a
ছবি:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে "অপরাধপ্রবণ ব্যক্তির হাতের লিখার বৈশিষ্ট্য" শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। হাতের লেখার মধ্যে মানুষ তার অজান্তেই নিজের চেতন ও অবচেতন মনের আচরণ বা অবস্থা ফুটিয়ে তোলে। একজন হস্তাক্ষর বিশ্লেষক বা গ্রাফোলজিস্ট হাতের লেখার গঠনগত বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে মানুষ এর আচরণ বা ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে বলতে পারে।
"হ্যান্ড রাইটিং ট্রেইটস অফ ক্রিমিনাল টেন্ডেন্সিস" - এই শিরোনামে ১২ই জুন (সোমবার) রোটার্যাক্ট ক্লাব অব ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি ও বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব গ্রাফোলজি এর সহযোগিতায় একটি তথ্যবহুল ওয়ার্কশপ আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সিনিয়র লেকচারার মনিরা নাজমি জাহান।
উল্লেখ্য যে, তিনি বাংলাদেশ ক্রিমিনোলজি অ্যাসোসিয়েশন এর নির্বাহী পরিচালক হিসেবে যুক্ত আছেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রোটার্যাক্ট ক্লাব অব ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি এর সভাপতি ফারিয়া আনজুম খান ধ্রুবা, সহ -সভাপতি তানভির হাসান তালুকদার শাওনসহ অন্যান্য সদস্য।
আজকের প্রোগ্রামের ট্রেইনার হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব গ্রাফোলজি এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মোঃ মিরাজ হোসাইন। তিনি একজন হস্তাক্ষর বিশ্লেষক। এর পাশাপাশি তিনি একজন সাইকোলজিস্ট হিসেবেও কর্মরত আছেন।
হাতের লেখার ধরণ পর্যবেক্ষণ এর মাধ্যমে কিভাবে অপরাধপ্রবণ ব্যক্তিত্ব চিহ্নিত করা যায় তা ছিল আজকের কর্মশালার মূল প্রতিপাদ্য। মোঃ মিরাজ হোসাইন বলেন, "প্রায় ৫০ এর বেশি হাতের লেখার বৈশিষ্ট্যের চিহ্নিত করা হয়েছে অপরাধীদের হাতের লেখা গবেষণা করে। এরমধ্যে কারো কারো হাতের লেখায় যখন ৭-৮ টি বিষয় পরিলক্ষিত হয়, তখন তাকে অপরাধপ্রবণ ব্যক্তি হিসেবে গ্রাফোলজিস্টরা শনাক্ত করেন"।
মনিরা নাজমি জাহান বলেছেন, "প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একজন করে গ্রাফোলজিস্ট থাকা প্রয়োজন যাতে করে শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিত্ব বিশ্লেষণ ও মানসিক অবস্থা শনাক্ত করার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায়। তাছাড়া কর্মচারী নিয়োগ এর ক্ষেত্রে হাতের লেখা বিশ্লেষণ করে ব্যক্তিত্ব অনুধাবন করে নিয়োগ দিলে প্রতিষ্ঠান উপকৃত হবে"।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী ছাত্রছাত্রীরা বাংলা হাতের লেখার উপর গবেষণা করা এবং দেশে গ্রাফোলজিস্ট তৈরির প্রক্রিয়া আরো জোরদার করার আহবান জানায়। অনুষ্ঠান কার্যক্রম শুরু হয়েছে পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে একাংশ পাঠ ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে এবং আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে প্রধান অতিথি ও আজকের ট্রেইনার কে ক্রেস্ট দ্বারা সম্মান জানানোর মাধ্যমে।
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
কুমিল্লার মুরাদনগরে হিন্দু মহিলাকে ধর্ষণের প্রতিবাদে জাতীয় প্রেস ক্লাবে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত। কুমিল্লার মুরাদনগরে সম্প্রতি জনৈকা হিন্দু মহিলাকে নির্যাতন ও ধর্ষণের ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদে আজ ৩০ জুন, সোমবার, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ নারী কল্যান সমিতি,চাঁদের কণা ও সুতাকতন নারী উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সুতাকথন নারী উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি জান্নাতুন ফেরদৌসি, নারী কল্যাণ সমিতি’র সহ-সভাপতি মমতা পারভীন, সাধারণ সম্পাদিকা শামান্তা শাহীন, যুগ্ম সম্পাদক মনোয়ারা মৌলি,উর্মি রহমান, ফরিদা পারভীন, চাঁদের কনার যুগ্ম সম্পাদক মিলন মল্লিক, শামীম হোসেন। সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট কবি সাজেদা ডুলু।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন চাঁদের কণা সভাপতি এটিএম মমতাজুল করিম। সভায় বক্তারা সাম্প্রতিক মব সাংস্কৃতি, নারী নির্যাতন ও কুমিল্লার মুরাদনগরে হিন্দু মহিলাকে নির্যাতন ও ধর্ষণের ঘটনায় নাগরিক সমাজ আজ লজ্জিত।এ ধরনের ঘৃন্য কাজের সঙ্গে জড়িতদের সমুচিত শাস্তি না দিলে এ ধরনের ঘটনা ঘটতেই থাকবে।
ফাইল ছবি
আবারো বাড়ানো হয়েছে স্কুল-কলেজের ছুটি। এবার ৩০ জুন পর্যন্ত স্কুল-কলেজের ছুটি বাড়ানো হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা শনিবার (১২ জুন) এম এ খায়ের এ তথ্য জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে করোনা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় এবং দেশের কোন কোন অঞ্চলে আংশিকভাবে কঠোর লকডাউন কার্যকর থাকায়, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারী ও অভিভাবকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও সার্বিক নিরাপত্তার বিবেচনায় এবং কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটির সাথে পরামর্শক্রমে দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং এবতেদায়ী ও কওমি মাদরাসাসমূহে চলমান ছুটি আগামী ৩০ জুন ২০২১ তারিখ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলে ১৩ জুন থকে দেশের সকল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার হবে বলে জানিয়েছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়।