a ব্যাংকে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের সন্ধান পেয়েছেন গোয়েন্দা সংস্থা
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ পৌষ ১৪৩২, ০১ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

ব্যাংকে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের সন্ধান পেয়েছেন গোয়েন্দা সংস্থা


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বৃহস্পতিবার, ১১ নভেম্বর, ২০২১, ০৯:৩১
ব্যাংকে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের সন্ধান পেয়েছেন গোয়েন্দা সংস্থা

ফাইল ছবি

গত সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হওয়া পাঁচ ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা ঘটেছে। গোয়েন্দারা প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িত একটি চক্রের সন্ধান পেয়েছেন।

তারা পরীক্ষা আয়োজক ও ব্যাংকে কর্মরত অন্তত তিনজনের নামও পেয়েছেন। তাদের ধরার জন্য অভিযানও চলছে। তাদের সঙ্গে এ অপকর্মে আরও কয়েকজনকে চিহ্নিত করা গেছে বলেও গোয়েন্দাদের দাবি। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক এখনও বলে যাচ্ছে, তাদের কাছে এমন তথ্য নেই। তবে প্রমাণ মিললে তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

সোনালী, রূপালী, জনতা, অগ্রণী ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকে নিয়োগ পরীক্ষা ছিল গত ৬ নভেম্বর। ওই পাঁচ ব্যাংকে এক হাজার ৫১১টি পদে নিয়োগ পরীক্ষায় এক লাখ ১৬ হাজার ৪২৭ চাকরিপ্রত্যাশী অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশ ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির আওতায় পাঁচ ব্যাংকের অফিসার (ক্যাশ) নিয়োগের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ছিল সেদিন। সেদিনই প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ পাওয়া যায়।

পরীক্ষার্থীদের অনেকেই দাবি করেছেন, আগেই প্রশ্নপত্র অনেকের কাছে ছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাদের কেউ কেউ পোস্ট দিয়ে এসব তথ্য জানানোর পাশাপাশি পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার দাবি জানানো হয়। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের যথাযথ ভাষ্য ছিল- প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি।

শেষ পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার যে দাবি করেছেন, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের তদন্তে তার সত্যতা পেয়েছেন। যে প্রশ্নে পরীক্ষা হয়েছিল, তা হুবহু আগেই অনেক শিক্ষার্থীর কাছে চলে গেছে- এমন প্রমাণও পাওয়া গেছে।

এবার ব্যাংকের প্রশ্ন ফাঁসের এই সিন্ডিকেটের মধ্যে দু'জন ব্যাংকার ও একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা রয়েছেন। প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত এমন কয়েকজনকে গোয়েন্দা নজরদারিতে রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ঢাকা গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মো. হারুন-অর রশিদ  মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি বলেন, ব্যাংকের প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় আজকালের মধ্যে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানানো হবে। এর বেশি এখন বলতে চাই না।

প্রশ্ন ফাঁসের প্রমাণ মিলেছে কিনা- এর উত্তরে তিনি বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ব্যাপারে তথ্য-প্রমাণ আমরা পেয়েছি। আমরা অনেককে খুঁজছি।

তবে ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটি ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক হুমায়ুন কবির গণমাধ্যমকে বলেন, ২৬ শিক্ষার্থী বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে বলে লিখিত অভিযোগ করেন। তবে আমরা এখনও এমন কোনো প্রমাণ পাইনি। তদন্ত চলছে। আমরাও চাই সত্য উদ্ঘাটিত হোক। যদি প্রশ্ন ফাঁসের সন্দেহাতীত প্রমাণ মেলে, তবে পরীক্ষা বাতিল করা হবে।

জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটি এবার পাঁচটি ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষার দায়দায়িত্ব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আহ্‌ছানউল্লা ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির মাধ্যমে সম্পাদন করে। আহ্‌ছানউল্লা ইউনিভার্সিটির তত্ত্বাবধানে পরীক্ষাটি অনুষ্ঠিত হয়।

একাধিক সূত্রমতে, আহ্‌ছানউল্লা ইউনিভার্সিটিতে কর্মরত আইসিটি টেকনিশিয়ান (হার্ডওয়্যার অ্যান্ড সফটওয়্যার) মো. মুক্তারুজ্জামান তার প্রতিষ্ঠান থেকেই প্রশ্নপত্র সংগ্রহ করেন। তার সঙ্গে আরও কয়েক সহযোগী ছিল। তবে অন্যদের নাম এখনো জানা সম্ভব হয়নি।

একটি দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, প্রশ্নপত্র ফাঁসের এই চক্রের সঙ্গে রূপালী ব্যাংকের সাভারের নবীনগর শাখায় কর্মরত জানে আলম মিলনের সংশ্নিষ্টতা পাওয়া গেছে। তার সঙ্গে জনতা ব্যাংকের গুলশান শাখায় অফিসার পদে কর্মরত শামছুল হক শ্যামলও ছিলেন। জানে আলম ও শ্যামলকে গোয়েন্দা নজরদারিতে রাখা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে একাধিক জায়গায় অভিযানও চালিয়েছে পুলিশ।

জানা গেছে, পাঁচ ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসকারী একটি চক্র সক্রিয় ছিল- এমন তথ্য জানার পর পরীক্ষার কয়েক দিন আগে থেকে গোয়েন্দা ফাঁদ পাতা হয়। প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন হিসেবে যাদের নাম সামনে আসে, তাদের কয়েকজনের সঙ্গে ছদ্মবেশী চাকরিপ্রার্থী সেজে যোগাযোগ করেন গোয়েন্দারা। প্রশ্ন ফাঁস চক্রের অন্যতম সদস্য স্বপন নামে এক ব্যক্তি অগ্রিম টাকার বিনিময়ে প্রশ্নপত্র সরবরাহ করতে রাজি হয়। সব কিছু চূড়ান্ত হলে ছদ্মবেশী গোয়েন্দাদের সঙ্গে স্বপনের চুক্তি হয়- টাকা হাতে পেলেই পরীক্ষার অন্তত ৭ ঘণ্টা আগে একটি 'সেফ হাউসে' নেওয়া হবে। যেখানে চাকরিপ্রত্যাশী প্রশ্ন সরবরাহ করে উত্তর মুখস্থ করানোর ব্যবস্থা করা হবে।

এমন কৌশল প্রয়োগ করেই স্বপনের খোঁজ মেলে। পরীক্ষার আগে তার কাছে হুবহু প্রশ্নপত্র চলে আসে। স্বপনের সঙ্গে রূপালী ব্যাংকের কর্মকর্তা জানে আলমসহ আরও কয়েকজন ব্যাংকার এবং অন্যান্য পেশার লোকের সঙ্গে প্রযুক্তিগত যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে। ওই তথ্য বলছে, পরীক্ষার কয়েক ঘণ্টা আগে তাদের সবার কাছে প্রশ্নপত্র পৌঁছে যায়।

জানা গেছে, জানে আলম, মুক্তারুজ্জামান ও শ্যামল মিলে চার দফায় প্রশ্নপত্র সংগ্রহ করেছে। পুলিশের তদন্ত বলছে, অন্তত ৩০০ জনের কাছে তাদের মাধ্যমে পরীক্ষার আগেই প্রশ্ন চলে যায়। ৭-১৫ লাখ টাকায় একেকজনের কাছে প্রশ্ন বিক্রি করা হয়েছে।

চুক্তি অনুযায়ী অধিকাংশ চাকরিপ্রত্যাশীর কাছ থেকে পরীক্ষার আগে ২০ শতাংশ টাকা নিয়ে নেয় চক্রটি। বাকি টাকা লিখিত পরীক্ষার আগে ২০ শতাংশ ও সর্বশেষ বাকি অর্থ চাকরি হওয়ার পর পরিশোধের শর্ত ছিল। স্বপনের দায়িত্ব ছিল পরীক্ষার্থী সংগ্রহ করা। জানে আলম ও সামছুল হক সেফ হোম বা বুথে পরীক্ষার্থীদের হাতে প্রশ্ন দিয়ে তা মুখস্থ করার ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করে। আহ্‌ছানউল্লা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রশ্ন সংগ্রহ করার দায়িত্ব ছিল মো. মুক্তারুজ্জামানের। সূত্র: সমকাল

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

দ্যা নিউজ সম্পাদক ও প্রকাশকের উপর হামলার প্রতিবাদ ও মানববন্ধন


সাইফুল আলম, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ০১ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:৪৭
দ্যা নিউজ সম্পাদক ও প্রকাশকের উপর হামলার প্রতিবাদ ও মানববন্ধন

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

সাইফুল আলম, ঢাকা:  বাংলাদেশ সরকারের নিয়ম নীতি মেনে সুনামের সাথে ১৪ বছর ধরে চলমান দ্যা নিউজ ডটকম (thenewse.com) এর সম্পাদক ও প্রকাশক প্রমিথিয়াস চৌধুরীকে ইসকন এর ট্যাগ লাগিয়ে খোলা বাজারে টর্চার, জিম্মি করে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর এবং ব্যাংকের চেকের পাতা নেওয়া, বার্তা সম্পাদক তৃণা রায় চৌধুরীকে মুসলিম পুরুষদের দিয়ে গ্যাং রেপের প্রকাশ্য হুমকির প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানব বন্ধন। আজ ১ নভেম্বর সকাল ১১ ঘটিকায় রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দ্যা নিউজ ডটকম এর সম্পাদক ও প্রকাশক প্রমিথিয়াস চৌধুরী বাংলাদেশ সরকারের নিয়ম নীতি মেনে সুনামের সহিত ১৪ বছর ধরে দেশে তথ্যসেবা দিয়ে আসছে। বরিশাল জেলার আগৈলঝাড়া থানাধীন পশ্চিম গোয়াইল গ্রামে দ্যা নিউজের কর্ণধারের পৈত্রিক বাড়ীতে আশ্রম নির্মাণ করে ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, আশ্রয়ের জন্য কাজ করছেন। সম্পাদক মহোদয়কে ২৯ অক্টোবর বুধবার বেলা ১টার দিকে স্কুল বন্ধু হালান মোল্লা কল করে বাশাইল বাজারে ডাকেন। সেখানে হালানের টিনের দোকানে সম্পাদক পৌঁছালে ইতিমধ্যে নিজাম মোল্লা হালান ও সাহানুর ওরফে শাহিন পেদা নিজেদের লেনদেন নিয়ে ঝগড়া শুরু করে এক পর্যায়ে সম্পাদককে উল্লেখ করে বলে ওঠে, ও তো ইসকনের দালাল, ও কোথাও কিছু খায়না, ওকে ছাড়া যাবে না। নাম না জানা আরো অনেকে তাকে ঘিরে ধরে। সম্পাদকের সাথে অকথ্যভাষায় গালাগালি করার প্রতিবাদ করলেই শারিরিক হামলা চালায়।  তিনি স্তম্ভিত ও হতভম্ভ হয়ে বসে পড়েন। নিজাম মোল্লা হালান ও কয়েকজন তাদের কিনে আনা স্ট্যাম্পে সম্পাদকের সই নেয়, ব্যাঙ্কের চেক পাতা ও জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি করে নেয়। তারা সমানে হুমকি দিতে থাকে, চেক ও স্ট্যাম্পে সই না দিলে এখান থেকে ছাড়বো না। সম্পাদক সাহেব আওয়ামী লীগ, বিএনপি কোন রাজনীতির সাথে যুক্ত না অথচ ওরা সবাই ছিল আওয়ামী লীগ পন্থি অথচ সেই হালান বলে, তোদের মা হাসিনা পালিয়েছে, তোরা হিন্দুরা বাংলাদেশে কিভাবে থাকবি? এসময় মোল্লা নিজাম হালান আরও বলেন, তোর বউ বেশি খারাপ, ও আমাদের দেখতে পারে না। ওকে মুসলমানদের দিয়ে গ্যাং রেপ করাতে হবে তাহলে বুঝবে আমরা কারা। তখন আমাদের চিনবে ও পছন্দ করবে। তোরা আমাদের শত্রু। এ দেশে তোদের ও ইসকনের কোন স্থান নেই। তোদের মতো লোকের পিসিয়ে মারার মতো লোক আমিই যথেষ্ট। বাশাইল মসজিদ নিয়ে কিছুদিন ঝামেলা চলছে সেই ঘটনায় সম্পাদককে ফাঁসিয়ে মামলা করার পরিকল্পনা করেন তারা। দ্যা নিউজের বার্তা সম্পাদক তৃণা রায় চৌধুরী বলেন, সম্পাদক মহোদয় সাত্ত্বিক খাবার খান, খুব সাধারণ ভাবে জীবন যাপন করে মানুষের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। নিজের বাড়ীটাকে সেবামূলক প্রতিষ্ঠান বানিয়েছেন। বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা, গরীব দুঃখী মানুষের খাদ্য আশ্রয়, শিক্ষার জন্য বিদ্যালয় চালুসহ অনেক সেবামূলক কার্যক্রম চালু করার জন্যই গ্রামের বাড়ীতে বেশি থাকেন। আর তার ফল হল খোলা বাজারে মারধর ও অকথ্য গালি। আমাকে নির্যাতন গ্যাং রেপ করার হুমকি দিচ্ছে তার সামনে। এমন কথা কানে শোনার থেকে মৃত্যু অনেক শ্রেয়।     বার্তা সম্পাদক তৃণা রায় চৌধুরীকে এই লাঞ্ছনাকর কথার প্রতিবাদে মানববন্ধনে অনেক নারী উপস্থিত হয়েছেন। তারা বলেন একজন নারীকে রেপ করার হুমকি আমরা অন্য নারীরা মেনে নেবো না। এই নিজাম মোল্লা হালান এবং তার দোসর শাহিন পেদা, মোঃ সাজ্জাদ হোসেন, সাবেক ইউপি মেম্বার মোঃ ফখরুল ইসলাম মামুনসহ সকল সহযোগীর দৃষ্টান্তমূলক চরম শাস্তি দাবী করছি। পরিশেষে যেকোন ব্যক্তি সম্পর্কে যাচাই না করে ইসকন/ আওয়ামী দোসর/ কথিত ফেসবুক পোস্ট কিংবা কোন ট্যাগ লাগিয়ে হুমকি নির্যাতন বন্ধে আশু পদক্ষেপ কামনা। দেশের সকল হিন্দু মুসলমান খ্রিস্টান ধর্মীয় মানুষদের শান্তিপূর্ণ সহবস্থানের পক্ষে আইনগত পদক্ষেপের জোরালো দাবী জানিয়েছেন উপস্থিত সাধারণ জনগন।
মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

ঢাকা উত্তরে ৮০ এবং দক্ষিণে ৭৫ ভাগ বর্জ্য অপসারণ


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
রবিবার, ১০ জুলাই, ২০২২, ১২:৩৪
ঢাকা উত্তরে ৮০ এবং দক্ষিণে ৭৫ ভাগ বর্জ্য অপসারণ

ফাইল ছবি

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মোট কোরবানির বর্জ্যের ৮০ ভাগ অপসারণ করা সম্পন্ন হয়েছে। শতভাগ সম্পন্ন হওয়া ১১টি ওয়ার্ড হলো- ০৬, ১৩, ১৯, ২৫, ৩১, ৪৪, ৪৫, ৪৬, ৫২, ৫৩ এবং ৫৪। ডিএনসিসির মুখপাত্র মকবুল হোসাইন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১৭টি ওয়ার্ড হতে প্রথম দিনে কোরবানির পশুর শতভাগ বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে।

শতভাগ বর্জ্য অপসারণকৃত ওয়ার্ডগুলো হলো-১০, ১৬, ২৩, ২৪, ২৮, ২৯, ৩১, ৩৭, ৩৯, ৪০, ৪১, ৪৩, ৫৩, ৫৬, ৫৭, ৭১ ও ৭২ নম্বর ওয়ার্ড।

এ পর্যন্ত ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সার্বিকভাবে প্রায় ৭৫ শতাংশ বর্জ্য অপসারণ করা সম্ভব হয়েছে বলে জানানো হয়। সূত্র: সমকাল

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - অপরাধ