a
ফাইল ছবি
ইউক্রেনে তৃতীয় দিনের মতো রুশ বাহিনীর হামলা চলছে। ইতোমধ্যে রুশ সেনারা রাজধানী কিয়েভে প্রবেশ করেছে। সেখানে দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল লড়াই চলছে। এর মধ্যে রাশিয়ার চেচনিয়া অঞ্চলের নেতা বলেছেন, তিনি ইউক্রেনে তার যোদ্ধাদের পাঠিয়েছেন। তারা রুশ সেনাদের সঙ্গে কাথে কাথ মিলিয়ে যুদ্ধ করবে।
অনলাইনে পোস্ট করা এক ভিডিওতে রামযান কাদিরভ বলেন, চেচেন বাহিনী এখন পর্যন্ত ইউক্রেনের একটি সামরিক স্থাপনা সফলভাবে দখল করতে সক্ষম হয়েছে। ওই ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।
রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় এই প্রজাতন্ত্রের নেতা রুশ প্রেসিডেন্টের ঘনিষ্ঠ একজন মিত্র হিসেবে পরিচিত।
রাশিয়ার আক্রমণকে সমর্থন করে কাদিরভ বলেছেন, ইউক্রেনের ওপর হামলা চালানোর যে সিদ্ধান্ত পুতিন নিয়েছেন তা মস্কোর শত্রুদের ইউক্রেনের মাটি ব্যবহার করে রাশিয়ার ওপর হামলা চালানোর সুযোগ প্রতিহত করবে।
ফাইল ছবি
বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারি ও দীর্ঘদিন ধরে লিবিয়ার পরিস্থিতি প্রতিকূলে থাকার কারণে দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর বেনগাজিসহ পূর্বাঞ্চলীয় শহরগুলোতে আটকে পড়ে শত শত বাংলাদেশি। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এর সহযোগিতায় তাদেরকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার।
সে প্রেক্ষিতেই আজ ১৬০ বাংলাদেশি দেশি ফিরলো। বুরাক এয়ারের একটি বিশেষ ফ্লাইটে আজ বুধবার (৫ মে) সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তাঁরা। গতকাল মঙ্গলবার (৪ মে) ১৬০ বাংলাদেশিকে নিয়ে লিবিয়ার বেনগাজি বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসে আইওএম এর চার্টার্ড করা বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইট।
ফ্লাইটটি আজ বুধবার সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। আজকে ফেরত আসা যাত্রীদের ফ্লাইটে লিবিয়ায় মৃত্যুবরণকারী একজন বাংলাদেশি নাগরিকের মৃতদেহও দেশে আনা হয়েছে।
দেশে আসার সাথে সাথেই সরকার নির্ধারিত নিয়মঅনুযায়ী বিমানবন্দরে তাঁদের স্বাস্থ্য পরীক্ষাসহ প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাঁরা সবাই নিজ ইচ্ছায় দেশে ফেরত এসেছেন।
তারা অনেকেই সেখানেই দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছিল, পরবর্তীতে বিভিন্ন কারণে দেশে ফেরার অপেক্ষায় ছিল কিন্তু করোনার কারনে তা সম্ভন হয়ে উঠছিল না। তাছাড়া লিবিয়ার বর্তমান আর্থ-সামাজিক অবস্থা চিন্তা করে তাঁরা দেশে ফিরে এসেছেন। তাদের এমন পরিস্থিতি বাংলাদেশ সরকার অবহিত হলে সরকারের পক্ষ থেকে আইওএম এর সহায়তায় লিবিয়ায় আটকে পড়া সকল বাংলাদেশিদের একে একে দেশে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে।
করোনা পরিস্থিতিতে লিবিয়ায় আটকে পড়াদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য এটি নবম ফ্লাইট। এসব ফ্লাইটে এখন পর্যন্ত মোট ১৩৭৯ জন অভিবাসীকে লিবিয়া থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
ফাইল ছবি
দীর্ঘ ১ যুগের সম্পর্কের অবসান ঘটেছে। বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়েছেন জনপ্রিয় পপ গায়িকা শাকিরা এবং তার সঙ্গী তারকা ফুটবল খেলোয়াড় জেরার্ড পিকে। তাদের দুটি সন্তান রয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপি গত শনিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
এক যৌথ বিবৃতিতে সদ্য বিচ্ছেদের পথে হাঁটা এই তারকা জুটি জানান, আমরা দুঃখিত যে আমরা আমাদের বিচ্ছেদের বিষয়টি নিশ্চিত করছি। আমাদের সর্বাধিক অগ্রাধিকার, আমাদের সন্তান। তাদের ভালোর জন্য আমরা আমাদের গোপনীয়তাকে সম্মান জানানোর অনুরোধ করছি।
অবশ্য যতটা সহজভাবে তারা বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়েছেন, বিষয়টা ততটা সহজ নয়। শোনা যাচ্ছে পিকের পরকীয়াই নাকি বিচ্ছেদের অন্যতম কারন। এমনকি বিচ্ছেদের কারণে শাকিরাকে ‘অ্যাংজাইটি অ্যাটাক’ কারণে হাসপাতালে পর্যন্ত যেতে হয়। অ্যাম্বুলেন্সে উঠার সময়ও নাকি জনপ্রিয় এই তারকা কাঁদছিলেন!
পিকে আর শাকিরার গল্পের শুরুটা ২০১০ সালে। সে বছর বিশ্বকাপ ফুটবলের থিম সং গেয়েছিলেন এই পপ তারকা। বিশ্ব আক্রান্ত হয়েছিল শাকিরার গানের জ্বরে। সেই আঁচ লেগেছিল স্প্যানিয়ার্ড ডিফেন্ডার জেরার্ড পিকেরও। ১০ বছরের বড় শাকিরার সঙ্গে প্রণয়ে জড়ান তিনি। এরপর একই ছাদের নিচে কেটে গেছে ১২টি বছর। দুই সন্তানও রয়েছে এই দম্পতির। তবে টান কমে যাবে ভেবে বিয়ের পিঁড়িতে না বসলেও বন্ধনটা শেষে সমাপ্তিই টানল। সম্প্রতি শাকিরার একটি গানে তাদের বিচ্ছেদের ইঙ্গিত ছিল। সূত্র: ইত্তেফাক