a
ফাইল ছবি
ইউক্রেনে তৃতীয় দিনের মতো রুশ বাহিনীর হামলা চলছে। ইতোমধ্যে রুশ সেনারা রাজধানী কিয়েভে প্রবেশ করেছে। সেখানে দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল লড়াই চলছে। এর মধ্যে রাশিয়ার চেচনিয়া অঞ্চলের নেতা বলেছেন, তিনি ইউক্রেনে তার যোদ্ধাদের পাঠিয়েছেন। তারা রুশ সেনাদের সঙ্গে কাথে কাথ মিলিয়ে যুদ্ধ করবে।
অনলাইনে পোস্ট করা এক ভিডিওতে রামযান কাদিরভ বলেন, চেচেন বাহিনী এখন পর্যন্ত ইউক্রেনের একটি সামরিক স্থাপনা সফলভাবে দখল করতে সক্ষম হয়েছে। ওই ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।
রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় এই প্রজাতন্ত্রের নেতা রুশ প্রেসিডেন্টের ঘনিষ্ঠ একজন মিত্র হিসেবে পরিচিত।
রাশিয়ার আক্রমণকে সমর্থন করে কাদিরভ বলেছেন, ইউক্রেনের ওপর হামলা চালানোর যে সিদ্ধান্ত পুতিন নিয়েছেন তা মস্কোর শত্রুদের ইউক্রেনের মাটি ব্যবহার করে রাশিয়ার ওপর হামলা চালানোর সুযোগ প্রতিহত করবে।
ফাইল ছবি
পূর্ব ইউক্রেনের সেভেরোদোনেৎস্ক শহর দখলের জন্য তীব্র যুদ্ধ চলছে, শহরটির ৭০ শতাংশ বেশি এলাকা এখন রুশ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে; তারা ইতোমধ্যেই শহরটির কেন্দ্রস্থল থেকে ইউক্রেনীয় সৈন্যদের তাড়িয়ে দিয়েছে। সেভেরোদোনেৎস্ক অভিমুখী সব সেতু ধ্বংস করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আঞ্চলিক গভর্নর সেরহাই গাইদাই। খবর বিবিসির।
গাইদাই বলেন, শহরটি কার্যকরভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় লড়াই চলতে থাকা শহরটিতে রসদ সরবরাহ এবং বেসামরিকদের সরিয়ে নেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সেভেরোদোনেৎস্ক শহর দখল রাশিয়ার অন্যতম সামরিক লক্ষ্য বস্তু পরিণত হয়েছে। সেভেরোদোনেৎস্ক এবং কাছে লিসিচানস্ক শহরের নিয়ন্ত্রণ পেলে মস্কো পুরো লুহানস্ক অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করবে। এই অঞ্চলের বেশিরভাগ এলাকা ইতোমধ্যেই নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে রুশপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদীরা।
টেলিগ্রাম পোস্টে গাইদাই জানান, সেভেরোদোনেৎস্কের তিনটি সেতুই ধ্বংস হয়ে গেছে। এই শহরে যেসব বাসিন্দারা থেকে গেছেন তারা কঠিন পরিস্থিতির মাঝে দিনাতিপাত করছেন।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, শহরটির জন্য মানুষের যে মূল্য দিতে হয়েছে তা ‘ভয়াবহ’। তিনি বলেন, ইউক্রেনীয় সেনারা প্রতি মিটারের জন্য লড়াই করতে রুশ বাহিনীকে বাধ্য করেছে।
এদিকে, রুশপন্থী স্বঘোষিত দোনেৎস্ক পিপলস রিপাবলিকের এক সামরিক মুখপাত্র বলেছেন, শহরটিতে থেকে যাওয়া ইউক্রেনীয় সেনাদের অবশ্যই ‘আত্মসমর্পণ করতে হবে নয়তো মরতে হবে’। সূত্র: আমাদের সময়
জো বাইডেন ও নরেন্দ্র মোদি
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের তাণ্ডবে মহাবিপর্যয়ে আছে ভারত। অক্সিজেনসহ প্রায় সকল চিকিৎসা সামগ্রীর অভাবে ইতমধ্যে দিশেহারা হয়ে পড়েছে দেশটি।
মৃত্যু ও সংক্রমণ দুটোই দিন দিন বেড়েই চলেছে। ইতোমধ্যে দেশটিতে দৈনিক সংক্রমণ সাড়ে ৩ লাখ ছাড়িয়েছে।
আমেরিকার মতোই করোনার ধাক্কায় ভারতের পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে পড়েছে। এসব পরিস্থতিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এ সময় করোনাভাইরাস মোকাবিলায় আমেরিকা এবং ভারত যৌথভাবে কাজ করতে একমত হয়েছেন।
সোমবার রাতে ফোনে এসব বিষয়ে আলোচনা হয় দুই রাষ্ট্র প্রধানের সাথে। হোয়াইট হাউস থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ খবর জানানো হয়।
দু’দেশের শীর্ষনেতার মধ্যে আলোচনায় ভারতের কোভিড রোগীরা যে শোচনীয় অবস্থায় রয়েছেন, তা নিয়েও কথাবার্তা হয়েছে বলে জানায় হোয়াইট হাউস।
করোনা টিকার কাঁচামাল সরবরাহ করার ব্যাপারে পূর্বের অবস্থান থেকে সরে এসে ভারতকে রবিবারই টিকার কাঁচামাল সরবরাহের আশ্বাস দিয়েছিল আমেরিকা। তার একদিন পর সোমবার বাইডেন জানিয়েছেন, ভারতের করোনা রোগীদের চিকিৎসায় আপৎকালীন সব ধরণের সহযোগিতা করবে তার প্রশাসন।