a
ফাইল ছবি
সৌদি আরবের সঙ্গে আবারও ইরানের অর্থনৈতিক সম্পর্কের সূচনা হয়েছে। ৩৯ হাজার ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানির মধ্য দিয়ে এই সম্পর্ক আবারও শুরু করেছে দুই দেশ।
তথ্যটি জানিয়েছেন ইরানের জাতীয় শুল্ক বিভাগের মুখপাত্র রুহুল্লাহ লাতিফি। তার মতে, রপ্তানির অংকটা খুব ছোট হলেও এটি একটি শুভ সূচনা। খবর-পার্সটুডের।
ইরানের আইআরআইবি বার্তা সংস্থার সঙ্গে সাক্ষাৎকারে লাতিফি আরও বলেন, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ইরানি পণ্য সৌদি আরব গেছে। এটা একটা ভালো খবর। দুই দেশের মধ্যে যখন সম্পর্কের বিষয়ে আলোচনা চলছে তখনি এই ঘটনা ঘটেছে।
ইরান থেকে টাইলস ও স্পেরিক্যাল গ্লাস সৌদি আরবে রপ্তানি করা হয়েছে। এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে কাস্টমসের মুখপাত্র বলেন, ৩৩ হাজার ডলারের স্পেরিক্যাল গ্লাস বা কাঁচ এবং ৬ হাজার ডলারের টাইলস রপ্তানি হয়েছে। স্পেরিক্যাল গ্লাস ট্রাফিক সাইনে ব্যবহার করা হয়।
এই মুখপাত্র আরও বলেন, প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রায়িসির আমলে সৌদি আরবের সঙ্গে রাজনৈতিক, কূটনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কও স্বাভাবিক হবে বলে জানান তিনি।
ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় পড়তে যাচ্ছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) কুখ্যাত ইউনিট নেতজাহ ইয়েহুদা। ইহুদিবাদী এই বাহিনীর ওপর নিষেধাজ্ঞার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পরিকল্পনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ইসরায়েল বলছে, তাদের সেনাদের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে চূড়ান্ত সীমা অতিক্রম করা।
এদিকে, নিষেধাজ্ঞার এই মার্কিন পরিকল্পনা নিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি দাবি করেছেন, আইডিএফের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়া উচিত হবে না। আমাদের সৈন্যরা সন্ত্রাসী দানবদের সঙ্গে লড়াই করছে।
ইসরায়েলি মন্ত্রী ইতামার বেন গভির এবং বেজালেল স্মোট্রিচও মার্কিন পরিকল্পনার নিন্দা জানিয়েছেন। গভির বলেন, আমাদের সেনাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা মানে চূড়ান্ত সীমা অতিক্রম করা।
ইসরায়েলি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে নেতজাহ ইয়েহুদার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়ার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। সূত্র : টাইমস অব ইসরায়েল।
সংগৃহীত ছবি
বুধবার থেকে দেশে শুরু হয়েছে আট দিনের সর্বাত্মক লকডাউন। পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত এই সময়টা বন্ধ থাকবে ছোট-বড় সব সিনেমা হল। তবে ছয়টি বিশেষ শর্তে স্বল্প পরিসরে নাটক ও সিনেমার শুটিং চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সংশ্লিষ্ট পরিচালক, প্রযোজক ও অভিনয় শিল্পীরা।
সিনেমার শুটিং প্রসঙ্গে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির নবনির্বাচিত সভাপতি সোহানুর রহমান সোহান বলেন, ‘সরকারি নিয়ম মেনে কেউ যদি শুটিং করতে চান তাহলে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। তবে এখন শুটিং না করাই ভালো বলে মনে করি।’
অন্যদিকে, নাটকের শুটিংয়ের বিষয়ে টিভি নাটকের পাঁচ সংগঠন এক যৌথ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, লকডাউনে সব ধরনের শুটিংয়ের কাজ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখার ব্যাপারে আন্তঃসংগঠন একমত পোষণ করলেও জরুরি প্রয়োজনে স্বল্প পরিসরে ৬টি শর্তে টিভি নাটকের শুটিং করতে পারবেন প্রযোজক, পরিচালক ও অভিনয় শিল্পীরা।
ছয়টি শর্ত হলো-
১) আন্তঃসংগঠনের দেয়া স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে কাজ করতে হবে।
২) শুটিংয়ের আগে সংশ্লিষ্ট ইউনিট প্রধান শিল্পী-কলাকুশলীদের তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ ও শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে সর্বশেষ তথ্য অবহিত থাকবেন।
৩) করোনাভাইরাসের তীব্রতার মধ্যে পরিস্থিতি বিচারে কোনো শিল্পী, কলাকুশলীকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শুটিংয়ে অংশগ্রহণ করার ব্যাপারে জোর করা যাবে না। এই পরিস্থিতিতে যেকোনো শিল্পী সঙ্গত কারণ দেখিয়ে চুক্তিবদ্ধ কাজ থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করতে পারবেন।
৪) ঢাকা শহর অথবা ঢাকার বাইরে শুটিংয়ের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ইউনিট যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকল শিল্পী-কলাকুশলীদের আনা-নেয়ার জন্য পর্যাপ্ত গাড়ির ব্যবস্থা করবেন।
৫) সদস্যবৃন্দের যেকোনো পরিস্থিতি এড়াতে নিজ নিজ সংগঠনে পরিচয়পত্র সাথে রাখবেন।
৬) যেহেতু প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ আছে, অতিব জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হওয়া যাবে না। তাই জরুরি প্রয়োজনে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কর্তৃক প্রদত্ত মুভমেন্ট পাস নিয়ে বের হবেন।
এর আগে গত বছরের লকডাউনে প্রায় ছয় মাস সিনেমা হলের পাশাপাশি সব ধরনের শুটিং বন্ধ রাখারও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। এর ফলে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন বিনোদন জগতের সঙ্গে সম্পৃক্ত স্বল্প আয়ের মানুষরা, বিশেষ করে যারা দৈনিক মজুরিতে কাজ করেন। বিরাট ক্ষতির মুখে পড়েছিলেন পরিচালক-প্রযোজকরাও। সেই দিক বিবেচনায় এবার শুটিংয়ের বিষয়ে কিছুটা নমনীয় পরিচালক ও শিল্পী নেতারা।