a
ফাইল ছবি
ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী অ্যাভিগডর লিবারম্যান করোনা টিকার চতুর্থ ডোজ নেওয়ার পরও করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। গতকাল শনিবার কোভিড-১৯ পজিটিভ হয়েছেন বলে জানা গেছে। বর্তমানে তিনি স্বেচ্ছায় আইসোলেশনে আছেন এবং বাসা থেকে কাজ চালিয়ে যাবেন। খবর রয়টার্স।
এক টুইট বার্তায় তিনি বলেছেন, ‘আমি ভালো আছি এবং আগামী কয়েক দিন আইসোলেশনে থাকব।’ গত ১০ জানুয়ারি অর্থমন্ত্রী লিবারম্যান করোনাভাইরাসের টিকার চতুর্থ ডোজ নেওয়ার ছবি সামাজিক যোগােযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেন। এর আগে, গত সোমবার ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়ার লাপিদের করোনায় আক্রান্ত হন।
উল্লেখ্য, ইসরায়েলে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের প্রভাবে দৈনিক সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। মহামারি মোকাবিলায় জারিকৃত কড়া বিধি-নিষেধের কারণে অনেক কর্মচারী আইসোলেশনে আছেন এবং গ্রাহকরা বাড়ি থেকে বের হতে না পারায় ব্যবসায়ীরাও কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে সরকারি সহায়তা না পাওয়ায় ইসরায়েলি অনেক নাগরিক অর্থমন্ত্রী লিবারম্যানের কঠোর সমালোচনা করে আসছেন।
ফাইল ছবি
ইরানের ইসলামী বিপ্লব গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি নৌ শাখার কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল আলী রেজা তাংসিরি বলেছেন, পারস্য উপসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলো সম্পূর্ণভাবে নজরদারিতে আছে।
তিনি বলেন, শত্রুদের সকল বিষয় নজরদারিতে রয়েছে এবং কোনো জাহাজ পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করছে এবং বের হয়ে যাচ্ছে তা সম্পূর্ণভাবে পর্যবেক্ষণে আছে। তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালীর ব্যান্ডউইথ কন্ট্রোল কোড অনুসারে এসব জাহাজের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হবে।
আলী রেজা তাংসিরি বলেন, এ অঞ্চলে আইআরজিসি'র উপস্থিতি শুধুমাত্র সামরিক কারণে নয় বরং জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে এর উপস্থিতি রয়েছে। তিনি পারস্য উপসাগরকে উন্নয়নের ইঞ্জিন বলেও মন্তব্য করেন।
রিয়ার অ্যাডমিরাল আলী রেজা তাংসিরি বলেন, মধ্যপ্রাচ্য গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল হওয়ায় এবং এ এলাকায় ভৌগলিক বিশেষ গুরুত্ব পাওয়ায় পাশ্চাত্যের কিছু দেশ ও শক্তি মধ্যপ্রাচ্যে তাদের অবৈধ উপস্থিতি বজায় রেখেছে।
তিনি বলেন, ‘পারস্য উপসাগরে আইআরজিসি’র পুরো নিয়ন্ত্রণ রয়েছে এবং স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী বাসিজের উপস্থিতির কারণে বাড়তি জনশক্তি যুক্ত হয়েছে। এখন আমরা ইলেকট্রনিক এবং ইলেকট্রো-অপটিক সিস্টেম ব্যবহার করে পারস্য উপসাগরের সমস্ত গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছি।’ সূত্র : পার্সটুডে
ফাইল ছবি
ভারতে ইলিশ রপ্তানি বন্ধে সরকারকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। রোববার সরকারের চার সচিব ও তিনটি সংস্থার চেয়ারম্যানের কাছে এ নোটিশ পাঠায় সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান।
নোটিশ পাঠানো হয়েছে চার মন্ত্রণালয়ের সচিবদের, তারা হলেন— বাণিজ্যসচিব, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব, পররাষ্ট্র সচিব, বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন সচিব, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান, আমদানি ও রপ্তানি দপ্তরের প্রধান নিয়ন্ত্রক এবং বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান।
আইনজীবী মাহমুদুল হাসান জানান, ইলিশ আমাদের জাতীয় মাছ হলেও অতিরিক্তি দামের কারণে দেশের দরিদ্র মানুষ এই মাছ কিনতে পারে না। মধ্যবিত্ত মানুষও ইলিশ মাছ কিনতে হিমশিম খাচ্ছে। অথচ বাণিজ্য মন্ত্রণালয় দেশের মানুষের চাহিদার কথা চিন্তা না করে ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে। এর ফলে দেশের স্থানীয় বাজারগুলোতে ইলিশের দাম আরও বেড়েছে।
সাত দিনের মধ্যে ভারতে ইলিশ রপ্তানি স্থায়ীভাবে বন্ধ না করলে ব্যবস্থা নিতে হাইকোর্টে রিট করা হবে বলেও জানান মাহমুদুল হাসান। সূত্র: যুগান্তর