a
ফাইল ছবি
বড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটের যাত্রীরা। মাস্কাট থেকে ঢাকার উদ্দেশে উড্ডয়ন করা ফ্লাইটটি শুক্রবার ১১টা ৪০ মিনিটে ভারতের নাগপুরে জরুরীভাবে অবতরণ করে।
ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস জানায়, মাস্কাট থেকে উড্ডয়ন করা বিমানটির পাইলট ১১টার দিকে রায়পুরের কাছাকাছি হালকা অসুস্থতা বোধ করেন। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন।
এসময় দ্রুতই পরিস্থিতির গুরুত্ব আঁচ করে সহকারী পাইলট কলকাতা এটিসির সঙ্গে যোগাযোগ করেন।
এরপর ১১টা ৪০ মিনিট নাগাদ কলকাতা এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয় ওই বিমান থেকে।
পরে নাগপুর বিমানবন্দরে জরুরিভিত্তিতে ওই বিমানটিকে অবতরণ করানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, নাগপুরেই পাইলটের প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আপাতত তার অবস্থা স্থিতিশীল।
ফ্লাইটে কতজন যাত্রী ছিলেন তা এখনো জানা যায়নি, তবে সবাই অক্ষত ও নিরাপদ আছেন।
বিমান সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার বিমানের ফ্লাইটটি ওমান যায়। সেখান থেকে স্থানীয় সময় মধ্যরাত ২টা ৩০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসার কথা থাকলেও ফ্লাইটটি ভোর সাড়ে ৬টায় ঢাকার উদ্দেশে উড্ডয়ন করে।
তবে ভারতের স্থানীয় সময় শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টায় ফ্লাইটটি ঢাকার দিকে না এসে নাগপুর বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে।
মাস্কাট থেকে বিজি-২২ ফ্লাইটের একজন যাত্রী জানান, মাস্কাট থেকে আমাদের ফ্লাইটে তোলা হয়। আমাদের মাস্কাটে ৪ ঘণ্টা অপেক্ষা করিয়ে সাড়ে ৬টায় বিমানে তোলা হয়। তবে বিমানটি পুশ ব্যাক করার সময় ইঞ্জিনে ত্রুটি ধরা পড়ে। পরে নাগপুরে এটি জরুরি অবতরণ করে।
বর্তমানে বিমানের যাত্রীরা নাগপুর বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছেন। যাত্রীদের আনতে নতুন ফ্লাইট পাঠানো হবে কিনা, এই ফ্লাইটেই আনা হবে তা নিশ্চিত করেনি বিমান কর্তৃপক্ষ।
প্রতিকী ছবি: ড্রোন
ইসরায়েল সামরিক বাহিনীর ড্রোন ইউনিটের উচ্চ পদস্থ একজন কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। নিহত ওই কর্মকর্তা তেল আবিবের দক্ষিণে অবস্থিত তেল নায়োফ বিমানঘাঁটিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে কর্মরত ছিলেন।
ইসরায়েল সেনাবাহিনীর একজন মুখপাত্র এ তথ্য জানিয়েছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহত ওই কর্মকর্তার নাম ও পদবী প্রকাশ করেনি এবং তার মৃত্যুর খবরও ধোঁয়াশে।
তিনি বলেছেন, রাহুফুত শহরের কাছে ৪৩ বছর বয়সী একজন সেনা অফিসার সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন।
বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায়, ইসরায়েলের ওই সেনা কর্মকর্তার নাম মিশেল বারশেত। তিনি তেল নায়োফ বিমানঘাঁটির ড্রোন রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামত বিভাগে পরিকল্পনা, তত্ত্বাবধান ও নির্মাণ বিষয়ক প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। অনুমান করা হয় যে, তাকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি কোনও সাধারণ সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যাননি। সূত্র:ফার্স নিউজ, বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
পরমাণু কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পশ্চিমা ৪টি দেশ আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা বা আইএইএ-তে যে প্রস্তাব পাস করেছে তার কারণে ইরান নিজের অবস্থান থেকে ১ ইঞ্চিও সরে আসবে না বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট সাইয়্যেদ ইবরাহিম রায়িসি।
আইএইএ’র বোর্ড অব গভর্নর্সের ত্রৈমাসিক বৈঠকে আমেরিকা ও তিন ইউরোপীয় দেশ ইরানবিরোধী প্রস্তাবটি ভোটাভুটিতে পাস হয়। চীন ও রাশিয়া কঠোরভাবে ওই প্রস্তাবের বিরোধিতা করলেও প্রস্তাবটিতে ভুয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে ইরানের তিনটি ‘অঘোষিত স্থানে’ কথিত ইউরেনিয়ামের সন্ধান পাওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয় এবং আইএইএ’কে পূর্ণ সহযাগিতা করার জন্য তেহরানের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
ইরানের চহারমহাল ও বখতিয়ারি প্রদেশের রাজধানী শাহরে কোর্দ সফরের সময় এক সমাবেশে প্রেসিডেন্ট রায়িসি ভাষণ দেন। সেখানে তিনি আইএইএ-তে পাস হওয়া প্রস্তাব সম্পর্কে পশ্চিমাদের উদ্দেশ করে বলেন, আপনারা গ্রিসের আদালতের রায় দেখেছেন। আপনাদের কাছে আর কতবার প্রমাণ করতে হবে যে, আমরা ন্যায়সঙ্গত উপায়েই আমাদের ন্যায্য অধিকার আদায় করে ছাড়ি?
তিনি আরো বলেন, আপনারা আর কতবার ইরানি জনগণকে পরীক্ষা করবেন? আর কতকাল আপনারা ইরানি কর্মকর্তাদের কথা কানে তুলবেন না? আপনারা কী মনে করেন যে, আইএইএ-তে প্রস্তাব পাসের কারণে আমরা আমাদের অবস্থান থেকে সরে আসব? ইরান এক পা-ও পিছিয়ে আসবে না।
সূত্র: বিডি প্রতিদিন ও প্রেস টিভি।