a
ফাইল ছবি
দিমোনা পরমাণু স্থাপনার কাছে সিরিয়ার একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার পর দখলদার ইসরায়েল জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। দিমোনা পরমাণু কেন্দ্রে ক্ষেপণাস্ত্রটি আঘাত হানলে পরিণতি কী হতো তা নিয়ে আজ একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ইসরায়েলি দৈনিক জেরুজালেম পোস্ট।
সেখানে বলা হয়েছে, গত রাতের ক্ষেপণাস্ত্রটির আঘাতের স্থানটি যদি দিমোনা পরমাণু স্থাপনা হতো, তাহলো আজকের ইসরায়েলের জনজীবন এই অবস্থায় থাকত না। একটা ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতই ইসরাইলের জন্য এক মহাবিপদের কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট বলে মন্তব্য করা হয়েছে।
পত্রিকাটিতে আরো লেখা হয়েছে যে, দিমোনা পারমাণবিক কেন্দ্রের কাছের এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের ঘটনা সব বিপদকে একসঙ্গে স্মরণ করে দিয়েছে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর একজন মুখপাত্র বলেছেন, আজ (বৃহস্পতিবার) ভোরের দিকে ক্ষেপণাস্ত্রটি ইসরায়েলে আঘাত হানে। ওই মুখপাত্র জানান, সিরিয়ার দীর্ঘপাল্লার এসএ-৫ ক্ষেপণাস্ত্র ছিল এটি এবং রাশিয়ার এস-২০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে তা ছোঁড়া হয়।
দিমোনা পরমাণু স্থাপনার কাছে সিরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার পর ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়েও নতুন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। কারণ এবার ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে সিরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্রটি সঠিক নিশানা আঘাত করতে সক্ষম হয়। সূত্র: পার্সটুডে
ফাইল ছবি
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান চালাচ্ছে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পরাশক্তি রাশিয়া। এরই মধ্যে ৬৫ দিনে গড়িয়েছে রুশ বাহিনীর এই অভিযান।
বেশ কিছু লক্ষ্য নিয়ে এই সামরিক অভিযান চালাচ্ছে রাশিয়া। এর মধ্যে অন্যতম হল- ডোনেটস্ক ও লুহানস্ক (যা একত্রে ডোনবাস নামে পরিচিত) অঞ্চলকে বেসামরিকীকরণ ও স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা, ইউক্রেনকে নিরস্ত্রীকরণ ও নাৎসিবাদমুক্ত করা।
ইউক্রেনকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সহায়তা করে যাচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ পশ্চিমা দেশগুলো। এসব দেশ ইউক্রেনকে অস্ত্র ও অর্থনৈতিক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে।
এমন পরিস্থিতিতে ইউক্রেন যুদ্ধকে দীর্ঘায়িত করতে আমেরিকার ওপর দোষা চাপালো চীন। চীনের অভিযোগ, আমেরিকা ইউক্রেন যুদ্ধকে দীর্ঘায়িত করার মাধ্যমে রাশিয়াকে দুর্বল করে ফেলতে চায়।
চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান শুক্রবার বেইজিং-এ সাংবাদিকদের ডেইলি ব্রিফিং-এর সময় এ অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, যখন ইউরোপসহ বিশ্ব সমাজ এ যুদ্ধ বন্ধ করতে আগ্রহী তখন আমেরিকা এ যুদ্ধের আগুন দাউ দাউ করে জ্বালিয়ে দেওয়ার পাঁয়তারা করছে। ওয়াশিংটন চায় ইউক্রেনের শেষ ব্যক্তি জীবিত থাকা পর্যন্ত এ যুদ্ধ চলতে থাকুক।
ঝাও বলেন, মার্কিন সরকার ইউক্রেনে অর্থ ও অস্ত্র পাঠানো অব্যাহত রেখেছে। আমেরিকা নিজেই বলেছে, সে রাশিয়াকে দুর্বল করে ফেলতে চায়।
চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ইউরোপীয় দেশগুলোকে একথা উপলব্ধি করতে হবে যে, ইউক্রেন যুদ্ধ কিয়েভ ও মস্কোর মধ্যকার কোনো সমস্যা নয় বরং এই যুদ্ধ ওয়াশিংটন ও মস্কোর মধ্যে চলছে যার নেতৃত্ব দিচ্ছে ন্যাটো জোট। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী আজ শুক্রবার (২০ মে) সারাদেশে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। তথ্য সংগ্রহ ও সুপারভাইজার কর্তৃক যাচাই কার্যক্রম আজ থেকে পরবর্তী ৩ সপ্তাহ পর্যন্ত অথবা শুরুর তারিখের পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
জানা গেছে, প্রথম ধাপে ১৪০ উপজেলায় ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে ছবি তোলা ও ভোটার নিবন্ধনের কার্যক্রম চলবে। অবশিষ্ট উপজেলাগুলোর জ্যেষ্ঠ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা স্থানীয়ভাবে তথ্য সংগ্রহ ও নিবন্ধন কার্যক্রমের সময়সূচি নির্ধারণ করবেন।
এবার ভোটার হালনাগাদ কার্যক্রমে ২০০৭ সালের ১ জানুয়ারি বা এর আগে যাদের জন্ম তাদের এবং বিগত ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমে যারা বাদ পড়েছেন তাদেরও নিবন্ধনের জন্য তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের যুগ্ম সচিব এস এম আসাদুজ্জামান বলেন, বয়স ১৮ না হলেও জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়া হবে। যাদের বয়স ১৮ হয়নি, তাদের বয়স ১৮ বছর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভোটার তালিকায় নাম যুক্ত হয়ে যাবে। সূত্র: ইত্তেফাক