a
ফাইল ছবি
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ পূর্বনির্ধারিত সফরে বেরিয়ে থাপ্পড় খেয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে তার গালে চড় খাওয়ার দৃশ্য দেখা গেছে বলে বিবিসি মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করেন।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ম্যাঁক্রো দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে এক শহরে পূর্বনির্ধারিত সফরে যান। প্রেসিডেন্ট ব্যারিকেডের বাইরে থাকা জনতার সঙ্গে হাত মেলাতে গেলে পাশে থাকা সবুজ টি-শার্ট পরা এক ব্যক্তি তার গালে থাপ্পড় মারেন বলে ভিডিওতে দেখা যায়।
ম্যাক্রোঁকে থাপ্পড় মারার ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এই ঘটনার আগে করোনার পর মানুষ কীভাবে স্বাভাবিক জীবনে ফিরছে তা জানতে রেস্টুরেন্ট কর্মী ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন মাক্রোঁ।
ফাইল ছবি । নরেন্দ্র মোদি
মহারাষ্ট্রের এক চা বিক্রেতা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দাড়ি কাটার জন্য ১০০ রুপি মানি অর্ডার করে পাঠিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, যদি প্রধানমন্ত্রী কিছু বাড়াতেই চান তাহলে দাড়ি নয়, দেশে কাজের সুযোগ বৃদ্ধি করুন। করোনা টিকার সংখ্যা বাড়ান।
ওই চা বিক্রেতা মহারাষ্ট্রের বারামাটির বাসিন্দা। তারা নাম অনিল মোরে। ইন্দ্রপুর রোডে এক বেসরকারি হাসপাতালের উল্টো দিকে ছোটখাটো একটি চায়ের দোকান চালান তিনি। এ বিষয়ে অনিল বারবার জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীকে অসম্মান করার কোনও অভিপ্রায় থেকে এই কাজ করেননি।
অনিল বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নিজের দাড়ি বাড়াচ্ছেন। যদি কিছু বাড়াতেই হয় তাহলে সেটা হওয়া উচিত দেশের কর্মসংস্থান। পাশাপাশি দেশে টিকাকরণের গতি বাড়ানো হোক। বাড়ানো হোক হাসপাতালের সংখ্যা। গত দুটি লকডাউনের ফলে সাধারণ মানুষকে যে দুর্দশার মধ্যে পড়তে হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর উচিত যাতে মানুষ এটা থেকে বেরিয়ে আসতে পারে সে চেষ্টা করা।”
অনিল আরো বলেন, দেশে প্রধানমন্ত্রীর স্থানই যে সর্বোচ্চ তা ভাল করেই জানেন তিনি। তার মতে, “আমি তাকে একশ’ রুপি পাঠিয়েছি, যাতে উনি নিজের দাড়িটা কেটে ফেলেন। কিন্তু উনি আমাদের মহান নেতা। প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আমার পূর্ণ শ্রদ্ধা ও আস্থা রয়েছে। তার অবমাননা করার কোনও ইচ্ছাই আমার নেই। কিন্তু যেভাবে মহামারীর কবলে পড়ে দিনের পর দিন দেশের গরিব মানুষের সমস্যা বেড়েই চলেছে, তাতে এভাবে তার দৃষ্টি আকর্ষণ করা ছাড়া উপায় ছিল না।”
উল্লেখ্য, নিজের চিঠিতে মোদির কাছে অনিলের আরো আরজি ছিল যে, যারা করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন তাদের পরিবারগুলোকে ৫ লাখ টাকা করে সাহায্য করুক কেন্দ্রীয় সরকার। সেই সঙ্গে লকডাউনে বিধ্বস্ত পরিবারগুলোকেও দেওয়া হোক ৩০ হাজার টাকা।
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
আনারুল হক নাজমুল, রিপোর্টার, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন: প্রতিপক্ষকে অস্ত্র দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ছাতিয়ান গ্রামের ৩ জন অস্ত্রসহ র্যাবের হাতে আটক হয়েছে। বুধবার দিনগত মধ্য রাতে র্যবের -১২ সিপিসি ৩ মেহেরপুরের গাংনী ক্যাম্পের এক বিশেষ অভিযানে তাদেরকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে একটি ওয়ান শুটারগান।
আটককৃতরা হচ্ছে- গাংনী উপজেলার ছাতিয়ান গ্রামের তরিকুল ইসলাম (৩০), জেনারুল ইসলাম (২৫) ও সামিম আজাদ ওরফে বাবুল (৩৮)। র্যাবের ১২ গাংনী ক্যাম্প কমান্ডার সহকারি পুলিশ সুপার এনামুল হক জানান, ছাতিয়ান গ্রামের রতন আলী নামের এক ব্যক্তির বসতবাড়ির মাটির নিচে অস্ত্র পুতে রেখে র্যাবকে গোপনে খবর দেয় আটক তিন জন। রতনকে ফাঁসাতে অস্ত্র রাখা হয়েছে বলে নিশ্চিত হয় র্যাব। রাতে অভিযান চালিয়ে রতনের বসতবাড়িতে পুতে রাখা একটি ওয়ান শুটারগানসহ তিন জনকে আটক করে র্যাব। এসময় তারা রতনকে ফাঁসাতে অস্ত্র রাখার বিষয়টি স্বীকার করে।
র্যাব জানায়, রতন আলীর সাথে আটককৃতদের বিরোধ রয়েছে। সে বিষয়ে একটি মামলা চলমান রয়েছে। এসব বিরোধদের জের ধরেই রতনকে ফাঁসাতে তারা অস্ত্র রাখার নাটক সাজায়।
আটক তরিকুল, জেনারুল ও বাবলুর বিরুদ্ধে গাংনী থানায় অস্ত্র আইনে মামলাসহ সোপর্দ করা হয়ে হয়েছে বলে জানায় র্যাব।