a
ফাইল ছবি
আফগানিস্তানের নাম বদলে দিচ্ছে তালেবান। দেশটির নতুন নাম হতে যাচ্ছে ‘ইসলামিক এমিরেটস অব আফগানিস্তান’। শিগগিরই দখল করে নেওয়া কাবুলের প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ থেকে এই ঘোষণা দেবেন তালেবান নেতারা।
এদিকে, দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পর তালেবানকে বিজয়ী ঘোষণা করেছেন আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি।
রাজধানী কাবুল ‘পতনের’ মুখে তিনি পালিয়ে তাজিকিস্তানে আশ্রয় নেন। এতে তুমুল সমালোচনার মুখে পড়েছেন আশরাফ গনি। অবশ্য, তিনি দাবি করেছেন, রক্তবন্যা এড়ানোর জন্যই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
রবিবার নিজের ফেসবুক পেজে গনি লেখেন, ‘রক্তবন্যা এড়ানোর জন্য দেশ ছেড়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তই ভালো বলে মনে হয়েছিল।’
এদিকে, আফগান রাষ্ট্রপতি দেশ ছেড়ে পালানোর পরই কাবুলে ঢুকে পড়ে তালেবান। বিদ্রোহী গোষ্ঠীটির দুই শীর্ষ কমান্ডার দাবি করেছেন, রাষ্ট্রপতির প্রাসাদের দখল নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী, মধ্যরাতের কাছাকাছি যে আল-জাজিরা নিউজ নেটওয়ার্কের পক্ষ থেকে যে ফুটেজ দেখানো হয়েছে, তাতে দেখা গেছে যে কাবুলে রাষ্ট্রপতির প্রাসাদে ভিড় করে আছে অসংখ্য তালেবান নেতা।
একটি সংবাদসংস্থা তালেবানদের উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, শিগগিরেই রাষ্ট্রপতির প্রাসাদ থেকে ‘ইসলামিক এমিরেট অব আফগানিস্তান’-এর ঘোষণা করা হবে।
সংগৃহীত ছবি
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বহু প্রতীক্ষিত সাক্ষাতে মিলিত হয়েছে। কয়েক ঘণ্টার সাক্ষাৎ শেষে দুই প্রেসিডেন্ট এক যৌথ বিবৃতিতে শিগগিরই পরমাণু অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে দ্বিপক্ষীয় কৌশলগত সংলাপ শুরু করতে নিজেদের সম্মতির কথা ঘোষণা করেছেন।
বাইডেন ও পুতিনের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আমেরিকা ও রাশিয়া এ পর্যন্ত একথা প্রমাণ করেছে যে, তারা চরম উত্তেজনাকর মুহূর্তেও সামরিক সংঘাত ও পরমাণু যুদ্ধ এড়িয়ে যেতে সক্ষম। বিবৃতিতে পরমাণু অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক দ্বিপক্ষীয় স্টার্ট চুক্তি নবায়নের প্রতি ইঙ্গিত করে বলা হয়েছে, এ থেকে বোঝা যায়, দু’দেশ পরমাণু অস্ত্র নিয়ন্ত্রণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আমেরিকা ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্টদের যৌথ বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, “পরমাণু যুদ্ধে কেউ বিজয়ী হতে পারবে না কাজেই যে কোনো মূল্যে এ ধরনের যুদ্ধ এড়িয়ে চলা উচিত।”
এদিকে পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাতের পর এক সংবাদ সম্মেলনে বাইডেন বলেছেন, রাশিয়া ও আমেরিকার মধ্যে সম্পর্ক ও সহযোগিতার উন্নয়ন শুধু দু’টি দেশের স্বার্থ রক্ষা করবে না সেইসঙ্গে তা গোটা বিশ্বের কল্যাণ বয়ে আনবে। তিনি ইরানের পরমাণু সমঝোতা নিয়েও রুশ প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আলাপ করেছেন বলে জানান।
তবে এই সমঝোতা থেকে আমেরিকা একতরফাভাবে বেরিয়ে যাওয়ার কারণে যে চলমান অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে সে বিষয়টি সম্পূর্নভাবে এড়িয়ে যান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, আমেরিকা ও রাশিয়ার যৌথ স্বার্থে দু’টি দেশ এই নিশ্চয়তা অর্জন করতে চায় যে, ইরান পরমাণু অস্ত্র তৈরি করছে না। সূত্র: পার্সটুডে
ফাইল ছবি
বিদেশি আক্রমণ ঠেকাতে বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে বিদেশি আক্রমণ ঠেকাতে ৫১টি শহরে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে ইরান। বার্তা সংস্থা রয়টার্স শনিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
ইরানের উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী মেহেদি ফারাহির বরাত দিয়ে দেশটির গণমাধ্যমগুলো জানায়, বেসামরিক প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের মাধ্যমে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী ‘সার্বক্ষণিক সফটওয়্যার ব্যবহার করে হুমকি ও ঝুঁকির ধরন অনুযায়ী এসব হুমকি ও ঝুঁকি শনাক্ত ও পর্যবেক্ষণ করতে সক্ষম হবে’।
ফারাহি বলেন, সম্প্রতি দেশগুলোর শক্তির উপর নির্ভর করে, যুদ্ধের ধরণ আরও জটিল হয়ে উঠেছে। যুদ্ধের চিরাচরিত ধরনগুলোর জায়গা দখল করছে সাইবার, জৈবিক এবং তেজস্ক্রিয় আক্রমণসহ যুদ্ধের হাইব্রিড ধরন।
সম্প্রতি সিরিয়া যুদ্ধ ও পরমাণু চুক্তি নবায়নের ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ যাচ্ছে ইরানের।
যুক্তরাষ্ট্র চলতি সপ্তাহে দ্বিতীয়বারের মতো ইরানকে মার্কিন সামরিক ড্রোন ছেড়ে দিতে বাধ্য করেছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স শনিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
এর আগে, লোহিত সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি ড্রোন আটক করেছিল ইরানের নৌ বাহিনী। কিন্তু সেগুলো আবার ছেড়েও দিয়েছে তারা।
এদিকে, ইরানকে চাপে ফেলতেই সম্প্রতি সিরিয়ায় বিমানবন্দরগুলোতে হামলার তীব্রতা জোরদার করেছে ইসরাইল। আঞ্চলিক কূটনৈতিক ও গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স শুক্রবার এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
আঞ্চলিক কূটনৈতিক ও গোয়েন্দা সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, ইসরাইল সম্প্রতি সিরিয়ায় বিমানবন্দরগুলোতে হামলার তীব্রতা বাড়িয়েছে। হিজবুল্লাহসহ সিরিয়া ও লেবাননের মিত্রদের কাছে অস্ত্র সরবরাহে ব্যবহৃত ইরানের বিমানগুলোকে বাধা দিতেই এসব হামলা চালানো হয়। যুগান্তর