a
ফাইল ছবি
নাগোর্নো-কারাবাখ নিয়ে গত বছরের সেপ্টেম্বরে আর্মেনিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়েছিল আজারবাইজান। ৪৪ দিনব্যাপী চলা সেই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ নভেম্বরের ১০ তারিখ রাশিয়ার মধ্যস্থতায় থেমে যায়। আজারবাইজান ফিরে পায় তাদের কাঙ্খিত নাগোর্নো-কারাবাখ অঞ্চল। কিন্তু এর বিনিময়ে আজারবাইজানকে ২ হাজার ৯০০ জন সৈন্যকে প্রাণ দিতে হয়েছে।
বুধবার (২ জুন) আজারবাইজানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এমনটাই দাবি করে। এদিন ৪৪ দিনের যুদ্ধে (২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ থেকে ১০ নভেম্বর ২০২০) যে ২ হাজার ৯০০ জন সৈন্য প্রাণ শহীদ হয়েছেন সেখানে তাদের নাম, ডাকনাম, জন্ম তারিখ, র্যাঙ্ক, ব্যাজসহ বিস্তারিত তালিকা তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে।
পাশাপাশি যারা এখনো নিখোঁজ রয়েছেন তাদের তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে। আর নিখোঁজ সৈন্যদের খুঁজে বের করার সকল প্রক্রিয়া অব্যহত থাকবে বলেও জানান তিনি। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।
ফাইল ছবি
ইউক্রেনে হামলা বন্ধ করার অনুরোধ জানাতে শুক্রবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লদামির পুতিনকে ফোন করেন জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎজ। রাশিয়ার মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকোভ ইঙ্গিত দিয়েছেন, জার্মান চ্যান্সেলরের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়েছে পুতিনের।
দুই নেতার ফোন কলের ব্যাপারে দিমিত্রি পেসকোভ বলেন, দুই নেতার মধ্যে কঠিন কিন্তু ভালো আলোচনা হয়েছে। তবে তাদের দুইজনের বাক্য বিনিময়কে সৌহার্দ্যপূর্ণ বলা যায় না। এটি ছিল কঠোরতর আলোচনা।
এদিকে গণমাধ্যম সিএনএন জানায়, জার্মান চ্যান্সেলরের কাছে পুতিন অভিযোগ করেছেন. ইউক্রেন শান্তি আলোচনা বিষয়ে সময়ক্ষেপণ করছে। রাশিয়া চাইছে দ্রুত সমাধান হোক কিন্তু ইউক্রেন সমঝোতার আলোচনা দীর্ঘায়িত করতে চাচ্ছে।
এ ব্যাপারে পুতিন চ্যান্সেলর শলৎজকে বলেন, এটা বলতে হয় সমঝোতার সময় বাড়ানোর সব চেষ্টা করছে কিয়েভ প্রশাসন। তারা একটির পর একটি অবাস্তব প্রস্তাব সামনে আনার চেষ্টা করছে। তা স্বত্ত্বেও সমস্যা সমাধানের পথ খুঁজতে রাশিয়া তৎপর।
এদিকে জার্মানির সরকারি দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎজ দ্রুততম সময়ের মধ্যে ইউক্রেনে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিতে পুতিনকে অনুরোধ করেন। তাছাড়া মানবিক করিডোর তৈরির জন্যও তিনি পুতিনকে অনুরোধ জানান। সূত্র: সিএনএন
ফাইল ছবি
জামালপুরের ইসলামপুরে যমুনা-ব্রহ্মপুত্র, দশআনীসহ সবগুলো নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। যমুনার পানি বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্টে ৩৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে নদীর তীরবর্তী এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে তলিয়ে গেছে হাজার হাজার একর রোপা আমন ধান, বীজতলা ও শাক-সবজির ক্ষেত।
এ বছর সময় মতো বন্যা না হওয়ায় কৃষকরা রোপা আমনসহ নানা ফসল করেছেন। নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় অসময়ে বন্যায় পানির কারণে দিশেহারা হয়ে পড়েছে প্রান্তিক কৃষকরা।
চিনাডুলি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস ছালাম জানান, ইতোমধ্যে ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা পানিতে ডুবে গেছে।
সাপধরী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন বলেন, যমুনা আমার ইউনিয়নকে জালের ন্যায় ঘিরে রেখেছে। ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর বন্যা হবে না এমন ধারণা থেকে কৃষকরা এক টুকরো জমিও খালি রাখেননি। এই অসময়ের বন্যা কৃষকদের ক্ষয়ক্ষতির মুখে ফেলে দিয়েছে।
উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মেহেদি হাসান টিটু জানান, এ পযর্ন্ত পাঁচ হাজার পরিবারের ২৫ হাজারের অধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র সূত্র জানায়, আগামী সাত দিন পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে।
এদিকে, জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, যমুনার পানি বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।