a
ছবি সংগৃহীত
গাজীপুরে হাসনাত আব্দুল্লাহ’র উপর যে বর্বরোচিত হামলা হয়েছে, তার তীব্র নিন্দা জানাই। একইসঙ্গে ঘটনার পিছনের কারণ ও উদ্দেশ্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি। কে করল এই হামলা? কেন করল? এসব প্রশ্নের জবাব নেই। এর আগে হান্নান মাসুদ স্যারকেও একইভাবে আক্রমণের শিকার হতে হয়েছিল। ভাগ্য ভালো—দুজনেরই দামি গাড়ি ছিল, তাই প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন।
এই ঘটনার দ্রুত তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। কিন্তু প্রশ্ন হলো—এই বিচার করবে কে? কার বিচার হবে? আজ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় নেই, অনেকে দেশেও নেই , তাহলে হামলাকারীরা কারা?
৫ই আগস্টের ঘটনার পরপরই আপনারা বিএনপির বিরুদ্ধে অবস্থান নিলেন। কিন্তু কেন ? বি এন পি কি আপনাদের বিপক্ষে ছিল ?
আজ বিএনপি আপনাদের পক্ষে নেই—এটা অবাক হওয়ার কিছু নয়। আপনারা কি পারবেন বিএনপির বিরুদ্ধে লড়তে? এ সক্ষমতা কি আপনাদের আছে ? হয়তো পারবেন, কিন্তু তার খেসারতও দিতে হবে—এটাই রাজনীতির নির্মম বাস্তবতা।
শুরুতেই অংকে ভুল করেছেন আপনারা। আওয়ামী লীগকে পিছিয়ে দিতে পারলেও এখন যদি ভাবেন, বিএনপিকেও একইভাবে দমন করবেন, তারপর জামাতকে, তবে সেটা হবে আত্মঘাতী ভুল। রাজনীতিতে ধাপে ধাপে অগ্রসর হতে হয়, সব একসাথে গিলে ফেলা যায় না।বিশেষ করে এ মুহূর্তে এটা সম্ভব নয় ।
শুরুতেই অনেক বড় ভুল করেছেন আপনারা। আপনাদের কোনো অভিভাবক নেই, কোনো পরিকল্পনা নেই। এখন সময় এসেছে কৌশলী হওয়ার। আজ আর বিপ্লবের দিন নেই। কাল আপনি ড. ইউনুস হয়ে যাবেন—‘জনতার একজন’। তাই এখনই সময় সাহসী, সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার।
তা না হলে সামনে কি হতে চলেছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বিএনপি এখন শক্তিশালী, আওয়ামী লীগও ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াবে। তখন আপনারা কোথায় থাকবেন?
বিএনপির অনেক ভাই এই ঘটনায় খুশি হয়েছেন। এটা গভীর লজ্জার। একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে যদি আপনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে না দাঁড়িয়ে উল্লাস করেন, তাহলে আপনি আর আওয়ামী দমননীতির মধ্যে কোনো পার্থক্য রাখলেন না।
আমরা চাই, রাজনীতিতে সহনশীলতা ফিরুক। হিংসা, প্রতিশোধ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতার চেয়ে বেশি দরকার পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও গণতন্ত্রে বিশ্বাস। যা বাংলাদেশে আশা করা অবাস্তব ।
প্রিসীলা,ফেসবুক থেকে সংগৃহীত
ফাইল ছবি
বাংলাদেশে বিভিন্ন সময় গুমের শিকার হওয়া ৭৬ জন মানুষের যে তালিকা সরকারকে দিয়েছিল জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদ, সেই তালিকার ৩৫ জনকে সরকার এমনিতেই বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে খুঁজছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
শনিবার জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে এক সেমিনারে মন্ত্রী একথা জানান।
বাংলাদেশ মহিলা ঐক্য পরিষদ আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় ধর্মীয় সংখ্যালঘু নারীদের আর্থসামাজিক অবস্থান ও নিরাপত্তা: ভিশন ২০৪১’ শীর্ষক সেমিনারে একটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। তাতে মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) সূত্র দিয়ে বলা হয়, গত ৫ বছরে দেশে ২ হাজার ৮০৩টি হিন্দু বাড়িঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও মন্দিরে হামলার ঘটনা ঘটেছে।
এ সময় আয়োজকদের উদ্দেশ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যারা সম্পত্তি বিনষ্ট করেছে বিস্তারিত তালিকা দেবেন।
হিন্দু বাড়িঘর ও সম্পত্তিতে হামলার সংখ্যা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মন্ত্রী গুমের প্রসঙ্গ টানেন। বলেন, গুমের কথা বলে যে, হাজার হাজার গুম হয়ে গেছে। তালিকা চাইলাম, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ৭৬ জনের তালিকা দিল। এর মধ্যে ১০ জন বিএনপির কর্মী। তারা বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করছেন। আর ৩৫ জনকে আমরা নিজেরাই খুঁজছি। বিভিন্ন ধ্বংসাত্মক কাজ, মানুষ হত্যা, সম্পদ পুড়িয়ে দেওয়াসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে তাদের খুঁজছি। একজন আবার জেলে অবস্থান করছে।
গত বছর জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের গুমবিষয়ক ওয়ার্কিং গ্রুপ বিভিন্ন সময় গুমের শিকার হওয়া ৭৬ জনের একটি তালিকা বাংলাদেশ সরকারকে দেয়। এ বিষয়ে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় মানবাধিকার পরিষদের গুমবিষয়ক ওয়ার্কিং গ্রুপে আলোচনা হয়। গত ১৪ আগস্ট জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচেলেট ঢাকা সফরে এসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এই তালিকা নিয়ে কথা বলেন। সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ফটো:ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস
২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের অনলাইন ভর্তি আবেদন আজ সোমবার (৮ মার্চ) থেকে শুরু হচ্ছে। যা চলবে আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত।
আজ বিকাল ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান উপস্থিত থেকে বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ভর্তি অফিসে অনলাইন ভর্তি আবেদন গ্রহণ প্রক্রিয়া উদ্বোধন করবেন। ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা বিকাল ৫টা থেকে ৩১ মার্চ রাত ১১ টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত https://admission.eis.du.ac.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
এ বছর মোট পাঁচটি ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সেগুলো হল: ক-ইউনিট, খ-ইউনিট, গ-ইউনিট, ঘ-ইউনিট এবং চ ইউনিট।
ক-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২১ মে, খ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২২ মে, গ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২৭ মে, ঘ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২৮ মে এবং চ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা (সাধারণ জ্ঞান) ৫ জুন অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি ইউনিটের পরীক্ষা ঢাকাসহ আটটি বিভাগীয় শহরে সকাল ১১ টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।
ভর্তিচ্ছু আবেদনকারীদের ন্যূনতম যোগ্যতা হিসেবে ‘ক’ ইউনিটের জন্য মাধ্যমিক ও সমমান এবং উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৮.৫ (আলাদাভাবে জিপিএ ৩.৫), ‘খ’ ইউনিটের জন্য জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৮.০ (আলাদাভাবে ৩.০), ‘গ’ ইউনিটের জন্য জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৮.০ ( আলাদাভাবে ৩.৫), ‘ঘ’ ইউনিটের জন্য মানবিক শাখার ক্ষেত্রে জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৮.০ (আলাদাভাবে ৩.০) ও বিজ্ঞান শাখার ক্ষেত্রে জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৮.৫ (আলাদাভাবে ৩.৫) এবং ‘চ’ ইউনিটের জন্য জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৭.০ (আলাদাভাবে জিপিএ ৩.০) থাকতে হবে।
পরীক্ষার মানববণ্ঠন:
‘ক’, ‘খ’, ‘গ’ ও ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ৬০ নম্বরের এমসিকিউ এবং ৪০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হবে। শুধুমাত্র ‘চ’ ইউনিটের পরীক্ষায় ৪০ নম্বরের এমসিকিউ এবং ৬০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা নেওয় হবে। ‘ক’, ‘খ’, ‘গ’ ও ‘ঘ’ ইউনিটের এমসিকিউ পরীক্ষার জন্য ৪৫ মিনিট এবং লিখিত পরীক্ষার জন্য ৪৫ মিনিট সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। ‘চ’ ইউনিটের এমসিকিউ পরীক্ষার জন্য ৩০ মিনিট এবং লিখিত পরীক্ষার জন্য ৪৫ মিনিট সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন