a
ছবি: রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন
এবার পশ্চিমাদের কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি বলেছেন, প্রয়োজনে রাশিয়াও পশ্চিমাদের আক্রমণ করার জন্যে বা তাদের দৌড়ের উপর রাখতে পশ্চিমাবিরোধী বিভিন্ন দেশকে অস্ত্র সরবরাহ করবে বলে জানান।
ইউক্রেনকে যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপীয় দেশগুলোর অস্ত্র সরবরাহের ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়েছেন পুতিন। সাম্প্রতিক সময়ে নিজেদের অস্ত্র ব্যবহার করে ইউক্রেনকে রাশিয়ার অভ্যন্তরে হামলা চালানো অনুমতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রসহ বেশ কয়েকটি পশ্চিমা দেশ।
পশ্চিমাদের এমন কর্মকাণ্ড ভয়াবহ বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে বলেও হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করেছেন পুতিন।
বিদেশি সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে পুতিন বলেছেন, ‘যদি কেউ ভাবে এভাবে রণাঙ্গণে অস্ত্র সরবরাহ করে আমাদের জন্য সমস্যা সৃষ্টি করা সম্ভব, তবে কেন আমরা বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে একই ধরনের অস্ত্র সরবরাহ করার অধিকার রাখবো না, যা দিয়ে পশ্চিমাদের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থাপনায় হামলা করা যাবে।’
তবে মস্কো কোন কোন দেশকে অস্ত্র সরবরাহ করবে সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছুই জানাননি পুতিন। সূত্র: বিবিসি
হিজবুল্লাহ্ নেতা নাসরুল্লাহ । ফাইল ছবি
লেবাননের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহর মহাসচিব সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্লাহ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইসরায়েলের লাইফটাইম শেষ হয়ে এসেছে এবং কিছু সুনির্দিষ্ট আরব দেশের সাথে সম্পর্ক করে নিজেদের ধ্বংস ঠেকিয়ে রাখতে পারবেনা।
গতকাল বুধবার আল-মানার টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক ভাষণে এ হুঁশিয়ারি প্রদান করেন। হিজবুল্লাহ্ নেতা নাসরুল্লাহ বলেন, “ইসরায়েলের আয়ু খুব শিগগিরই ফুরিয়ে যাবে। এটির লাইফটাইমের আর খুব অল্প সময় বাকি আছে।”
ইসরায়েল গভীর রাজনৈতিক, সামাজিক ও নৈতিক সংকটে জর্জরিত- উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এমনকি সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ চুক্তিগুলোও ইসরায়েলি দখল দারিত্বকে রক্ষা করতে পারবে না।”
প্রতি বছর রমজান মাসের শেষ শুক্রবারের মতো আগামীকাল শুক্রবার পালিত হতে যাচ্ছে বিশ্ব কুদস দিবস। ইসরায়েলের দখলদারিত্ব থেকে মুসলমানদের প্রথম ক্বিবলা আল-কুদসসহ গোটা ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড মুক্ত করার প্রত্যয় নিয়ে ইরানের স্থপতি ইমাম খোমেনেী এ দিবস পালনের ডাক দিয়েছিলেন।
কুদস দিবসকে সামনে রেখে দেওয়া ভাষণে হিজবুল্লাহ নেতা আরও বলেন, তার প্রতিরোধ আন্দোলন ফিলিস্তিন মুক্ত করার সংকল্পে অটল রয়েছে। পাশাপাশি তিনি বলেন, ইসরায়েলের কবল থেকে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড মুক্ত করার কাজে এগিয়ে আসার জন্য সারা মুসলিম উম্মাহর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।
ফাইল ছবি: সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান
সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান বলেছেন তিনি ইসরায়েল-হামাসের আকস্মিক হামলার পর চলমান সংঘাতের ‘বিস্তার’ রোধে কাজ করছেন। ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের সঙ্গে ফোনালাপে এ কথা বলেন তিনি। সৌদি যুবরাজ চলমান সংকটে ফিলিস্তিনিদের পাশে থাকারও আশ্বাস দেন।
মোহাম্মদ বিন সালমান ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্টকে বলেন, সৌদি আরব ফিলিস্তিনি জনগণের শান্তিপূর্ণ জীবনের বৈধ অধিকার, তাদের আশা ও আকাঙ্খা এবং ন্যায্য ও স্থায়ী শান্তি অর্জনের জন্য তাদের পাশে থাকবে।
এর আগেই ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার যে আয়োজন চলছিল তা'র ইতি টেনেছে সৌদি আরব। ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন সংঘাত শুরু হওয়ার পর এমন সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে দেশটির সরকার। এ সিদ্ধান্তের কথা যুক্তরাষ্ট্রকেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে জানা যায়।
গত মাসে ফক্স নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান জানান, উপসাগরের অন্যান্য দেশের উদাহরণ অনুসরণ করে এবং সৌদি-ইসরাইল চুক্তির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ‘বড় ধরনের চাপের’ মধ্যে তার দেশ ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ব্যাপারে আরও কাছাকাছি চলে এসেছে। সূত্র: এনডিটিভি