a
ফাইল ছবি
পারস্য উপসাগরে কোনো ধরনের নিরাপত্তাহীনতা সহ্য করা হবেনা। মার্কিনিরা, যারা সবসময় নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে আসে, তাদের এ অঞ্চলে কোনো জায়গা নেই বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন ইরানের ইসলামি রেভুলেশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) নৌ শাখার কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল আলী রেজা তাংসিরি।
গতকাল মঙ্গলবার ইরানের প্রভাবশালী এই সামরিক কর্মকর্তা এমনটাই জানিয়েছেন। আলী রেজা তাংসিরি বলেন, আইআরজিসি পারস্য উপসাগরের কৌশলগত অঞ্চলে কোনো ধরনের নিরাপত্তাহীনতা বা সংঘর্ষ সহ্য করবে না। পারস্য উপসাগর অঞ্চলে আমাদের এবং আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলোর বাসস্থান।
এ সময় ইরানি এ কামান্ডার ইসরায়েলের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ এ অঞ্চলে আল কুদসের দখলদার ইসরায়েলের অবৈধ উপস্থিতি নিরাপত্তার সংকট তৈরি করছে। উল্লেখ্য, পারস্য উপসাগরে কয়েকদিন আগেই যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজ তাড়া করেছে ইরান। সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি।
ফাইল ছবি
ইউক্রেনে ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আয়রন ডোমের প্রয়োজন নেই। কারণ রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্রের মুখে টিকতে পারবে না এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। ইউক্রেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওলেকসি রেজনিকভ গত শনিবার ফোর্বস শীর্ষ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই আয়রন ডোম ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার নাম জানি কিন্তু এটি ১০০% সুরক্ষা দিতে সক্ষম নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘সত্যি কথা বলতে কি আমি ইসরায়েলে গিয়েছিলাম এবং তাদের অস্ত্র নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ও রাষ্ট্রীয় কোম্পানির সাথে কথা বলেছি। আয়রন ডোম তৈরি করা হয়েছে ধীর, কম উচ্চতার এবং কম ক্ষমতাসম্পন্ন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ করার জন্য এবং এটি মূলত গ্যারেজে তৈরি হয়েছে। আয়রন ডোম ক্রুজ এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে কার্যকর নয়।’
গত বছরের মে মাসে ইহুদিবাদী ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গাজার প্রতিরোধ যোদ্ধারা কয়েক হাজার ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়ে কিন্তু ইসরাইলের আয়রন ডোম ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা সে সমস্ত ক্ষেপণাস্ত্রের বেশিরভাগই ভূপাতিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। অথচ ইসরায়েল এসব ব্যবস্থা নিয়ে ব্যাপক গর্ব করে থাকে। সূত্র : জেরুজালেম পোস্ট
ছবি:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
হবিগঞ্জ জেলায় মোরগ ও ডিমের দাম বৃদ্ধি, অস্বস্তিতে সাধারন মানুষ।
পবিত্র রমজানে এভাবে দাম বাড়তে থাকলে মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ চরম বিপাকে পড়বে। গত ১ সপ্তাহে প্রতি কেজিতে দ্বিগুণ দাম বেড়ে গেছে। পাশাপাশি ডিমের দামেও সুখবর নেই।
গত ১৫ দিন আগে পোল্টি মোরগের কেজি ছিলো ১৪০-১৫০ টাকা। বর্তমানে ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, কক ছিলো ২৪০-২৫০ টাকা, বর্তমানে ৩৫০-৩৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, সোনালি মোরগ মোটা ২০০ টাকা, বর্তমানে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি পাইকাররা দেশি মোরগের দামও ৪শ থেকে ৫শ থেকে ৬শ টাকা আদায় করছে।
এছাড়া পোল্ট্রি মোরগের ডিমের দাম হালি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা, হাঁসের ৭০ টাকা, দেশি মোরগের ডিম ১শ থেকে ১২০ টাকা। অনেক ক্রেতারা বাজারে এসে মাথায় হাত দিয়ে বাড়ি ফিরছেন। আবার অভিযোগ করছেন, একেতো অতিরিক্ত দাম, অন্যদিকে কিছু ব্যবসায়ী ওজনে কম দিচ্ছে। এ যেনো মরার ওপর খরার ঘাঁ।
গতকাল সরেজমিনে শায়েস্তানগর, চৌধুরী বাজার, চাষিবাজারসহ বিভিন্ন বাজারে দেখা গেছে এ চিত্র। ক্রেতারা প্রশাসনের নিকট মনিটরিংয়ের দাবি জানান।