a কাবুল বিমানবন্দরে হামলার জেরে জো বাইডেনের পদত্যাগ চাইছে মার্কিন জনতা
ঢাকা শুক্রবার, ১৯ পৌষ ১৪৩২, ০২ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

কাবুল বিমানবন্দরে হামলার জেরে জো বাইডেনের পদত্যাগ চাইছে মার্কিন জনতা


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ২৯ আগষ্ট, ২০২১, ০৮:৪৩
কাবুল বিমানবন্দরে হামলার জেরে জো বাইডেনের পদত্যাগ চাইছে মার্কিন জনতা

ফাইল ছবি

কাবুল বিমানবন্দরে জঙ্গি হামলায় ১৩ মার্কিন সেনাসহ ১০০ জনের ওপর মৃত্যুর ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের পদত‌্যাগের দাবি জোরাল হল। 

জাতিসংঘে আমেরিকার সাবেক রাষ্ট্রদূত নিক্কি হ‌্যালি টুইট করে বলেন, "বাইডেন কি এবার পদত‌্যাগ করবেন, নাকি তাকে সরানো হবে? তবে বাইডেন সরে গেলে যদি কমলা হ‌্যারিস প্রেসিডেন্ট হন, তাহলে তা দশগুণ খারাপ হবে। স্রষ্টা আমাদের রক্ষা করুন।"
 
নিক্কির এই টুইটের পরে রিপাবলিকান পার্টির একাধিক কংগ্রেস ম্যান টুইট করে বাইডেনের পদত‌্যাগ দাবি করতে থাকেন। বাইডেনের সঙ্গে সঙ্গে তারা কমলা হ‌্যারিস ও বিদেশ সচিব অ‌্যান্টনি ব্লিঙ্কেনেরও পদত‌্যাগ দাবি করেন। রিপাবলিকান সাংসদরা বলতে থাকেন, যদি একটা ফোনের জন‌্য ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইমপিচ করা হয়ে থাকে, তাহলে কেন বাইডেনের ইমপিচমেন্ট হবে না।

আফগানিস্তান থেকে যেভাবে মার্কিন সেনা প্রত‌্যাহার করা হয়েছে, তা বাইডেনের চরম গাফিলতি বলে রিপাবলিকান দলের নেতারা জানাতে থাকেন। বস্তুত, আফগানিস্তান ইস্যুতে বাইডেনের ব‌্যর্থতার জন‌্য সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার পদত‌্যাগ চেয়েছিলেন। রিপাবলিকান কংগ্রেস ম‌্যানরা অবিলম্বে মার্কিন কংগ্রেসের অধিবেশন দাবি করলেও স্পিকার ন‌্যান্সি পেলোসি তা উড়িয়ে দিয়েছেন।

আফগানিস্তানে মার্কিন সেনার মৃত্যু শেষবার হয়েছিল ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। তার কয়েক সপ্তাহ বাদেই তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তালেবানের সঙ্গে চুক্তি করেন, যাতে মার্কিন বাহিনীর উপর তারা কোনও হামলা না করে। ফলে গত বৃহস্পতিবার কাবুলের বিস্ফোরণে ১৩ মার্কিন সেনার মৃত্যু বাইডেনকে চরম অস্বস্তিতে ফেলেছে।

তালেবান যেভাবে আফগানিস্তান নিজেদের দখলে নিয়েছে, তাতে গোটা বিশ্বের সঙ্গে মার্কিন জনতারও একটি বড় অংশ বাইডেনের উপর ক্ষুব্ধ। কাবুলের বিস্ফোরণ সেই ক্ষোভকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

সূত্র- ফক্স নিউজ, দ্যা নিউজ এন্ড অবজারভার।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ফিলিস্তিনে পরিস্থিতির অবনতিতে দায়ী ইসরাইল: ওআইসি


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
রবিবার, ১৬ মে, ২০২১, ১১:৪৭
ফিলিস্তিনে পরিস্থিতির অবনতিতে দায়ী ইসরাইল: ওআইসি

ফাইল ছবি

ফিলিস্তিনের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গতকাল ১৬মে রবিবার এক জরুরি বৈঠকে বসেছিল ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি)। ওআইসির জরুরি সম্মেলনে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভাসগ্লু ইসরাইলি হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। ওআইসির নির্বাহী কমিটির সদস্যদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ফিলিস্তিনিদের ওপর নিপীড়ন বন্ধ করা আমাদের সকলের মানবিক দায়িত্ব।

এক টুইট বার্তায় তিনি বলেন, ফিলিস্তিনি ভাই-বোনদের বাঁচাতে আমরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সব প্রকার চেষ্টা অব্যাহত রাখবো।  

এদিকে ইসলামিক সহযোগিতা পরিষদের (ওআইসি)  ৫৭ সদস্যের এক জরুরি ভার্চুয়াল বৈঠকের শুরুতে টেলিভিশনে রেকর্ডকৃত বক্তব্যে  সৌদির পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ ইসরাইলি হামলার নিন্দা জানান। পাশাপাশি সামরিক হামলা বন্ধের জন্য জরুরি পদক্ষেপ নিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান।

রবিবার টানা সপ্তম দিনের হামলায় ১৩ শিশুসহ অন্তত ৩৩ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।

এ নিয়ে গত এক সপ্তাহে কমপক্ষে ১৮১ জনের বেশি ফিলিস্তিনির মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৫২ জনই শিশু। আহত হয়েছেন এক হাজারের বেশি মানুষ।ফিলিস্তিনে সামগ্রিক পরিস্থিতির অবনতিতে ইসরাইলকে অভিযুক্ত করেছে মুসলিম দেশগুলোর আন্তর্জাতিক সংগঠন ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা-ওআইসি। রোববার সংস্থাটির সদস্য ৫৭ দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে জরুরি ভার্চুয়াল বৈঠক অনুষ্ঠানের পর এক যুক্ত বিবৃতিতে এই অভিযোগ করে সংস্থাটি।

বিবৃতিতে বলা হয়, পুরো অধিকৃত ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে কৌশলগত অপরাধের মাধ্যমে পরিস্থিতির অবনতির জন্য দখলদার শক্তি ইসরাইল সম্পূর্ণভাবে দায়ী। বিবৃতিতে জাতিসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদকে সংকটের সমাধানে শিগগির ব্যবস্থা নেয়ার সাথে সাথে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি ইসরাইলের আগ্রাসী তৎপরতা বন্ধের উদ্যোগের আহ্বান জানানো হয়।

এর আগে ফিলিস্তিনজুড়ে চলমান অস্থিরতা ও গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসন অব্যাহত থাকায় ওআইসি সভাপতি সৌদি আরবের অনুরোধে রোববার জরুরি এই ভার্চুয়াল বৈঠক আহ্বান করা হয়।

বৈঠকের শুরুতে উদ্বোধনী ভাষণে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সল বিন ফারহান আল-সউদ বলেন, ‘ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরাইল নগ্নভাবে সহিংসতা সৃষ্টি করছে। আমরা জেরুসালেমে ফিলিস্তিনিদের বাড়ি ইসরাইলের দখল করার নিন্দা জানাই।’ তিনি আরো বলেন, ‘পূর্ব জেরুসালেম ফিলিস্তিনি ভূমি। আমরা এর কোনো ক্ষতি মেনে নেবো না।’

ইসরাইলি সামরিক আগ্রাসন বন্ধে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার ভাষণে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে উদ্যোগের আহ্বান জানান। পাশাপাশি দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের ওপর ভিত্তি করে শান্তি আলোচনা আবার শুরু করার জন্য চেষ্টার আহ্বান জানান তিনি।

ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রিয়াদ মালিকি বৈঠকে তার ভাষণের শুরুতে ইসরাইলের ‘কাপুরুষোচিত হামলার’ নিন্দা জানান। তিনি বলেন, ‘ফিলিস্তিনি জনতার জাগরণ স্পষ্ট করেছে, জেরুসালেম এক সম্মানিত সীমারেখা। আমাদের জনগণ ইসরাইলের ঘাতক যন্ত্রের কাছে আত্মসমর্পন করবে না।’

মালিকি বলেন, ‘আল্লাহর কাছে আমাদের বলা প্রয়োজন, শেষদিন পর্যন্ত আমরা প্রতিরোধ করবো। দীর্ঘমেয়াদের দখলদারিত্বের মধ্যে আমরা চলছি। এটি সমস্যার ভিত্তি। কোনো ধারাবাহিকতা ছাড়াই ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে অপরাধ সংগঠিত হয়েছে।’

বৈঠকে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মওলুদ চাভুশওলু তার ভাষণে বলেন, ‘পূর্ব জেরুসালেম, পশ্চিম তীর ও গাজায় সাম্প্রতিক অস্থিরতার জন্য ইসরাইল এককভাবে দায়ী।’ 

তিনি বলেন, ‘আমাদের উচিত ন্যায়বিচার ও মানবতার পক্ষে দাঁড়ানো। এখানো আর কোনো বিবেচ্য বিষয় নেই। এখন সময় আমাদের একতা ও ঐক্যমত প্রদর্শনের। উম্মাহ আমাদের নেতৃত্ব ও সাহসের প্রত্যাশা করে এবং তুরস্ক প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত রয়েছে।’

তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী সহিংসতা বন্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি জাতিসঙ্ঘের সাধারণ পরিষদের ২০১৮ সালের প্রস্তাব অনুযায়ী বেসামরিক ফিলিস্তিনিদের রক্ষায় আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব তার ভাষণে উল্লেখ করেন। একইসাথে ফিলিস্তিনিদের অধিকার লঙ্ঘনের দায়ে অপরাধী ইসরাইলি রাজনীতিবিদ ও সামরিক কর্মকর্তাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) অধীনে জবাবদিহিতার আওতায় নিয়ে আসার কথা জানান তিনি।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ তার ভাষণে ইসরাইলকে গণহত্যা ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত করেন। তিনি বলেন, ‘ইসরাইল শুধু প্রতিরোধের ভাষাই বোঝে এবং ফিলিস্তিনের জনগণ তাদের আত্মরক্ষায় এবং বর্ণবাদী এই শাসনের বৈষম্য প্রতিকারের পূর্ণ অধিকারী।’

গাজায় অবরোধ ও সহিংসতা বন্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায়িত্ব উল্লেখ করে ইসরাইলি অপরাধের প্রামান্য দলিল সংগ্রহে একটি পেশাদার আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক সংস্থা প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরেশি তার ভাষণে বলেন, ‘ইসরাইল গাজায় মানবাধিকার আইন লঙ্ঘন করছে।’তিনি আরো বলেন, ‘অবিলম্বে গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসন বন্ধ করতে হবে।’

পাকিস্তানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ইতিহাসে এমন সময় আসে যখনকার সিদ্ধান্ত পরবর্তী প্রজন্ম স্মরণ করে। এই সময় ইতিহাসের সঠিক পক্ষে থাকা জরুরি। এখনই সেই রকম এক মুহূর্ত। আমাদের উচিত হবে না ফিলিস্তিনি জনগণকে সংকটের মুখে ফেলে যাওয়া।’

মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিশামুদ্দিন হুসাইন তার ভাষণে বলেন, ‘অনিচ্ছাকৃত হলেও আমরা দখলদার শক্তিকে আমাদের নিরবতার মাধ্যমে লজ্জ্বাজনকভাবে উৎসাহিত করে আসছি।’

তিনি বলেন, ‘ফিলিস্তিনিদের ইসরাইলের শত্রুতামূলক তৎপরতা থেকে রক্ষায় ওআইসির উচিত কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানো।’ গাজায় ইসরাইলের চলমান আগ্রাসনে রবিবার পর্যন্ত ১৮১ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে শিশু রয়েছে ৫২ জন। ইসরাইলি হামলায় গাজায় আরো এক হাজার দুই শ’ ২৫ জন ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com

আরও পড়ুন

প্রতিষ্ঠার ৫৩ বছরে পদার্পণ করলো সরকারি তিতুমীর কলেজ


হানিফ, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন:
শুক্রবার, ০৭ মে, ২০২১, ১০:৫৪
প্রতিষ্ঠার ৫৩ বছরে পদার্পণ করলো সরকারি তিতুমীর কলেজ

ফাইল ছবি

 

'জিন্নাহ কলেজ' নামে ১৯৬৮ সালে সরকারি তিতুমীর কলেজ প্রথম প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর মোনায়েম খান জগন্নাথ কলেজের(বর্তমানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়) ছাত্র-আন্দোলনকে নির্মূল করার জন্য মহাখালীতে অবস্থিত ডিআইটি খাদ্যগুদাম হিসেবে পরিচিত ভবনে জগন্নাথ কলেজের ডিগ্রি শাখা স্থানান্তর করেন এবং এর নামকরণ করা হয় জিন্নাহ কলেজ।

১৯৭১ সালের ১ মার্চ পাকিস্তানের সামরিক জান্তা ইয়াহিয়া খান রেডিও-টেলিভিশনে এক ভাষণে ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি স্থগিত ঘোষণা করার সঙ্গে সঙ্গে জিন্নাহ কলেজ শাখার ছাত্র সংসদের প্রথম সহ-সভাপতি (ভিপি) সিরাজউদ্দৌলার নেতৃত্বে টিপু মুনশি ও শাহাবুদ্দিনসহ তৎকালীন কতিপয় ছাত্রনেতা প্রতিক্রিয়া হিসেবে জিন্নাহ্ কলেজের সাইনবোর্ড ভেঙে ফেলেন। তখন আনিসুজ্জামান খোকন (জিন্নাহ কলেজের ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক) জিন্নাহ কলেজের নাম 'তিতুমীর কলেজ' প্রস্তাব করেন। 

২ মার্চ ছাত্রলীগের কর্মীরা মিছিল করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক বটতলায় জড়ো হলে সেখানে তৎকালীন ডাকসু ভিপি আ স ম আবদুর রবের মধ্যস্থতায় জিন্নাহ্ কলেজের নাম 'তিতুমীর কলেজ' হিসেবে চূড়ান্ত হয়। ঐ রাতেই 'তিতুমীর কলেজ' নামকরণের সাইনবোর্ড লেখা হয় এবং দেয়ালে টাঙিয়ে দেয়া হয়। এলাকার কিছু যুবক তিতুমীর নামকরণের ব্যাপারে সার্বিক সহযোগিতা করেন। সেই তিতুমীর কলেক আজ ৬৫ হাজার শিক্ষার্থীর পদচারণায় মুখরিত।

সরকারি তিতুমীর কলেজে একেবারে সূচনালগ্নে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত চালু থাকলেও পরবর্তীতে উচ্চ শিক্ষার কথা বিবেচনা করে এবং চাহিদা অনুসারে এখন শুধু স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শ্রেণিসমূহ চালু রয়েছে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় সকল বিভাগ এই কলেজে চালু ছিল। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হওয়ার পরও পূর্বের সকল কার্যক্রম চালু রয়েছে। এখানে যেসকল বিভাগ চালু রয়েছেঃ

বিজ্ঞান অনুষদ:-
পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত,প্রাণিবিজ্ঞান, উদ্ভিদবিজ্ঞান, মনোবিজ্ঞান, পরিসংখ্যান, ভূগোল ও পরিবেশ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি)।

বাণিজ্য অনুষদ:- হিসাব বিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা, মার্কেটিং, ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং।

কলা ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদ :
বাংলা, ইংরেজি, ইতিহাস, দর্শন, সমাজবিজ্ঞান, ইসলাম শিক্ষা, সমাজকর্ম, ইসলামের ইতিহাস সংস্কৃতি, অর্থনীতি এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান।

ছাত্র-ছাত্রীদের যাতায়াতের জন্য রয়েছে ৫ টি বাস। BRTC লাল বাস, সম্পর্ক, অগ্নিবীণা, সোনার তরী, সাদা বাস। 

কলেজটির ছাত্র-ছাত্রীর জন্য তিনটি আবাসিক হল রয়েছে; এগুলো হলোঃ আক্কাছুর রহমান আঁখি ছাত্রাবাস, সুফিয়া কামাল ছাত্রী নিবাস, সিরাজ ছাত্রী নিবাস।

কলেজের উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক ও সামাজিক ছাত্র সংগঠন হলো: বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, সরকারি তিতুমীর কলেজ সাংবাদিক সমিতি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন, বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ, সরকারি তিতুমীর কলেজ বিতর্ক ক্লাব, ক্লিন এন্ড গ্রীন ক্যাম্পাস-তিতুমীর।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক