a
হিজবুল্লাহ্ নেতা নাসরুল্লাহ । ফাইল ছবি
লেবাননের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহর মহাসচিব সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্লাহ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইসরায়েলের লাইফটাইম শেষ হয়ে এসেছে এবং কিছু সুনির্দিষ্ট আরব দেশের সাথে সম্পর্ক করে নিজেদের ধ্বংস ঠেকিয়ে রাখতে পারবেনা।
গতকাল বুধবার আল-মানার টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক ভাষণে এ হুঁশিয়ারি প্রদান করেন। হিজবুল্লাহ্ নেতা নাসরুল্লাহ বলেন, “ইসরায়েলের আয়ু খুব শিগগিরই ফুরিয়ে যাবে। এটির লাইফটাইমের আর খুব অল্প সময় বাকি আছে।”
ইসরায়েল গভীর রাজনৈতিক, সামাজিক ও নৈতিক সংকটে জর্জরিত- উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এমনকি সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ চুক্তিগুলোও ইসরায়েলি দখল দারিত্বকে রক্ষা করতে পারবে না।”
প্রতি বছর রমজান মাসের শেষ শুক্রবারের মতো আগামীকাল শুক্রবার পালিত হতে যাচ্ছে বিশ্ব কুদস দিবস। ইসরায়েলের দখলদারিত্ব থেকে মুসলমানদের প্রথম ক্বিবলা আল-কুদসসহ গোটা ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড মুক্ত করার প্রত্যয় নিয়ে ইরানের স্থপতি ইমাম খোমেনেী এ দিবস পালনের ডাক দিয়েছিলেন।
কুদস দিবসকে সামনে রেখে দেওয়া ভাষণে হিজবুল্লাহ নেতা আরও বলেন, তার প্রতিরোধ আন্দোলন ফিলিস্তিন মুক্ত করার সংকল্পে অটল রয়েছে। পাশাপাশি তিনি বলেন, ইসরায়েলের কবল থেকে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড মুক্ত করার কাজে এগিয়ে আসার জন্য সারা মুসলিম উম্মাহর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।
ফাইল ছবি
ইউক্রেন আত্মসমর্পণ করলেই রাশিয়া সেনা অভিযান বন্ধ করবে। আজ মঙ্গলবার এ কথা জানিয়েছেন ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ।
পেসকভ বলেন, ‘ইউক্রেন যত দ্রুত আত্মসমর্পণ করবে, রাশিয়া ততো দ্রুত সেনা অভিযান বন্ধ করবে।’ এসময় ইউক্রেনের কর্তৃপক্ষকে তাদের সেনাদের অস্ত্রসর্ম্পণ করার নির্দেশ দিতেও বলেছেন পেসকভ।
তিনি বলেন, ‘ইউক্রেন দিক থেকে সবকিছু বন্ধ করতে হবে এবং তাদের সেনাবাহিনীকে অস্ত্রসমর্পণ করার আদেশ দিতে হবে।’ যদিও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বারবার বলছে, কখনোই তার দেশ রাশিয়ার কাছে আত্মসমর্পণ করবে না।
চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে রাশিয়া বিশেষ সেনা অভিযান শুরু করে এবং তা এখনও অব্যাহত আছে। সূত্র: বিবিসি
ফাইল ছবি: করোনাভাইরাস
দক্ষিণ আফ্রিকায় আধিপত্য বিস্তার করা করোনা ভাইরাসের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ধরনটি কিছুদিন আগেই বাংলাদেশে ধরা পড়া দক্ষিণ আফ্রিকার নতুন এই করোনা ভাইরাসের ধরনটি এরই মধ্যে অস্বাভাবিক হারে বাড়তে শুরু করেছে।
সম্প্রতি আইসিডিডিআরবি এর করা একটি গবেষণায় এমন তথ্যই উঠে এসেছে। এ বিষয়ে আইসিডিডিআরবি বলছে, দেশে শনাক্ত করোনাভাইরাসের ধরনগুলোর মধ্যে ৮০ শতাংশের বেশি দক্ষিণ আফ্রিকার ধরনের সঙ্গে পুরোপুরি মিল আছে।
এর আগে ১লা জানুয়ারি থেকে ২৪ মার্চ পর্যন্ত করা ১৬ হাজার ২৬৫টি নমুনা পরীক্ষার মধ্যে ২ হাজার ৭৫১টি নমুনা পজেটিভ আসে। কিন্তু ১৮ থেকে ২৪ মার্চের মধ্যে করোনা পজেটিভ রোগীদের ৫৭ টি নমুনার জিনোমিকক্রম বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, দেশে ৮০ শতাংশের বেশি দক্ষিণ আফ্রিকার ধরনের সঙ্গে পুরোপুরি মিল আছে। অর্থাৎ, বাংলাদেশে দক্ষিণ আফ্রিকার ধরণটি সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠেছে।
এদিকে মার্চের প্রথম সপ্তাহে (৫ থেকে ১১ মার্চের মধ্যে) দেশের ১৩টি জেলা থেকে প্রায় ৩০টি নমুনার জিনোমিকক্রম সংগ্রহ করে তা বিশ্লেষণ করা হয়েছিল। সেখানে দক্ষিণ আফ্রিকার ধরণের কোন অস্তিত্বই ছিল না।