a শাহরুখপুত্র আরিয়ান জামিন পেয়েছেন
ঢাকা সোমবার, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২, ০১ ডিসেম্বর, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

শাহরুখপুত্র আরিয়ান জামিন পেয়েছেন


বিনোদন ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২১, ০৭:২৮
শাহরুখপুত্র আরিয়ান জামিন পেয়েছেন

ফাইল ছবি

অবশেষে জামিন পেয়েছে শাহরুখ খানের ছেলে আরিয়ান খান। আজ বৃহস্পতিবার বম্বে হাইকোর্ট তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।

দীপাবলির আগে বাড়ি ফিরবেন শাহরুখ খান এবং গৌরী খানের বড় ছেলে। আর্থার রোড জেল থেকে ‘মন্নত’-এ ফেরার অনুমতি দিল আদালত।

মঙ্গলবার এবং বুধবার আরিয়ানের জামিনের শুনানি অসমাপ্ত ছিল। তৃতীয় দিনে রায় দিল হাইকোর্ট।

গত ২ অক্টোবর মুম্বাই থেকে এক প্রমোদতরী থেকে আটক করা হয়েছিল আরিয়ানকে। তারপর চলতি মাসের ৩ তারিখ তাকে গ্রেফতার করে নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি)। মোট দু’বার তার জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। যুক্তি হিসেবে বলা হয়, জামিনে ছাড়া পেলে, আরিয়ান তার বিরুদ্ধে যাবতীয় তথ্য ও প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করতে পারেন।

মাদক-মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সমীর ওয়াংখেড়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। মামলার অন্যতম সাক্ষী প্রভাকর সেইল তার বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ তোলার পর পানি ঘোলা হতে থাকে। সমীরের বিরুদ্ধে তদন্তও শুরু হয়ে গেছে।

সম্প্রতি আর এক সাক্ষী কিরণ গোসাভিকে আটক করেছে পুলিশ। পুণে পুলিশের পক্ষ থেকে এ খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। এই ব্যক্তি সে-ই যিনি এনসিবি দফতরে আরিয়ানের সঙ্গে সেলফী তুলেছিলেন। সূত্র: এনডিটিভি, আনন্দবাজার

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

অত্যন্ত গরিব পরিবারের সন্তান শামসুন নাহার স্মৃতি আজ চিত্রনায়িকা পরীমনি


বিনোদন ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ০৫ আগষ্ট, ২০২১, ০৯:২৬
অত্যন্ত গরিব পরিবারের সন্তান শামসুন নাহার স্মৃতি আজ চিত্রনায়িকা পরীমনি

ফাইল ছবি

দেশের সমালোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনি পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ার মেয়ে। তিনি এখন টক অব দ্য কান্ট্রি। তিনি ভাণ্ডারিয়া উপজেলার ইকড়ি ইউনিয়নের শিংখালী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সেখানে মামার বাড়িতে থেকে বড় হয়েছেন। তার পুরো নাম শামসুন নাহার স্মৃতি।

স্থানীয় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও পিরোজপুর জেলা পরিষদ সদস্য মো. আব্দুল হাই হাওলাদার জানান, পরীমনির বাড়ি এখানে না হলেও তিনি নানা মো. শামসুল হক গাজীর বাড়িতে থেকে লেখাপড়া করে বেড়ে উঠেছেন। তবে তার বাড়ি নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার সালাবাদ গ্রামে। তার পিতা মনিরুল ইসলাম ছিলেন একজন পুলিশ কনস্টেবল।

স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, পরীমনির শিশুকালে তার মা সালমা সুলতানার মৃত্যু হয়। মায়ের মৃত্যুর পর পিতা-মাতার একমাত্র মেয়ে শামসুন নাহার স্মৃতি ওরফে পরীমনিকে তার নানা মো. শামসুল হক গাজী তাদের ভাণ্ডারিয়ার গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসেন। তিনি ছিলেন  মেধাবী ছাত্রী। কিন্তু গরিব হওয়ায় কোনো প্রাইভেট পড়তে পারেননি। তারপরও তিনি ভগিরাতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত হন।

এরপর মামার বাড়িতে থেকে পার্শ্ববর্তী মঠবাড়িয়া উপজেলার ভগিরাথপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ২০১০ সালে প্রথম এসএসসি পরীক্ষা দিলেও প্রথমে তিনি ফেল করেন। পরের বছর ২০১১ সালে একই বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাশ করেন।

পরীমনির নানা শামসুল হক গাজী জানান, পরীমনির মায়ের মৃত্যুর পর তাকে আমাদের বাড়িতে নিয়ে আসি। সে আমাদের বাড়িতে থেকে স্থানীয় স্কুলে লেখাপড়া করে এসএসসি পাশ করে। পরে স্থানীয় একটি কলেজে ভর্তি হলেও বরিশালে থাকা খালাতো ভাই ইসমাইল হোসেনের সঙ্গে বিয়ে হয়। সেখানে ২ বছরের দাম্পত্য জীবনের পর বিচ্ছেদ হয়।

স্থানীয়রা জানান, উচ্ছৃঙ্খল জীবনের জন্য খালাতো ভাইয়ের সঙ্গে ডিভোর্স হওয়ার পর ২০১৯ সালে দ্বিতীয় ও ২০২০ সালে তৃতীয় বিয়ে হয় পরীমনির।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে মঠবাড়িয়ার ভগিরাথপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের তার এক সহপাঠী জানান, ছাত্রজীবন থেকে শামসুন নাহার স্মৃতি ওরফে পরীমনি ছিলেন উচ্চাভিলাষী ও উচ্ছৃঙ্খল। তাকে আমরা স্মৃতি নামে চিনতাম। তবে এসএসসির নিবন্ধনে তার নাম ছিল শামসুন নাহার।

জানা গেছে, অত্যন্ত গরিব পরিবারের কন্যা শামসুন নাহার স্মৃতি ওরফে পরীমনি পেটের টানে চলে যান ঢাকায়। সেখানে চিত্রজগতে প্রবেশ করেন। প্রথমে ভালো পরিচিতি লাভ না করলেও পরে ‘বিশ্ব সুন্দরী’ নামে একটি ফিল্মে নায়িকার অভিনয় করে তিনি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

সাবেক ভিপি নুরের সংগঠনের ৫৩ নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২১, ১২:০১
সাবেক ভিপি নুরের সংগঠনের ৫৩ নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার

ফাইল ছবি

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফরের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশের ঘটনায় ছাত্র, যুব ও শ্রম অধিকার পরিষদের ৫৩ নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই সংগঠনের নেতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর। 

গত মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের ছাত্র ও ডাকসুর সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক আকতার হোসেনকে ক্যাম্পাস থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তুলে নিয়ে যায় এবং তার দুদিনের রিমান্ডও মঞ্জুর করা হয়েছে। 

গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের মধ্যে ছাত্রী, কিশোর, চাকরিজীবীসহ অন্তত ১০ জন রয়েছেন, যাদের নাম মামলার এজাহারে নেই। মামলাগুলো তদন্ত করছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা।

ছাত্র, যুব ও শ্রম অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক এ বিষয়ে বলেন, সব কটি মামলাই হয়রানিমূলক। গোয়েন্দা সংস্থা থেকে তাদের আগেই সতর্ক করা হয়েছিল। বলা হয়েছিল রাস্তায় নামলেই তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তারা জানিয়েছিলেন, সভা-সমাবেশ তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার এবং যেকোনো মূল্যে তারা কর্মসূচি পালন করবেন। সে অনুযায়ী গত ২৫ মার্চ তাঁরা মতিঝিলে মিছিল নিয়ে যান। সেখান থেকেই তাদের ৩৮ জনকে পুলিশ ধরে নিয়ে যায় বলে জানায়। 

এক দিন পর ২৭ মার্চ ভাসানী অনুসারী পরিষদের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে তারা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জড়ো হন। সেখান থেকে একজনকে গ্রেফতার করা হয় এবং নতুন একটি মামলা দেওয়া হয়। সফরকে কেন্দ্র করে কমপক্ষে চারজন উধাও হয়েছিলেন। তাদের একজন নাজমুস সাকিবকে ৮৪ ঘণ্টা আটকে রেখে পুলিশ ছেড়ে দেয়। বাকি তিনজনকে দুদিন আটকে রাখার পর গ্রেফতার দেখানো হয়।

গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে গত ২৫ মার্চ পল্টন ও শাহবাগ থানায় দুটি এবং ২৭ মার্চ শাহবাগ থানায় একটি মামলা হয়। 

পল্টন থানার মামলায় হত্যাচেষ্টা, ‘মারাত্মক অস্ত্রশস্ত্র’ নিয়ে দাঙ্গা ঘটানো, বেআইনি সমাবেশ, সরকারি কর্মচারীকে কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ করা হয় ৫১ জনের নামে। এর বাইরে শাহবাগ থানায় ‘আসামি’ ছিনতাইয়ের অভিযোগে ১১ জনকে আসামি করে একটি মামলা হয়। ওই মামলায় মতিঝিলের মামলায় গ্রেপ্তার আসামি আবুল কালাম আজাদকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ তোলা হয়। শাহবাগ থানার অপর মামলায় অভিযোগ ছিল জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘বাসে আগুন দিতে উদ্যত হওয়া’।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - বিনোদন