a
ফাইল ছবি
অবশেষে জামিন পেয়েছে শাহরুখ খানের ছেলে আরিয়ান খান। আজ বৃহস্পতিবার বম্বে হাইকোর্ট তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।
দীপাবলির আগে বাড়ি ফিরবেন শাহরুখ খান এবং গৌরী খানের বড় ছেলে। আর্থার রোড জেল থেকে ‘মন্নত’-এ ফেরার অনুমতি দিল আদালত।
মঙ্গলবার এবং বুধবার আরিয়ানের জামিনের শুনানি অসমাপ্ত ছিল। তৃতীয় দিনে রায় দিল হাইকোর্ট।
গত ২ অক্টোবর মুম্বাই থেকে এক প্রমোদতরী থেকে আটক করা হয়েছিল আরিয়ানকে। তারপর চলতি মাসের ৩ তারিখ তাকে গ্রেফতার করে নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি)। মোট দু’বার তার জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। যুক্তি হিসেবে বলা হয়, জামিনে ছাড়া পেলে, আরিয়ান তার বিরুদ্ধে যাবতীয় তথ্য ও প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করতে পারেন।
মাদক-মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সমীর ওয়াংখেড়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। মামলার অন্যতম সাক্ষী প্রভাকর সেইল তার বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ তোলার পর পানি ঘোলা হতে থাকে। সমীরের বিরুদ্ধে তদন্তও শুরু হয়ে গেছে।
সম্প্রতি আর এক সাক্ষী কিরণ গোসাভিকে আটক করেছে পুলিশ। পুণে পুলিশের পক্ষ থেকে এ খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। এই ব্যক্তি সে-ই যিনি এনসিবি দফতরে আরিয়ানের সঙ্গে সেলফী তুলেছিলেন। সূত্র: এনডিটিভি, আনন্দবাজার
ফাইল ছবি
চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি তার স্বামী রকিব সরকারের সঙ্গে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এরইমধ্যে তারা আলাদা থাকছেন। শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক ভিডিও বার্তায় এমনটাই জানিয়েছেন এই চিত্রনায়িকা।
মাহিয়া মাহি ভিডিও বার্তায় বলেন, 'আমরা দুজন মিলেই এরকম সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের মধ্যে কিছু বিষয় নিয়ে বনিবনা হচ্ছেনা। তবে রকিব খুব ভালো মানুষ। তাকে আমি সম্মান করি। অনেক কেয়ারিং সে। খুব দ্রুতই আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছেদের দিকে যাচ্ছি। কবে, কীভাবে সম্পন্ন হবে সেটাও দুজন মিলেই ঠিক করব। সে আরও বলে, 'আপনারা আমার ছেলে ফারিশের জন্য দোয়া করবেন। যেন ওকে ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারি।'
উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর রাকিব সরকারকে বিয়ে করেন মাহি। তাদের একমাত্র পুত্র সন্তানের নাম ফারিশ। বিয়ের প্রায় আড়াই বছরের মাথায় আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন এই দম্পতি।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে সিলেটের ব্যবসায়ী পারভেজ মাহমুদ অপুকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন মাহি। সেই সংসার ৫ বছর টিকেছিল। এরপর পারভেজ মাহমুদ অপুর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর রাকিব সরকারকে বিয়ে করেন অভিনেত্রী। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
সংগৃহীত ছবি
রাজধানী কাবুল দখল করলে তালেবান যাতে মার্কিন দূতাবাসে হামলা না করে সেজন্য এই গোষ্ঠীকে বোঝানোর চেষ্টা করছে মার্কিন আলোচক দল। একাধিক মার্কিন কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে ‘দৈনিক নিউ ইয়র্ক টাইমস’ শুক্রবার এ খবর প্রকাশ করে।
পত্রিকাটি বলেছে, মার্কিন প্রেসিডেন্টের আফগানিস্তান বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি জালমাই খলিলজাদের নেতৃত্বে একটি আলোচক দল তালেবানকে বিষয়টি বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করছে যে তালেবান কাবুলের দখল নিলে সেখানকার মার্কিন দূতাবাস যাতে পুরোপুরি খালি করে দিতে না হয় সেজন্য এই পদক্ষেপ নিয়েছে ওয়াশিংটন।
গত ৩ন দিন ধরে কাতারের রাজধানী দোহায় আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতায় তালেবানের সঙ্গে আলোচনা করেছে আফগান সরকার। ওই আলোচনায় খলিলজাদের নেতৃত্বে একটি মার্কিন প্রতিনিধিদল অংশ নিয়েছে।
আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের মার্কিন দূতাবাসে বর্তমানে প্রায় ১,৪০০ কূটনীতিক ও কর্মী রয়েছে এবং তাদেরকে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য আমেরিকা বিশেষ বাহিনী পাঠিয়েছে। তবে কাবুলের মার্কিন দূতাবাস যাতে পুরোপুরি খালি করে দিতে না হয় বরং কূটনীতিকদের একটি দল যাতে মার্কিন স্বার্থ দেখাশোনা করতে পারে সেজন্য তালেবানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে মার্কিন আলোচক দল।
এছাড়া, সেসব মার্কিন নাগরিক দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে আফগানিস্তানে কাজ করছে না তাদেরকে অবিলম্বে বাণিজ্যিক ফ্লাইট ব্যবহার করে আফগানিস্তান ত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছে ওয়াশিংটন।
আফগানিস্তানের বিভিন্ন প্রদেশে তালেবানের আকস্মিক অগ্রাভিযানের পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন পশ্চিমা দেশ তাদের দূতাবাস ও ত্রাণ সংস্থাগুলোর কর্মীদের আফগানিস্তান থেকে সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু করেছে বলে খবর এসেছে। জাতিসংঘ সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, তালেবান রাজধানী কাবুল দখল করলে সেখানকার বেসামরিক নাগরিকরা ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হবে।
গত ২০ বছর ধরে আমেরিকা ও তার মিত্ররা আফগানিস্তানে বন্দি নির্যাতন, রাত্রিকালীন অভিযান, বেসামরিক নাগরিকদের ওপর গণহত্যা, মাদকদ্রব্যের আবাদ ও চোরাচালান বৃদ্ধিসহ এরকম আরও বহু জঘন্য অপরাধ করে আসছিল।
আফগানিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতিকে বিশ্লেষকরা আমেরিকার ওই অপরাধযজ্ঞের পরিণতি বলেই মনে করছেন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন