a পরমাণু স্থাপনায় হামলাকে যুদ্ধাপরাধ বলল ইরান
ঢাকা শনিবার, ১৫ ভাদ্র ১৪৩২, ৩০ আগষ্ট, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

পরমাণু স্থাপনায় হামলাকে যুদ্ধাপরাধ বলল ইরান


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২১, ০৯:৫৪
পরমাণু স্থাপনায় হামলাকে যুদ্ধাপরাধ বলল ইরান

ফাইল ছবি

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ বলেছেন, ইরানের নাতাঞ্জ পরমাণু স্থাপনায় অন্তর্ঘাতমূলক হামলা যুদ্ধাপরাধের শামিল। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেছেন, এই হামলায় আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা বা আইএইএ’র তত্ত্বাবধানে থাকা একটি স্থাপনাকে টার্গেট করা হয়েছে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সোমবার জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসকে লেখা এক চিঠিতে এ মন্তব্য করেন। জারিফ কয়েকটি টুইটার বার্তায় ওই চিঠির মূল বিষয়বস্তু উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, আইএইএ’র তত্ত্বাবধানে থাকা পরমাণু স্থাপনাটিতে হামলার ফলে সেখান থেকে পারমাণবিক নিঃসরণ ছড়িয়ে পড়তে পারত যা পরমাণু সন্ত্রাসবাদ ও যুদ্ধাপরাধের শামিল।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমেরিকা যদি এই অর্থহীন জুয়া খেলার ক্ষতিকর প্রভাব ঠেকাতে চায় তাহলে তাকে অবিলম্বে তেহরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে পরমাণু সমঝোতায় ফিরে আসতে হবে। 

গুতেরেসকে লেখা চিঠিতে জারিফ আরও বলেন, আমেরিকা কার্যকরভাবে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করলে ইরানও তার প্রতিশ্রুতিতে ফিরে যাবে। তা না হলে নাতাঞ্জে যে হামলা হয়েছে তার জের ধরে ইরান তার পরমাণু কর্মসূচির গতি বহুগুণে বাড়িয়ে দেবে।

রবিবার সকালে ইরানের নাতাঞ্জ পরমাণু স্থাপনার বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় সমস্যা দেখা দেয়। ইরানের আণবিক শক্তি সংস্থার প্রধান আলী আকবর সালেহি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, তার দেশের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ব্যবস্থায় যে হামলা হয়েছে তা থেকে বোঝা যায় পরমাণু শিল্পে ইরানের সাফল্য অনেকের নিকট ভাল লাগছে না।

ইতিপূর্বে নাতাঞ্জ পরমাণু স্থাপনায় আমেরিকা ও ইসরায়েল যৌথভাবে সাইবার হামলা চালিয়েছিল।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ইসরাইলের আকাশে হিজবুল্লাহর সামরিক ড্রোনের সাফল্য


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ১৯ ফেরুয়ারী, ২০২২, ১১:৪৯
ইসরাইলের আকাশে হিজবুল্লাহর সামরিক ড্রোনের সাফল্য

ফাইল ছবি

ইসরাইলের আকাশের ওপর টানা ৪০ মিনিট অবস্থানের পর লেবাননে অক্ষত অবস্থায় ফিরে এসেছে হিজবুল্লাহর পাঠানো ড্রোন। লেবাননের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন-হিজবুল্লাহ শুক্রবার এ দাবি করেছে। খবর আনাদোলুর।

লেবাননের আল-মানার টিভি চ্যানেলে প্রচার হিজবুল্লার এক বিবৃতিতে বলা হয়, প্রায় পৌনে ১ ঘণ্টা ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলে আকাশে সফলভাবে নজরদারির পর অক্ষত অবস্থায় ড্রোন নিরাপদে লেবাননের আকাশে ফিরে আসে।

ইসরাইলের সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, শুক্রবার ভোরে লেবাননের আকাশ থেকে একটি ড্রোন তাদের আকাশ সীমায় প্রবেশ করে। তারা এটাকে শনাক্ত করার পর গুলি করে ভূপাতিত করার আগেই তা লেবাননে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

ইসরাইলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র অ্যাভিচে আদ্রায়ি বলেছেন, লেবানন থেকে আসা ড্রোনটি শনাক্ত করার পর ইসরাইলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আয়রন ডোম থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে  ধংস করতে কিন্তু তা ব্যর্থ হয়।

এদিকে, হিজবুল্লাহ সামরিক দিক থেকে এটাকে তাদের বিরাট এক সাফল্য হিসেবে মনে করছে। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

সুরা ইখলাস পাঠের ৭ পুরস্কার: মুফতি ইবরাহিম সুলতান


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বৃহস্পতিবার, ০৫ ডিসেম্বর, ২০২৪, ০৭:৩৮
সুরা ইখলাস পাঠের ৭ পুরস্কার মুফতি ইবরাহিম সুলতান

ফাইল ছবি

 

নিউজ ডেস্ক: পবিত্র কোরআনের ১১২ নম্বর সুরা ইখলাস। এটি ইসলামের প্রাথমিক সময়ে অবতীর্ণ হয়েছে। এই সুরার মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে, শিরক থেকে মুক্ত হয়ে তাওহিদ তথা একত্ববাদে বিশ্বাসী হওয়া। আর এই মর্মার্থের ভিত্তিতেই সুরাটির নাম করা হয় ‘ইখলাস’।

কোরআন মাজিদের গুরুত্বপূর্ণ এই সুরা পাঠ করলে তিলাওয়াতকারীর জন্য রয়েছে বেশ কিছু পুরস্কারও। নিম্নে এর কয়েকটি উল্লেখ করা হলো—
 
জান্নাতে বিশেষ প্রাসাদ নির্মাণঃ
মুআজ ইবনে আনাস জুহানি (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি সুরা ইখলাস ১০ বার পড়বে আল্লাহ তাআলা তার জন্য জান্নাতে একটি প্রাসাদ নির্মাণ করবেন। এ কথা শুনে উমর ইবনে খাত্তাব (রা.) বলেন, তাহলে তো আমরা অনেক প্রাসাদের অধিকারী হয়ে যাব (অর্থাৎ অধিক হারে এই সুরা পাঠ করব। ফলে আল্লাহ আমাদের অনেক প্রাসাদ দান করবেন)।

রাসুল (সা.) বললেন, আল্লাহ তাআলার দান আরো প্রশস্ত, আরো উৎকৃষ্ট। (মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ১৫৬১০)

কোরআনের এক-তৃতীয়াংশ সওয়াবের পুরস্কারঃ
একাধিক হাদিস শরিফে এসেছে, সুরা ইখলাস কোরআন মাজিদের তিন ভাগের এক ভাগের সমান মর্যাদা রাখে। যে ব্যক্তি একবার এই সুরা তিলাওয়াত করবে সে কোরআন মাজিদের এক-তৃতীয়াংশের সওয়াব লাভ করবে। আবু সাঈদ খুদরি (রা.) বলেন, এক ব্যক্তি অন্য ব্যক্তিকে রাতে বারবার সুরা ইখলাস পড়তে শুনেছেন।
অতঃপর সকালে নবী (সা.)-কে এ বিষয়টি অবহিত করা হয়। তখন নবী (সা.) বলেন, ওই সত্তার শপথ! যার কুদরতি হাতে আমার জীবন, অবশ্যই এ সুরা কোরআন মাজিদের এক-তৃতীয়াংশের সমান। (বুখারি, হাদিস : ৫০১৩)

আল্লাহর ভালোবাসা লাভঃ
মুমিনের জীবনের সবচেয়ে বড় আরাধনা আল্লাহ তাআলার নৈকট্য ও ভালোবাসা অর্জন করা। যারা সুরা ইখলাস বেশি বেশি পাঠ করবে তারা আল্লাহর নৈকট্য ও ভালোবাসা অর্জন করতে পারবে। আয়েশা (রা.) বলেন, একবার রাসুল (সা.) কিছু সাহাবিকে যুদ্ধে পাঠালেন। তাদের একজনকে সেনাপতি নিযুক্ত করলেন। তিনি যুদ্ধকালীন দীর্ঘ সময়ে শুধু সুরা ইখলাস দিয়ে নামাজ পড়িয়েছেন। যুদ্ধ থেকে ফেরার পর সাহাবিরা নবী (সা.)-কে বিষয়টি জানান। তখন নবী (সা.) তাদের বলেন, তোমরা তাকে জিজ্ঞেস করো—কেন সে এরূপ করেছে? সাহাবিরা জিজ্ঞেস করলে সেনাপতি জবাব দিলেন, এ সুরায় আল্লাহর গুণাবলি বর্ণিত হয়েছে। তাই আমি এ সুরাকে ভালোবাসি। নবী (সা.) তখন সাহাবিদের বলেন, তোমরা তাকে বলো, আল্লাহও তাকে ভালোবাসেন। (বুখারি, হাদিস : ৭৩৭৫)
 
সুরা ইখলাস পাঠে ক্ষমার ঘোষণাঃ
আবুল হাসান মুহাজির (রহ.) বলেন, জনৈক সাহাবি বর্ণনা করেছেন, তিনি নবীজির সঙ্গে এক সফরে ছিলেন। (একদিন তাঁর কাছে এমনভাবে বসা ছিলেন যে) তার হাঁটু দুটি নবীজির হাঁটুদ্বয়ের সঙ্গে লেগে ছিল। এ অবস্থায় এক লোককে শুনলেন, সুরা কাফিরুন তিলাওয়াত করছে। তা শুনে নবী (সা.) বললেন, সে শিরক থেকে পবিত্র হয়ে গেছে। আরেক লোককে শুনলেন, সুরা ইখলাস তিলাওয়াত করছে। তখন তিনি বলেন, তাকে মাফ করে দেওয়া হয়েছে। (সুনানে দারেমি, হাদিস : ৪৩৬৯)

সুরা ইখলাস পাঠে জাহান্নাম থেকে মুক্তিঃ
নবীজি (সা.)-এর যুগে এক সাহাবি মসজিদে কোবায় ইমামতি করার সময় প্রতি রাকাতে আবশ্যিকভাবে সুরা ইখলাস পড়তেন। নবীজি তাকে ডেকে জানতে চাইলেন, প্রতি রাকাতে আবশ্যিকভাবে সুরা ইখলাস পড়ার কারণ কী? সাহাবি জবাব দিলেন, আমি সুরা ইখলাসকে মহব্বত করি। তার জবাব শুনে নবী (সা.) বললেন, সুরা ইখলাসের প্রতি তোমার এই মহব্বত তোমাকে জান্নাতে দাখিল করবে। (তিরমিজি, হাদিস : ২৯০১)

জান্নাত লাভের সুসংবাদঃ
আনাস ইবনে মালিক (রা.) বলেন, আমি নবীজির কাছে বসা ছিলাম। এক লোক এসে বলল, আমার এক ভাই এই সুরা (সুরা ইখলাস) পড়তে ভালোবাসে। নবী করিম (সা.) বলেন, ‘তোমার ভাইকে জান্নাতের সুসংবাদ দাও।’ (আলকামেল, ইবনে আদি : ২/৩৯০)

জানাজায় ফেরেশতার আগমনঃ
মুআবিয়া ইবনে মুআবিয়া (রা.) ইন্তেকাল করলে ৭০ হাজার ফেরেশতাসহ জিবরিল (আ.) নবীজির কাছে আগমন করেন। নবী (সা.) জিবরিল (আ.) ও এই সব ফেরেশতাকে নিয়ে তার জানাজায় শরিক হন। নামাজ শেষ হলে নবীজি জিজ্ঞেস করলেন, হে জিবরিল! কোন আমলের মাধ্যমে মুআবিয়া ইবনে মুআবিয়া মুজানি এই উচ্চ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত হয়েছে?

জিবরিল (আ.) জবাবে বলেছেন, এই মর্যাদা লাভের কারণ হলো, সে দাঁড়িয়ে, বসে, হেঁটে হেঁটে, সওয়ারিতে তথা সর্বাবস্থায় সুরা ইখলাস তিলাওয়াত করত। (মুজামে কাবির : ৮/১১৬)

আল্লাহ আমাদের বেশি বেশি সুরা ইখলাস পাঠের তৌফিক দান করুন। আমিন

 

সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক