a
ফাইল ছবি
আফগানিস্তানের নাম বদলে দিচ্ছে তালেবান। দেশটির নতুন নাম হতে যাচ্ছে ‘ইসলামিক এমিরেটস অব আফগানিস্তান’। শিগগিরই দখল করে নেওয়া কাবুলের প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ থেকে এই ঘোষণা দেবেন তালেবান নেতারা।
এদিকে, দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পর তালেবানকে বিজয়ী ঘোষণা করেছেন আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি।
রাজধানী কাবুল ‘পতনের’ মুখে তিনি পালিয়ে তাজিকিস্তানে আশ্রয় নেন। এতে তুমুল সমালোচনার মুখে পড়েছেন আশরাফ গনি। অবশ্য, তিনি দাবি করেছেন, রক্তবন্যা এড়ানোর জন্যই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
রবিবার নিজের ফেসবুক পেজে গনি লেখেন, ‘রক্তবন্যা এড়ানোর জন্য দেশ ছেড়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তই ভালো বলে মনে হয়েছিল।’
এদিকে, আফগান রাষ্ট্রপতি দেশ ছেড়ে পালানোর পরই কাবুলে ঢুকে পড়ে তালেবান। বিদ্রোহী গোষ্ঠীটির দুই শীর্ষ কমান্ডার দাবি করেছেন, রাষ্ট্রপতির প্রাসাদের দখল নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী, মধ্যরাতের কাছাকাছি যে আল-জাজিরা নিউজ নেটওয়ার্কের পক্ষ থেকে যে ফুটেজ দেখানো হয়েছে, তাতে দেখা গেছে যে কাবুলে রাষ্ট্রপতির প্রাসাদে ভিড় করে আছে অসংখ্য তালেবান নেতা।
একটি সংবাদসংস্থা তালেবানদের উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, শিগগিরেই রাষ্ট্রপতির প্রাসাদ থেকে ‘ইসলামিক এমিরেট অব আফগানিস্তান’-এর ঘোষণা করা হবে।
ফাইল ছবি
অস্ট্রেলিয়ার পূর্ব উপকূলের হাইওয়্যাংসিং পৌঁছেছে চীনের পাঠানো পিপলস লিবারেশন আর্মির গোয়েন্দা দ্বিতীয় গুপ্তচর জাহাজ। মার্কিন সেনাবাহিনীর সঙ্গে যৌথ অনুশীলনগুলি ঐতিহাসিকভাবে চীনের আগ্রহকে আকর্ষণ করে। তবে এবারই প্রথমবারের মতো সামরিক মহড়ার জন্য বেইজিংয় দুটি গোয়েন্দা জাহাজ মোতায়েন করেছে।
অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পিটার ডটন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং অস্ট্রেলিয়ার যৌথ সামরিক মহড়া অভিভাবক সাবের (তাবিসমান সাবের) শুরু হতে চলেছে। এর আগে একটি বৃহত্তর নজরদারি প্রচেষ্টার অংশ হিসাবে জাহাজটি পর্যবেক্ষণের জন্য পাঠানো হয়েছে।
ডটন আরও বলেন, জাহাজটি তার আগের প্রজন্মের জাহাজের মতো ট্রানজিট চলাকালীন আইন লঙ্ঘন না করে কাজ চালিয়ে যাবে। স্কাই নিউজকে তিনি বলেছিলেন, 'ওই জাহাজটির প্রতিরক্ষা এই মহড়ার জাহাজগুলির উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে থাকবে।'
ফাইল ছবি
পরমাণু সমঝোতা নিয়ে যৌথ কমিশনের ভার্চুুয়াল বৈঠকে যোগ দেন ইরানের অন্যতম আলোচক সাইয়্যেদ আব্বাস আরাকচি। ইরান ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে, আমেরিকা যেমন কোনও রকমের আলোচনা ছাড়াই ২০১৮ সালে তেহরানের বিরুদ্ধে অবৈধ ও একতরফা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল, তেমনি আলোচনা ছাড়াই তা প্রত্যাহার করতে হবে। নিষেধাজ্ঞা সম্পূর্ণ প্রত্যাহার ছাড়া আমেরিকার সঙ্গে ইরানের কোনও আলোচনা হবে না।
পরমাণু সমঝোতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র ইরানের স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল প্রেস টিভিকে শুক্রবার এসব তথ্য জানিয়েছে। ওই সূত্র জানায়, পরমাণু সমঝোতা থেকে বের হয়ে আমেরিকা ইরানের বিরুদ্ধে যতগুলো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে তার সবগুলো প্রত্যাহার করতে হবে। এর ব্যতিক্রম হলে ইরান আমেরিকার সঙ্গে কোনও আলোচনায় বসবে না।
ওই সূত্র প্রেস টিভিকে আরও জানায়, ইরানের ওপর থেকে সমস্ত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পর ইরানি কর্মকর্তারা তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখার পরই শুধুমাত্র তেহরান পরমাণু সমঝোতার সমস্ত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করবে। যা গত ৮ জানুয়ারি সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী দিক-নির্দেশনা দিয়েছিলেন তার আলোকেই সবকিছু হতে হবে।
সূত্র আরও জানায়, পরমাণু সমঝোতা বাস্তবায়ন বিষয়ক যৌথ কমিশন ধাপে ধাপে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের যে ধারণা দিয়েছে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। বরং সর্বোচ্চ নেতার দিক-নির্দেশনা অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে।