a
ফাইল ছবি
সংগীতশিল্পী ইভা রহমান আবারও বিয়ে করেছেন। ইভার বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কণ্ঠশিল্পী রবি চৌধুরী।
গতকাল রবিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ইভার গুলশানের বাসায় দুই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। ইভার স্বামীর নাম সোহেল আরমান। তিনি ঢাকার ছেলে, পেশায় ব্যবসায়ী।
গত (১৯ সেপ্টেম্বর) ইভার গুলশানের বাসায় দুই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে।
এর আগে কণ্ঠশিল্পী ইভা রহমান বিয়ে করেছিলেন দেশের বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে এটিএন বাংলা ও এটিএন নিউজের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমানকে।
ফাইল ছবি
চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি বিয়ে করেছেন, এমন গুঞ্জন বেশ কিছুদিন ধরেই চারদিকে শোনা যাচ্ছে। গাজীপুরের রাকিব সরকার নামের একজন ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদের সঙ্গেই নাকি ঘর বেঁধেছেন তিনি। সেখানকার কিছু সূত্রে গণমাধ্যমে খবরটি উঠে আসে। যদিও রাকিবের সঙ্গে সম্পর্ককে স্রেফ বন্ধুত্ব বলেই দাবি করেছেন মাহি।
এবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ল মাহি ও রাকিব সরকারের একটি ছবি। যেখানে মাহিকে দেখা যাচ্ছে শাড়ি পরা অবস্থায় এবং রাকিব আছেন পাঞ্জাবীতে।
নেটিজেনদের মতে, এটা তাদের বিয়ের সময়ে তোলা ছবি। ঘরোয়া আয়োজনে তারা বিয়ে করেছিলেন। সে কারণে তেমন সাজসজ্জা নেই। মাহি কিংবা রাকিব নিশ্চিত না করলেও অন্য একটি ফেসবুক পোস্টের সঙ্গে এই ছবির সমীকরণ মেলালে বিয়ের গুঞ্জনটা পোক্ত হয়। গত ১১ জুন ফেসবুকে মাহি একটি শাড়ি পরে ছবি দিয়েছিলেন। ক্যাপশনে লিখেছিলেন, ‘আমি তোমাকে গান, সিনেমা, সবখানে অনুভব করি। আলহামদুলিল্লাহ্’।
মজার ব্যাপার হলো, তিন মাসের আগের ওই ছবিতে মাহির পরনে যে শাড়ি ছিল, সম্প্রতি ফাঁস হওয়া ছবিতেও ঠিক একই শাড়ি। তাই নেটিজেনরা দুইয়ে দুইয়ে চার মিলিয়ে নিচ্ছেন। অধিকাংশই ধারণা করছেন, দুটি ছবিই বিয়ের সময়ের। তবে গোপন রেখেছেন নায়িকা।
কয়দিন আগেই তিনি বলেছেন, ১৩ সেপ্টেম্বর একটি সারপ্রাইজ দেবেন। অনেকেই মনে করছেন, এদিন বিয়ের কথাই প্রকাশ্যে আনবেন মাহি। উল্লেখ্য, ভালোবেসে সিলেটের ব্যবসায়ী মাহমুদ পারভেজ অপুকে ২০১৬ সালে বিয়ে করেন মাহিয়া মাহি। চলতি বছরের ২৩ মে তিনি জানান, অপুর সঙ্গে আর থাকছেন না। তারা বিবাহ বিচ্ছেদ করছেন।
সংগৃহীত ছবি
সম্প্রতি বিবাহিত নারীদের নিয়ে সুন্দরী প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় শ্রীলঙ্কায়। ৪ এপ্রিল (রবিবার) কলম্বো প্রেক্ষাগৃহে বসে এই আয়োজন। সেখানে পুষ্পিকা দে সিলভাকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।
প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বের মঞ্চ থেকে শুরু হয়েছে সমালোচনা। এক পর্যায়ে শোনা যায়, পুষ্পিকার বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে। আর এ কারণে গত বারের বিজয়ী ক্যারোলিন হঠাৎ মঞ্চে উঠে বিজয়ীর মাথা থেকে সোনার মুকুট ছিনিয়ে এনে দ্বিতীয় স্থান অধিকারীর মাথায় পরিয়ে দেন।
উপস্থিত সবাইকে অবাক করে দিয়ে ক্যারোলিন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘প্রতিযোগিতার নিয়ম অনুযায়ী কোনও ডিভোর্স হওয়া নারী এখানে অংশ নিতে পারবেন না। তাই বিজয়ীর মুকুট পুষ্পিকার মাথায় মানায় না।’
ক্যারোলিন এ কথা বলার পর পরই পুষ্পিকার মাথা থেকে সোনার মুকুট টেনে নিয়ে দ্বিতীয় স্থান অধিকারীর মাথায় পরিয়ে দেন। দেশটির গণমাধ্যমের বরাতে জানা যায় যে, মুকুট ছিনিয়ে নেওয়ার নেবার কারণে পুষ্পিকার মাথায় গুরুতর আঘাত পান। তাই তাকে হাসপাতালেও ভর্তি করতে হয়।
এমন ঘটনার পর পুষ্পিতা সোস্যাল মিডিয়ায় তার অবস্থার একটি ছবি প্রকাশ করেন। সেখানে পুষ্পিতা লেখেন, ‘আমার মাথা থেকে মুকুট ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। তখনই মুকুট হারিয়ে ফেলার কষ্ট অনুভব করেছি।’
পুষ্পিকা আরও জানান, তার সাথে অবিচার করা হয়েছে। কারণ এখনও স্বামীর সঙ্গে তার বিবাহ-বিচ্ছেদ হয়নি। তারা বর্তমানে আলাদা রয়েছেন।