a
ফাইল ছবি
পারস্য উপসাগরে কোনো ধরনের নিরাপত্তাহীনতা সহ্য করা হবেনা। মার্কিনিরা, যারা সবসময় নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে আসে, তাদের এ অঞ্চলে কোনো জায়গা নেই বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন ইরানের ইসলামি রেভুলেশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) নৌ শাখার কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল আলী রেজা তাংসিরি।
গতকাল মঙ্গলবার ইরানের প্রভাবশালী এই সামরিক কর্মকর্তা এমনটাই জানিয়েছেন। আলী রেজা তাংসিরি বলেন, আইআরজিসি পারস্য উপসাগরের কৌশলগত অঞ্চলে কোনো ধরনের নিরাপত্তাহীনতা বা সংঘর্ষ সহ্য করবে না। পারস্য উপসাগর অঞ্চলে আমাদের এবং আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলোর বাসস্থান।
এ সময় ইরানি এ কামান্ডার ইসরায়েলের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ এ অঞ্চলে আল কুদসের দখলদার ইসরায়েলের অবৈধ উপস্থিতি নিরাপত্তার সংকট তৈরি করছে। উল্লেখ্য, পারস্য উপসাগরে কয়েকদিন আগেই যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজ তাড়া করেছে ইরান। সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি।
সংগৃহীত ছবি
পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের সামরিক বিমানবন্দরগুলো হামাসের ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায় এসেছে। বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ইসরায়েলের বিমান বাহিনীর প্রধান জেনারেল আমিকাম নুরকিন। সম্প্রতি স্থানীয় এক গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এমন উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
জেনারেল আমিকাম নুরকিন জানান, মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে ইসরায়েলের সামরিক বিমানবন্দরগুলো। কারণ এ বিমানবন্দরগুলো হামাসের ক্ষেপণাস্ত্রের আওতার মধ্যেই রয়েছে।
বিমান বাহিনী প্রধান আরও জানান, হামাসের ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর যে পাল্লা রয়েছে তাতে খুব সহজেই সেগুলো ইসরায়েলের সামরিক বিমানবন্দরগুলোতে পৌঁছাতে সক্ষম। ফলে অনেক ঝুঁকিতে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ এই বিমানবন্দরগুলো।
সাক্ষাৎকারে গাজা যুদ্ধে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ সংগ্রামীদের সুসংহত অবস্থানের কথাও স্বীকার করেছেন তিনি।
গত মাসে গাজা উপত্যকায় যুদ্ধ শুরু হলে বর্বর ইসরায়েলি বাহিনী সেখানকার বেসামরিক ভবন ও ঘরবাড়িতে ব্যাপক বিমান হামলা চালায়। এ সময় ফিলিস্তিনিদের পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় শেষ পর্যন্ত আমেরিকা ও মিশরের সহযোগিতায় যুদ্ধবিরতিতে আসতে বাধ্য হয় ইসরায়েল। তবে ইসরায়েলি আগ্রাসনে নারী-শিশুসহ দুই শতাধিক ফিলিস্তিনির মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। অপরপক্ষে, ১২ জন ইসরায়েলের মৃত্যু ও আহত হয় অনেকে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও ইসরায়েল সরাসরি তা প্রকাশ করেনি।
ফাইল ছবি: প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস
আজ বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত হবে অন্তর্বর্তী সরকারের শপথ অনুষ্ঠান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের ব্যাপারে রাষ্ট্রপতি ছাড়াও রাজনৈতিক দল ও ছাত্রদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। সবার সম্মতিক্রমে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান করে এ সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিকে, ড. ইউনূস আজ দুপুর ২.১০ মিনিটে ঢাকা বিমান বন্দরে পৌঁছেছেন। তাঁকে বিমানবন্দরে রিসিভ করবেন সেনাবাহিনীর প্রধান। তিনি বলেন, আশা করি রাত ৮টার দিকে অন্তর্বর্তী সরকারের শপথ অনুষ্ঠিত হবে। অন্তর্বর্তী সরকারে আপাতত ১৫ জন সদস্য থাকতে পারেন। শপথ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় ৪০০ জন উপস্থিত থাকবেন বলে জানান।
সেনা প্রধান বলেন, দেশে পুলিশের যে অনুপস্থিতি রয়েছে, খুব তাড়াতাড়ি সেই সমস্যার সমাধান হবে বলে জানান। পুলিশের মনোবলও ফেরত আসবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পেশাদার ফোর্স হিসেবে তারা দ্রুত কাজ করতে সক্ষম হবে। আগামী তিন-চার দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বিভিন্ন জায়গায় যারা ভাঙচুর ও সহিংস ঘটনা ঘটাচ্ছে, তাদের বিচারের আওতায় আনার ব্যাপারও তিনি জোর দেন।
সেনাবাহিনী প্রধান বলেন, আমি দেখেছি শিক্ষার্থীরা রাস্তায় দাঁড়িয়ে ট্রাফিক পুলিশের ভূমিকা পালন করছে। ট্রাফিক পুলিশ না থাকায় শিক্ষার্থীদের এ দায়িত্ব পালন দেখে আমি মুগ্ধ হয়েছি। তারা রাস্তার ময়লাও পরিষ্কার করেছে। আমার বিশ্বাস, তারা এ ভালো কাজগুলো ভবিষ্যতেও চালিয়ে যাবে। জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, সেনাবাহিনীর সব ইউনিট মাঠে নামানো হয়েছে। সচিবালয়, কূটনীতিকপাড়া, সরকারের সচিব, বিচারপতি, তাঁদের বাসভবনসহ বিভিন্ন স্থানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। ছাত্ররাও সহযোগিতা করছে। তাদের আমাদের আন্তরিক ধন্যবাদ। লুটতরাজ ও ডাকাতির ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে তিনি বলেন, আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করছি। পুলিশ পুনর্গঠন হলে সব ঠিক হয়ে যাবে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন