a টাঙ্গাইলে স্টেনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা, দুটি বগি ক্ষতিগ্রস্ত
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২ মাঘ ১৪৩২, ০৫ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

টাঙ্গাইলে স্টেনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা, দুটি বগি ক্ষতিগ্রস্ত


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বৃহস্পতিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২৩, ০৯:০৯
টাঙ্গাইলে স্টেনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা, দুটি বগি ক্ষতিগ্রস্ত

ফাইল ছবি

টাঙ্গাইল রেলওয়ে স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা কমিউটার ট্রেনে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে। এতে ট্রেনের দুটি বগি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বুধবার (১৫ নভেম্বর) দিবাগত রাত ৩টার দিকে টাঙ্গাইল থেকে ঢাকাগামী ট্রেনটিতে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।

টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মোহাম্মদ ইদ্রিচ গণমাধ্যমকে বলেন, রাত ৩টার দিকে খবর পেয়ে স্টেশনে গিয়ে ট্রেনের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। ট্রেনের ইঞ্জিনের কাছাকাছি দুটি বগি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কমিউটার ট্রেনটি টাঙ্গাইল টু ঢাকা অভিমুখে স্টেশনে দাঁড়িয়ে ছিল।

পুলিশ জানিয়েছে, রাত ৩টায় পঞ্চগড় থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রেন টাঙ্গাইল স্টেশন ত্যাগ করার পর আগুন লাগে। আগুনের সূত্রপাত তদন্ত শেষে জানা যাবে।

ঘারিন্দা রেলস্টেশনের বুকিংমাস্টার সেলিম মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রাত ৩টার দিকে ঘারিন্দা রেলস্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনটির দুইটি বগিতে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। পরে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট গিয়ে এক ঘণ্টার মতো চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। কে বা কারা আগুন দিয়েছে তা তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেনি কেউই। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

চাঁদা আদায়ের নামে গ্রেফতার নাটক, সিআইডির ২ সদস্যসহ গ্রেফতার ৫


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক:
শনিবার, ০৬ জানুয়ারী, ২০২৪, ১০:১৯
চাঁদা আদায়ের নামে গ্রেফতার নাটক, সিআইডির ২ সদস্যসহ গ্রেফতার ৫

ছবি: সংগৃহী যুগান্তর ডেস্ক

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) এস আই রেজাউল করিম নিজেকে ইন্সপেক্টর রবিউল পরিচয়ে টার্গেট ব্যক্তিদের ফোন করেন। তাদের বলেন, ‘আপনার নামে অভিযোগ আছে। আপনি মানি লন্ডারিং করেন।’ টার্গেট ব্যক্তিকে মালিবাগের সিআইডি হেডকোয়ার্টার্সে ডাকেন তিনি। অফিসে না আসলে ওই ব্যক্তিকে তার বাসা থেকে তুলে নিয়ে আসেন। পরে টাকা নিয়ে ছেড়ে দেন। তার এসব কাজে সহায়তা করেন আবু সাঈদ নামে সিআইডির আরেক সদস্যসহ অপর ৩ ব্যক্তি। দীর্ঘদিন ধরেই তারা এ ধরনের কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে। পুলিশের তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তার এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড এতদিন কেউ না জানলেও এক ভুক্তভোগীর করা মামলায় বিষয়টি সামনে উঠে এসেছে। এ নিয়ে পুলিশ প্রশাসন সতর্ক হয়েছে। শর্ষের ভেতর ভূত। এ যেন সেই বইয়ের বাগধারাই বাস্তবতা। আসলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনেকের বিরুদ্ধে মানুষকে জিম্মি করে অথবা তাদের কাছে বিভিন্ন আইনগত সুবিধা নিতে গেলে উল্টো তারাই প্রকারন্তরে ক্ষতিগ্রস্থ ও হেরাজমেন হন। আবার বিভাগীয় তদন্তে অনেকেই ছাড় পেয়ে যান, ফলে পরবর্তীতে এরা আরো বেপরোয়া হয়ে উঠে। তবে এবার ভুক্তভোগী গার্মেন্ট ব্যবসায়ী মোস্তাফিজুর রহমান অনেকটা সাহসের পরিচয় দিয়েছেন। রাজধানীর ভাটারা থানায় মামলা করেছেন। তাতে উল্লেখ করেছেন, তাকে জিম্মি করে তার বাবার অপারেশনের জন্য জমি বিক্রির টাকা ও ব্লাংক চেকে সই নেয় সিআইডির ওই চক্রের সদস্যরা। এটি তিনি কোনভাবেই সহ্য করতে পারেননি। ওই মামলায় অভিযুক্ত সিআইডি এসআই রেজাউল করিম (৩৯), কনস্টেবল আবু সাঈদসহ (৩২) পাঁচ জনের বিরুদ্ধে অপহরণ, মারধর ও চাঁদাবাজির অভিযোগ করা হয়েছে। তাদের গ্রেফতারও করেছে ডিবি পুলিশ। অন্য আসামিরা হলেন- বরিশালের উজিরপুরের মো. ইমন (২১), একই উপজেলার আব্দুল্লাহ আল ফাহিম (২১) ও ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার শরীফ হোসেন (২৬)। ফাহিম ও ইমনকে গত ৩ ডিসেম্বর গ্রেফতার করা হয়। আর বাকি তিনজনকে রোববার গ্রেফতার করা হয়। সোমবার অনেকটা গোপনেই তাদের কারাগারে পাঠিয়েছে ডিবি পুলিশ। অথচ অন্যান্য আসামিদের বেলায় ব্রিফিং করে আসামিদের ছবিসহ গণমাধ্যমকে অবহিত করা হয়। ভাটারা থানায় করা মামলার বাদী মো. মোস্তাফিজুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, তিনি গার্মেন্ট ব্যবসায়ী। টাকা নেওয়া ছাড়াও তার কাছ থেকে ব্লাংক চেকে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। ওই এলাকার অনেকের কাছ থেকেই এই চক্র বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ফন্দি আটিয়ে টাকা আদায় করেছে। এর আগে রংপুর থেকে দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলায় গিয়ে এক বাড়ি থেকে দুজনকে অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সিআইডির তিন সদস্যকে আটকের পর আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়। সিআইডির ওই তিন সদস্যের মধ্যে একজন সহকারী পুলিশ সুপার, একজন সাব ইন্সপেক্টর ও একজন কনস্টেবল। সিআইডির সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় নানা অপকর্মের অভিযোগ উঠেছে। অনেকে কারাগারেও গিয়েছেন কিন্তু পরবর্তীতে তাদের খবর অদৃশ্যই থেকে যায়। ৩১ অক্টোবর ভাটারা থানায় দায়ের করা মামলায় ভুক্তভোগী মো. মোস্তাফিজুর রহমান উলে­খ করেন, গত ৭ অক্টোবর আমাকে হোয়াটস-অ্যাপে ফোন করে এক ব্যক্তি বলেন, আমি সিআইডির ওসি রবিউল বলছি। আপনি আগামীকাল সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে মালিবাগ সিআইডি অফিসে এসে আমার সঙ্গে দেখা করবেন। তখন মোস্তাফিজ বলেন, ‘আমি একটু ব্যস্ত আছি। আমি আগামীকাল দুপুরের পর আপনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারব।’ পরদিন সকালে ৪ জন হেলমেটধারী ব্যত্তি সিআইডির পোশাক ও আইডি কার্ডসহ আমাকে বাসা থেকে ধরে নিয়ে যায়। এ সময় আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। প্রকাশ্যে চড়থাপ্পড় মারে। পরে আমাকে পূর্বাচলের নির্জন একটি লেকের পাড়ে নিয়ে মারধর করে। আমার কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করে। পরে ইসলামী ব্যাংকের নিকুঞ্জ শাখায় আমাকে নিয়ে যায়। সেখানে আমার এটিএম কার্ডের মাধ্যমে বুথ থেকে ৫ লাখ ২০ হাজার টাকা তুলে নেয় তারা। পরে নির্যাতন করে ইসলামী ব্যাংকের দুটি ব্লাংক চেকে সই নেয়। এমনকি তিনশ টাকার একটি ব্লাংক স্ট্যাম্প পেপারেও সই নেয় তারা। বিষয়টি কাউকে বললে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।’ এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃতদের বিষয়ে জানা গেছে, এসআই রেজাউল সিআইডি হেডকোয়ার্টার্সে কর্মরত। তার বাড়ি পিরোজপুরের ইন্দুরকানি থানার চর বলেশ্বর বালিপাড়া। তার বাবার নাম মোহাম্মদ আলতাব হোসেন হাজী। আর কনস্টেবল আবু সাঈদও সিআইডি হেডকোয়ার্টার্সে কর্মরত। তার বাড়ি রাজবাড়ী জেলার পাংশা থানার শাহমিরপুর। বাবার নাম আব্দুল হামিদ। সোমবার বিকালে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে সাংবাদিকরা এ বিষয়ে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদের কাছে জানতে চান। তখন তিনি বলেন, ভাটারা থানায় চলতি বছরের আগস্ট মাসে এক ট্রাভেল ব্যবসায়ী ভুক্তভোগী হিসাবে একটি মামলা করেন। মামলায় তিনি অভিযোগ করেন, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) পরিচয় দিয়ে ফোন করে ধরে নিয়ে টাকা-পয়সা আদায় শেষে ফেলে যাওয়ার। ডিবি প্রধান বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই এমন বেশ কিছু অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের (উত্তর) তদন্তের নামে। তদন্তের পর্যায়ে বরিশাল থেকে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে আদালতের তারা ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে অপহরণ ও টাকা আদায়ের কথা স্বীকার করে। এই সময়ে তদন্তকারীরা জানতে পারেন, চক্রে একজন পরিদর্শক ও আরেকজন উপ-পরিদর্শক (এসআই) পদের দুই পুলিশ সদস্য জড়িত রয়েছে। যদিও পরে জানা যায়, যিনি নিজেকে পরিদর্শক রবিউল পরিচয় দিয়েছেন তিনি আসলে একজন এসআই। তারা নিজেদের ভুয়া নাম-পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তিকে ধরে নিয়ে টাকা-পয়সা আদায় করে থাকে। তিনি বলেন, পরবর্তীতে দুজনের নাম-পরিচয় নিশ্চিত হওয়ায় অপহরণ ও ব্যাংক থেকে টাকা তোলার সিসিটিভি ফুটেজ, কল লিস্ট এবং লোকেশন ট্রাকিং করে নিশ্চিত হওয়ার পর সিআইডির দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। ডিবি প্রধান আরও বলেন, আমরা তাদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করব। তাদের কাছ থেকে জানার চেষ্টা করা হবে আর কেউ জাড়িত আছে কি না, অথবা বর্তমান ও সাবেক কোনো পুলিশ সদস্য জড়িত আছে কি না। এদিকে, ডিবির ওয়ারী বিভাগের ডিসি আ. আহাদের বিরুদ্ধে গঠিত তদন্ত কমিটির বিষয়ে জানতে চাইলে ডিবি প্রধান বলেন, এক ব্যক্তির অভিযোগ পেয়ে জয়েন কমিশনার নর্থকে প্রধান করে দুই সদস্যে কমিটি করা হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পরই বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানান ডিবি প্রধান। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

তিস্তা চুক্তি বাস্তবায়ন কেন হয়নি সেটা আমরা জানি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী  


নিউজ ডেস্ক:
শনিবার, ১৩ মার্চ, ২০২১, ৯:০৫
তিস্তা চুক্তি বাস্তবায়ন কেন হয়নি সেটা আমরা জানি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী  

ফাইল ফটো:পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, ভারতের সঙ্গে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি ১০ বছর আগেই সই সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু তার বাস্তবায়ন করা হয়নি। কী কারণে সেটা বাস্তব রূপ পায়নি সেটা আমরা জানি। শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সহিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ সব কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তিস্তা চুক্তি ১০ বছর আগে সম্পন্ন হয়েছে। দুই পক্ষই ডকুমেন্টে সই করেছে। ভারত সরকার আমাদের বলেছে, আগে যে চুক্তি হয়েছে সেটা ‘স্টান্ডবাই’। তারা এটা গ্রহণ করে এবং তার থেকে কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি। 

কি কারণে সেটা বাস্তবায়ন হয় নাই, আমরা সেটা জানি। তিনি পরোক্ষভাবে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অসহযোগিতার ইঙ্গিতই প্রকাশ করেছেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - অপরাধ