a
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মুন্না শেখ, জবি প্রতিনিধি: জুলাই গনঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে সাধারণ শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দদের নিয়ে দোয়া ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে ছাত্র অধিকার পরিষদ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।
আজ ১৭ই মার্চ (সোমবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের একটি কক্ষে আয়োজিত হয় এ অনুষ্ঠানটি।
একে এম রাকিবের সভাপতিত্বে এবং রায়হান হাসান রাব্বির সঞ্চালনায় পরিচালিত এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষক, ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, জবি ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট সহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এসময় বক্তব্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক নাসির উদ্দিন বলেন, "গণঅভ্যুত্থানের মতো বর্তমানের সংকট মোকাবেলায় ও সকল দলের সহনশীল ভূমিকা দরকার। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উচিৎ প্রয়োজনীয় সংস্থার করে অংশগ্রহনমূলক নির্বাচনের আয়োজন করা। "
ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা বলেন, "জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সবসময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান পালন করে আসছে এবং বিভিন্ন আন্দোলনে এর ভূমিকা উল্লেখ্যোগ্য । ছাত্রদের উপর মানুষ আস্থা রেখে এ অভ্যুত্থান ঘটিয়েছে তাই সবাই কে সাথে নিয়ে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গড়তে হবে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কোনো ফাঁদে পা না দিয়ে একসাথে কাজ করে যাওয়া উচিত। আমাদেরকে জাতীয় নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্তের প্রশ্নে এক থাকতে হবে। সেইসাথে দ্রুত প্রতিটি ক্যাম্পাসে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের আহ্বান করছি। "
জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন , "জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল সবসময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার নিয়ে কাজ করে। শিক্ষার্থীবান্ধব ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে সব দলের সহাবস্থান ও সহযোগিতা প্রয়োজন। "
জবি ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি, রিয়াজুল ইসলাম রমজানের গুরুত্ব তুলে ধরার পাশাপাশি আরও বলেন, "জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাস্পাসে সকল ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনের সহবস্থান বজায় থাকবে প্রতাশা করছি। সবাই মিলে সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পরবো ইনশাআল্লাহ। সবার চেষ্টায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বের মধ্যে পরিচিত লাভ করবে। "
জবি বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক মাসুদ রানা বলেন, "ছাত্র অধিকারের বয়স অল্প হলেও বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে এর পরিসর অনেক। প্রত্যাশা করছি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র অধিকার পরিষদ সবাই কে নিয়ে কাজ করে যাবে।"
ফাইল ছবি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীকে থানায় নিয়ে নির্যাতনের প্রতিবাদে এবং নির্যাতনকারী এডিসি হরুন অর রশিদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়েছে।
রোববার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে সাধারণ শিক্ষার্থীরা এ বিক্ষোভ করেন।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া এক শিক্ষার্থী বলেন, এডিসি হারুনের বিরুদ্ধে আগে থেকেই শিক্ষার্থী নির্যাতনের অভিযোগ আছে। সর্বশেষ গতকাল রাতে আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীতে নির্মমভাবে নির্যাতন করেছে।
নির্যাতনে আহত দুজন গুরুতর আহতাবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে কালকে সে আমাকেও বিনা দোষে নির্যাতন করবে। তাই আমরা এডিসি হারুনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এডিসি হারুনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মানুষকে রক্ষা করার জন্য। কিন্তু তারা মানুষকে রক্ষা না করে তাদেরই নির্যাতন করছে। প্রজাতন্ত্রের একজন কর্মচারীর কাছে থেকে এই ধরনের আচরণ কখনোই কাম্য নয়। তাকে চাকরিচ্যুত করতে হবে। কারণ তিনি তার ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন।
এর আগে শনিবার রাতে রাজধানীর শাহবাগ থানায় ছাত্রলীগের দুই কেন্দ্রীয় নেতাকে নির্মমভাবে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের রমনা বিভাগের এডিসি হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে।
আহতরা হলেন— ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও ফজলুল হক হলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন নাঈম এবং ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় বিজ্ঞানবিষয়ক সম্পাদক ও ঢাবির শহীদুল্লাহ হলের সাধারণ সম্পাদক শরীফ আহমেদ মুনিম।
ভুক্তভোগী ও তাদের সহপাঠীদের অভিযোগ, পুলিশের রমনা বিভাগের এডিসি হারুন অর রশিদ তাদের থানায় নিয়ে বেদমভাবে পিটিয়েছেন। ছাত্রলীগের নেতা পরিচয় দেওয়ার পরও হারুনের সঙ্গে ১০-১৫ জন পুলিশ সদস্য মিলে তাদের পেটান। এর মধ্যে নাঈমের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তার মুখমণ্ডল মারত্মকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত বর্ণনায় ছাত্রলীগ নেতারা জানান, পুলিশের ৩১ ব্যাচের ক্যাডার এডিসি হারুন শনিবার রাতে ৩৩ ব্যাচের আরেক নারী পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে বারডেম হাসপাতালে আড্ডা দিচ্ছিলেন। ওই সময় নারী কর্মকর্তার স্বামী কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দুই নেতাকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে যান। নারী কর্মকর্তার স্বামীও একজন ক্যাডার কর্মকর্তা।
তার সঙ্গে এডিসি হারুনের বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে সেটি হাতাহাতিতে রূপ নেয়। এরই জেরে পুলিশ ডেকে এনে তাদের থানায় নিয়ে বেদম প্রহার করে। সূত্র: যুগান্তর
দূষিত শহরের তালিকায় আজ মঙ্গলবার ঢাকার অবস্থান ৩ নম্বরে রয়েছে। এদিন সকাল ১০টা ১০ মিনিটে ঢাকার এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) স্কোর ছিল ২১৫, যা বাতাসের মানকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে নির্দেশ করে।
একই সময় বায়ুদূষণের তালিকায় ২৭২ ও ২৫৫ স্কোর নিয়ে ভারতের কলকাতা ও দিল্লি যথাক্রমে ১ ও ২ নম্বরে অবস্থানে রয়েছে।
৪, ৫ ও ৬ নম্বরে আছে যথাক্রমে পাকিস্তানের করাচি ও লাহোর এবং চীনের হ্যাংজৌ। ৭ নম্বরে আছে চীনের আরেকটি শহর উহান। এসব শহরের স্কোর যথাক্রমে ১৯১, ১৮৭, ১৮৫ ও ১৮২। ১৭৮ স্কোর নিয়ে ৮ নম্বরে আছে আফগানিস্তানের কাবুল। ৯ নম্বরে আছে ঘানার আক্রা শহর, স্কোর: ১৭৪। ১০ নম্বরে আছে ভারতের মুম্বাই, স্কোর: ১৭১। সূত্র: ইত্তেফাক