a একটা কথা ছিলো
ঢাকা সোমবার, ২৯ পৌষ ১৪৩২, ১২ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

একটা কথা ছিলো


ফেসবুক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ১৪ জুলাই, ২০২১, ১০:১৩
একটা কথা ছিলো

মুক্তা দাশ

একটা কথা ছিলো 

একটা কথা ছিলো 
চার অক্ষরের একটা কথা! 
এতোগুলো দিন পেরোলাম 
কত সকাল বাসি হলো, 
দুপুরের খা খা খা রোদ্দুরে পুড়ে পুড়ে অঙ্গার হলাম! 
বিকেল..! 
একটু গা এলিয়ে যেই না বাতাসে গা ভিজাচ্ছি, 
এলোচুলে হারিয়ে যাচ্ছি অন্য কোন মনে  
অমনি ঝুপ করে সন্ধ্যা নেমে এলো উঠোনে। 
বারান্দার গ্রিল এর এপাশে আমি! 
এতো সব দেখি, শুনি, গায়েও মাখি... 
টুকটাক মনমতো সিন্দুকে পুরেও রাখি 
সবটাই লোহার গ্রিল এর এপাশে !! 
একটা কথা ছিলো
চার অক্ষরের একটা কথা ...! 
হাসতে ভুলে গেছি অনেক দিন, 
ইটের দেয়াল কাঁপানো বকা খাওয়া হাসি.. 
এখন আর চাইলেও হাসতে পারি না। 
লজ্জাবতী শরীর ছুঁয়েছিলে কোন এক অমৃতযোগে ! 
শেষ হাসিটা উধাও হলো
আত্মহত্যার অমৃতসুরা পানে । 
লজ্জাবতী’র গোলাপী আভা আজ রক্তাক্ত ! 
ক্ষত-বিক্ষত হৃদয়ের এফোড় ওফোড়। 
একটা কথা ছিলো 
চার অক্ষরের একটা কথা ...!! 
     ভা...লো..বা...সি 
             ভা...লো....বা...সা  ।।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

পঞ্চাশের যুবতী: গোপা গড়াই মন্ডল


মুন্না শেখ, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ০৬ মে, ২০২৫, ০৭:৩৭
পঞ্চাশের যুবতী গোপা গড়াই মন্ডল

ছবি সংগৃহীত

পঞ্চাশের যুবতী

কি সাহস রে বাবা মহিলার।
বয়সটা যে পঞ্চাশ ছুঁয়েছে সে দিকে
কোনো ভ্রুক্ষেপ ই নেই।
কি একটিভ স‍্যোশাল মিডিয়ায় !!
ফেসবুক,ইনস্টাগ্রাম কিছুতে--ই বাদ নেই।
সারা দিনে তার লাইক, কমেন্ট,আর শেয়ারের ছড়াছড়ি।
আবার টিকটকেও কখনো নায়িকা-, --তো কখনো গায়িকা !
বাপরে বা---প পারেও বটে।
নিজেকে একেবারে টিন এজারে এনে নামিয়েছে।
এই তো সেদিন দেখলাম 
হৈ হৈ করতে করতে 
পার্টিতে মেয়ের সাথে  ডান্স করছে।
উঁঃ লজ্জার মাথা খেয়েছে এক্কেবারে।
           *     *    *
হ‍্যাঁ হ‍্যাঁ বলুন। যত্ত খুশি বলুন।
এ সব শুনে শুনে গা সওয়া হয়ে গেছে, বুঝলেন।
কি হয়েছে পঞ্চাশ হয়েছে তো।
পঞ্চাশ হয়েছে বলে ঘরের কোণে 
একটা সুতির ছাপা পরে বসে থাকব নাকি।
শুনুন,সারা জীবন শুধু 
এটা করতে নেই,ওটা করতে নেই
এখানে যাওয়া হবে না,ওখানে যাওয়া হবে না
এই ই শুনে এসেছি।

যখন ষোলোই ছিলাম 
ছেলে বন্ধু তো দূরের কথা
কোনো মেয়ে বন্ধুর বাড়িতে গেলেও 
মা কে সঙ্গে নিয়ে যেতে হতো।
আর পিকনিক, ঘোরাফেরা,সিনেমা !
এ সব তো অলীক কল্পনা ছিল মশাই--- 
অলীক কল্পনা।

তারপর যখন কুড়ি হল---
বেশ রাঙা টুকটুকে বৌ সেজে শ্বশুরবাড়িতে এলাম।
বাব রে বা---প !!! 
সেখানেও আবার এমন নজরদারি,
কি বলি  !! ---
কোনটা খাইনা, কেন খাইনা?
হাতে কেন বড় বড় নখ রেখেছি?
সকলের সামনে নাইটি পড়তে আমার লজ্জা করে কিনা,---
মেয়ে মানুষ হয়ে এত হৈ হৈ কিসের,
ইত‍্যাদি ইত‍্যাদি।
আর বাইরে গেলে  ! 
শ্বশুর-শ্বাশুড়ি, জা -ননদ হাজারটা কৈফিয়ত।

তারপর পঁচিশে---,  যখন মা হলাম,
ছেলেকে খাওয়াতে অসুবিধা হবে বলে 
নাইটি ছেড়ে সুতির ছাপা পড়া ধরলাম।
কোমরে আঁচল গুঁজে এমন দশভুজা হয়ে গেলাম যে----
কোথায় সিনেমা,কোথায় বেড়ানো,
আর কোথায় যে আনন্দ সব ভুলে গেলাম।
না না এটার জন‍্য আক্ষেপ করছিনা।
এটা তো আমার কর্তব্য।

দেখতে দেখতে আরো পঁচিশটা বছ--র কেটে গেল।
ছেলে আর মেয়ের পড়াশোনা,গানবাজনা 
আর ওদের সামাজিক প্রতিষ্ঠা নিয়ে।
ওদের সংসারও গড়ে দিয়েছি নিজের হাতে।
ওরা এখন যে যার মত ---
বন্ধু বান্ধব, হৈ হুল্লোড়,পার্টি, ভ্রমণ এসব নিয়ে ব‍্যস্ত।

তাই আমিও একটা প্রফাইল খুললাম
খুঁজেনিলাম নিজের একটা জগৎ।
জানেন? আমার ফেসবুক ফ্রেন্ডের সংখ‍্যা এখন দু-হাছার ছাড়িয়েছে!
আমা---র আবার ফেসবুকে ভেসে ওঠা 
ঐ সব রেডিমেড  কমেন্টে মন ভরেনা।
তাই ভালো কোনো পোষ্ট পেলেই
ইয়া---ব্বড় একটা কমেন্ট লিখি।
কত খুশি হয় ওরা জানেন?
আর আমার কবিতা গুলো যখন 
শেয়ারের পর শেয়ার হয়,
তখন মনটা আনন্দে উথলে ওঠে।
এই নিয়েই তো আমার একার দুপুর টা কাটিয়ে দিই রোজ।
মেয়ে,জামাই,ছেলে,বৌমা ওরা যখন দু-দিনের জন‍্য এসে আবার চলে যায়
তখন ঐ খারাপ মনটা ভোলাতে খুব বেশি সময় লাগেনা আমার।
জানেন,আমি এখন নিজের পছন্দের মাছ কিনি বাজার থেকে।
আর যে খাবারটা খেতে ইচ্ছে সেটাই বানাই।
যেখানে যেতে ইচ্ছে করে সেখানে যাই।
আর তো কটা মাত্র দিন পড়ে আছে তাই না।
নিজেকে কি করে ঠকাই বলুন তো?
মর্নিং ওয়াক করি,কিটো ডায়েট করি,
ঘন ঘন পার্লারে যাই।
শরীর চর্চা থেকে মনের চর্চা 
স---ব সব করি এখন।
এই তো আমার যুবতি হওয়ার বয়স।
তাই যে যাই বলুক 
চলুন, মনের বয়স বাড়তে না দিয়ে
এই পঞ্চাশেই আবার না হয় যুবতি হয়ে যাই।

লেখিকা:গোপা গড়াই মন্ডল

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ফেসবুক পোস্ট নিয়ে যা বললেন মামুনুল হক



রবিবার, ০৪ এপ্রিল, ২০২১, ০১:৫৬
ফেসবুক পোস্ট নিয়ে যা বললেন মামুনুল হক

নারায়ণগঞ্জে সোনারগাঁওয়ের রয়্যাল রিসোর্টে নারীসহ তোপের মুখে পরা হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হককে ঘিরে এখন দেশব্যাপী আলোচনা তুঙ্গে। যদিও তিনি ওই নারীকে নিজের দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করেছেন। অবশ্য পরবর্তীতে পুলিশ হেফাজতে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, ছাড়া পাওয়ার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফাইড পেজে দুটি পোস্ট করেছেন হেফাজত ইসলামের এই শীর্ষস্থানীয় নেতা। সেখানে তিনি নিরাপদে আছেন বলে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেছেন।
সোনারগাঁওয়ের তৌহিদী জনতার প্রতি শুকরিয়া ! তবে কোনো ধরণের উত্তেজনাপূর্ণ আচরণ করা যাবে না !! ধৈর্য ও সহনশীলতার সাথে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে ।

প্রথম পোস্টে কোনো ধরনের গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেছেন, `আমি নিরাপদে আছি, পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ! কেউ কোনো গুজবে বিভ্রান্ত হবেন না !!'
এরপরেই আরো একটি পোস্ট করেন। সেখানে সোনারগাঁওয়ের তৌহিদী জনতার প্রতি শুকরিয়া আদায় করে বলেছেন, `কোনো ধরণের উত্তেজনাপূর্ণ আচরণ করা যাবে না। ধৈর্য ও সহনশীলতার সহিত পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে।'

আমি নিরাপদে আছি, পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ! কেউ কোনো গুজবে বিভ্রান্ত হবেন না !!
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দেখা যায় মামুনুল হককে স্থানীয়রা বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জায়েদুল আলম জানান, স্থানীয়দের বিক্ষোভের মুখে সোনারগাঁওয়ের রয়্যাল রিসোর্টে একটি কক্ষ থেকে উদ্ধার করে নিয়ে এসেছি। এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানাবো।
এদিকে মামুনুল হক দাবি করেন, সঙ্গে থাকা ওই নারী তার দ্বিতীয় স্ত্রী। তবে পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার দাবির স্বপক্ষে কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেন নি তিনি।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

সর্বোচ্চ পঠিত - ফেসবুক পাতা থেকে

ফেসবুক পাতা থেকে এর সব খবর