a
বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী অনুষ্ঠানের কিছু উল্লেখযোগ্য ছবি
হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ইবনে সিনা মডেল স্কুলের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
করোনা বিবেচনায় শিক্ষার্থী শূণ্য স্কুলে শিক্ষকদের নিয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পবিত্র কুরআন থেকে তিলাওয়াত করে স্ট্যান্ডার্ড ফোর-এর ছাত্র এ.এন.এম শাফকাত আলম ইশমাম। স্বাগত বক্তব্য পেশ করেন সম্মানিত ভাইস প্রিন্সিপাল জনাব ফেরদৌসী বেগম।
বঙ্গবন্ধুর জীবনী নিয়ে আলোচনা করেন সিনিয়র শিক্ষক মিসেস মিলিয়া জাহান। কবিতা আবৃত্তি করেন মিসেস রাজিয়া সুলতানা এবং সঙ্গীত পরিবেশন করেন মিসেস সেলিনা ও মিসেস রাজিয়া সুলতানা।
এরপর শিক্ষকদের মাঝে উপস্থিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেন জনাব মো: মোস্তাফিজুর রহমান, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন মিসেস হাসনা বেগম এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করেন মিসেস আফরোজা সুলতানা রুমি।
বঙ্গবন্ধুর জীবনী নিয়ে রচিত বই থেকে পাঠ করেন শোনান সিনিয়র ভাইস প্রিন্সিপাল মিসেস রওশন আকতার। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মিসেস তাজরীনা আক্তার জলি।
সমাপনী বক্তব্য পেশ করেন ইবনে সিনা মডেল স্কুলের প্রিন্সিপাল জনাব এ. কে. এম আনিসুজ্জামান রাসেল।
ফাইল ছবি
রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক মো. হারুনুর রশীদের সন্ধান মিলেছে। শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর সায়েদাবাদে নিখোঁজের ছয় দিন পর তার খোঁজ পায় পুলিশ।
পুলিশ বলছে, নিখোঁজ নয়, মানসিকভাবে অবসাদগ্রস্ত হয়ে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। হারুন রাজধানীর সবুজবাগ থানার মাদারটেক শাপলা কানন আবাসিক এলাকায় স্ত্রী ও তিন সন্তানকে নিয়ে থাকেন।
এর আগে ৩১ জানুয়ারি সবুজবাগের মাদারটেক এলাকার বাসা থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি শিক্ষক হারুন। তাকে না পাওয়ায় পরদিন ১ ফেব্রুয়ারি সবুজবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে তার পরিবার। পরে ওই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ দেখতে পায়, হারুন ঘটনার দিন একটি ব্যাগ নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে যান। ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের সবুজবাগ জোনের এসি মনতোষ বিশ্বাস বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় শিক্ষক হারুনকে সায়েদাবাদ থেকে উদ্ধার করা হয়। তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। তাকে উদ্ধারের পর কাউন্সিলিং করে তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শিক্ষক হারুনের পরিবার ও স্বজনরা জানিয়েছেন, তিনি মানুষ হিসেবে খুব ভালো এবং ধার্মিক। তিনি তিন সন্তানের জনক। এর মধ্যে এক ছেলে চিকিৎসক, অন্য ছেলে বুয়েটের শিক্ষার্থী। ছোট মেয়ে নবম শ্রেণির ছাত্রী। তিনি বলেন, শিক্ষক হারুনের পরিবারের সদস্যরা সবাই ব্যস্ত থাকেন। আবার করোনার কারণে দীর্ঘদিন ধরে কলেজ বন্ধ। ফলে তিনি হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তিনি পরিবার ও পেশাগত জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। ব্যক্তিজীবনে তিনি মোবাইল ফোনও ব্যবহার করতেন না। হারুন পুলিশকে জানিয়েছেন, স্কুলে যাওয়ার জন্য সকালে বের হয়ে মনে হলো কোনদিকে যাব? এরপর সায়েদাবাদে গিয়ে সন্ধ্যা হয়ে গেলে একটি হোটেলে উঠে পড়ি। ৩১ জানুয়ারি থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হারুন কোথায় ছিলেন জানতে চাইলে পুলিশ কর্মকর্তা মনতোষ বলেন, আত্মগোপনে থাকা কয়েক দিন তিনি হোটেলেই ছিলেন। তার পরিবার কিংবা অন্য কোনো আত্মীয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি। মোবাইল ব্যবহার না করার কারণে তাকে খুঁজে পেতে কিছুটা সময় লেগেছে।
এসি মনতোষ বলেন, আত্মগোপনে থাকা শিক্ষকের পকেটে তার অফিসের একটি ই-মেইল ও ই-মেইলের পাসওয়ার্ড এবং বাসার মোবাইল নম্বর ছিল। শনিবার সারাদিন ওই শিক্ষক একজন পান দোকানদারের সঙ্গে বসেছিলেন। এরপর দোকানদার তার সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন তিনি বাসা থেকে চলে এসেছেন। পান দোকানদারই পুলিশকে শিক্ষকের তথ্য দেয় এবং তাকে উদ্ধার করা হয়।
জানা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর শেষ করেন মো. হারুনুর রশীদ। এরপর ১৯৯০ সাল থেকে মতিঝিল আইডিয়ালে শিক্ষকতা করেন। তিনি মাধ্যমিক পর্যায়ের ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা বিষয়ে ক্লাস নেন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ছবি: শহিদুল ইসলাম স্বাধীন
সুনামগঞ্জের শাল্লায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বাড়িতে হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি শহিদুল ইসলাম (স্বাধীন মেম্বার) কে গ্রেফতার করেছে পিবিআই, সিলেট। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পিবিআই সিলেটের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ খালেদ উজ জামান।
তিনি জানান, শুক্রবার রাত ১.৩০ মিনিটে স্বাধীন মেম্বারকে মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া থেকে গ্রেফতার করা হয়।
গত বুধবার হেফাজত নেতা মামুনুল হককে নিয়ে ফেসবুকে স্টেটাসকে কেন্দ্র করে শাল্লা উপজেলার হবিবপুর ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামের ৮৭টি হিন্দুবাড়িতে হামলা চালানো হয় এবং এসব বাড়ি থেকে টাকা, স্বর্ণালংকার লুট করা হয়। ঘটনার পর গত বৃহস্পতিবার রাতে হবিবপুর ইউপি চেয়ারম্যান বিবেকানন্দ মজুমদার বকুল মামলা করলে মামলার প্রধান আসামী যুবলীগ নেতা স্বাধীনকে গ্রেফতার করা হয়।
শহীদুল ইসলাম স্বাধীনের বাড়ি শাল্লার পাশ্ববর্তী দিরাই উপজেলার নাচনি গ্রামে। তিনি স্থানীয় ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য। সূত্র: যুগান্তর