a
ছবি: রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন
এবার পশ্চিমাদের কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি বলেছেন, প্রয়োজনে রাশিয়াও পশ্চিমাদের আক্রমণ করার জন্যে বা তাদের দৌড়ের উপর রাখতে পশ্চিমাবিরোধী বিভিন্ন দেশকে অস্ত্র সরবরাহ করবে বলে জানান।
ইউক্রেনকে যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপীয় দেশগুলোর অস্ত্র সরবরাহের ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়েছেন পুতিন। সাম্প্রতিক সময়ে নিজেদের অস্ত্র ব্যবহার করে ইউক্রেনকে রাশিয়ার অভ্যন্তরে হামলা চালানো অনুমতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রসহ বেশ কয়েকটি পশ্চিমা দেশ।
পশ্চিমাদের এমন কর্মকাণ্ড ভয়াবহ বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে বলেও হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করেছেন পুতিন।
বিদেশি সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে পুতিন বলেছেন, ‘যদি কেউ ভাবে এভাবে রণাঙ্গণে অস্ত্র সরবরাহ করে আমাদের জন্য সমস্যা সৃষ্টি করা সম্ভব, তবে কেন আমরা বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে একই ধরনের অস্ত্র সরবরাহ করার অধিকার রাখবো না, যা দিয়ে পশ্চিমাদের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থাপনায় হামলা করা যাবে।’
তবে মস্কো কোন কোন দেশকে অস্ত্র সরবরাহ করবে সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছুই জানাননি পুতিন। সূত্র: বিবিসি
ফাইল ছবি
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় সাম্প্রতিককালে সহিংসতায় ১৯টি পরিবারের বিরুদ্ধে গণহত্যা চালিয়েছে ইসরায়েল। রবিবার (৩০ মে) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। খবর বার্তা সংস্থা আনাদোলু
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই গণহত্যায় ৯১ জন নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৪১ জন শিশু ও ২৫ জন নারী। এ ছাড়া আটজন শিশু ও ৬ নারীসহ আল-কওলাক পরিবারের ২১ সদস্যকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, আবু আউফ পরিবার এক শিশু ও ৫ নারীসহ তাদের নয় জন সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে। আল-তানানী পরিবারে এক নারী ও চার শিশুসহ নিহতের সংখ্যা ৬ জন। সবাই নিজ বাড়িতে ইসরায়েলের নির্মম বোমার আঘাতে নিহত হয়েছেন।
করোনার সংক্রমণ রোধ করতে ১৪ এপ্রিল (বুধবার) থেকে সারাদেশে এক সপ্তাহের সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। এ সময় সব সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও কিছু প্রতিষ্ঠান এবং সেই প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্মচারিরা লকডাউনের আওতার বাইরে থাকবে।
সোমবার (১২ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
আরো পড়ুন: সকল সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা
এ বিষয়ে জারিকৃত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এবং জরুরি পরিষেবা, যেমন- কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বহির্ভূত থাকবে |
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, লকডাউনের সময় সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে। তবে পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না।
এছাড়াও প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, এসব জরুরি সেবা ছাড়া এ সময়ে সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে ২১ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত এ লকডাউন চলবে।