a ‘হরতাল করতে দেওয়া হবে না’
ঢাকা বুধবার, ৩০ পৌষ ১৪৩২, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

‘হরতাল করতে দেওয়া হবে না’


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
শুক্রবার, ২৬ মার্চ, ২০২১, ১০:৪৬
হরতাল করতে দেওয়া হবে না

ফাইল ছবি: আসাদুজ্জামান খান কামাল

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, কোনো হরতাল করতে দেওয়া হবে না। তিনি আরও বলেন, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তাণ্ডবের বিষয় খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। শুক্রবার (২৬ মার্চ) রাতে সংবাদমাধ্যমকে এ কথা জানান তিনি।

এর আগে শুক্রবার (২৬ মার্চ) রাত আটটায় পুরনো পল্টনে এক সংবাদ সম্মেলনে সারা দেশে আগামীকাল শনিবার (২৭ মার্চ) বিক্ষোভ ও রোববার (২৮ মার্চ) হরতালের ঘোষণা দেয়। হেফাজতে ইসলামী বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির আবদুর রব ইউসুফী এ ঘোষণা দেন।

প্রসঙ্গত, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নেতা-কর্মী ও প্রতিবাদী মুসল্লিদের হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে মূলত এই বিক্ষোভ ও হরতালের ঘোষণা দেওয়া হয়।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাত করে ৬ লক্ষ টাকা ছিনতাই


জায়েদুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি,
বুধবার, ০৪ আগষ্ট, ২০২১, ১১:৫২
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাত করে ৬ লক্ষ টাকা ছিনতাই

ফাইল ছবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের স্টেশন রোড এলাকায় নান্টু রায় (৪০) নামে এক ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাত করে ৬ লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে দূর্বৃত্তরা। 

রোববার (১ আগস্ট) দিবাগত রাত ১২টার দিকে স্টেশন রোড এলাকার চন্দ্রিঁমা হোটেলের গলিতে এ ঘটনা ঘটে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। ঘটনার পর আহত নান্টু রায়কে প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে আহত নান্টু রায়ের অবস্থার অবনতি হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় প্রেরণ করেন। 

আহত ব্যবসায়ী নান্টু রায় শহরের কাজীপাড়া এলাকার মহাপ্রভু রায়ের ছেলে। তিনি আবুল খায়ের কোম্পানির স্টার শীপের  ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ডিস্ট্রিবিউটর হিসেবে ব্যবসা পরিচালনা করতেন।

প্রত্যক্ষদর্শী আবুল খায়ের কোম্পানির রিজিওনাল অফিসার লিটন পাল জানান, রোববার রাত পৌনে ১২টার দিকে ব্যবসায়ী নান্টু রায় স্টেশন রোড এলাকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে শহরের কাজীপাড়া এলাকায় তার বাসায় যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে চন্দ্রিঁমা হোটেলের গলি দিয়ে যাবার সময় হঠাৎ করে নান্টু রায়ের পেছন থেকে চার পাঁচ জনের একটি গ্রূপ তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি মাথায় আঘাত করলে নান্টু রায় সাথে সাথে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

আহত নান্টু রায় জানান, তার সাথে থাকা ৬ লক্ষাধিক টাকা ছিনতাইকারীরা ছিনিয়ে পালিয়ে যায়। ছিনতাইকারীরা প্রত্যেকেই মুখোশ পড়া অবস্থায় ছিল ফলে নান্টু রায় কাউকেই চিনতে পারেননি বলেও তিনি জানান। 

আহত নান্টু রায়কে তার স্বজনরা মুমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে তাকে সদর হাসপাতালে নিয়ে যান।

আহত ব্যবসায়ীর চাচাতো ভাই উত্তম রায় জানান, গুরুতর আহত অবস্থায় নান্টু রায়কে প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। আহত নান্টু রায়ের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেন এবং তার স্বজনরা সেই রাতেই তাকে ঢাকায় নিয়ে যান। 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আরিফুল রহমান হিমেল জানান, মাথায় গুরুতর আঘাত নিয়ে তিনি হাসপাতালে এসেছিলেন। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে অবস্থার অবনতি  হওয়ায় মুমূর্ষ অবস্থায় তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এমরানু্ল ইসলাম জানান, ছিনতাইয়ের বিষয়ে আমাদের কাছে কোনো তথ্য নেই। এ ব্যাপারে খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

সাইফুর রহমান সুইটের বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার প্রতারণা ও জালিয়াতির চাঞ্চল্যকর অভিযোগ!


সাইফুল, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন, ২০২৫, ১০:৩৯
সাইফুর রহমান সুইটের বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার প্রতারণা ও জালিয়াতির চাঞ্চল্যকর অভিযোগ!

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

নিউজ ডেস্ক, ঢাকা: রাজধানীর বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলার পলাতক আসামি সাইফুর রহমান সুইটের বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার প্রতারণা, জালিয়াতি, অর্থ আত্মসাৎ ও চাঁদাবাজির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সিআইডি তদন্তে উঠে এসেছে তার নেতৃত্বাধীন একটি সুপরিকল্পিত প্রতারক চক্রের চাঞ্চল্যকর তথ্য।

সিআইডি সূত্রে আরও জানা যায়, অভিযুক্ত সাইফুর রহমান সুইটের প্রকৃত নাম মীর হাবিবুর রহমান। তার পিতার নাম মীর আঃ শুকুর ও মাতার নাম মোসা হাসিনা বেগম। স্থায়ী ঠিকানা যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার পানিসারা, মীরপাড়া। এসএসসি রোল নম্বর ৫৮৮১৩৩, রেজি নম্বর ২৩০৮৭০, সেশন ১৯৯৫-৯৬, জন্ম তারিখ ৩১-০১-১৯৮০, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সুরতজান মাধ্যমিক বিদ্যালয়, যশোর বোর্ড। তদন্তে জানা যায়, সাইফুর রহমান সুইট দীর্ঘদিন ধরে পরিচয় গোপন করে নানা ছদ্মনামে প্রতারণা চালিয়ে আসছেন। নিজের নাম পরিবর্তন করে তৈরি করেছেন নতুন জাতীয় পরিচয়পত্র (নং: ১৯৭৯২৬৯২৫১৬০২৪২৬৭) এবং পাসপোর্ট (নং: J0070312), যেখানে তার জন্মতারিখ দেখানো হয়েছে ০৫/১০/১৯৭৯। তার স্ত্রী পারভিন সুলতানা রোজির নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় সাজিয়া খাতুন।

প্রতারণার বিস্তৃত চিত্র: সাইফুর রহমান ও তার চক্র ভুয়া কোম্পানি, জাল দলিল ও ভূয়া ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। ভুক্তভোগীদের থেকে এখন পর্যন্ত ২৪ কোটিরও বেশি টাকা আত্মসাৎ করার তথ্য নিশ্চিত করেছে ডিবি। এক ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, তাকে ১৩ তলা ভবনের মালিকানা দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে কিস্তিতে কয়েক কোটি টাকা নেওয়া হয়, কিন্তু পরে কোনো ভবন তো দেয়াই হয়নি বরং হুমকি দিয়ে চুপ থাকতে বাধ্য করা হয়। ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন থানায় সাইফুর রহমানের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে।

ব্যাংক লোন জালিয়াতি: ডিবি সূত্রে আরও জানা যায়, মীর হাবিবুর রহমান সুইট ছদ্মনামে “মীর ট্রেডিং কর্পোরেশন” নামে একটি ভুয়া প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ফারমাস ব্যাংকের (বর্তমানে পদ্মা ব্যাংক) মাওনা শাখা থেকে ২০১৬ সালে ১৩ কোটি টাকা লোন নেন। তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল ফারমাস ব্যাংকের অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান বাবুল চিশতির সঙ্গে। তার স্ত্রীর নামে আইকন ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল প্রতিষ্ঠা করে ওই প্রতিষ্ঠানের নামে ২ কোটি ৮০ লাখ টাকা লোন পাশ করান। ২০১৬ সালে লুব কেয়ার বিডি লিমিটেড নামে তিন জন পার্টনার শীপে একটি কোম্পানী করে, উক্ত কোম্পানীর ব্যাংক সিসি অ্যাকাউন্ট থেকে পার্টনারদের সইকৃত চেক চুরি করে নিয়ে ৬ কোটি টাকা উত্তোলন করে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে জানা যায় কোম্পানি করার সময় যে এনআইডি (NID) ব্যবহার করেছে তা সম্পূর্ণরূপে ভুয়া। এতে করে পার্টনার ও ব্যাংকের সাথে প্রতারণা করে।

২০১৫ ও ২০১৬ সালে বাবুল চিশতির ছত্রছায়ায় একাধিক প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ পাশ করিয়ে একটি বিশাল লোন বাণিজ্যের চক্র গড়ে তোলেন। এই ঋণ জালিয়াতির ফলেই ফারমাস ব্যাংক আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে এবং ২০১৯ সালের ১৯ এপ্রিল বাবুল চিশতি গ্রেফতার হন। এরপর ডিবিসি নিউজে স্ক্রলিংয়ে সাইফুর রহমান সুইট ও তার পরিবারের বিদেশ যাত্রা নিষিদ্ধের খবর প্রকাশ হলে, তিনি তেজগাঁওয়ের গুলশান লিংক রোডের “লুব কেয়ার বিডি লিঃ”-এর অফিস থেকে যাবতীয় কাগজপত্র সরিয়ে নিয়ে পালিয়ে যান এবং পার্টনারদের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেন। সাইফুর রহমান সুইট তার নাম এবং স্ত্রী ও প্রতিষ্ঠানের নামে নেওয়া লোনের অর্থ মালয়েশিয়ায় পাচার করে সেখানে বিপুল সম্পদ গড়ে তুলেছেন। বর্তমানে তিনি মালয়েশিয়ায় পলাতক রয়েছেন। এইসব প্রতারণার সাথে তার ছোট ভাই হাফিজুর রহমান (বাদল) জড়িত। অনেক যোগাযোগের চেষ্টা করা হয় তারপরও তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। বর্তমানে সে পলাতক।

 পদ্মা ব্যাংকের দায়ের করা মামলার বিস্তারিতঃ
অর্থঋণ মোকদ্দমা নং: ০৩/২০২০ (গাজীপুর ঋণ আদালত-১)
আইকন ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা নং: ৩১/২০২১
মোট ঋণ খেলাপির পরিমাণ: প্রায় ২৪ কোটি টাকা
ডিবি'র মন্তব্য: ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পূর্ব বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা মোহাম্মদ গোলাম সারোয়ার বলেন, সাইফুর রহমান একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের অন্যতম হোতা। আমরা তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছি। বহু মানুষ এই চক্রের ফাঁদে পড়ে নিঃস্ব হয়েছে।

এই প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি সাইফুর রহমান সুইটকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, এই জালিয়াত চক্রের সদস্যদের বিচারের মুখোমুখি করে ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - সারাদেশ