a
ফাইল ছবি
মার্কিন প্রতিরক্ষা অধিদপ্তর পেন্টাগনের দাবি ইউক্রেনের উত্তর সীমান্তে আরও ১ লাখ সৈন্য পাঠিয়েছে রাশিয়া। গতকাল বুধবার পেন্টাগনের মুখপাত্র জন কিরবি এমনটাই দাবি করেছেন। খবর এবিসি
তিনি জানান, বেলারুশের সাথে ইউক্রেনের সীমান্তে রাশিয়া সামরিক উপস্থিতি আরো জোরদার করছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সেনা ও সামরিক সরঞ্জামাদি পরিবহন করা হয়েছে।
এদিকে, চলমান উত্তেজনার মধ্যেই বেলারুশের সঙ্গে সামরিক মহড়া চালাতে দেশটির সীমান্তে ৩০ হাজার সেনা ও যুদ্ধবিমান পাঠিয়েছে রাশিয়া। বৃহস্পতিবার থেকে মহড়া শুরুর কথা রয়েছে বলে জানিয়েছেন জন কিরবি।
ইতিপূর্বে, ইউক্রেনে যুদ্ধ এড়ানো সম্ভব বলে দাবি করেছিলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রো। তিনি ইউক্রেনের সংকট কমাতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। তবে বৈঠক শেষে তিনি ভাল কোন খবর শুনাতে পারনেনি। তিনি বলেছিলেন, সামনে ভয়াবহ খারাপ দিন অপেক্ষা করছে।
ফাইল ফটো:
বাইডেন প্রশাসন জানান, খাদ্য সঙ্কট মোকাবিলায় তার সরকার পদক্ষেপ নিচ্ছে। কিন্তু এ পদক্ষেপ কার্যকর হতে সময় লাগবে। যুক্তরাষ্ট্রে ২০২০ সালে অনাহারে দিন কাটানো মানুষের সংখ্যা ছিল ৫ কোটির বেশি। ২০১৯ সালেই এই সংখ্যা ছিল সাড়ে ৩ কোটি।
এরই মধ্যে দেশটির বড় বড় শহরগুলোর কিছু কিছু পাড়ার বাসিন্দারা এসব অনাহার সঙ্কটের মোকাবিলা করতে অভিনব পন্থা অবলম্বন করেছেন।
পাড়ার অভুক্ত বাসিন্দাদের খাওয়াতে ও সাহায্য করতে সবাই মিলে রাস্তায় রাস্তায় বসিয়েছেন খাবারের জায়গা। পাড়ার রাস্তার ধারে রাখা হচ্ছে রঙবেরঙের ফ্রিজ। আর অভুক্ত থাকা মানুষের জন্য সেসব ফ্রিজ খাবারে পরিপূর্ণ করে রাখছেন পাড়ারই সস্ছল মানুষ।
নিউইয়র্ক, লসঅ্যাঞ্জেলস, শিকাগো, মায়ামির মতো বড় বড় শহরগুলোতে এসব উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
উদ্যোগতারা জানান, করোনা মহামারির সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ৬ জন মানুষের মধ্যে ১ জনকে অভুক্ত থাকতে হয়েছে। আর অভুক্ত সেসব মানুষকে সাহায্যের জন্যই এসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের অসহায় প্রতিবেশিদের সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছেন।
এলাকার প্রধান সড়কগুলোর পাশেই ফ্রিজগুলো স্থাপন করা হয়েছে। যাতে স্থানীয় বিত্তবানরা সহজেই সেসব ফ্রিজে খাবারসহ প্রয়োজনীয় পণ্য রাখতে পারেন। আর অভুক্ত মানুষগুলোও যাতে খুব সহজেই সেগুলো সংগ্রহ করতে পারেন। এসব ব্যবস্থা উত্তরোত্তর বেড়েই চলেছে। দিনরাত ২৪ ঘণ্টায় ফ্রিজগুলো ব্যবহার করতে পারবেন যে কেউ।
সংগৃহীত ছবি
আগামী রবিবার (১ আগস্ট) থেকে রফতানিমুখী শিল্প-কারখানা স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলা রাখার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
শুক্রবার বিকেলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপ-সচিব মো. রেজাউল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ১ আগস্ট সকাল ৬টা থেকে রফতানিমুখী সব শিল্পকারখানা বিধিনিষেধের আওতা বহির্ভূত রাখা হলো।
করোনা মহামারি রোধে ঈদের পর ২৩ জুলাই থেকে কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপ করার পর থেকেই সব শিল্প-কলকারখানা বন্ধ রাখা হয়। আগামী ৫ আগস্ট পর্যন্ত এই বিধি-নিষেধ চলাকালে শিল্প-কলকারখানা বন্ধ রাখার কথা ছিল।
তবে গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের সঙ্গে এক বৈঠকে চলমান সর্বাত্মক লকডাউনের মধ্যেই পোশাক শিল্পসহ সব ধরনের কারখানা খুলে দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে অনুরোধ জানান বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমইএ, ঢাকা চেম্বার ও এফবিসিসিআইয়ের নেতারা।