a
ফাইল ছবি
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ পূর্বনির্ধারিত সফরে বেরিয়ে থাপ্পড় খেয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে তার গালে চড় খাওয়ার দৃশ্য দেখা গেছে বলে বিবিসি মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করেন।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ম্যাঁক্রো দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে এক শহরে পূর্বনির্ধারিত সফরে যান। প্রেসিডেন্ট ব্যারিকেডের বাইরে থাকা জনতার সঙ্গে হাত মেলাতে গেলে পাশে থাকা সবুজ টি-শার্ট পরা এক ব্যক্তি তার গালে থাপ্পড় মারেন বলে ভিডিওতে দেখা যায়।
ম্যাক্রোঁকে থাপ্পড় মারার ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এই ঘটনার আগে করোনার পর মানুষ কীভাবে স্বাভাবিক জীবনে ফিরছে তা জানতে রেস্টুরেন্ট কর্মী ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন মাক্রোঁ।
ফাইল ছবি
যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা করে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ বলেছেন, কৃষ্ণসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ কেনো এসেছে, সেই প্রশ্নের জবাব কেউ দিতে পারছে না। তুরস্কসহ যেসব দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি, তাদেরকে পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করার পরামর্শ দিচ্ছি। এদিকে, কৃষ্ণসাগরের পথে বসফরাস প্রণালী অতিক্রম করেছে দুটি রুশ যুদ্ধজাহাজ। এছাড়া সাগরে স্থানান্তরিত হয়েছে ১৫টি ছোট নৌযানও। পশ্চিমা দেশগুলো ও ইউক্রেনের সঙ্গে সম্পর্কে উত্তেজনা অবস্থায় মস্কো তার নৌ শক্তি বাড়িয়েছে কৃষ্ণসাগরে।
কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, রাশিয়ার বিপুল সেনা জমায়েতের পাশাপাশি নৌশক্তিও প্রদর্শন করা হচ্ছে ইউক্রেনের সীমান্তে। শীতলযুদ্ধের পরে বর্তমানে রুশ-মার্কিন সম্পর্কে চরম অবনতির দিকে যাচ্ছে। গত সপ্তাহে রাশিয়ার কড়া প্রতিবাদের মুখে কৃষ্ণসাগরে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া, ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধে তুরস্কসহ বেশ কয়েকটি দেশকে আহ্বান জানিয়েছে রাশিয়া।
অপতৎপরতার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১০ রুশ কূটনীতিকে বহিষ্কারের পাল্টা জবাবে ১০ মার্কিন কূটনীতিকেও বহিষ্কার করেছে মস্কো। এদিকে তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান সংলাপের মাধ্যমে ইউক্রেন-রাশিয়ার সীমান্তের উত্তেজনা মিটিয়ে ফেলার আহ্বান জানিয়েছেন। কৃষ্ণসাগর অঞ্চলকে শান্তির অববাহিকায় রূপ দেওয়ায় তুরস্কের উদ্দেশ্য বলে এরদোগান মন্তব্য করেন।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলিমার জিলনস্কির সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও জানান, সংলাপের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে পূর্ব ইউক্রেনের উত্তেজনা কমিয়ে আনা সম্ভব। ইউক্রেনের ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা ও আন্তর্জাতিক আইন মেনে এই সমাধান বের করতে হবে।
তুরস্ক এও বলেন, রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে ক্রিমিয়াকে একীভূত করার স্বীকৃতি দেবে না। এরদোগান বলেন, ক্রিমিয়ার ভূমিতে ইউক্রেনের যে কোন উদ্যোগ তুরস্কের সমর্থন অব্যাহত থাকবে।
ফাইল ছবি: নবনির্মিত ডাক ভবন
নবনির্মত ডাক অধিদপ্তরের সদর দপ্তর ‘ডাক ভবন ’ এর আগামীকাল আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হচ্ছে। ডাক বাক্সের মডেলে ঢাকার আগারগাঁওয়ে অত্যাধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত নান্দনিক এই ভবনটি আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করবেন। প্রধান অতিথি হিসেবে গণভবন থেকে অনলাইনে শুভ উদ্বোধন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী জনাব মোস্তাফা জব্বার আগারগাঁওয়ে ডাক ভবনে নিজে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মো: আফজাল হোসেন এবং ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: সিরাজ উদ্দিনসহ ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ ও এর অধীন দপ্তর ও সংস্থা সমূহের কর্মকর্তাগণ স্বাস্থ্য বিধি মেনে আগারগাঁও প্রান্ত থেকে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগদান করবেন।
৯১ কোটি ৭৩ লাখ টাকা ব্যয়ে রাজধানীর ঢাকার আগারগাঁওয়ে দৃষ্টিন্দন এই ভবনটি নির্মাণ করা হয়। ২টি বেইজমেন্টসহ ১৪ তলা ভবন নির্মাণের জন্য বাংলাদেশ ডাক অধিদপ্তরের সদরদপ্তর শীর্ষক প্রকল্পটি গত ২০ মার্চ ২০১৮ তারিখ একনেকে অনুমোদিত হয়। নবনির্মিত ডাক ভবনটিতে থাকছে সুসজ্জিত ও সমৃদ্ধ লাইব্রেরি, আধুনিক পোস্টাল মিউজিয়াম, সুপরিসর অডিটরিয়াম, ক্যাফেটেরিয়া, ডে-কেয়ার সেন্টার, মেডিক্যাল সুবিধা, অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা এবং সার্বক্ষণিক ওয়াইফাইসহ অন্যান্য তথ্যপ্রযুক্তিগত সুবিধা রাখা হয়েছে।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী জনাব মোস্তাফা জব্বার এ বিষয়ে বলেন, ১৯৭১ সালের ২০ ডিসেম্বর তারিখে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই তৎকালীন ঢাকা জিপিও ভবনের কয়েকটি কক্ষ নিয়ে ডাক অধিদপ্তরের যাত্রা আরম্ভ হয়। তীব্র স্থান সংকটের মধ্যে স্বাধীনতার পর থেকে অদ্যাবধি ঢাকার গুলিস্তানে অবস্থিত ঢাকা জিপিও ভবন এর তৃতীয় তলায় ডাক অধিদপ্তরের প্রশাসনিক সদর দপ্তরের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। ঢাকা জিপিও প্রায় ৬০ বছরের পুরোনো হয়ে যাওয়ায় ভবনটির উর্ধমুখী সম্প্রসারণ এখন সম্ভব নয়। ফলে স্থান সংকুলান না হওয়ায় দাপ্তরিক কর্মপরিবেশ ও গতিশীলতা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছিল। এ অবস্থায় ডাক অধিদপ্তরের সদর দপ্তর হিসেবে একটি আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন ও নান্দনিক স্বতন্ত্র ডাক ভবন স্থাপন করা ছিল একান্ত জরুরী। এ সংকট নিরসনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অসামান্য আন্তরিকতায় বর্তমান সরকার তাঁর উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় উন্নত কর্মপরিবেশ ও প্রশাসনিক কাজে উদ্যম ও গতিশীলতা আনয়নের লক্ষ্যে ঢাকার শেরে বাংলা নগরে ডাক অধিদপ্তরের সদর দপ্তর হিসেবে একটি স্বতন্ত্র ভবন স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয় বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি এই অনন্য ভবনটি নির্মাণের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।