a
ফাইল ছবি
মার্কিন প্রতিরক্ষা অধিদপ্তর পেন্টাগনের দাবি ইউক্রেনের উত্তর সীমান্তে আরও ১ লাখ সৈন্য পাঠিয়েছে রাশিয়া। গতকাল বুধবার পেন্টাগনের মুখপাত্র জন কিরবি এমনটাই দাবি করেছেন। খবর এবিসি
তিনি জানান, বেলারুশের সাথে ইউক্রেনের সীমান্তে রাশিয়া সামরিক উপস্থিতি আরো জোরদার করছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সেনা ও সামরিক সরঞ্জামাদি পরিবহন করা হয়েছে।
এদিকে, চলমান উত্তেজনার মধ্যেই বেলারুশের সঙ্গে সামরিক মহড়া চালাতে দেশটির সীমান্তে ৩০ হাজার সেনা ও যুদ্ধবিমান পাঠিয়েছে রাশিয়া। বৃহস্পতিবার থেকে মহড়া শুরুর কথা রয়েছে বলে জানিয়েছেন জন কিরবি।
ইতিপূর্বে, ইউক্রেনে যুদ্ধ এড়ানো সম্ভব বলে দাবি করেছিলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রো। তিনি ইউক্রেনের সংকট কমাতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। তবে বৈঠক শেষে তিনি ভাল কোন খবর শুনাতে পারনেনি। তিনি বলেছিলেন, সামনে ভয়াবহ খারাপ দিন অপেক্ষা করছে।
ফাইল ফটো: ট্রাম্প ও বাইডেন
ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সিনিয়র কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল শেকারচি বলেছেন, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পরিবর্তন হলেও তাদের সর্বগ্রাসী নীতির কোনও পরিবর্তন হয়নি।
তিনি আরও বলেন, মার্কিন সেনাদের একদিন মধ্যপ্রাচ্য থেকে লেজ গুটিয়ে পালাতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন তিনি।
ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সংস্কৃতি ও প্রচারণা বিভাগের উপ প্রধান জেনারেল শেকারচি বুধবার তেহরানে এক সামরিক অনুষ্ঠানে এসব মন্তব্য করেন। জো বাইডেন আমেরিকার ক্ষমতা গ্রহণ করার পর ওয়াশিংটনের মধ্যপ্রাচ্য নীতির প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি মন্তব্য করেন, আমাদের দৃষ্টিতে ট্রাম্প ও বাইডেনের মধ্যে নীতিগত কোনও পার্থক্য নেই। মার্কিন সরকার একটি সাম্রাজ্যবাদী, আধিপত্যকামী, জালিম ও লুটেরা সরকার।
তিনি বলেন, ট্রাম্প আমেরিকার সাম্রাজ্যবাদী নীতি প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়ে বাস্তবায়ন করেছিল আর বাইডেন একই নীতি বাস্তবায়ন করছে ধূর্ত কৌশল অবলম্বন করে। কাজেই আমাদেরকে আমেরিকার প্রতিটি আচরণ সম্পর্কে সজাগ থাকতে হবে।
জেনারেল শেকারচি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার হস্তক্ষেপকামী নীতির মোকাবিলায় আমাদের অবস্থান হচ্ছে, তাদেরকে অবশ্যই এ অঞ্চল ছাড়তে হবে। আর আমরা এই নীতি-অবস্থান থেকে কখনওই পিছু পা হবো না।
ফাইল ছবি: রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের
আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্য। সেই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বিশ্বের অধিকাংশ নেতাকে।
তবে তিনটি দেশের কোনো প্রতিনিধিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে। আমন্ত্রণ না পাওয়া তিন দেশ হলো— রাশিয়া, বেলারুশ ও মিয়ানমার।
সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের দেশ ইউক্রেনে হামলা কেন্দ্র করে ব্রিটেন ও এর পশ্চিমা মিত্ররা বিশ্বমঞ্চে রাশিয়া এবং তার মিত্র বেলারুশকে বিচ্ছিন্ন করতে চাইছে। এ জন্য রাশিয়ার বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ছাড়াও বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে পশ্চিমা দেশগুলো। মিয়ানমারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর নৃশংসতা চালিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী। এ ছাড়া নির্বাচিত সু চি সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করায় মিয়ানমারের জান্তা সরকারের কর্মকর্তাদের ওপর ব্রিটেন নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে।
বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানা যায়, লন্ডনে রানির শেষকৃত্যে ৫০০ জনের বেশি বিদেশি অতিথি উপস্থিত থাকবেন। ইতোমধ্যে বিশ্বের অধিকাংশ দেশের রাষ্ট্রপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ব্রিটেনের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে, এমন সব দেশের নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও তার স্ত্রী ফার্স্টলেডি জিল বাইডেন এবং কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীরা রানির শেষকৃত্যে নিজেদের উপস্থিতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গত বৃহস্পতিবার স্কটল্যান্ডের বালমোরাল প্রাসাদে মারা যান রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ। তার বয়স হয়েছিল ৯৬ বছর। সূত্র: যুগান্তর