a
ফাইল ছবি
পারস্য উপসাগরে কোনো ধরনের নিরাপত্তাহীনতা সহ্য করা হবেনা। মার্কিনিরা, যারা সবসময় নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে আসে, তাদের এ অঞ্চলে কোনো জায়গা নেই বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন ইরানের ইসলামি রেভুলেশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) নৌ শাখার কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল আলী রেজা তাংসিরি।
গতকাল মঙ্গলবার ইরানের প্রভাবশালী এই সামরিক কর্মকর্তা এমনটাই জানিয়েছেন। আলী রেজা তাংসিরি বলেন, আইআরজিসি পারস্য উপসাগরের কৌশলগত অঞ্চলে কোনো ধরনের নিরাপত্তাহীনতা বা সংঘর্ষ সহ্য করবে না। পারস্য উপসাগর অঞ্চলে আমাদের এবং আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলোর বাসস্থান।
এ সময় ইরানি এ কামান্ডার ইসরায়েলের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ এ অঞ্চলে আল কুদসের দখলদার ইসরায়েলের অবৈধ উপস্থিতি নিরাপত্তার সংকট তৈরি করছে। উল্লেখ্য, পারস্য উপসাগরে কয়েকদিন আগেই যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজ তাড়া করেছে ইরান। সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি।
সংগৃহীত ছবি
চীনের প্রযুক্তির হুমকি ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রের সক্ষমতা বাড়াতে একটি বিল অনুমোদন দিয়েছে মার্কিন সিনেট। গতকাল মঙ্গলবার ৬৮-৩২ ভোটে কংগ্রেসের উচ্চকক্ষে বিলটি পাস হয়। খবর রয়টার্স।
মার্কিন সিনেটে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে নানা বিষয়ে বিরোধ থাকলেও চীনের বিরুদ্ধে ‘হার্ড লাইন’ নেওয়ার বিষয়ে উভয় পক্ষই একমত।
বিলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি ও গবেষণা জোরদার করার জন্য প্রায় ১৯০ বিলিয়ন ডলার রাখা হয়েছে। সেমিকন্ডাক্টর ও টেলিযোগাযোগ সরঞ্জাম উৎপাদন ও গবেষণায় খরচ করতে অতিরিক্ত আরও ৫৪ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ দিতেও এতে বলা হয়েছে।
হোয়াইট হাউসে পাঠানোর আগে বিলটিকে এখন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ, হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভে পাস হতে হবে। অনুমোদনের পর, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন স্বাক্ষর করলে এটি আইনে পরিণত হবে।
বিলে চীনের ‘প্রযুক্তি হুমকি’ মোকাবেলায় যেসব ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে তার মধ্যে আছে, সরকারি ডিভাইসগুলোতে টিকটক অ্যাপ ডাউনলোড নিষিদ্ধ করা, চীন সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়া কোম্পানির তৈরি বানানো ড্রোন ক্রয় না করা।
ফাইল ছবি
সারাবিশ্বের ন্যায় নতুন করে তাণ্ডব শুরু করেছে করোনাভাইরাস ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতেও। সংগৃহীত করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের নমুনা পরীক্ষায় ৮৪ শতাংশ রোগীর দেহে ওমিক্রন পাওয়া গেছে। টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী সত্যেন্দর জৈন গতকাল সোমবার এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
গত ৩০-৩১ ডিসেম্বরের নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। এরপর দিল্লির স্বাস্থ্য বুলেটিনে গতকাল জানানো হয়, দিল্লিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত চার হাজার রোগী শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার সাড়ে ছয় শতাংশ।
এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে জানায়, ভারতে ২৩টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ওমিক্রন ধরন ছড়িয়ে পড়েছে। তার মধ্যে মহারাষ্ট্রে সর্বোচ্চ ৫১০ জন ওমিক্রনে আক্রান্ত।
এরপর দিল্লিতে ৩৫১ জন শনাক্ত হয়েছে। গতকাল ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার জানায়, ভারতে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা এক হাজার ৭০০ জন ছাড়িয়ে গেছে। রবিবার শনাক্ত রোগী ছিল তিন হাজার ১৯৪ জন, যা আগের তুলনায় ১৫ শতাংশ বেশি।