a
ফাইল ছবি
ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের সম্ভাবনা নিয়ে কোনো তথ্য না থাকায় ফরাসি সামরিক গোয়েন্দা প্রধান জেনারেল এরিক ভিডাউডকে বরখাস্ত করা হয়েছে। খবর: বিবিসি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ফ্লান্সের সশস্ত্র বাহিনী মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তার বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, ইউক্রেনে রুশ হামলার বিষয়ে অগ্রীম কোনো তথ্য না জানার কারনে এরিক এ বিষয়ে সরকারকে কোনো বিবৃতিও দিতে পারেননি। সূত্র: ইত্তেফাক
ফাইল ফটো: ট্রাম্প ও বাইডেন
ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সিনিয়র কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল শেকারচি বলেছেন, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পরিবর্তন হলেও তাদের সর্বগ্রাসী নীতির কোনও পরিবর্তন হয়নি।
তিনি আরও বলেন, মার্কিন সেনাদের একদিন মধ্যপ্রাচ্য থেকে লেজ গুটিয়ে পালাতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন তিনি।
ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সংস্কৃতি ও প্রচারণা বিভাগের উপ প্রধান জেনারেল শেকারচি বুধবার তেহরানে এক সামরিক অনুষ্ঠানে এসব মন্তব্য করেন। জো বাইডেন আমেরিকার ক্ষমতা গ্রহণ করার পর ওয়াশিংটনের মধ্যপ্রাচ্য নীতির প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি মন্তব্য করেন, আমাদের দৃষ্টিতে ট্রাম্প ও বাইডেনের মধ্যে নীতিগত কোনও পার্থক্য নেই। মার্কিন সরকার একটি সাম্রাজ্যবাদী, আধিপত্যকামী, জালিম ও লুটেরা সরকার।
তিনি বলেন, ট্রাম্প আমেরিকার সাম্রাজ্যবাদী নীতি প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়ে বাস্তবায়ন করেছিল আর বাইডেন একই নীতি বাস্তবায়ন করছে ধূর্ত কৌশল অবলম্বন করে। কাজেই আমাদেরকে আমেরিকার প্রতিটি আচরণ সম্পর্কে সজাগ থাকতে হবে।
জেনারেল শেকারচি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার হস্তক্ষেপকামী নীতির মোকাবিলায় আমাদের অবস্থান হচ্ছে, তাদেরকে অবশ্যই এ অঞ্চল ছাড়তে হবে। আর আমরা এই নীতি-অবস্থান থেকে কখনওই পিছু পা হবো না।
ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা আন্দোলনের সশস্ত্র সংগঠন হামাস বলেছে, অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় স্থল হামলার ইসরায়েলি হুমকিতে তারা ভীত নয়। এসব হামলা প্রতিহত করতে তারা প্রস্তুত আছে।
গতকাল সোমবার হামাসের সামরিক শাখার মুখপাত্র আবু ওবাইদেহ এসব কথা বলেছেন।
টেলিভিশনে প্রচারিত বিবৃতিতে আবু ওবাইদেহ বলেন, ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে ব্যাপক হামলার পর হামাসের সামরিক শাখা ইজ্জেদিন আল-কাসাম ব্রিগেড ২০০ জন ইসরায়েলিকে বন্দী করে। এ ছাড়া গাজার অন্যান্য প্রতিরোধ দলের হাতে প্রায় ৫০ জন ইসরায়েলি বন্দী আছে।
আবু ওবাইদেহ বলেন, ‘আমাদের জনগণের বিরুদ্ধে স্থল হামলা শুরু করার বিষয়ে দখলদারেরা (ইসরায়েল) যে হুমকি দিয়েছে, তাতে আমরা ভীত নই। আমরা এর জন্য প্রস্তুত।’
গাজায় স্থল হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছে ইসরায়েল। এই হামলা চালানোর জন্য তারা ইতিমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে হামাসের কাছ থেকে এই বক্তব্য এল।
ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, হামাসের হামলায় ইসরায়েলে ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।
ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ড্যানিয়েল হ্যাগেরি গতকাল বলেন, ইসরায়েলের ১৯৯ নাগরিককে হামাস জিম্মি করেছে বলে তারা এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হয়েছেন।
হামাসের সামরিক শাখার মুখপাত্র বলেছেন, পরিস্থিতি অনুকূলে এলে তাঁরা বিদেশি বন্দীদের মুক্তি দেবেন।
আবু ওবাইদেহ জানান, গাজায় ইসরায়েলের বিমান হামলায় অন্তত ২২ জন ইসরায়েলি বন্দী নিহত হয়েছেন।
হামাসের কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় ২ হাজার ৭৫০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
৭ অক্টোবর গাজা থেকে ইসরায়েলে হাজার হাজার রকেট ছোড়ে হামাস। একই সঙ্গে সীমান্ত পেরিয়ে ইসরায়েলের ভূখণ্ডে প্রবেশ করে হামলা চালান হামাসের যোদ্ধারা। এ সময় তাঁরা বিদেশি নাগরিকসহ অনেক ইসরায়েলিকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে যান।
জবাবে ৭ অক্টোবর থেকেই পাল্টা হামলা শুরু করে ইসরায়েল। এর পর থেকে তারা গাজায় টানা বিমান হামলা চালিয়ে আসছে। অবরুদ্ধ গাজায় দেখা দিয়েছে চরম মানবিক সংকট। সূত্র: প্রথম আলো