a
ফাইল ছবি
যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগে এনেছে রাশিয়া। তারা দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনে সামরিক জৈব কর্মসূচিতে অর্থ যোগান দিয়েছে। রাশিয়া আরও অভিযোগ করেছে— ইউক্রেনে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থিত জৈব সামরিক কর্মসূচিতে অ্যানথ্রাক্স, প্লেগের রোগের মতো জীবানু রয়েছে।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক দপ্তর পেন্টাগন, রাশিয়ার এসব অভিযোগ ‘হাস্যকর’ হিসেবে মন্তব্য করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক এই অভিযোগ তুলে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাকারোভা বলেছেন, ইউক্রেনে তারা জৈব কর্মসূচি গ্রহণের যথেষ্ট প্রমাণ পেয়েছেন। রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই মুখপাত্র আরও অভিযোগ করেন, ২৪ ফেব্রুয়ারি তাদের সশস্ত্র বাহিনী অভিযান শুরুর পর ইউক্রেনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্লেগ, কলেরা, অ্যানথ্রাক্সের জীবাণু ধ্বংসের নির্দেশ দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের মতো ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের একজন মুখপাত্র রাশিয়ার এসব অভিযোগ প্রত্যাখান করেছেন। সূত্র: দ্যা গার্ডিয়ান
সংগৃহীত ছবি
সিরিয়ার গোলান মালভূমির ওপর ইসরায়েলের কথিত ‘সার্বভৌম অধিকার’ নিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন যে বক্তব্য দিয়েছেন তা তীব্র ভাষায় প্রত্যাখ্যান করেছে দামেস্ক। সিরিয়া বলেছে, ইসরায়েল-অধিকৃত গোলান মালভূমি সিরিয়ার অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল এবং ভবিষ্যতেও সিরিয়ারই থাকবে।
সিরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বুধবার এক বিবৃতিতে বলেছে, “অধিকৃত গোলান মালভূমি নিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করছে আরব প্রজাতন্ত্র সিরিয়া। ইসরায়েলি আগ্রাসন ও দখলদারিত্বের প্রতি আমেরিকার নিরবচ্ছিন্ন সমর্থনের ধারাবাহিকতায় ব্লিঙ্কেন ওই বক্তব্য দিয়েছেন যা নিন্দনীয়।”
ব্লিঙ্কেন সম্প্রতি মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের পররাষ্ট্র বিষয়ক কমিটির এক শুনানিতে ব্লিঙ্কেনকে প্রশ্ন করা হয়, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন গোলান মালভূমির ওপর ইসরায়েলের ‘সার্বভৌম অধিকার’কে স্বীকৃতি দেয় কিনা।
উত্তরে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “বৈধতার প্রশ্ন বাদ দিলে গোলান মালভূমির ওপর বর্তমানে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। যতদিন পর্যন্ত সিরিয়া সীমান্তের ওপার থেকে ইসরায়েলের জন্য হুমকি বন্ধ না হচ্ছে ততদিন পর্যন্ত পরিস্থিতি এখন যেমন আছে তেমনই থাকবে। আপাতত হুমকি বন্ধ হওয়ার কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।”
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০১৯ সালে সিরিয়ার কাছ থেকে দখলিকৃত গোলান মালভূমির ওপর ইসরায়েলের ‘সার্বভৌমত্বকে’ স্বীকৃতি দিলেও জাতিসংঘ বা আন্তর্জাতিক সমাজ ইসরায়েলের এই দখলদারিত্বকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে মেনে নেয়নি বা কেউ স্বীকৃতি দেয়নি।
ব্লিঙ্কেনের বক্তব্যের জবাবে সিরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, ইসরায়েল মধ্যপ্রাচ্যসহ গোটা বিশ্বের জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে আছে।
ফাইল ছবি
জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপারদের (এসপি) সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের বৈঠকে হইচইয়ের ঘটনাকে সামান্য ভুল বোঝাবুঝি বলার চেষ্টা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।
মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. আহসান হাবিব খান, বেগম রাশেদা সুলতানা ও মো. আলমগীর সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তবে নির্বাচন কমিশনার মো. আনিছুর রহমান আজও নির্বাচন ভবনে যাননি।
এ বিষয়ে তিনি বলেন, হয়ত সামান্য একটু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। এটা নিয়ে এত চিন্তা-ভাবনার কোনো কারণ নাই। এটা নিয়ে মন্তব্য করতে চাইনা।
জেলা পরিষদ, গাইবান্ধা-৫ উপনির্বাচন ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাঠের পরিস্থিতি জানতে ডিসি এবং এসপিদের নিয়ে গত শনিবার বৈঠক করে নির্বাচন কমিশন। ওই বৈঠকে নির্বাচন কমিশনার মো. আনিছুর রহমানের বক্তব্যের একপর্যায়ে হইচই করেন ডিসি-এসপিরা। একপর্যায়ে কমিশনার তার বক্তব্য বন্ধ করে নিজ চেয়ারে গিয়ে বসেন।
এ ঘটনার দুইদিন পর সোমবার সিইসি তার প্রতিক্রিয়া জানান। এ বিষয়ে তিনি বলেন, এগুলো নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে, অনেক কিছু হয়েছে। এগুলো নিয়ে খামাখা এত কথা বলার প্রয়োজন নাই। আপনারা (সাংবাদিক) আগামীর দিকে তাকান। ওখানে কিছু হয় নাই। হয়ত সামান্য একটু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। এটা নিয়ে এত চিন্তা-ভাবনার কোনো কারণ নাই। এটা নিয়ে মন্তব্য করতে চাচ্ছি না। এটা নিয়ে আপনারাও মাথা ঘামাবেন না। আমরাও মাথা ঘামাতে চাইনা। সূত্র: যুগান্তর