a
ফাইল ছবি
সংগীতশিল্পী ইভা রহমান আবারও বিয়ে করেছেন। ইভার বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কণ্ঠশিল্পী রবি চৌধুরী।
গতকাল রবিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ইভার গুলশানের বাসায় দুই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। ইভার স্বামীর নাম সোহেল আরমান। তিনি ঢাকার ছেলে, পেশায় ব্যবসায়ী।
গত (১৯ সেপ্টেম্বর) ইভার গুলশানের বাসায় দুই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে।
এর আগে কণ্ঠশিল্পী ইভা রহমান বিয়ে করেছিলেন দেশের বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে এটিএন বাংলা ও এটিএন নিউজের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমানকে।
ফাইল ছবি
ঢাকাই চলচ্চিত্রের শীর্ষ নায়ক শাকিব খানের সাথে জুটি বাধছেন পোড়ামন-২ চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পূজা চেরী। বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ অনুদানের ভিত্তিতে নির্মিত হতে যাচ্ছে চলচ্চিত্র ‘গলুই’। এই চলচ্চিত্রে প্রথমবারের মতো জুটি হয়ে কাজ করার বেশ জোড়ালো গুঞ্জন উঠেছে শাকিব খান ও পূজা চেরী। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করছেন এসএ হক অলিক। যদিও বিষয়টি নিয়ে ছবির পরিচালক কিছুই পরিস্কার করেননি।
খোরশেদ আলম খসরু প্রযোজিত চলচ্চিত্রটিতে এরইমধ্যে নায়ক হিসেবে শাকিব খানের সঙ্গে প্রাথমিকভাবে সবকিছু চূড়ান্ত হয়েছে। এ ছবির জন্য শাকিব খান তার পারিশ্রমিক অনেকটা কমিয়ে এনেছেন বলেও শোনা যাচ্ছে। এবার ছবিটিতে নায়িকা হিসেবে পূজা চেরীর নাম আলোচনায় এসেছে।
গত শুক্রবার (২০ আগস্ট) ছিল পূজা চেরীর জন্মদিন। সেদিন রাতে ‘গলুই’ লেখা একটি কেক নিয়ে পূজার বাসায় হাজির হয়েছিলেন পরিচালক অলিক। কেকের সেই ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ‘গলুই’ ছবিতে তার নায়িকার হওয়ার গুঞ্জনটি দর্শকদের মাঝে আরো পরিস্কার হয়।
এ প্রসঙ্গে পূজার কাছে জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে পরিচালক অলিক জানিয়েছেন ‘সময় হলেই ছবির সবকিছু জানাতে পারবে দর্শকরা’ এদিকে ‘গলুই’ চলচ্চিত্রের প্রযোজক খসরু বলেন, ‘আমরা চারজন অভিনেত্রীর সঙ্গে কথা বলছি। চারজনের সংক্ষিপ্ত তালিকায় পূজাও রয়েছে। কাউকেই এখনও চূড়ান্ত করিনি।
আশা করছি কয়েকদিনের মধ্যে আপানাদের খুশির খবর দিতে পারবো- কে নায়িকা হিসেবে আমাদের টিমে যোগ দেবেন।’
ফাইল ছবি
ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার বিরুদ্ধে আমেরিকা ও ইউরোপ জোটবদ্ধ হয়ে রুশদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক নিষেধাজ্ঞা দিলেও এখন সামরিক ও নিরাপত্তা ক্ষেত্রে রাশিয়ার সঙ্গে কি ধরনের আচরণ করা হবে তা নিয়ে খোদ ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যেই বড় ধরনের বিভেদ ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে, রাশিয়ার সঙ্গে কঠোর আচরণ না করার ব্যাপারে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাকরন বক্তব্য দেওয়ার পর ইউক্রেন তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করে এর কঠোর প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে।
ম্যাকরন গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাতকারে বলেছেন, “আমাদের কারো উচিত হবে না রাশিয়াকে অবমাননা করে কথা বলা, যাতে যুদ্ধ থেমে যাওয়ার পর কূটনৈতিক উপায়ে বিরাজমান সমস্যা সমাধানের পথ খোলা থাকে।”
তার এ বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিমিত্রি কুলেবা এক টুইটবার্তায় বলেছেন, “রাশিয়াকে অবমাননা করা থেকে বিরত থাকার জন্য ফ্রান্সসহ ইউরোপের যে কোনও দেশের আহ্বান বরং ওই দেশগুলোর জন্যই অবমাননাকর এবং ফরাসি প্রেসিডেন্ট রাশিয়াকে অবমাননা না করার কথা বলে প্রকৃতপক্ষে তিনি নিজেই নিজেকে অবমাননা করেছে।”
পর্যবেক্ষকরা মতে, ফ্রান্স ও ইউক্রেনের মুখোমুখি অবস্থান ও তীব্র বিতর্ক থেকে রাশিয়াকে নিয়ে ইউরোপীয়দের মধ্যে গভীর মতপার্থক্য ও বড় ধরনের বিভেদ লক্ষ্য করা যায়। ফ্রান্স, জার্মানি ও ইতালির মতো ইউরোপের বৃহৎ দেশগুলোর সঙ্গে রাশিয়ার দীর্ঘদিন ধরে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় আছে।
বিশেষ করে অর্থনৈতিক, জ্বালানি ও ইউরোপে নিরাপত্তা ক্ষেত্রে রাশিয়ার সঙ্গে সহযোগিতা অনেক পুরাতন। এ অবস্থায় ওই দেশগুলো রাশিয়াকে অবমাননা না করা, ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান গ্রহণ না করা এবং সর্বোপরি যত দ্রুত সম্ভব যুদ্ধ বন্ধ করে ওই অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে কথা বলছে।
অন্যদিকে ব্রিটেন, পোল্যান্ড ও পূর্ব ইউরোপের বাল্টিক অঞ্চলের দেশগুলো চাইছে রাশিয়াকে সামরিক উপায়ে পরাজিত করার জন্য সবাই যেন ইউক্রেনকে সহযোগিতা করে। এই দেশগুলো মনে করে মস্কোকে পরাজিত করা ছাড়া বিশ্বে বিশেষ করে ইউরোপে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়।
প্রকৃতপক্ষে, ইউরোপে মার্কিন মিত্ররা যুদ্ধংদেহী মনোভাব দেখালেও ইউরোপের বৃহৎ ও প্রভাবশালী দেশগুলো ভালো করেই জানে পরমাণু অস্ত্রধর রাশিয়া সামরিক দিক দিয়ে অনেক শক্তিশালী একটি দেশ। এ রকম একটি দেশকে উস্কানি দেওয়া হলে ইউরোপের জন্য অনেক বড় বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। এ অবস্থায় ইউরোপের যেসব দেশ রাশিয়াকে এক হাত দেখে নিতে চায় তারা আসলে অনেক বড় ঝুঁকি নিচ্ছে এবং গোটা ইউরোপের নিরাপত্তাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে। অথচ আটলান্টিকের ওপারে যে আমেরিকার উস্কানিতে ইউরোপের এ দেশগুলো নিজেদেরকে ঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দিয়েছে সেই আমেরিকার জন্য কোনও ধরনের নিরাপত্তা সংকট তৈরি হয়নি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যে ইউরোপ শান্তিতে ছিল সেই ইউরোপ মার্কিন উস্কানিতে নজিরবিহীন বিপর্যয়ের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, রাশিয়াকে নিয়ে কি সত্যিই নিজেরা ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়তে যাচ্ছে ইউরোপীয় দেশগুলো? আর ওদিকে আটলান্টিকের ওপারে আমেরিকা নিজেদের নিরাপদ রেখে অস্ত্র ব্যবসা চালাতে যা করনীয় তাই করে যাবে কৌশলে। সূত্র: আল-জাজিরা/বিডি প্রতিদিন