a
ফাইল ছবি
ভারতের জম্মু-কাশ্মীরের কিশতওয়ারে শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সন্ত্রাসীদের সঙ্গে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর তুমুল বন্দুকযুদ্ধ হয়েছে। এতে অন্তত দুইজন সেনা নিহত হয়েছে। দেশটির সেনাবাহিনীর একজন সিনিয়র কর্মকর্তা এই তথ্য জানিয়েছেন। খবর এনডিটিভির।
এ ছাড়া কাথুয়ায় নিরাপত্তার বাহিনীর অভিযানে দুইজন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। এক বিবৃতিতে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জম্মু-কাশ্মীরে পুলিশ যৌথ অভিযানে নামে। এরপরেই সন্ত্রাসীদের সঙ্গে গোলাগুলি শুরু হয়। এতে দুই সেনা নিহত হয়েছে। অভিযান এখনো চলমান আছে।
ওই অঞ্চল কিশতওয়ারের ছাত্রোতে অভিযান শুরুর পর সন্ত্রাসীদের সঙ্গে তুমুল বন্দুকযুদ্ধ চলছে, যা এখনো অব্যাহত আছে।
সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, একই ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে গত জুলাই মাসে দোহায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে গুলি বিনিময় হয়। সেইসময় সেনাবাহিনীর চার সদস্য নিহত হয়েছিল।
এদিকে আগামীকাল জম্মু-কাশ্মীরে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সফর করবেন বলে বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায়। সূত্র: ইত্তেফাক
ফাইল ছবি
ইরান ও সৌদি আরব চীনের মধ্যস্থতায় কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনে সম্মত হয়েছে। শুক্রবার বেইজিংয়ে বৈঠক শেষে সৌদি আরবের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মুসাদ বিন মোহাম্মদ আল আইবান এবং ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান আলী শামখানি এ ঘোষণা দেন। এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন চীনের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও বর্তমানে দেশটির সেন্ট্রাল ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিশনের পরিচালক ওয়াং ই।
রয়টার্সের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, চীনের মধ্যস্থতায় সৌদি আরব-ইরানের চুক্তির বিষয়টি ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের জন্য যথেষ্ট মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের দুই গুরুত্বপূর্ণ দেশের কূটনৈতিক ঐকমত্যের ফলে তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচির লাগাম টানা এবং ইয়েমেনে যুদ্ধবিরতি স্থায়ী করার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যে প্রভাব বিস্তার বজায় রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। এখন চীনের মধ্যস্থতায় ইরান ও সৌদির কূটনৈতিক ও বাণিজ্য সম্পর্ক পুনরায় স্থাপনে ঐকমত্যে পৌঁছানোর বিষয়টি ওয়াশিংটন ও ইসরায়েল কর্মকর্তাদের অস্বস্তিতে ফেলবে। চীনের সংশ্লিষ্টতায় ইরান ও সৌদির চুক্তির বিষয়টি বিশেষ করে ওয়াশিংটনের জন্য উদ্বেগের।
মধ্যপ্রাচ্যের দুই প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে বেইজিংয়ে আলোচনার বিষয়টি আগে জানানো হয়নি। চার দিন আলোচনার জন্য চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর পর এ বিষয়ে ঘোষণা দেওয়া হয়। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র জন কিরবি গত শুক্রবার বলেন, এই চুক্তিতে ওয়াশিংটন সরাসরি যুক্ত ছিল না। তবে ইরানের সঙ্গে আলোচনার বিষয়টি সৌদি আরবের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে অবহিত করা হয়েছিল। সূত্র:বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি: মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের বৈঠক
কোটাবিরোধী আন্দোলন সারাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জনজীবন। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধে স্থবির হয়ে পড়ছে পুরো ঢাকা শহর ।
অপরপক্ষে, সর্বজনীন পেনশনের প্রত্যয় স্কিম নিয়ে আন্দোলন করছেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। অনুমান করা হয় এসব বিষয় নিয়ে বৈঠক করেছেন সরকারের পাঁচ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী।
আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে এই রুদ্ধদ্বার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে অংশ নেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সামছুন্নাহার চাঁপা এবং তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।
কী বিষয়ে আকস্মিক এই বৈঠক হয়েছে সে সম্পর্কে পরিষ্কারভাবে কেউ কোনো মন্তব্য করেননি। তবে বৈঠকে কোটা আন্দোলন মূল আলোচ্য বিষয় ছিল বলে জানা গেছে।
বৈঠক শেষে সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয় ত্যাগ করেন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা। প্রথমেই আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বের হন। তবে তিনি এ সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের পর বেরিয়ে আসেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তিনিও গণমাধ্যমের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন শিক্ষামন্ত্রী এবং তথ্য প্রতিমন্ত্রী। তারাও বৈঠকের আলোচ্য বিষয় সম্পর্কে পরিষ্কার কোনো বক্তব্য দেননি।
তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, সামগ্রিক বিষয় নিয়ে কথা বলেছি। রাজনৈতিক, সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে কথা বলেছি৷ এটা রুটিন মাফিক কথাবার্তা।
কোটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচলা হয়েছে। নির্দিষ্ট একটা বা দুইটা বিষয় নিয়ে নয়। আজকের বসার বিষয়টা আপনারা জেনেছেন, এই বসাটা নিয়মিত। আমরা নিয়মিতই বসি। বিভিন্ন জায়গায় বসা হয়।
এরপর শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। যে বিষয়গুলো আলোচনা করেছি, আসলে সেগুলো নিয়ে এই মুহূর্তে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলোচনার মতো বিষয় নয়।
কোটা আন্দোলন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আদালতে যে বিষয়টি বিচারাধীন আছে, আমরা এ বিষয়ে এই মুহূর্তে কোনো মন্তব্য করব না। সেটা আদালতের বিষয়। আদালত থেকে যেভাবে সিদ্ধান্ত আসবে। আমাদের অবস্থান হচ্ছে, যেহেতু আদালতে যে বিষয়টি বিচারাধীন আছে সে বিষয়ে আমরা মন্তব্য করব না। অপেক্ষা করতে হবে। সরকার তো আপিল করেছে। সুতরাং আমি এই বিষয়ে মন্তব্য করতে চাইনা। সূত্র: বিডি প্রতিদিন