a
ফাইল ছবি
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিনন্দন পত্রের জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনকে ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। গত বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেনকে লেখা এক পত্রে তিনি এ ধন্যবাদ জানান।
মমতা পত্রে উল্লেখ করেন, পশ্চিমবঙ্গের জনগণ উন্নয়ন, শান্তি, ঐক্য ও সংহতি বজায় রাখা এবং শক্তিশালী করার পক্ষে রায় দেন।বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গ ভৌগোলিকভাবে বন্ধুত্ব, ভ্রাতৃত্ব, একই সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের বন্ধনে আবদ্ধ। ভবিষ্যতে এ আবেগ ও অনুভূতির সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
পশ্চিমবঙ্গকে অন্য উচ্চতায় নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে মমতা বলেন, আপনাদের শুভ কামনা এ যাত্রায় সহায়ক হবে। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে জয় পেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। টানা তৃতীয়বারের মতো মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
ফাইল ছবি
দোনেৎস্ক বিমানবন্দরে একটি মপ-আপ অপারেশন সম্পন্নের পর সেখানে থাকা ইউক্রেনীয় সেনাদের এম ৪ হাইওয়ের পেছনে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন দোনেৎস্ক পিপলস মিলিশিয়ার কর্নেল আর্টিওম জোগা।
সোমবার স্পার্টা পুনরুদ্ধার ব্যাটালিয়নের কমান্ডার তার টেলিগ্রাম চ্যানেলে এ তথ্য দেন। খবর তাস নিউজের।
তিনি বলেন, এর আগে সামরিক সংবাদদাতা সেমিয়ন পেগভ রিপোর্ট করেছেন যে, দোনেৎস্ক বিমানবন্দরের অঞ্চল শত্রু সেনা থেকে সম্পূর্ণরূপে মুক্ত করা হয়েছে। আমি তার কথাগুলো নিশ্চিত করছি এবং দোনেৎস্ক বিমানবন্দরে শত্রুর শেষ শক্ত ঘাঁটি ধ্বংস করার ভিডিও ফুটেজ আপলোড করছি।
জোগা বলেন, বিমানবন্দরের সব বিল্ডিং ২০১৫ সাল থেকে ডিপিআর বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, কিন্তু ওপিটনয়ে বন্দোবস্তের এলাকায় অবস্থানগুলো খালি রয়ে গেছে। বিমানবন্দরের মোট এলাকা ১০ বর্গ কিলোমিটারের বেশি।
কর্নেল বলেন, ‘আমরা এক মাসেরও বেশি সময় আগে বিমানবন্দরের দখল নিয়েছিলাম, কিন্তু নিরাপদে থাকার জন্য শত্রু বাহিনীকে এম৪ হাইওয়ের পেছনে তাড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।’
অপারেশনগুলো আর্চেঞ্জেল মাইকেল ব্যাটালিয়নের একটি কোম্পানির সঙ্গে যৌথভাবে পরিচালিত হয়েছিল একটি পৃথক ট্যাংক ব্যাটালিয়নের ট্যাংকার এবং ২৩৮তম আর্টিলারি ব্রিগেডের আর্টিলারিম্যান, ঝোগা নির্দিষ্ট করে বলেছিলেন। স্পার্টা ব্যাটালিয়ন ২০১৪ সালে তৈরি করা হয়েছিল, তারা স্লাভিয়ানস্ক ও দোনেৎস্ক বিমানবন্দরের যুদ্ধে অংশ নিয়েছিল। সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ছবি
মিয়ানমারের বিমানঘাঁটিতে ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটেছে। দেশটির দুটি বিমানঘাঁটির একটিতে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে এবং অন্যটিতে রকেট হামলা হয়েছে বলে খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। তবে এখন পর্যন্ত এই হামলার দায় কেউ স্বীকার করেনি।
আজ বৃহস্পতিবার এধরণের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। বলা হয়েছে, সামরিক জান্তা সরকার অবৈধভাবে মিয়ানমারের ক্ষমতা দখল করার পর দীর্ঘ তিন মাস পর প্রথম এ ধরণের ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটলো। এ হামলার ঘটনা এখনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি মিয়ানমারের সামরিক সরকার।
জানা গেছে, দেশটির ম্যাগওয়ে কেন্দ্রীয় শহরের পাশে অবস্থিত মিয়ানমারের বিমানঘাঁটিতে প্রথমে পরপর তিনটি বিস্ফোরণ ঘটে। এর কিছুক্ষণ পর ম্যাগওয়ের উত্তর-পূর্বে মেকটিলায় অবস্থিত দেশটির অন্যতম প্রধান বিমানঘাঁটিতে পাঁচটি রকেট হামলা চালানো হয়।