a
ফাইল ছবি
দিমোনা পরমাণু স্থাপনার কাছে সিরিয়ার একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার পর দখলদার ইসরায়েল জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। দিমোনা পরমাণু কেন্দ্রে ক্ষেপণাস্ত্রটি আঘাত হানলে পরিণতি কী হতো তা নিয়ে আজ একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ইসরায়েলি দৈনিক জেরুজালেম পোস্ট।
সেখানে বলা হয়েছে, গত রাতের ক্ষেপণাস্ত্রটির আঘাতের স্থানটি যদি দিমোনা পরমাণু স্থাপনা হতো, তাহলো আজকের ইসরায়েলের জনজীবন এই অবস্থায় থাকত না। একটা ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতই ইসরাইলের জন্য এক মহাবিপদের কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট বলে মন্তব্য করা হয়েছে।
পত্রিকাটিতে আরো লেখা হয়েছে যে, দিমোনা পারমাণবিক কেন্দ্রের কাছের এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের ঘটনা সব বিপদকে একসঙ্গে স্মরণ করে দিয়েছে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর একজন মুখপাত্র বলেছেন, আজ (বৃহস্পতিবার) ভোরের দিকে ক্ষেপণাস্ত্রটি ইসরায়েলে আঘাত হানে। ওই মুখপাত্র জানান, সিরিয়ার দীর্ঘপাল্লার এসএ-৫ ক্ষেপণাস্ত্র ছিল এটি এবং রাশিয়ার এস-২০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে তা ছোঁড়া হয়।
দিমোনা পরমাণু স্থাপনার কাছে সিরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার পর ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়েও নতুন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। কারণ এবার ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে সিরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্রটি সঠিক নিশানা আঘাত করতে সক্ষম হয়। সূত্র: পার্সটুডে
ফাইল ছবি
জার্মানির হামবুর্গে বন্দুকধারীর গুলিতে ৭ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। খবর বিবিসির।
গ্রোস বোর্স্টেল জেলার ডিলবোজ রাস্তার একটি গির্জায় গুলি চালানো হয়েছে বলে জানায় হামবুর্গ পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে এ হামলার ঘটনাটি ঘটে।
দেশটির স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হতাহতদের সেবার জন্য ঘটনাস্থলে অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে এবং জার্মান পুলিশ হামলাকারীদের খোঁজ করছে। পুলিশ সন্দেহজনকভাবে একজনকে আটক করলেও বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
টুইটারে এক বিবৃতিতে পুলিশ জানায়, হামলার উদ্দেশ্য সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে গুজব না ছড়ানোর জন্য জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানায় পুলিশ।
পুলিশ আরও জানিয়েছে যে, শহরের উত্তর অ্যালস্টারডর্ফ এলাকায় একটি বড় আকারের অভিযান চলছে। সূত্র: বিডিপ্রতিদিন
ফাইল ফটো: মার্কিন সৈন্যের বহর
মার্কিন সৈন্যরা অস্ত্র-সামরিক রসদ সামগ্রীসহ সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে প্রবেশ করেছে। সেনাবহরের দলটি ইরাকের আধা স্বায়ত্বশাসিত কুর্দি অঞ্চল থেকে সিরিয়ার ভেতরে প্রবেশ করেছে বলে খবরে প্রকাশ।
স্থানীয় সূত্রের মাধ্যম দিয়ে রাশিয়া টুডে’র আরবি বিভাগ জানায়, মার্কিন সামরিক বহরটিতে ৪৫টি ট্রাক ছিল। এসব বহরে সামরিক সরঞ্জামাদি, ফোর হু্ইল ড্রাইভ গাড়ি এবং জ্বালানি পণ্য ছিল। আর সামরিক বহরটি ইরাকের ওয়ালিদ সীমান্ত দিয়ে সিরিয়ার ভেতরে প্রবেশ করে।
সেখানকার স্থানীয় সূত্রের দাবি, সিরিয়ার হাসাকা ও দেইর আয-জাওয়ার প্রদেশে মোতায়েন সামরিক বাহিনীর অবস্থানের দিকে মার্কিন বহর এগিয়ে গেছে। মার্কিন সেনা সদরদপ্তর পেন্টাগন অনেকদিন থেকেই দাবি করে আসছে- সিরিয়ার তেলক্ষেত্রগুলো সন্ত্রাসীদের হাতে যাতে না পড়ে সেজন্য তারা ওই এলাকায় সেনা মোতায়েন করেছে।
কিন্তু, প্রকৃতপক্ষে তারা উগ্র দায়েশ সন্ত্রাসীদের হাত থেকে দেশটির তেলক্ষেত্রগুলো রক্ষা করার নামে দায়েশ সন্ত্রাসীদের সহযোগিতায় তাদের নিয়ন্ত্রিত তেলক্ষেত্রগুলোর তেল উত্তোলন করে চোরাই পথে পাচার করে আসছে।