a বিএনপি খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ সমাবেশ করছে
ঢাকা বুধবার, ২১ মাঘ ১৪৩২, ০৪ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

বিএনপি খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ সমাবেশ করছে


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
রবিবার, ১২ জুন, ২০২২, ১২:২৯
বিএনপি খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ সমাবেশ করছে

ফাইল ছবি

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে দেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করছে বিএনপি। আজ রবিবার সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে এই সমাবেশ করছে।

ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি যৌথভাবে এই সমাবেশের আয়োজন করেছে। ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক ও ডাকসুর সাবেক ভিপি আমান উল্লাহ আমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেবেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
 
সকাল ৯টা থেকে মহানগরের বিভিন্ন থানা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সমাবেশ স্থলে আসেন দলীয় নেতাকর্মীরা। ইতোমধ্যে প্রেসক্লাবের সামনে কানায় কানায় নেতা-কর্মী ভরে যায়।

কেন্দ্রীয় বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাও উপস্থিত হয়েছেন। মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুল হক ও দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনুর পরিচালনায় শুরু হওয়া সমাবেশে ইতোমধ্যে উপস্থিত হয়েছেন চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, গাজীপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ফজলুল হক মিলন, স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী, জলবায়ু বিষয়ক সহ-সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, নির্বাহী কমিটির সদস্য নাজিম উদ্দিন আলম, যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, মহানগর বিএনপি নেতা নবি উল্লা নবী, ফখরুল ইসলাম রবিন প্রমুখ। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

জাতীয় পার্টি নির্বাচনে সরে যেতে পারে বলে সন্দেহ করছে সরকার


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৩, ০৫:০৬
জাতীয় পার্টি নির্বাচনে সরে যেতে পারে বলে সন্দেহ করছে সরকার

ফাইল ছবি

জাতীয় পার্টি আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে সরে যেতে পারে বলে সন্দেহ করছে সরকার। গতকাল সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর এ সন্দেহ প্রকাশ করেছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেছেন, জাতীয় পার্টিকে বিশ্বাস করা যায় না। সরকারের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই মন্ত্রী আজ মঙ্গলবার গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এই দুই মন্ত্রী গতকালের মন্ত্রিসভার বৈঠকে ছিলেন।

দুই মন্ত্রী বলেছেন, মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী আগামী ৭ জানুয়ারির নির্বাচন নিয়ে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের বেশ কিছু পরামর্শ দেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ওই দুই মন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় আগামী নির্বাচনে জাতীয় পার্টির অংশগ্রহণ নিয়ে কয়েকজন মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তাঁরা আওয়ামী লীগের ‘স্বতন্ত্র’ প্রার্থীদের বিষয়েও কথা বলেন। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে যেতে ব্যবস্থা নিতেও তাঁরা প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেন।

মন্ত্রীদের অনুরোধ নাকচ করে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় পার্টি আগামী নির্বাচনে কী করবে, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। শেখ হাসিনা আরও বলেন, জাতীয় পার্টি রওশন এরশাদ, তাঁর ছেলে রাহগির আল মাহি এরশাদ (শাদ এরশাদ) ও মসিউর রহমানকে নির্বাচন থেকে সরিয়ে রেখেছে। তারা কখন কী করবে, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দিকে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আর সবাইকে সেদিকেই যেতে হবে। নির্বাচন কারও জন্য অপেক্ষা করবে না। নির্বাচন হবেই।

সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় পার্টি কয়েক দফায় আওয়ামী লীগের সঙ্গে বৈঠক করেছে। ৭ জানুয়ারির ভোটে আসন ভাগাভাগি নিয়েই মূলত সেসব বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।

জাতীয় পার্টির সূত্র বলছে, তারা চায় তাদের চাহিদামতো ৩০ থেকে ৩৫টি আসন থেকে ‘আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থীদের’ সরিয়ে নেওয়া হোক, যাতে জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা সহজে জিতে আসতে পারেন।

জাতীয় পার্টির এ চাওয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, ‘সবাইকেই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে।’

বৈঠকে উপস্থিত দুই মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীকে ‘দলীয় স্বতন্ত্র প্রার্থীদের’ প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে বিরত রাখার অনুরোধ করলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে তাঁর কিছু বলার নেই। সূত্র: প্রথম আলো

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

মেসি বার্সা ছেড়েছেন ছিন্ন হলো আত্মার বন্ধন


আবু হানিফ, ক্রীড়া ডেস্ক 
শুক্রবার, ০৬ আগষ্ট, ২০২১, ০৯:৪৫
মেসি বার্সা ছেড়েছেন ছিন্ন হলো আত্মার বন্ধন

ফাইল ছবি

শৈশবের প্রিয় ক্লাব বার্সোলোনা ছাড়তে বাধ্যই হলেন লিওনেল মেসি। ক্লাবের আর্থিক সমস্যা লা লীগার বেধে দেওয়া বেতন কাঠামোর ভিত্তিতে মেসিকে তার নতুন চুক্তিতে সই করানো সম্ভব হলো না। এদিকে মেসির চলে যাওয়ার খবরে থমকে গেছে ফুটবল প্রেমিরা তারা এক মূহুর্ত ও নিজেদের বিশ্বাস করাতে পারছে না যে মেসি ছাড়া বার্সা আর বার্সা ছাড়া মেসি কিভাবে কল্পনা করবে তারা।

২০০০ সালে একটি টিস্যু পেপারে সই করে পথচলা শুরু হয় মেসি আর বার্সার। তারপর পেরিয়ে গেছে ২১টি বছর। গ্রীষ্মকালীন দলবদলে বোর্ড চেয়েছিলো বেশকিছু খেলোয়াড় বিক্রি করে তাদের আর্থিক অবস্থা ঠিক করতে তাদের মধ্যে গ্রীজম্যান বার্সায় থাকতে চায়, লেংলেটকে কিনতে প্রীমিয়ার লীগ থেকে ভালো অফার ছিল কিন্তু সে যাবে না, ওদিকে বসে বসে বেতন খাওয়া ফ্রেঞ্জম্যান সামুয়েল উমতিতিও জানিয়েছে সে দল ছাড়বে না, মাত্র ১৮ বছর বয়সী ইলাইশ মরিবা বেতন কমানো দূরে থাক বেতন বৃদ্ধির জন্য উল্টো চাপ দিচ্ছেন,আরো বেশ কিছু খেলোয়াড় বোর্ড  তাদেরকে বিক্রি করতে চাইলেও তারা  রাজি না হওয়ায় কিংবা অন্য ক্লাব তাদের ফর্মের কারনে তাদের কিনতে আগ্রহী  না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত উভয়পক্ষের সমঝোতায় মেসিকেই ক্লাব ছাড়তে হলো।

প্রাণের ক্লাবটি ছেড়ে এখন তিনি যাবেন কোথায়? এই প্রশ্নটা গতকাল রাত থেকেই ঘুরপাক খাচ্ছে  ইউরোপিয়ান ফুটবলে। বার্সেলোনা তাদের অফিশিয়াল বক্তব্যে জানিয়ে দিয়েছে, কাতালান ক্লাবটিতে মেসি আর থাকছেন না। এখন ইউরোপের বেশ কিছু বড় ক্লাব তাকে দলে নিতে নড়চড়ে বসার কথা। মেসির দেশ আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টস জানিয়েছে, ম্যানচেস্টার সিটি, পিএসজি, ইন্টার মিলান ও ইন্টার মিয়ামি আছে তাঁকেকিনতেআগ্রহীদের তালিকায়। কিন্তু চাইলেই তো আর মেসিকে কেনা সম্ভব নয়। আর্জেন্টাইন তারকার আকাশচুম্বী বেতন দেওয়ার সামর্থ্য আছে কয়টি ক্লাবের? স্প্যানিশ লিগের আরোপ করা বেতন সীমার মধ্যে থাকতে না পারাতেই যে মেসিকে ধরে রাখতে পারল না বার্সা। এর মধ্য দিয়ে বার্সার সঙ্গে দীর্ঘ ২১ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন হচ্ছে মেসির। প্রতিভায় মুগ্ধ হয়ে ২০০০ সালে তাঁকে ন্যাপকিনে সই করিয়েছিলেন বার্সার তখনকার মূল দলের পরিচালক কার্লেস রেক্সাস। বাকিটা ইতিহাস এবং সোনার অক্ষরে লেখা সেই ইতিহাস সবারই জানা। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল, ৪৩০ মিলিয়ন ইউরোয় মেসিকে পাঁচ বছর মেয়াদে নিতে চায় ম্যানচেস্টার সিটি। পেট্রোডলারসমৃদ্ধ ক্লাব হওয়ায় মেসির বেতন দেওয়ার সামর্থ্য রয়েছে ইংলিশ ক্লাবটির। 

এর আগে গত মৌসুম শেষে মেসি যখন বুরোফ্যাক্স করে বার্সা ছাড়তে চেয়েছিলেন, তখন ৬০০ মিলিয়ন ইউরোয় সিটি তাঁকে কিনতে আগ্রহী, এমন খবরও বেরিয়েছিল। সিটিতে বার্সার সাবেক কোচ পেপ গার্দিওলা রয়েছেন। মেসির সঙ্গে তাঁর বোঝাপড়াটা সব সময়ই ভালো। এর পাশাপাশি সিটি ছেড়ে আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার সের্হিও আগুয়েরো যোগ দিয়েছেন বার্সায়।  টিওয়াইসি স্পোর্টস জানিয়েছে, মেসিকে সিটিতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে রাজি করানোর চেষ্টা করছেন আগুয়েরো। তবে সিটিতে পরিস্থিতি এখন একটু ঘোলাটে। এরই মধ্যে অ্যাস্টন ভিলা থেকে জ্যাক গ্রিলিশকে ১০০ মিলিয়ন পাউন্ডে কেনার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে সিটি। ফরাসি ক্লাব পিএসজিতে মেসির সঙ্গে জাতীয় দলে খেলা কয়েকজন সতীর্থ রয়েছেন। আনহেল ডি মারিয়া, লিয়ান্দ্রো পারেদেস ও মাউরো ইকার্দি। এর পাশাপাশি বার্সার সাবেক সতীর্থ নেইমার রয়েছেন সেখানে। ব্রাজিলিয়ান তারকা আবার মেসির বন্ধু। পিএসজি বেশ আগে থেকেই মেসিকে কিনতে আগ্রহী ছিল। 

তবে প্রস্তাবটা ঠিক কত টাকার, সংবাদমাধ্যমে তা আসেনি। গত মৌসুম শেষে মেসি বার্সা ছাড়ার ইচ্ছার কথা জানানোর পর পিএসজির নামটা আগেভাগে উঠে এসেছিল।গত বছরের আগস্টে জানা গিয়েছিল, ইন্টার মিলানের ৭০ শতাংশ শেয়ারের মালিক চীনের ইলেকট্রিক পণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সানিং মেসিকে কেনার জন্য স্পনসর খুঁজছে। এ নিয়ে নাকি চীনের সরকারের কাছ থেকে তারা সবুজ সংকেতও পেয়েছিল। তবে ইন্টার মিলানের সহসভাপতি হাভিয়ের জানেত্তি তখন এই গুঞ্জন অস্বীকার করেছিলেন। গত জুনের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের মেজর সকার লিগের দল ইন্টার মিয়ামির মালিক ডেভিড বেকহামের সঙ্গে কথা বলেন মেসি। তখন জার্মান সংবাদমাধ্যম ‘কিকার’ জানিয়েছিল, বার্সায় চুক্তির মেয়াদ শেষে ক্যারিয়ারের বাকি সময় ইন্টার মিয়ামিতে শেষ করতে পারেন মেসি।

বেকহাম তখন বলেছিলেন, ‘মেসির ইন্টার মিয়ামিতে খেলার ব্যাপারে আমি আশাবাদী।’ এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় বাড়িও কিনেছেন মেসি। তখন গুঞ্জন বের হয়, ইন্টার মিয়ামিতে ক্যারিয়ার শেষ করার পরিকল্পনায় যুক্তরাষ্ট্রে থাকার জায়গাটা আগেই ঠিক করেছেন তিনি।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - রাজনীতি