a
ফাইল ছবি
সৌদি আরবের সঙ্গে আবারও ইরানের অর্থনৈতিক সম্পর্কের সূচনা হয়েছে। ৩৯ হাজার ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানির মধ্য দিয়ে এই সম্পর্ক আবারও শুরু করেছে দুই দেশ।
তথ্যটি জানিয়েছেন ইরানের জাতীয় শুল্ক বিভাগের মুখপাত্র রুহুল্লাহ লাতিফি। তার মতে, রপ্তানির অংকটা খুব ছোট হলেও এটি একটি শুভ সূচনা। খবর-পার্সটুডের।
ইরানের আইআরআইবি বার্তা সংস্থার সঙ্গে সাক্ষাৎকারে লাতিফি আরও বলেন, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ইরানি পণ্য সৌদি আরব গেছে। এটা একটা ভালো খবর। দুই দেশের মধ্যে যখন সম্পর্কের বিষয়ে আলোচনা চলছে তখনি এই ঘটনা ঘটেছে।
ইরান থেকে টাইলস ও স্পেরিক্যাল গ্লাস সৌদি আরবে রপ্তানি করা হয়েছে। এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে কাস্টমসের মুখপাত্র বলেন, ৩৩ হাজার ডলারের স্পেরিক্যাল গ্লাস বা কাঁচ এবং ৬ হাজার ডলারের টাইলস রপ্তানি হয়েছে। স্পেরিক্যাল গ্লাস ট্রাফিক সাইনে ব্যবহার করা হয়।
এই মুখপাত্র আরও বলেন, প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রায়িসির আমলে সৌদি আরবের সঙ্গে রাজনৈতিক, কূটনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কও স্বাভাবিক হবে বলে জানান তিনি।
সংগৃহীত ছবি
আমেরিকাকে মোকাবেলা করতে এবার শব্দের চেয়ে পাঁচগুণ বেশি গতিসম্পন্ন ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির ঘোষণা দিয়েছে রাশিয়া। দেশটির বক্তব্য আমেরিকা ও ন্যাটো জোট তাদের সঙ্গে সামরিক ভারসাম্য নষ্ট করছে। ফলে তাদের প্রতিহত করতেই নতুন এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ মঙ্গলবার (২০ জুলাই) ক্রেমলিনে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, সমরাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক চুক্তিগুলো গত কয়েক দশকে ক্রমান্বয়ে অকার্যকর হয়ে পড়েছে।
তিনি এক্ষেত্রে উদাহরণ হিসেবে অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক মিসাইল ট্রিটি বা এবিএম চুক্তি থেকে আমেরিকার বেরিয়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ করেন। ১৯৭২ সালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে ওই চুক্তি সই করেছিল ওয়াশিংটন।
পেসকভ বলেন, আমেরিকা ও ন্যাটো জোট সুনির্দিষ্টভাবে এমন কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে যার ফলে রাশিয়ার সঙ্গে তাদের সামরিক ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে। তারা রাশিয়ার সীমান্তের কাছে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করছে। এসব ব্যবস্থা দিয়ে প্রয়োজনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো সম্ভব।
ক্রেমলিনের মুখপাত্র বলেন, পাশ্চাত্যের এসব পদক্ষেপের জবাব দিয়ে রাশিয়ার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সামরিক ভারসাম্য রক্ষা করার জন্য যা কিছু করার প্রয়োজন ছিল মস্কো তা করেছে। সূত্র: পার্সটুডে/আল-জাজিরা
ফাইল ছবি
জাতীয় পার্টির মহাসচিব, সাবেক মন্ত্রী ও ডাকসুর সাবেক জিএস জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু মারা গেছেন।
শনিবার (২ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে রাজধানীর শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালের চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা গেছেন বলে জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মনিরুল ইসলাম মিলন।
তিনি জানান, ‘চিকিৎসকরা তাকে ক্লিনিক্যালি ডেড ঘোষণা করেছেন। পরিবার ও দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করছে না এখনও তার মরদেহ এখন হাসপাতালেই রাখা আছে। জাতীয় পার্টির জ্যেষ্ঠ নেতারা কিছুক্ষণের মধ্যেই বৈঠকে বসবেন। এরপর তারা জানাজা ও দাফনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।’
সাবেক সেনাশাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শাসনামলে শিক্ষা উপমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে আসা বাবুল দুই দফায় জাতীয় পার্টির মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেছেন। এর আগে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলেন সাবেক এই মন্ত্রী।