a
ফাইল ছবি
দিমোনা পরমাণু স্থাপনার কাছে সিরিয়ার একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার পর দখলদার ইসরায়েল জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। দিমোনা পরমাণু কেন্দ্রে ক্ষেপণাস্ত্রটি আঘাত হানলে পরিণতি কী হতো তা নিয়ে আজ একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ইসরায়েলি দৈনিক জেরুজালেম পোস্ট।
সেখানে বলা হয়েছে, গত রাতের ক্ষেপণাস্ত্রটির আঘাতের স্থানটি যদি দিমোনা পরমাণু স্থাপনা হতো, তাহলো আজকের ইসরায়েলের জনজীবন এই অবস্থায় থাকত না। একটা ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতই ইসরাইলের জন্য এক মহাবিপদের কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট বলে মন্তব্য করা হয়েছে।
পত্রিকাটিতে আরো লেখা হয়েছে যে, দিমোনা পারমাণবিক কেন্দ্রের কাছের এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের ঘটনা সব বিপদকে একসঙ্গে স্মরণ করে দিয়েছে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর একজন মুখপাত্র বলেছেন, আজ (বৃহস্পতিবার) ভোরের দিকে ক্ষেপণাস্ত্রটি ইসরায়েলে আঘাত হানে। ওই মুখপাত্র জানান, সিরিয়ার দীর্ঘপাল্লার এসএ-৫ ক্ষেপণাস্ত্র ছিল এটি এবং রাশিয়ার এস-২০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে তা ছোঁড়া হয়।
দিমোনা পরমাণু স্থাপনার কাছে সিরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার পর ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়েও নতুন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। কারণ এবার ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে সিরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্রটি সঠিক নিশানা আঘাত করতে সক্ষম হয়। সূত্র: পার্সটুডে
ফাইল ছবি
তালেবানের সঙ্গে লড়াইয়ে আফগানিস্তানের পানশির প্রদেশ দখল থাকা আহমাদ মাসুদের ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্টের মুখপাত্র ও প্রখ্যাত সাংবাদিক ফাহিম দাশতি নিহত হয়েছেন।
রবিবার পানশির প্রদেশে তালেবানের সঙ্গে লড়াইয়ে নিহত হন তালেবান বিদ্রোহী রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্টের এ মুখপাত্র। দেশটির গণমাধ্যম টোলো নিউজের টুইট বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এদিকে, রবিবার রাতে এনআরএফ এর ফেসবুক পেজে এ ঘোষণায় আহমাদ মাসুদ বলেছেন, লড়াই বন্ধ করতে তিনি ধর্মীয় নেতাদের সমঝোতার প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি তালেবানের সঙ্গে আলোচনা বসতেও রাজি আছেন।
আহমাদ মাসুদ বলেন, নীতিগতভাবে এনআরএফ বর্তমান সমস্যার সমাধানে রাজি। তিনি বলেন, শান্তি স্থায়ী করতে এনআরএফ যুদ্ধ বন্ধ করতে রাজি আছে। তবে তার মতে শর্ত হলো-তালেবানকেও পানশির এবং আনদারাবে আক্রমণ বন্ধ করতে হবে।
ফাইল ফটো: জেবুন নাহার
কাঁপছে আকাশ, ডাকছে ঝিঁ ঝিঁ
আসছে ঘনিয়ে অন্ধকার
চল না আজ পেয়ে যাই আশকারা
সান্ধ্য বাতাসে হয়ে যাই একাকার
সময় যে আজ শুধুই দুজন দুজনার
ভিজে যাই চল মাথায় নিয়ে বৃষ্টি ভালোবাসার।
ধর ঝরে গেল সব ভালোবাসা
পেয়ে কোন নিরেট আকার
তোর যাওয়ার পথে নেই কোন বাঁধা
ভেঙ্গে সব অহংকার
শীতল আবহে
চারিদিক হাহাকার
তারপরেও দিনটি হয়ে উঠুক আজ শুধুই ভালোবাসার।
বিসর্জনেও সুখ
জোড়া লাগে সব অভিমান আবদার
ভালোবাসার আবরন
মুছে গিয়েও ধরে রাখে
হৃদ মাঝারের খেলোয়াড়
ভালোবাসার জোয়ারে ভাসুক সব চরাচর।
রজনীর পর রজনী জেগে অপেক্ষা
একটিবার হলেও তো ছুঁয়েছিলি প্রাণ
সাড়া দিয়েছিলি হৃদয়ের ডাকে
শুনেছিল সেই প্রতিধ্বনি
আকাশ বাতাস
সতেজ হয়েছিল চারপাশ
শুকিয়ে যাওয়া নদীতে
ফিরেছিল স্রোতের অবগাহন
নিশি রাতের শিশিরে ভিজাস না তোর পা
সাহারার তপ্ত বালুতেও যেতে হবে না তোকে
নিশুতি শহরের অলিতে গলিতেই
নিয়ন লাইটপোস্টের মশামাছির ঝাঁকে
কোলাহলে মেতে উঠুক তোর আমার ভালোবাসার ক্যানভাস
লেখনিতে লেখনিতে ভরে যাক সব জীর্ণ শহরের দেয়াল।
......... ফেসবুক পাতা থেকে সংগৃহীত