ঠে পুনরায় রেকর্ড করা হয়। এদিকে গানটি ভাইরাল হওয়ার পর বলিউড থেকেও নাকি ইয়োহানিকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে তিনি এখনই শ্রীলংকা ছেড়ে মুম্বাইতে আসছেন না। তিনি আপাতত র্যাপ গানেই মনোনিবেশ করতে চান।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com

জাতিসংঘ মহাসচিব অন্তর্বর্তী সরকারের প্রচেষ্টাকে পূর্ণ সমর্থন করেছে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ২০ আগষ্ট, ২০২৪, ০১:০৪
জাতিসংঘ মহাসচিব অন্তর্বর্তী সরকারের প্রচেষ্টাকে পূর্ণ সমর্থন করেছে

ফাইল ছবি: ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস

 

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে চিঠি লিখেছেন। চিঠিতে তিনি আবারও বলেছেন, শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক, গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথে তার সরকারের প্রচেষ্টাকে সম্পূর্ণ সমর্থন করে জাতিসংঘ।

বাংলাদেশ তার ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, এই ক্রান্তিকালীন সময়ে সহিংসতার অবসান, জবাবদিহিতা নিশ্চিত এবং গণতান্ত্রিক নির্বাচনের পথ নির্ধারণে ড. ইউনূসের নেতৃত্ব হবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

গত ১৬ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে পাঠানো চিঠিতে আন্তোনিও গুতেরেস একথা জানিয়েছেন।

আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, জাতিসংঘ ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সাথে কাজ করতে এবং অনুরোধ পেলে যেকোনও সমর্থন দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থে আবাসিক সমন্বয়কারী এবং জাতিসংঘের কান্ট্রি টিমের মাধ্যমে এই অনুরোধ করা যেতে পারে।

গতকাল সোমবার (১৯ আগস্ট) রাতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং চিঠিটি শেয়ার করে। চিঠিতে জাতিসংঘ প্রধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ড. ইউনূসের দায়িত্ব গ্রহণের জন্য তাকে তার শুভেচ্ছা জানান।

গুতেরেস বলেন, বাংলাদেশে শান্তি ফিরিয়ে আনা এবং সংসদ নির্বাচন আয়োজনের প্রচেষ্টাকে আমি স্বাগত জানাই।

জাতিসংঘ প্রধান আরও বলেন, এই ক্রান্তিকালীন সময়ে সহিংসতার অবসান ঘটাতে, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে, আইন-শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার করতে এবং গণতান্ত্রিক নির্বাচনের পথ নির্ধারণে ড. ইউনূসের নেতৃত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে।

তিনি বলেন, ‘আমি আশা করি, যুবক ও নারীদের পাশাপাশি সংখ্যালঘু এবং আদিবাসী সম্প্রদায়ের কণ্ঠস্বরও বিবেচনায় নেওয়াসহ আপনার সরকার একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক পন্থা গ্রহণ করবে।’

চিঠিতে গুতেরেস বলেছেন, তিনি সব নাগরিক এবং বিশেষ করে সংখ্যালঘুদের পূর্ণ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর নির্ভর করছেন। সূত্র: ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

সর্বশেষ - বিনোদন