a
ফাইল ছবি
নাগোর্নো-কারাবাখ নিয়ে গত বছরের সেপ্টেম্বরে আর্মেনিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়েছিল আজারবাইজান। ৪৪ দিনব্যাপী চলা সেই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ নভেম্বরের ১০ তারিখ রাশিয়ার মধ্যস্থতায় থেমে যায়। আজারবাইজান ফিরে পায় তাদের কাঙ্খিত নাগোর্নো-কারাবাখ অঞ্চল। কিন্তু এর বিনিময়ে আজারবাইজানকে ২ হাজার ৯০০ জন সৈন্যকে প্রাণ দিতে হয়েছে।
বুধবার (২ জুন) আজারবাইজানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এমনটাই দাবি করে। এদিন ৪৪ দিনের যুদ্ধে (২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ থেকে ১০ নভেম্বর ২০২০) যে ২ হাজার ৯০০ জন সৈন্য প্রাণ শহীদ হয়েছেন সেখানে তাদের নাম, ডাকনাম, জন্ম তারিখ, র্যাঙ্ক, ব্যাজসহ বিস্তারিত তালিকা তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে।
পাশাপাশি যারা এখনো নিখোঁজ রয়েছেন তাদের তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে। আর নিখোঁজ সৈন্যদের খুঁজে বের করার সকল প্রক্রিয়া অব্যহত থাকবে বলেও জানান তিনি। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।
ফাইল ছবি: ড. ইউনুস ও কেনেডির মেয়ে
শান্তিতে নোবেলজয়ী বাংলাদেশি অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ওপর অত্যাচার বন্ধের দাবি জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের বিশিষ্ট আইনজীবী, লেখক ও মানবাধিকারকর্মী কেরি কেনেডি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে এক পোস্টে তিনি এ দাবি জানান।
কেরি কেনেডি বিশ্বখ্যাত মানবাধিকারবিষয়ক সংগঠন রবার্ট এফ কেনেডি হিউম্যান রাইটসের প্রেসিডেন্ট। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক সিনেটর রবার্ট এফ কেনেডির মেয়ে এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডির ভাতিজি।
ড. ইউনূসকে নিজের প্রিয় বন্ধু সম্বোধন করে কেরি কেনেডি লেখেন- ‘আমার প্রিয় বন্ধু এবং নোবেল বিজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসের ওপর অত্যাচার বন্ধ করতে হবে! আমিসহ ১৬০ জনের বেশি বিশ্বনেতা (তার প্রতি) ন্যায়বিচারের জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।’
প্রসঙ্গত, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি বাংলাদেশ সরকারের আচরণের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ জানিয়ে চলতি বছরের মার্চ মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে খোলাচিঠি লিখেছিলেন রাজনীতি, কূটনীতি, ব্যবসা, শিল্পকলা ও শিক্ষাক্ষেত্রের ৪০ জন বিশ্বনেতা। তাদের মধ্যে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন ও সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট আল গোর, জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুন, আয়ারল্যান্ডের সাবেক প্রেসিডেন্ট মেরি রবিনসন, প্রয়াত মার্কিন সিনেটর এডওয়ার্ড এম কেনেডির ছেলে টেড কেনেডি জুনিয়রের মতো আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ব্যক্তিত্বরা।
ওই খোলা চিঠির ধারাবাহিকতায় এবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবর ১০০ জনেরও বেশি নোবেল বিজয়ীসহ ১৬০ জনেরও বেশি বিশ্বনেতা একটি নতুন চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন, পূর্বতিমুরের প্রেসিডেন্ট হোসে রামোস-হোর্তা, আয়ারল্যান্ডের সাবেক প্রেসিডেন্ট মেরি রবিনসন, জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুনের মতো ব্যক্তিত্ব। ওই চিঠিতে স্বাক্ষরকারীদের একজন, রেজাল্টস অ্যান্ড সিভিক কারেজের প্রতিষ্ঠাতা স্যাম ডেলি-হ্যারিস এক বিজ্ঞপ্তিতে চিঠিটি প্রকাশ করেছেন। সূত্র: যুগান্তর
ড. হাছান মাহমুদ
যেসব নেতারা নিজের স্বার্থে ইসলামকে ব্যবহার করে, ফতোয়া দেয়, গরম গরম বক্তব্য দেয়, অথচ নিজের জীবন ইসলাম সম্মতভাবে পরিচালনা করে না- এ ধরনের নষ্ট-ভণ্ড নেতৃত্বকে বর্জন করার জন্য মাদ্রাসার শিক্ষক-ছাত্রদের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।
আজ দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
আল্লামা মামুনুল হকের বিষয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘প্রথমত গতকাল আমি অবাক বিস্ময়ে দেখলাম, মূলত দেশ ডিজিটাল হওয়ার কারণেই এটি লাইভ দেখতে পেলাম। একজন নারীসহ হেফাজতের নেতা মামুনুল হককে কিছু মানুষ আটক করেছেন। সেখানে তিনি আল্লাহর কসম খেয়ে বলেছেন, সেই নারী তার বিবাহিত স্ত্রী। যদিও মামুনুল হক তার যে নাম বলেছেন, ওই নারী নিজের ভিন্ন নাম বলেছেন। ওই নারীর বাবার নাম মামুনুল হক যেটা বলেছেন, সেটার সঙ্গেও মিল নেই। এর কিছুক্ষণ পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুনতে পেলাম মামুনুল হক তার স্ত্রীকে কল দিয়ে বলেছেন, তুমি কিছু মনে করো না, এটা শহীদ ভাইয়ের স্ত্রী।’
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, উত্তেজিত জনতা যখন মামুনুল হককে আটক করেছে তখন তিনি আল্লাহর কসম খেয়ে বলছেন, ওই নারী তার স্ত্রী, অপরদিকে বিবাহিত স্ত্রীকে কল দিয়ে তিনি বলছেন, ‘তুমি কিছু মনে করো না, আমি পরিস্থিতির কারণে বলেছি। এ ঘটনাগুলো হেফাজতে ইসলামের নেতাদেরও যারা এদের সমর্থন করেন তাদের কেমন লাগছে জানি না। তবে আমার ভিশন লজ্জা হচ্ছে। আসলে এসব নেতারা মামুনুল হকসহ যারা দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে অপচেষ্টা চালিয়েছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে যে তাণ্ডব চালিয়েছে। তাদের নেতৃত্ব নষ্ট ও ভণ্ড এটিরই প্রমাণ হচ্ছে গত কালের ঘটনার প্রবাহ।
তিনি আরও বলেন, আমি এসমস্ত কারণে মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অনুরোধ জানাবো এসব নষ্ট ও ভণ্ড নেতৃত্বকে বর্জন করার। মামুনুল হকরা ইসলামের লেবাস পড়ে আসলে কি করছেন সেটিই গতকালকে বেরিয়ে এসেছে। তার ভাষায়, ইসলাম কখনো এগুলো অনুমোদন করে না। তিনি বলেন মামুনুল হক বলেছেন তিনি রিলাক্স করতে গেছেন।