a চিত্রনায়িকা একা দুই মামলায় কারাগারে
ঢাকা শুক্রবার, ১০ মাঘ ১৪৩২, ২৩ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

চিত্রনায়িকা একা দুই মামলায় কারাগারে


বিনোদন ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ০২ আগষ্ট, ২০২১, ১১:০৩
চিত্রনায়িকা একা দুই মামলায় কারাগারে

ফাইল ছবি

গৃহকর্মী নির্যাতন ও মাদকদ্রব্য আইনে করা পৃথক দুই মামলায় চিত্রনায়িকা একার রিমান্ড ও জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল রবিবার (১ আগস্ট) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসিমের আদালত শুনানি শেষে নায়িকা একাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আদালতের সংশ্লিষ্ট সাধারণ নিবন্ধন শাখা থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে শনিবার (৩১ জুলাই) গৃহকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগে ঢাকাই সিনেমার অভিনেত্রী একাকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার বিকেলে তাকে আটক করার পর রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় নেওয়া হয়। গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন হাতিরঝিল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মহিউদ্দিন। তিনি জানান, ‘গৃহকর্মী হাজেরা বেগমকে (৩০) নির্যাতনের অভিযোগে চিত্রনায়িকা একাকে আটকের সময় রামপুরার বন্ধুনিবাসে অবস্থিত তার বাসা থেকে বিদেশি মদ ও ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। একার বিরুদ্ধে মাদক ও গৃহকর্মী নির্যাতন আইনে দু’টি মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

এর আগে, নায়িকা একা তার গৃহকর্মীকে নির্যাতন করেছেন বলে ৯৯৯-এ অভিযোগ যায়। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পুলিশ তাকে বাসা থেকে হাতিরঝিল থানায় নিয়ে যায়। সেখানে বেশকিছু সময় জিজ্ঞাসাবাদের পর একাকে আটক করে পুলিশ।

হাতিরঝিল থানা পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর নায়িকা একার বাসার গৃহকর্মী হাজেরা বেগমকে (৩৫) ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে হাজেরা বেগম থানায় গিয়ে অভিযোগ করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালে ‘রঙিন রাখাল রাজা’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে চিত্রনায়িকা একার। তিনি ১৯৯৯ সালে কাজী হায়াতের ‘ধর’ ও ‘তেজি’ সিনেমা দু’টির মাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান। দুটিতেই তার নায়ক ছিলেন প্রয়াত মান্না।

এরপর রুবেল, আমিন খান, আলেকজান্ডার বো ও অমিত হাসানের সঙ্গে জুটি বেঁধেও সফলতা পান একা। সর্বশেষ ২০০৮ সালে তাকে ‘বাহাদুর সন্তান’ সিনেমায় দেখা গেছে। এরপর অনেক দিন ধরে নতুন কোনো সিনেমায় দেখা যায়নি নায়িকা একাকে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

রীতিমত সার্কাস  চলছে পরীমনিকে নিয়ে: সিটি ব্যাংকের এমডি


এমএস. প্রতিদিন ডেস্ক::
বুধবার, ১১ আগষ্ট, ২০২১, ০৫:৫১
রীতিমত সার্কাস  চলছে পরীমনিকে নিয়ে: সিটি ব্যাংকের এমডি

ফাইল ছবি

মাদক মামলায় গ্রেফতার চিত্রনায়িকা পরীমনিকে নিয়ে সারা দেশে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। গত এক সপ্তাহ ধরে সংবাদমাধ্যমে খবরের শিরোনামে ঠাঁই পেয়েছে তার নাম। এক কথায় টক অব দ্য কান্ট্রি। এদিকে পরীমনি ইস্যুতে আরো বেশ কিছু নাম জড়িয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তালিকায়।

গ্রেফতার হয়েছেন রাজ মাল্টিমিডিয়া প্রযোজনা কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা নজরুল ইসলাম রাজ। এদিকে পরীমনিকে বিলাসবহুল গাড়ি উপহার দিয়েছেন সিটি ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসরুর আরেফিন— সম্প্রতি গণমাধ্যমে এমন একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

এ সংবাদকে মিথ্যাচার বলে দাবি করেন সিটি ব্যাংকের এমডি মন্তব্য করেছেন, পরীমনিকে নিয়ে যা চলছে তা একটা রীতিমত সার্কাস।

মঙ্গলবার রাতে এমন মন্তব্য লিখে নিজের ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন মাসরুর আরেফিন।

তার দীর্ঘ স্ট্যাটাসের একটি অংশে লেখা রয়েছে, ‘আগস্ট আবছায়া’ ও ‘আন্ডারগ্রাউন্ড’ উপন্যাসের প্রধান কথা এই যে, নির্বিচার নৃশংসতা কারও ওপরেই না চলুক—দেশ নির্মাতার ওপরেও না, কোনো কবি ও কার্টুনিস্টের ওপরেও না। পরীমনিকে নিয়ে যা চলছে তা একটা রীতিমত সার্কাস, যা কিনা এভাবে চলতে থাকলে আমরা শিগগির ভাল্লুকের ডাক শিখে ফেলতে যাচ্ছি নিশ্চিত। ওই ডাকেরই ভদ্রস্থ নাম—সহিংসতা। সহিংস হয়েন না। মায়া রাখুন মানুষের প্রতি। এক নিৎশের ‘ডাক’ শুনে হিটলার হিটলার হয়েছিলেন। 

পরীমনি কাণ্ডে যা দেখছি তাতে মনে হচ্ছে সবার হাতে একটা করে জীবনানন্দ দাশের ‘রূপসী বাংলা’ তুলে দিই, যাতে করে নিস্তব্ধ দুপুরে চালতে গাছের ছায়ায় দাঁড়িয়ে চিলের ‘ডাক’ শোনার কল্পনা করে আপনি মাথা ঠাণ্ডা রাখতে পারেন। ভালবাসা সবার জন্য, ব্যক্তিমানুষ পরীমনিসহ। ন্যায়বিচারই প্রাপ্য তার, আর প্রাপ্য—বিচারের আগেই ছিন্নভিন্ন না হয়ে যাওয়া। আইনের বিচারের আগেই কেউ যেন সমাজের বিচারের হাতে টুকরো না হয়ে যায়। কারণ এইটা ট্রাইবাল-নৃশংস-খুনি এক হায়েনা-গোত্রের, দাঁত ও জিভ বের করে বিকৃত নৃশংসতার প্রেমে পড়ে থাকা, ‘গ্রাম্য’ সমাজ।’

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

অপরিচ্ছন মাস্ক ব্যবহারেও হতে পারে ব্লাক ফাঙ্গাস


এম.এস প্রতিদিন ডেস্ক
রবিবার, ২৩ মে, ২০২১, ০২:৫৫
অপরিচ্ছন মাস্ক ব্যবহারেও হতে পারে ব্লাক ফাঙ্গাস

ফাইল ছবি

ভারতে ইতোমধ্যে করোনা ভাইরাসের নতুনরুপ হিসেবে ব্লাক এবং হোয়াইট ফাঙ্গাসের দেখা মিলেছে। এসব ফাঙ্গাস হওয়ার পিছনে বিশেষ কিছু কারণ রয়েছে ভারতীয় একদল চিকিৎসকের দাবি ব্ল্যাক ফাঙ্গাস বা কালো ছত্রাক সংক্রমণের জন্য অপরিচ্ছন্নতা নোংরা মাস্ক ব্যবহার একটি বড় কারণ বলে দাবি তাদের। কেউ যদি মাস্ক না ধুয়ে টানা দুই/তিন সপ্তাহ ব্যবহার করে তাহলে এই সংক্রমণ আশংকা রয়েছে।

রবিবার (২৩ মে) ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজারের বরাত দিয়ে এক ভারতীয় চিকিৎসক বলেছেন, অপরিচ্ছন্ন মাস্ক ব্যবহারের পাশাপাশি স্টেরয়েড ব্যবহারকেও কালো ছত্রাক সংক্রমণের জন্য দায়ী করেছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, স্নায়ুবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক, চিকিৎসক পি শরৎ চন্দ্র সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, অপরিচ্ছন্নতা ছত্রাক জাতীয় সংক্রমণের পিছনে বড় কারণ। তাঁর কথায়, ‘অনেকেই আছে যারা ২-৩ সপ্তাহের বেশি সময় না ধুয়ে একই মাস্ক ব্যবহার করে থাকেন'প্রতিরোধে নিয়মিত মাস্ক পরিবর্তন বা সেটিকে সাবান দিয়ে ভাল করে ধুয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন তিনি।

যদিও তার এসব কথার পিছনে এখনও যথেষ্ট পরিমাণে প্রমাণ নেই। তাছাড়া স্বাভাবিকভাবেই বুঝা যায় অপরিচ্ছন্ন যেকোন পদার্থ থেকেও রোগ ছড়াতে পারে।

ভারতীয় আরেক নামতরা বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক সুরেশ সিংহ নারুকা সংবাদমাধ্যম পিটিআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করেছেন ব্লাক বা হোয়াইট ফাঙ্গাস সংক্রমণের পিছনে যেমন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ বিশাল ভূমিকা রাখতে পারে তেমনি আলোবাতাস ঢুকে না এমন ঘরে বসবাস কারীদেরও এই ফাঙ্গাসে সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - বিনোদন