a
ফাইল ছবি
আফগানিস্তানে তালেবানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের স্থায়ীত্ব নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যে মন্তব্য করেছিলেন, তার জবাবে মুখ খুললো তালেবান। তালেবান নেতা শাহাবুদ্দিন দিলওয়ার বলেছেন, আফগানিস্তানের সরকার পরিচালনার ক্ষেত্রে তালেবানের সক্ষমতা সম্পর্কে ভারত শিগগিরই জানতে পারবে।
আজ বৃহস্পতিবার রেডিও পাকিস্তানকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে শাহাবুদ্দিন দিলওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে মোদি সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘ভারত যেন আফগানিস্তানের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ না করে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, শ্রদ্ধাবোধের ওপর ভিত্তি করে তালেবান সবার সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক চায়।’
এসময় তিনি আফগানিস্তানের ৩০ লাখ শরণার্থীকে আশ্রয় দেয়ায় জন্য পাকিস্তানকে ধন্যবাদ জানান।
উল্লেখ্য, ১ সপ্তাহ আগে নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, সন্ত্রাসের ওপর ভিত্তি করে একটি সাম্রাজ্য হয়তো কিছু সময়ের জন্য আধিপত্য বিস্তার করতে পারে। তবে তার অস্তিত্ব কখনো স্থায়ী হতে পারে না। গত ২০ আগস্ট নরেন্দ্র মোদি এক টুইটার পোস্টে এসব কথা বলেছিলেন। সূত্র: পার্সটুডে।
ফাইল ছবি
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ইউক্রেনে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের হুমকিতে টনক নড়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ)। সংস্থাটির পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রধান জোপেস বোরেল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বোরেল বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, এটা ভয়ংকর সময়। রাশিয়ার আংশিক সেনা সমাবেশের নির্দেশ এবং ইউক্রেনের চার অঞ্চলে গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তের পর বোরেল এসব কথা বলেন।
ইউক্রেনে খানিকটা অসুবিধায় আছে রাশিয়ার সেনাবাহিনী। বোরেল বলেন, ‘হঠাৎ করেই এই ভয়ংকর মুহূর্ত এসে গেছে, কারণ রাশিয়ার সেনাবাহিনী কোণঠাসা এবং পুতিন পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের হুমকি দিয়েছেন।’
চলতি সপ্তাহে এক ভাষণে পুতিন হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, প্রয়োজনে ইউক্রেনে রাশিয়ার হাতে থাকা সব ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করা হবে। আর বিষয়টির গুরুত্ব বোঝাতে তিনি বলেছেন, তিনি এ বিষয়ে মোটেও তামাশা করছেন না। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
বাংলাদেশে শুধু নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত নই, পাশাপাশি দূতাবাসসহ যারা এখানে কাজ করেন তাদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ।
রোববার (২৪ সেপ্টেম্বর) বেসরকারি টিভি চ্যানেল ২৪-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।
পিটার হাস বলেন, যুক্তরাষ্ট্র অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থেই ভিসানীতি প্রয়োগ করে থাকে। কতজনের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে, তা গুরুত্বপূর্ণ নয়। আমরা নিরপেক্ষভাবে এই ভিসা নীতি প্রয়োগ করেছি। কারও পক্ষে কিংবা কারও বিপক্ষে নয়। তারা ক্ষমতাসীন দলের নাকি বিরোধী দলে, তারা সরকারের পক্ষে নাকি বিপক্ষে।
তিনি বলেন, সরকারি দল, বিরোধীদল ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পর আগামীতে বিচারবিভাগ এবং গণমাধ্যমও ভিসা নীতিতে যুক্ত হতে পারে। এসব কিছুই তাদের কর্মকাণ্ডের ওপর নির্ভর করবে। এখন দেখার বিষয় কতটা নিরপেক্ষভাবে প্রভাবমুক্ত হয়ে বিচারকার্য পরিচালিত হচ্ছে।
ভিসা নীতি কোনো স্বাধীন দেশের ওপর হস্তক্ষেপ নয় উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, বিশ্বব্যাপী গণতন্ত্র ও মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা যুক্তরাষ্ট্রের দায়িত্ব। প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে চায়ের দোকানদারও অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন চায়। সবাই যখন একই জিনিস চাচ্ছে তখন আমাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে তার বাস্তবায়ন করা। সবাই তার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবে, এটাই তাদের প্রত্যাশা।
রোহিঙ্গা ইস্যুতে পিটার হাস আরও বলেন, মিয়ানমারে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত সেখানে রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো ঠিক হবে না। সূত্র: ইত্তেফাক