a পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার ও তদন্ত প্রক্রিয়া স্বচ্ছ হয়নি: জিএম কাদের এমপি
ঢাকা মঙ্গলবার, ৩০ পৌষ ১৪৩২, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার ও তদন্ত প্রক্রিয়া স্বচ্ছ হয়নি: জিএম কাদের এমপি


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
শনিবার, ২৫ ফেরুয়ারী, ২০২৩, ০৯:৫১
পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার ও তদন্ত প্রক্রিয়া স্বচ্ছ হয়নি: জিএম কাদের এমপি

ফাইল ছবি

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদের এমপি বলেছেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার ও তদন্ত প্রক্রিয়া স্বচ্ছ হয়নি। বেশির ভাগ শহিদ পরিবার মনে করে, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার ও তদন্তে স্বচ্ছতা নেই। তাই শহিদ পরিবারের মনে ক্ষোভ আছে। সরকারের দৃষ্টি দেওয়া দরকার নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিচারে যেন শহিদ পরিবারগুলো সন্তুষ্ট হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, এত বড় হত্যাকাণ্ড হয়ে গেল- কেউই কিছু জানতে পারল না। কেউ আঁচ করতে পারলে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হলো না? আবার এমন ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়িত্বশীল যারা আঁচ করতে পারেনি, তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে? এমন অনেক প্রশ্নের উত্তর জাতি জানতে চায়।

শনিবার সকালে সামরিক কবরস্থানে পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহিদ সেনা কর্মকর্তাদের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে দোয়া-মোনাজত করেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। পরে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে এসব কথা বলেন তিনি।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, ২৫ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ইতিহাসে অত্যন্ত মর্মান্তিক দিন। মহান মুক্তিযুদ্ধে যত সেনা কর্মকর্তা শহিদ হয়েছেন, এর চেয়ে বেশি সেনা কর্মকর্তা শহিদ হয়েছেন পিলখানা হত্যাকাণ্ডে। তাই এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ও লজ্জাজনক। আমরা শোকাহত, আমার ভাগনে এই হত্যাকাণ্ডে শহিদ হয়েছেন। পিলখানা হত্যাকাণ্ডে নিহত সব সেনা কর্মকর্তাসহ নিহত সবার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।  সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভে পুলিশ-সেনাবাহিনীর গাড়িতে আগুন


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বৃহস্পতিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৪, ০১:২১
 মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভে পুলিশ-সেনাবাহিনীর গাড়িতে আগুন

ছবি সংগৃহীত:


রাজধানীর মিরপুর ১৪ নম্বরের কচুক্ষেত এলাকায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের গাড়িতে আগুন দিয়েছে আন্দোলনরত পোশাক শ্রমিকরা।

আজ ৩১ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ওই এলাকায় যান চলাচল ২ ঘন্টায় বন্ধ ছিল।

জানা গেছে, বিভিন্ন দাবিতে ডাইনা নামে একটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা রাস্তায় নামেন। এ সময় পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলন থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ এবং এক পর্যায়ে তারা সেনাবাহিনীর একটি গাড়ি ও পুলিশের একটি লেগুনাতে আগুন ধরিয়ে দেয়।

কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজি গোলাম মোস্তফা এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর দু’টি পরিবহনে অগ্নিসংযোগ করেছে পোশাক শ্রমিকরা। এ ঘটনার পর পুলিশ ও সেনা সদস্যরা তাদের ছত্রভঙ্গ করার উদ্যোগ নেয়। ঘটনার পর দমকল বাহিনীর দু’টি ইউনিট ঘটনাস্থলে গাড়ির আগুন নেভানোর কাজ করছে।

স্থানীয়দের মতে, এই সঙ্ঘাত প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলে। ফলে দুই ঘণ্টার জন্য যান চলাচল বিঘ্নিত হয়। এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সূত্র: নয়াদিগন্ত

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

সংকটময় পরিস্থিতিতে সুযোগসন্ধানীরা ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করার চেষ্টা করে


কর্নেল(অব.) আকরাম, কলাম লেখক, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ২৬ ফেরুয়ারী, ২০২৫, ১১:১২
সংকটময় পরিস্থিতিতে সুযোগসন্ধানীরা ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করার চেষ্টা করে

ছবি সংগৃহীত

 

ঘোলা পানিতে মাছ শিকার অনেক পুরনো কৌশল। সংকটময় পরিস্থিতিতে সুযোগসন্ধানীরা নিজেদের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করে, জনগণের বৃহত্তর স্বার্থকে উপেক্ষা করে। এটি ব্যক্তি পর্যায়ে যেমন ঘটে, তেমনই জাতীয় জীবনেও দেখা যায়।  

জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর বিএনপির সাত্তার সরকার যখন দুর্বল হয়ে পড়ে, তখন জেনারেল এরশাদ সেই সুযোগ নিয়ে ক্ষমতা দখল করেন। তিনি গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেন এবং তার শাসনামলে দুর্নীতি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। যদিও তিনি দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে কিছু কাজ করেছিলেন, কিন্তু প্রায় এক দশক ধরে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকারকে উপেক্ষা করেন। শেষ পর্যন্ত ১৯৯০ সালে গণআন্দোলনের মাধ্যমে তিনি ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন।  

২০০৭ সালে, রাজনৈতিক অস্থিরতার সুযোগ নিয়ে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারপ্রধান ড. ইয়ারুদ্দিনকে সরিয়ে জেনারেল মইনউদ্দিন ক্ষমতা গ্রহণ করেন। সেই সময়ের সামরিক বাহিনীর এক গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা তাকে বঙ্গভবনে প্রবেশে সহায়তা করেন, যিনি এখন নির্দোষ হওয়ার ভান করছেন। এটি ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ ষড়যন্ত্র ছিল, যার মাধ্যমে তারা বাংলাদেশ থেকে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল।  

ব্যক্তিগত স্বার্থে জাতীয় স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে জেনারেল মইনউদ্দিন ইতিহাসের দ্বিতীয় মীরজাফর হয়ে ওঠেন। শেষ পর্যন্ত মীরজাফরের মতোই তার পরিণতি ঘটে এবং ভারতের নির্দেশে তিনি ক্ষমতা আওয়ামী লীগের হাতে তুলে দেন।  

২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে, আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের মাত্র দুই মাস পর, বিডিআর বিদ্রোহের নামে ৫৭ জন সামরিক কর্মকর্তা নির্মমভাবে নিহত হন—এমন হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের ইতিহাসে কখনো ঘটেনি।  

যে জেনারেল তার অধীনস্থ অফিসারদের জীবন রক্ষার দায়িত্বে ছিলেন, তিনি পলাশীর যুদ্ধে মীরজাফরের মতোই নিষ্ক্রিয় থাকেন। বিদেশি শক্তির ষড়যন্ত্রে দেশীয় দালালদের সহযোগিতায় শুধু ক্ষমতা হারায়নি বরং প্রায় দুই শতাব্দী ব্রিটিশ শাসনের অধীনে দাসত্ব করতে বাধ্য হয়েছে।  

১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের পর শত বছরের সংগ্রামে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করলেও, পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ও ভারতের আধিপত্যবাদী নীতির ষড়যন্ত্রের শিকার হতে হয়।  

স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসেও আমরা একের পর এক বিদেশি ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছি। আজও সেই ষড়যন্ত্র চলছে, আমাদের স্থায়ীভাবে দুর্বল করে রাখার জন্য। তবে ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লব আমাদের সামনে পরিবর্তনের সুযোগ এনে দিয়েছে। কিন্তু এখনো সেই পরিবর্তনের যথাযথ ব্যবহার করা সম্ভব হয়নি।  

বিপ্লবী নেতৃত্বকে ধৈর্য ও বিচক্ষণতার সঙ্গে কাজ করতে হবে এবং ক্ষমতার জন্য অস্থির হওয়া উচিত নয়। জনগণ সবসময় তাদের অবদানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।  

ড. ইউনুসের নেতৃত্বের প্রতি জনগণের আস্থা থাকলেও, আইনশৃঙ্খলার উন্নতি না হওয়া এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম নিয়ন্ত্রণ করতে না পারায় তারা হতাশ।  

এদিকে, দেশের দুই প্রধান রাজনৈতিক দল আলাদা পথে এগোনোর চেষ্টা করছে, যা জাতির জন্য দুর্ভাগ্যজনক। যখন জাতীয় ঐক্যের প্রয়োজন, তখন তাদের এই বিভক্তি শত্রুদের জন্য সুযোগ তৈরি করছে।  

সম্প্রতি সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকারুজ্জামান 'শহীদ সেনা দিবস'-এ অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সামনে রাজনৈতিক সংকট নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন যে, রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের বিবাদ বন্ধ না করলে এবং দায়িত্বশীল না হলে দেশের সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়তে পারে।  

তবে তার বক্তব্য নিয়ে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। সমালোচকরা বলছেন, তিনি কোনো বিশেষ শক্তির ইঙ্গিতে কাজ করছেন। কেউ কেউ মনে করছেন, তার ও ড. ইউনুসের মধ্যে দূরত্ব বাড়ছে।  

তবুও, আমরা এখনো তার নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রাখতে চাই এবং বিশ্বাস করি যে, তিনি দেশের ও জনগণের স্বার্থে যথাসাধ্য চেষ্টা করবেন।

 

লেখক: রাজনৈতিক কলাম লেখক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

সর্বশেষ - অপরাধ